অষ্টম শ্রেণির তৃতীয় ইউনিট টেস্ট ইতিহাস সাজেশন
অষ্টম শ্রেণির তৃতীয় ইউনিট টেস্ট ইতিহাস সাজেশন অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য WBNOTES.IN ওয়েবসাইটের পক্ষ থেকে প্রদান করা হলো। শিক্ষার্থীরা এই অষ্টম শ্রেণির সাজেশন অনুসরণ করে তাদের অষ্টম শ্রেণির ইতিহাস পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করতে পারবে।
আমাদের ওয়েবসাইটের Class Note বিভাগে বিবিধ বিষয়ের প্রশ্নের উত্তর, Mock Test বিভাগে একাধিক বিষয়ের অসংখ্য মক টেস্ট, Suggestion বিভাগে অধ্যায়ভিত্তিক সাজেশন প্রদান করা হয়। আমাদের সকল আপডেট লাভ করতে নিয়মিত ভিজিট করো আমাদের ওয়েবসাইটটি।
অষ্টম শ্রেণির তৃতীয় ইউনিট টেস্ট ইতিহাস সাজেশন :
পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের (WBBSE) মূল্যায়ন কাঠামো অনুযায়ী অষ্টম শ্রেণির ইতিহাস বিষয়ের তৃতীয় পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন মোট ৭০ নম্বরে অনুষ্ঠিত হয়। এতে মূলত শেষ পর্যায়ের নির্ধারিত অধ্যায়গুলি (ষষ্ঠ অধ্যায় থেকে নবম অধ্যায়) এবং বার্ষিক মূল্যায়নের জন্য পূর্ববর্তী গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো অন্তর্ভুক্ত থাকে।
এখানে মূল চারটি অন্তিম অধ্যায় – অধ্যায় ৬: জাতীয়তাবাদের প্রাথমিক বিকাশ, অধ্যায় ৭: ভারতের জাতীয় আন্দোলনের আদর্শ ও রূপ, অধ্যায় ৮: সাম্প্রদায়িকতা থেকে দেশভাগ এবং অধ্যায় ৯: ভারতীয় সংবিধানের মৌলিক দিক ও যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো -এর ওপর ভিত্তি করে সাজেশন নিম্নে প্রদান করা হলোঃ-
নম্বর বিভাজন কাঠামোঃ
| প্রশ্নের ধরন | মান | প্রশ্নের সংখ্যা (প্রায়) | মোট নম্বর |
| অতি-সংক্ষিপ্ত উত্তরভিত্তিক (MCQ/VSA) | ১ | ২০-২২ টি | ২০-২২ |
| সংক্ষিপ্ত উত্তরভিত্তিক প্রশ্ন | ২ | ৭-৮ টি | ১৪-১৬ |
| ব্যাখ্যামূলক / বিশ্লেষণধর্মী প্রশ্ন | ৩/৪/৫ | ৪-৫ টি | ১৮-২০ |
| দীর্ঘ উত্তরভিত্তিক / রচনাধর্মী প্রশ্ন | ৮ | ২টি (বিকল্পসহ) | ১৬ |
| মোট | ৭০ |
অধ্যায় ৬: জাতীয়তাবাদের প্রাথমিক বিকাশ
১ নম্বরের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন: ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস কত খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয়?
উত্তর: ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দে।
প্রশ্ন: জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম সভাপতি কে ছিলেন?
উত্তর: উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়।
প্রশ্ন: ইলবার্ট বিল বিতর্কের মূল কারণ কী ছিল?
উত্তর: ভারতীয় বিচারকদের ইউরোপীয় শ্বেতাঙ্গ অপরাধীদের বিচার করার অধিকার প্রদান।
প্রশ্ন: ‘ভার্নাকুলার প্রেস অ্যাক্ট’ বা দেশীয় সংবাদপত্র আইন কে জারি করেছিলেন?
উত্তর: লর্ড লিটন (১৮৭৮ সালে)।
প্রশ্ন: জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশন কোথায় বসেছিল?
উত্তর: বোম্বাইয়ের গোকুলদাস তেজপাল সংস্কৃত কলেজে।
প্রশ্ন: নরমপন্থী ও চরমপন্থীদের মধ্যে বিচ্ছেদ কোন অধিবেশনে ঘটেছিল?
উত্তর: ১৯০৭ সালের সুরাট অধিবেশনে।
প্রশ্ন: ‘সম্পদের বহির্গমন’ (Drain of Wealth) তত্ত্বটি কে প্রথম তুলে ধরেন?
