পরিবেশ ও পরিবহন প্রশ্নের উত্তর Class 5
পরিবেশ ও পরিবহন প্রশ্নের উত্তর Class 5 পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য এখানে প্রদান করা হলো। পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য পরিবেশ পাঠ্য বই থেকে WBNOTES.IN ওয়েবসাইটের পক্ষ থেকে নিয়মিত বিবিধ প্রশ্নের উত্তর প্রদান করা হয়। শিক্ষার্থীরা এই প্রশ্নের উত্তর অনুশীলনের মধ্য দিয়ে তাদের পরীক্ষা প্রস্তুতি গ্রহণ করতে পারবে।
আমাদের ওয়েবসাইটের Class Note বিভাগে বিবিধ বিষয়ের প্রশ্নের উত্তর, Mock Test বিভাগে একাধিক বিষয়ের অসংখ্য মক টেস্ট, Suggestion বিভাগে অধ্যায়ভিত্তিক সাজেশন প্রদান করা হয়। আমাদের সকল আপডেট লাভ করতে নিয়মিত ভিজিট করো আমাদের ওয়েবসাইটটি।
পরিবেশ ও পরিবহন প্রশ্নের উত্তর Class 5 :
অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (১ নম্বর)
১. চাকা আবিষ্কারের আগে মানুষ কীভাবে ভারী জিনিস বয়ে নিয়ে যেত?
উত্তর: চাকা আবিষ্কারের আগে মানুষ নিজের কাঁধে বা পিঠে বয়ে, কাঠের গুঁড়ির ওপর টেনে কিংবা স্লেজ গাড়ির মতো কাঠামো ব্যবহার করে ভারী জিনিস টেনে নিয়ে যেত।
২. প্রাচীনকালে জলপথে যাতায়াতের প্রধান বাহন কী ছিল?
উত্তর: ভ্যালা ও কাঠের তৈরি নৌকা।
৩. স্টীম ইঞ্জিন কে আবিষ্কার করেন?
উত্তর: জেমস ওয়াট।
৪. ভারতের প্রথম যাত্রীবাহী ট্রেন কবে এবং কোথায় চালু হয়েছিল?
উত্তর: ১৮৫৩ সালে বোম্বাই (বর্তমান মুম্বাই) থেকে থানে পর্যন্ত।
৫. পশ্চিমবঙ্গের প্রাচীনতম ট্রাম পরিষেবা কোন শহরে দেখতে পাওয়া যায়?
উত্তর: কলকাতা শহরে।
৬. একটি দূষণহীন যানবাহনের নাম লেখো।
উত্তর: সাইকেল (বা ঠেলাগাড়ি/টমটম)।
@ পরিবেশ ও পরিবহন প্রশ্নের উত্তর – WBNOTES.IN
সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (২ নম্বর)
১. চাকা আবিষ্কার পরিবহণ ব্যবস্থায় কী পরিবর্তন এনেছিল?
উত্তর: চাকা আবিষ্কারের ফলে ভারী জিনিস এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া সহজ ও দ্রুত হয়। মানুষ ঠেলাগাড়ি ও পশুচালিত গাড়ি বানিয়ে দূরদূরান্তে সহজেই যাতায়াত শুরু করে।
২. বাষ্পীয় ইঞ্জিন আবিষ্কারের গুরুত্ব কী ছিল?
উত্তর: বাষ্পীয় ইঞ্জিন আবিষ্কারের ফলে মানুষ ও পশুশক্তির ওপর নির্ভরতা কমে যায়। এর সাহায্যে দ্রুতগামী ট্রেন ও স্টিমার চালানো সম্ভব হয়, যা পরিবহণ ব্যবস্থায় এক বিরাট বিপ্লব এনেছিল।
৩. যানবাহন থেকে কীভাবে পরিবেশ দূষণ ঘটে?