উত্তর: দাদাভাই নওরোজি।
প্রশ্ন: হিন্দু মেলা কত খ্রিস্টাব্দে এবং কার উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়?
উত্তর: ১৮৬৭ খ্রিস্টাব্দে, নবগোপাল মিত্র ও রাজনারায়ণ বসুর উদ্যোগে।
প্রশ্ন: ভারত সভা (Indian Association) কবে এবং কাদের নেতৃত্বে গঠিত হয়?
উত্তর: ১৮৭৬ খ্রিস্টাব্দে, সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় ও আনন্দমোহন বসুর নেতৃত্বে।
প্রশ্ন: ‘অস্ত্র আইন’ (Arms Act) কবে জারি হয়?
উত্তর: ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে।
প্রশ্ন: জাতীয় কংগ্রেসের দ্বিতীয় অধিবেশনের সভাপতি কে ছিলেন?
উত্তর: দাদাভাই নওরোজি (১৮৮৬ সালে, কলকাতায়)।
প্রশ্ন: সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থটির নাম কী?
উত্তর: A Nation in Making।
প্রশ্ন: কোন ভাইসরয়ের আমলে ইলবার্ট বিল সংশোধিত হয়?
উত্তর: লর্ড রিপন।
প্রশ্ন: নরমপন্থীদের প্রধান তিনজন নেতা কারা ছিলেন?
উত্তর: দাদাভাই নওরোজি, গোপালকৃষ্ণ গোখলে এবং ফিরোজশাহ মেহতা।
প্রশ্ন: ‘স্বরাজ আমার জন্মগত অধিকার’—উক্তিটি কার?
উত্তর: বাল গঙ্গাধর তিলক।
প্রশ্ন: ‘লাল-বাল-পাল’ ত্রয়ী নামে কারা পরিচিত ছিলেন?
উত্তর: লালা লাজপত রায়, বাল গঙ্গাধর তিলক এবং বিপিনচন্দ্র পাল।
প্রশ্ন: জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মহিলা সভাপতি কে ছিলেন?
উত্তর: অ্যানি বেসান্ত (১৯১৭ সালে)।
@ অষ্টম শ্রেণির তৃতীয় ইউনিট টেস্ট ইতিহাস সাজেশন – WBNOTES.IN
২ ও ৩ নম্বরের সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্ন: ইলবার্ট বিল বিতর্ক বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: লর্ড রিপনের আইনসচিব স্যার সি. পি. ইলবার্ট ভারতীয় বিচারকদের ইউরোপীয়দের বিচার করার অধিকার দিয়ে ১৮৮৩ সালে একটি বিল আনেন। বর্ণবিদ্বেষী ইউরোপীয়রা এর তীব্র বিরোধিতা করে ‘ইউরোপিয়ান ডিফেন্স অ্যাসোসিয়েশন’ গঠন করে আন্দোলন চালায়। এই আন্দোলন ইলবার্ট বিল বিতর্ক নামে পরিচিত।
প্রশ্ন: জাতীয় কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠায় হিউমের ভূমিকা বা ‘সেফটি ভালভ তত্ত্ব’ কী?
উত্তর: ভারতীয়দের ব্রিটিশবিরোধী পুঞ্জীভূত ক্ষোভ যাতে কোনো সশস্ত্র অভ্যুত্থানে রূপ না নেয়, সেজন্য অবসরপ্রাপ্ত ইংরেজ সিভিলিয়ান অ্যালান অক্টাভিয়ান হিউম একটি সাংবিধানিক মঞ্চ তৈরি করতে লর্ড ডাফরিনকে পরামর্শ দেন। ব্রিটিশ শাসনকে নিরাপদে রাখার এই ধারণাকে ‘সেফটি ভালভ’ বলা হয়।
প্রশ্ন: নরমপন্থীদের কার্যপদ্ধতিকে ‘ভিক্ষাবৃত্তি’ বা ‘আবেদন-নিবেদনের নীতি’ বলা হতো কেন?
উত্তর: জাতীয় কংগ্রেসের প্রাথমিক পর্যায়ের নরমপন্থী নেতারা সরাসরি কোনো সহিংস বা চরম আন্দোলনের পক্ষপাতী ছিলেন না। তাঁরা সরকারের কাছে আবেদন, নিবেদন, স্মারকলিপি প্রদান ও সভার মাধ্যমে সুযোগ-সুবিধা আদায়ে বিশ্বাস করতেন। এই নিষ্ক্রিয় নীতির কারণে চরমপন্থীরা একে কটাক্ষ করে ‘ভিক্ষাবৃত্তি’ বলতেন।
প্রশ্ন: অর্থনৈতিক জাতীয়তাবাদ বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: দাদাভাই নওরোজি, রমেশচন্দ্র দত্ত প্রমুখ বুদ্ধিজীবী ব্রিটিশ সরকারের শুল্কনীতি, একমুখী বাণিজ্য এবং সম্পদের বহির্গমনের মাধ্যমে ভারতীয় অর্থনীতির যে শোষণ চলছিল, তা সুস্পষ্ট পরিসংখ্যানের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরে জনমত গড়ে তোলেন। এটিই অর্থনৈতিক জাতীয়তাবাদ।
প্রশ্ন: হিন্দু মেলা প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য কী ছিল?
উত্তর: দেশীয় শিল্প, সাহিত্য, শরীরচর্চা ও সংস্কৃতির বিকাশ ঘটিয়ে সাধারণ যুবসমাজের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ও স্বদেশপ্রেম জাগ্রত করাই ছিল হিন্দু মেলার মূল লক্ষ্য।
প্রশ্ন: সুরাট বিভাজনের (১৯০৭) প্রত্যক্ষ ফলাফল কী হয়েছিল?
উত্তর: কংগ্রেস নরমপন্থী ও চরমপন্থী—এই দুই স্পষ্ট ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। জাতীয়তাবাদী আন্দোলন সাময়িকভাবে শক্তিহীন হয়ে পড়ে এবং ব্রিটিশ সরকার কঠোর হাতে চরমপন্থীদের দমন করার সুযোগ পায়।
৫ ও ৮ নম্বরের বিশ্লেষণধর্মী প্রশ্ন
ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের উত্থানে নরমপন্থী ও চরমপন্থী পর্বের মতাদর্শগত পার্থক্য বিশ্লেষণ করুন।
উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে ভারতে আধুনিক জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক সংগঠন গড়ে ওঠার পটভূমি ও ইলবার্ট বিলের প্রতিক্রিয়া আলোচনা করুন।
@ অষ্টম শ্রেণির তৃতীয় ইউনিট টেস্ট ইতিহাস সাজেশন – WBNOTES.IN
অধ্যায় ৭: ভারতের জাতীয় আন্দোলনের আদর্শ ও রূপ
১ নম্বরের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন: বঙ্গভঙ্গ কত খ্রিস্টাব্দে কার্যকর হয়?
উত্তর: ১৯০৫ সালের ১৬ই অক্টোবর (লর্ড কার্জনের আমলে)।
প্রশ্ন: বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন উৎসব শুরু করেন?
উত্তর: রাখিবন্ধন উৎসব।
প্রশ্ন: জালিয়ানওয়ালাবাগের হত্যাকাণ্ড কবে ঘটেছিল?
উত্তর: ১৯১৯ সালের ১৩ই এপ্রিল।
প্রশ্ন: জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে কে নাইটহুড ত্যাগ করেন?
উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
প্রশ্ন: মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে প্রথম সর্বভারতীয় সত্যাগ্রহ আন্দোলন কোনটি?
উত্তর: রাওলাট সত্যাগ্রহ (১৯১৯)।
প্রশ্ন: চৌরিচৌরার ঘটনা কবে ঘটেছিল?
উত্তর: ১৯২২ সালের ৪ঠা ফেব্রুয়ারি।
প্রশ্ন: ‘স্বরাজ্য দল’ কারা গঠন করেছিলেন?
উত্তর: চিত্তরঞ্জন দাশ এবং মতিলাল নেহরু (১৯২৩ সালে)।
প্রশ্ন: নৌবিদ্রোহ কবে শুরু হয়েছিল?
উত্তর: ১৯৪৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে, মুম্বইয়ের ‘তলোয়ার’ জাহাজে।
প্রশ্ন: ঢাকায় অনুশীলন সমিতি কে প্রতিষ্ঠা করেন?
উত্তর: পুলিনবিহারী দাস (১৯০৫ সালে)।
প্রশ্ন: কলকাতায় যুগান্তর দল কাদের নেতৃত্বে গঠিত হয়?
উত্তর: বারীন্দ্রকুমার ঘোষ ও ভূপেন্দ্রনাথ দত্ত।
প্রশ্ন: গান্ধীজির রাজনৈতিক গুরু কে ছিলেন?
উত্তর: গোপালকৃষ্ণ গোখলে।
প্রশ্ন: ভারতে গান্ধীজির প্রথম সত্যাগ্রহ কোনটি?