উত্তর: পেট্রোল ও ডিজেলচালিত গাড়ি থেকে নির্গত ধোঁয়ায় কার্বন মনোক্সাইড, নাইট্রোজেনের অক্সাইড ও বিষাক্ত কণা থাকে, যা বাতাসকে মারাত্মকভাবে দূষিত করে। এছাড়া যানবাহনের তীব্র হর্নের আওয়াজ শব্দদূষণ সৃষ্টি করে।
৪. সাইকেলকে পরিবেশবান্ধব যানবাহন বলা হয় কেন?
উত্তর: সাইকেল চালাতে কোনো পেট্রোল বা ডিজেল লাগে না, ফলে ধোঁয়া বা ক্ষতিকারক গ্যাস বাতাসে মেশে না। এটি কোনো বায়ুদূষণ ও শব্দদূষণ তৈরি করে না এবং শারীরিক স্বাস্থ্যের জন্যও ভালো।
৫. ট্রাফিক সিগন্যালে লাল, হলুদ ও সবুজ আলোর কাজ কী?
উত্তর:
লাল আলো: গাড়ি সম্পূর্ণ থামানোর নির্দেশ দেয়।
হলুদ আলো: গাড়িকে থামার বা এগোনোর প্রস্তুতি নেওয়ার সংকেত দেয়।
সবুজ আলো: গাড়িকে এগিয়ে যাওয়ার সংকেত দেয়।
৬. জেব্রা ক্রসিং কী এবং এর কাজ কী?
উত্তর: রাস্তার ওপর সাদা ও কালো ডোরাকাটা যে দাগ কাটা থাকে, তাকে জেব্রা ক্রসিং বলে। পথচারীরা নিরাপদে রাস্তা পারাপারের জন্য এই দাগ ব্যবহার করেন।
@ পরিবেশ ও পরিবহন প্রশ্নের উত্তর – WBNOTES.IN
পার্থক্য
| বিষয় | প্রাচীন পরিবহণ ব্যবস্থা | আধুনিক পরিবহণ ব্যবস্থা |
| শক্তির উৎস | প্রধানত মানুষ বা পশুর পেশীশক্তি। | পেট্রোল, ডিজেল, বিদ্যুৎ বা গ্যাস চালিত ইঞ্জিন। |
| গতিবেগ | অত্যন্ত ধীরগতিসম্পন্ন ও দীর্ঘ সময়সাপেক্ষ। | অতি দ্রুতগামী এবং অল্প সময়ে দূরদূরান্তে পৌঁছানো যায়। |
| পরিবেশের প্রভাব | ধোঁয়া নির্গত হতো না, ফলে পরিবেশ দূষণ ঘটত না। | অতিরিক্ত জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ার কারণে বায়ু ও শব্দদূষণ ঘটে। |
@ পরিবেশ ও পরিবহন প্রশ্নের উত্তর – WBNOTES.IN
ব্যাখ্যামূলক প্রশ্ন (৩ নম্বর)
প্রশ্ন: পরিবহণ ব্যবস্থার উন্নতি কীভাবে পরিবেশের ক্ষতি করছে এবং তা রোধের উপায় কী?