উত্তর: বিহারের চম্পারণ সত্যাগ্রহ (১৯১৭)।
প্রশ্ন: চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠনের নায়ক কে ছিলেন?
উত্তর: মাস্টারদা সূর্য সেন (১৯৩০ সালের ১৮ই এপ্রিল)।
প্রশ্ন: ‘সীমান্ত গান্ধী’ নামে কে পরিচিত?
উত্তর: খান আব্দুল গফফর খান।
প্রশ্ন: ডান্ডি অভিযান কবে শুরু হয়?
উত্তর: ১৯৩০ সালের ১২ই মার্চ (সবরমতী আশ্রম থেকে)।
প্রশ্ন: ‘করেঙ্গে ইয়া মরেঙ্গে’ স্লোগান কোন আন্দোলনের?
উত্তর: ১৯৪২ সালের ভারত ছাড়ো আন্দোলন।
প্রশ্ন: অলিন্দ যুদ্ধ (Corridor Battle) কবে হয়?
উত্তর: ১৯৩০ সালের ৮ই ডিসেম্বর (রাইটার্স বিল্ডিংয়ে)।
প্রশ্ন: আজাদ হিন্দ সরকার কোথায় প্রতিষ্ঠিত হয়?
উত্তর: সিঙ্গাপুরে (১৯৪৩ সালে, সুভাষচন্দ্র বসুর নেতৃত্বে)।
২ ও ৩ নম্বরের সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্ন: স্বদেশী ও বয়কট আন্দোলন বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদে সূচিত আন্দোলনে বিলিতি কাপড়, নুন ও সামগ্রী বর্জন করা ছিল ‘বয়কট’ এবং দেশীয় বস্ত্র, তাঁত, শিক্ষা ও কারখানা গড়ে তুলে সেগুলির ব্যবহার বাড়ানো ছিল ‘স্বদেশী’।
প্রশ্ন: রাওলাট আইনের প্রধান শর্ত ও উদ্দেশ্য কী ছিল?
উত্তর: ভারতীয়দের সরকারবিরোধী বৈপ্লবিক কাজকর্ম দমনের জন্য বিনা বিচারে যেকোনো সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে অনির্দিষ্টকালের জন্য আটক রাখা এবং জুরি ছাড়াই গোপন আদালতে বিচার করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল এই আইনে।
প্রশ্ন: গান্ধী-আরউইন চুক্তির (১৯৩১) দুটি প্রধান শর্ত কী ছিল?
উত্তর: সরকার সহিংসতায় অভিযুক্ত বন্দি ছাড়া সমস্ত রাজনৈতিক বন্দিকে মুক্তি দেবে এবং উপকূলবর্তী মানুষদের ব্যক্তিগত প্রয়োজনে লবণ তৈরির অনুমতি দেবে; বিনিময়ে কংগ্রেস আইন অমান্য আন্দোলন স্থগিত রাখবে।
প্রশ্ন: মাতঙ্গিনী হাজরা এবং কল্পনা দত্ত কেন স্মরণীয়?
উত্তর: মাতঙ্গিনী হাজরা ভারত ছাড়ো আন্দোলনে তমলুকে পুলিশের গুলির সামনে জাতীয় পতাকা হাতে শহীদ হন। কল্পনা দত্ত ছিলেন মাস্টারদা সূর্য সেনের বিপ্লবী সহযোগী, যিনি চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার দখল ও ইউরোপিয়ান ক্লাব অভিযানে সক্রিয় অংশ নেন।
প্রশ্ন: তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকার সম্পর্কে কী জান?
উত্তর: ১৯৪২ সালের ভারত ছাড়ো আন্দোলনের সময় মেদিনীপুরের তমলুকে সতীশচন্দ্র সামন্তের নেতৃত্বে ইংরেজ শাসনের বিকল্প হিসেবে স্বাধীন ‘তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকার’ গড়ে উঠেছিল।
প্রশ্ন: অলিন্দ যুদ্ধের তাৎপর্য কী ছিল?
উত্তর: বিনয় বসু, বাদল গুপ্ত ও দীনেশ গুপ্ত ১৯৩০ সালে কলকাতার রাইটার্স বিল্ডিংয়ে প্রবেশ করে অত্যাচারী আই.জি. সিম্পসনকে হত্যা করেন। পুলিশবাহিনীর সঙ্গে অলিন্দে তাদের যে গুলিযুদ্ধ হয়, তা ভারতীয় বিপ্লবীদের অসীম সাহসিকতার প্রতীক হয়ে ওঠে।
@ অষ্টম শ্রেণির তৃতীয় ইউনিট টেস্ট ইতিহাস সাজেশন – WBNOTES.IN
৫ ও ৮ নম্বরের বিশ্লেষণধর্মী প্রশ্ন
মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে পরিচালিত আইন অমান্য আন্দোলনের গতিপ্রকৃতি ও সীমাবদ্ধতা আলোচনা করুন।
১৯৪২ সালের ভারত ছাড়ো আন্দোলনের ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ বিশ্লেষণ করুন।
সুভাষচন্দ্র বসু ও আজাদ হিন্দ ফৌজের সামরিক অভিযান ও ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে তাঁদের ভূমিকা মূল্যায়ন করুন।
বঙ্গভঙ্গ বিরোধী স্বদেশী আন্দোলনের বিভিন্ন ধারা ও দুর্বলতাগুলি আলোচনা করুন।
অধ্যায় ৮: সাম্প্রদায়িকতা থেকে দেশভাগ
১ নম্বরের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন: মুসলিম লীগ কত খ্রিস্টাব্দে এবং কোথায় প্রতিষ্ঠিত হয়?
উত্তর: ১৯০৬ খ্রিস্টাব্দে, ঢাকায়।
প্রশ্ন: মুসলিম লীগের প্রথম সভাপতি কে ছিলেন?
উত্তর: আগা খাঁ।
প্রশ্ন: ‘দ্বিজাতি তত্ত্বের’ প্রবক্তা কে ছিলেন?
উত্তর: মহম্মদ আলি জিন্নাহ।
প্রশ্ন: পৃথক মুসলিম রাষ্ট্রের দাবি সম্বলিত লাহোর প্রস্তাব কবে গৃহীত হয়?
উত্তর: ১৯৪০ সালে।
প্রশ্ন: ‘প্রত্যক্ষ সংগ্রাম দিবস’ কবে পালিত হয়?
উত্তর: ১৯৪৬ সালের ১৬ই আগস্ট (মুসলিম লীগের আহ্বানে)।
প্রশ্ন: ভারত-পাকিস্তান সীমানা নির্ধারণকারী কমিশনের প্রধান কে ছিলেন?
উত্তর: স্যার সিরিল র্যাডক্লিফ।
প্রশ্ন: ভারত স্বাধীনতা আইন কবে পাস হয়?
উত্তর: ১৯৪৭ সালের ১৮ই জুলাই।
প্রশ্ন: পৃথক মুসলিম নির্বাচকমণ্ডলী কোন আইনের মাধ্যমে চালু হয়?
উত্তর: ১৯০৯ সালের মর্লে-মিন্টো সংস্কার আইনের মাধ্যমে।
প্রশ্ন: লখনউ চুক্তি কবে স্বাক্ষরিত হয়?
উত্তর: ১৯১৬ সালে (কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের মধ্যে)।
প্রশ্ন: ‘পাকিস্তান’ শব্দটি প্রথম কে তৈরি করেন?
উত্তর: কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র চৌধুরী রহমত আলি (১৯৩৩ সালে)।
প্রশ্ন: ক্রিপস মিশন ভারতে কবে আসে?
উত্তর: ১৯৪২ সালে।
প্রশ্ন: ক্যাবিনেট মিশনের তিনজন সদস্য কারা ছিলেন?
উত্তর: পেথিক লরেন্স, স্যার স্ট্যাফোর্ড ক্রিপস এবং এ. ভি. আলেকজান্ডার।
প্রশ্ন: ভারতের শেষ ব্রিটিশ ভাইসরয় কে ছিলেন?
উত্তর: লর্ড মাউন্টব্যাটেন।
@ অষ্টম শ্রেণির তৃতীয় ইউনিট টেস্ট ইতিহাস সাজেশন – WBNOTES.IN
২ ও ৩ নম্বরের সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্ন: দ্বিজাতি তত্ত্ব (Two-Nation Theory) কী?
উত্তর: মহম্মদ আলি জিন্নাহ প্রচার করেন যে ভারতে হিন্দু ও মুসলমান কেবল দুটি ধর্মীয় গোষ্ঠী নয়, তারা সংস্কৃতি, ইতিহাস ও জীবনধারার দিক থেকে সম্পূর্ণ পৃথক দুটি জাতি। অতএব, মুসলমানদের জন্য পৃথক সার্বভৌম রাষ্ট্র আবশ্যক।
প্রশ্ন: ১৯১৬ সালের লখনউ চুক্তির গুরুত্ব কী ছিল?
উত্তর: এই চুক্তির ফলে জাতীয় কংগ্রেস ও মুসলিম লীগ সাময়িকভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়ে যৌথভাবে সাংবিধানিক সংস্কারের দাবি জানায় এবং কংগ্রেস পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থার দাবি মেনে নেয়।
প্রশ্ন: মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনা কী?
উত্তর: ১৯৪৭ সালের ৩রা জুন ভাইসরয় লর্ড মাউন্টব্যাটেন যে পরিকল্পনা ঘোষণা করেন, তাতে বলা হয় ব্রিটিশরা ভারতকে দ্বিখণ্ডিত করে ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি ডোমিনিয়নের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করবে এবং দেশীয় রাজ্যগুলি নিজেদের ইচ্ছেমতো যেকোনো রাষ্ট্রে যোগ দিতে পারবে।
প্রশ্ন: ক্যাবিনেট মিশনের প্রস্তাবগুলি কী ছিল?
উত্তর: মিশন একটি অখণ্ড ভারতীয় ইউনিয়ন গঠনের প্রস্তাব দেয়, প্রদেশগুলিকে তিনটি স্তরে (গ্রুপ A, B, C) ভাগ করে এবং সংবিধান রচনার জন্য একটি গণপরিষদ গঠনের সুপারিশ করে।
প্রশ্ন: প্রত্যক্ষ সংগ্রাম দিবস (Direct Action Day) কেন ভয়াবহ রূপ ধারণ করে?
উত্তর: পৃথক পাকিস্তান দাবি আদায়ের চাপে জিন্নাহ ১৯৪৬ সালের ১৬ই আগস্ট এই ডাক দেন। সেদিন কলকাতায় হিন্দু-মুসলমানের মধ্যে রক্তক্ষয়ী দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ে, যা ‘দ্য গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং’ নামে পরিচিত।
প্রশ্ন: র্যাডক্লিফ লাইনের ত্রুটি কী ছিল?
উত্তর: মাত্র কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে বাস্তব জমি-নকশা না দেখেই তাড়াহুড়ো করে মানচিত্রের ওপর দাগ টেনে সীমান্ত টানা হয়। ফলে বহু গ্রাম, বসতবাড়ি ও কৃষিজমি অদ্ভুতভাবে বিভক্ত হয়ে এক তীব্র মানবিক ট্র্যাজেডি তৈরি করে।
৫ ও ৮ নম্বরের বিশ্লেষণধর্মী প্রশ্ন
১৯৪৭ সালের ভারত বিভাজনের ক্ষেত্রে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের বিভাজন নীতি এবং রাজনৈতিক দলগুলির ভূমিকা কতটা দায়ী ছিল?
ক্রিপস মিশন ও ক্যাবিনেট মিশনের প্রস্তাবগুলি আলোচনা করুন। এই পরিকল্পনাগুলি ব্যর্থ হয়েছিল কেন?
@ অষ্টম শ্রেণির তৃতীয় ইউনিট টেস্ট ইতিহাস সাজেশন – WBNOTES.IN
অধ্যায় ৯: ভারতীয় সংবিধানের মৌলিক দিক ও যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো
১ নম্বরের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন: সংবিধান খসড়া কমিটির (Drafting Committee) সভাপতি কে ছিলেন?
উত্তর: ড. বি. আর. আম্বেদকর।
প্রশ্ন: ভারতের সংবিধান কবে গৃহীত হয়?
উত্তর: ১৯৪৯ সালের ২৬শে নভেম্বর।
প্রশ্ন: ভারতীয় সংবিধান কবে কার্যকর হয়?
উত্তর: ১৯৫০ সালের ২৬শে জানুয়ারি।
প্রশ্ন: মূল ভারতীয় সংবিধানে কয়টি মৌলিক অধিকার ছিল?
উত্তর: ৭টি (বর্তমানে সম্পত্তির অধিকার বাদ দিয়ে ৬টি)।
প্রশ্ন: ভারতীয় সংবিধানের অভিভাবক কাকে বলা হয়?
উত্তর: ভারতের সুপ্রিম কোর্টকে।
প্রশ্ন: লোকসভার অধিবেশনে কে সভাপতিত্ব করেন?
উত্তর: স্পিকার (অধ্যক্ষ)।
প্রশ্ন: ‘সমাজতান্ত্রিক’ ও ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ শব্দ দুটি কোন সংশোধনের মাধ্যমে প্রস্তাবনায় যোগ হয়?
উত্তর: ১৯৭৬ সালের ৪২তম সংবিধান সংশোধনীতে।
প্রশ্ন: গণপরিষদের প্রথম স্থায়ী সভাপতি কে ছিলেন?
উত্তর: ড. রাজেন্দ্র প্রসাদ।
প্রশ্ন: রাজ্যসভার পদাধিকারবলে সভাপতি কে হন?
উত্তর: ভারতের উপরাষ্ট্রপতি।
প্রশ্ন: ভারতীয় সংবিধানে নির্দেশমূলক নীতি কোন দেশের অনুকরণে নেওয়া?
উত্তর: আয়ারল্যান্ডের সংবিধান।
প্রশ্ন: ভারতে ভোটদানের সর্বনিম্ন বয়স কত?
উত্তর: ১৮ বছর (১৯৮৮ সালের ৬১তম সংশোধনীর মাধ্যমে ২১ থেকে কমিয়ে ১৮ করা হয়)।
প্রশ্ন: অঙ্গরাজ্যগুলির সাংবিধানিক প্রধান কে?
উত্তর: রাজ্যপাল।
২ ও ৩ নম্বরের সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্ন: সংবিধানের ‘প্রস্তাবনা’ (Preamble)-কে সংবিধানের আত্মা বলা হয় কেন?
উত্তর: প্রস্তাবনায় সমগ্র সংবিধানের মূল লক্ষ্য, আদর্শ, দর্শন এবং নাগরিকদের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অধিকারের রূপরেখা সংক্ষিপ্ত কিন্তু স্পষ্ট আকারে প্রতিফলিত থাকে।
প্রশ্ন: ভারত একটি যুক্তরাষ্ট্র—এর সপক্ষে দুটি যুক্তি দিন।
উত্তর: ভারতে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের মধ্যে সংবিধান অনুযায়ী ক্ষমতা বণ্টন (তিনটি তালিকা) করা আছে এবং একটি স্বাধীন বিচারব্যবস্থা ও লিখিত সংবিধান বর্তমান।
প্রশ্ন: ভারতীয় সংবিধান অনুযায়ী ধর্মনিরপেক্ষতা বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: ভারতে কোনো রাষ্ট্রধর্ম নেই। রাষ্ট্র সমস্ত ধর্মাবলম্বী নাগরিককে সমদৃষ্টিতে দেখে এবং প্রতিটি নাগরিক তাঁর নিজস্ব ধর্ম স্বাধীনভাবে পালন ও প্রচারের অধিকার ভোগ করেন।
প্রশ্ন: মৌলিক অধিকার ও নির্দেশমূলক নীতির মধ্যে মূল পার্থক্য কী?
উত্তর: মৌলিক অধিকার আদালত কর্তৃক বলবৎযোগ্য (নাগরিকের অধিকার ক্ষুণ্ণ হলে আদালতে যাওয়া যায়); কিন্তু রাষ্ট্রের নির্দেশমূলক নীতিগুলি আদালত কর্তৃক বলবৎযোগ্য নয়, এগুলি শাসন পরিচালনার আদর্শ মাত্র।
প্রশ্ন: শাসনতান্ত্রিক প্রতিবিধানের অধিকার (Right to Constitutional Remedies) কী?
উত্তর: সংবিধানের ৩২ নম্বর ধারা অনুযায়ী, কোনো নাগরিকের মৌলিক অধিকার খর্ব হলে তিনি সরাসরি সুপ্রিম কোর্ট বা হাইকোর্টে বিচার চাইতে পারেন। ড. আম্বেদকর একে সংবিধানের ‘হৃদয় ও আত্মা’ বলেছিলেন।
প্রশ্ন: কেন্দ্রীয় তালিকা, রাজ্য তালিকা ও যৌথ তালিকার অর্থ কী?
উত্তর: প্রতিরক্ষা ও রেলের মতো জাতীয় গুরুত্বের বিষয় কেন্দ্রীয় তালিকায়; পুলিশ ও জনস্বাস্থ্যের মতো বিষয় রাজ্য তালিকায়; এবং শিক্ষা, অরণ্যের মতো বিষয় যৌথ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত থাকে, যাতে কেন্দ্র ও রাজ্য উভয়ই আইন তৈরি করতে পারে।
@ অষ্টম শ্রেণির তৃতীয় ইউনিট টেস্ট ইতিহাস সাজেশন – WBNOTES.IN
৫ ও ৮ নম্বরের বিশ্লেষণধর্মী প্রশ্ন
ভারতীয় সংবিধানের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি (লিখিত সংবিধান, যুক্তরাষ্ট্রীয় রূপ, মৌলিক অধিকার ও সংসদীয় গণতন্ত্র) বিস্তারিত আলোচনা করুন।
ভারতীয় নাগরিকদের সংবিধানে প্রদত্ত মৌলিক অধিকারগুলি সংক্ষেপে উল্লেখ করুন। সংবিধানে মৌলিক কর্তব্যের তাৎপর্য কী?
LINK TO VIEW PDF FILE (Only for Subscribers)
অষ্টম শ্রেণির বাংলা অধ্যায়ভিত্তিক নোট দেখতে নিম্নের ছবিতে ক্লিক/টাচ করতে হবে
আমাদের কথাঃ পশ্চিমবঙ্গ মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদ ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সকল শিক্ষার্থীদের অনলাইন পড়াশোনায় সহায়তা প্রদান করাই আমাদের লক্ষ্য।
পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বাংলা, ইংরেজি, ইতিহাস, ভূগোল, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, শিক্ষাবিজ্ঞান, দর্শন, সংস্কৃত প্রভৃতি বিষয়ে অনলাইন সহায়তা প্রদান করা হবে।
ভালো করে পড়াশোনা করা কেবল পরীক্ষায় ভালো নম্বর পাওয়ার মাধ্যম নয়, বরং এটি একজন মানুষের সামগ্রিক জীবন গঠনের মূল ভিত্তি। সঠিক শিক্ষা মানুষের চিন্তাভাবনাকে উন্নত করে এবং ব্যক্তিত্বকে বিকশিত করে।
জ্ঞান ও দক্ষতার বিকাশ গভীর মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করলে যেকোনো বিষয়ের মূল ধারণা পরিষ্কার হয়। এটি বাস্তব জীবনে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং জটিল সমস্যার সমাধান করার দক্ষতা তৈরি করে।
উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও আত্মনির্ভরশীলতা বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক যুগে ভালো ক্যারিয়ার গঠনের জন্য উপযুক্ত শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। ভালো পড়াশোনা ভালো কাজের সুযোগ তৈরি করে, যা একজন ব্যক্তিকে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী ও আত্মবিশ্বাসী করে তোলে।
নৈতিকতা ও সামাজিক সচেতনতা প্রকৃত শিক্ষা মানুষের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ, সহমর্মিতা এবং দায়িত্ববোধ জাগ্রত করে। একজন সুশিক্ষিত মানুষ নিজের অধিকারের পাশাপাশি অন্যের প্রতি কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন থাকেন, যা একটি সুস্থ ও সুন্দর সমাজ গঠনে সহায়ক।
পড়াশোনাকে শুধু মুখস্থবিদ্যার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে তা ভালোভাবে উপলব্ধি করে শেখা উচিত। নিয়মিত ও পরিকল্পিত অধ্যবসায় একজন সাধারণ শিক্ষার্থীকেও অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিতে পারে। তাই সফল, সচেতন ও মার্জিত মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার জন্য ভালো করে পড়াশোনা করা অত্যন্ত জরুরি।
আমরা প্রতিনিয়ত আমাদের WBNOTES.IN ওয়েবসাইটে শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন নতুন আলোচনা প্রদান করবার প্রচেষ্টা করে চলেছি। সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের প্রতি অনুরোধ- আপনারা আপনাদের পরিচিতদের সাথে আমাদের WBNOTES.IN ওয়েবসাইটটিকে শেয়ার করবেন।
আমাদের লক্ষ্যঃ পশ্চিমবঙ্গের সকল শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের কাছে সহজবোধ্য ভাষায় বিবিধ বিষয়ের একটি সুসংগঠিত অনলাইন শিক্ষা পরিষেবা পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য। আর্থিকভাবে অনগ্রসর শিক্ষার্থীদের জন্য আমরা যেমন বিনামূল্যে জ্ঞানার্জনের সুবিধা প্রদান করেছি; আবার মাননীয় শিক্ষকদের সুবিধার্থে এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষা প্রস্তুতি প্রদানের লক্ষ্যে আমাদের WBNOTES.IN ওয়েবসাইটের পক্ষ থেকে প্রদান করা হচ্ছে নরমাল ও প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন। আমাদের সাবস্ক্রীপশন পেজে আপনারা এই সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য পেয়ে যাবেন।




