উত্তর:
ক্ষতির কারণ: আধুনিক দ্রুতগতির বাস, লরি, প্রাইভেট কারের সংখ্যা অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়ায় বিপুল পরিমাণ কালো ধোঁয়া ও গ্রিনহাউস গ্যাস বাতাসে মিশছে। এতে বায়ুদূষণ এবং পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
রোধের উপায়:
খুব কাছাকাছি দূরত্বের জন্য হাঁটা বা সাইকেল ব্যবহারের অভ্যাস করা।
ব্যক্তিগত গাড়ির সংখ্যা কমিয়ে বাস, ট্রেন ও মেট্রোর মতো গণপরিবহণ বেশি ব্যবহার করা।
ব্যাটারিচালিত (ইলেকট্রিক) গাড়ি ও সৌরশক্তিচালিত যানের ব্যবহার বাড়ানো।
গাড়িগুলির ধোঁয়া নির্গমনের সঠিক পরীক্ষা (PUC) নিয়মিত করানো।
PDF DOWNLOAD LINK ONLY FOR SUBSCRIBERS
সকল শ্রেণির বাংলা অধ্যায় ভিত্তিক প্রশ্নের উত্তর দেখতে নিম্নের ছবিতে ক্লিক/টাচ করতে হবে
আমাদের কথাঃ পশ্চিমবঙ্গ মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদ ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সকল শিক্ষার্থীদের অনলাইন পড়াশোনায় সহায়তা প্রদান করাই আমাদের লক্ষ্য।
পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বাংলা, ইংরেজি, ইতিহাস, ভূগোল, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, শিক্ষাবিজ্ঞান, দর্শন, সংস্কৃত প্রভৃতি বিষয়ে অনলাইন সহায়তা প্রদান করা হবে।
ভালো করে পড়াশোনা করা কেবল পরীক্ষায় ভালো নম্বর পাওয়ার মাধ্যম নয়, বরং এটি একজন মানুষের সামগ্রিক জীবন গঠনের মূল ভিত্তি। সঠিক শিক্ষা মানুষের চিন্তাভাবনাকে উন্নত করে এবং ব্যক্তিত্বকে বিকশিত করে।
জ্ঞান ও দক্ষতার বিকাশ গভীর মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করলে যেকোনো বিষয়ের মূল ধারণা পরিষ্কার হয়। এটি বাস্তব জীবনে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং জটিল সমস্যার সমাধান করার দক্ষতা তৈরি করে।
উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও আত্মনির্ভরশীলতা বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক যুগে ভালো ক্যারিয়ার গঠনের জন্য উপযুক্ত শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। ভালো পড়াশোনা ভালো কাজের সুযোগ তৈরি করে, যা একজন ব্যক্তিকে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী ও আত্মবিশ্বাসী করে তোলে।
নৈতিকতা ও সামাজিক সচেতনতা প্রকৃত শিক্ষা মানুষের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ, সহমর্মিতা এবং দায়িত্ববোধ জাগ্রত করে। একজন সুশিক্ষিত মানুষ নিজের অধিকারের পাশাপাশি অন্যের প্রতি কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন থাকেন, যা একটি সুস্থ ও সুন্দর সমাজ গঠনে সহায়ক।
পড়াশোনাকে শুধু মুখস্থবিদ্যার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে তা ভালোভাবে উপলব্ধি করে শেখা উচিত। নিয়মিত ও পরিকল্পিত অধ্যবসায় একজন সাধারণ শিক্ষার্থীকেও অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিতে পারে। তাই সফল, সচেতন ও মার্জিত মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার জন্য ভালো করে পড়াশোনা করা অত্যন্ত জরুরি।
আমরা প্রতিনিয়ত আমাদের WBNOTES.IN ওয়েবসাইটে শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন নতুন আলোচনা প্রদান করবার প্রচেষ্টা করে চলেছি। সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের প্রতি অনুরোধ- আপনারা আপনাদের পরিচিতদের সাথে আমাদের WBNOTES.IN ওয়েবসাইটটিকে শেয়ার করবেন।
আমাদের লক্ষ্যঃ পশ্চিমবঙ্গের সকল শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের কাছে সহজবোধ্য ভাষায় বিবিধ বিষয়ের একটি সুসংগঠিত অনলাইন শিক্ষা পরিষেবা পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য। আর্থিকভাবে অনগ্রসর শিক্ষার্থীদের জন্য আমরা যেমন বিনামূল্যে জ্ঞানার্জনের সুবিধা প্রদান করেছি; আবার মাননীয় শিক্ষকদের সুবিধার্থে এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষা প্রস্তুতি প্রদানের লক্ষ্যে আমাদের WBNOTES.IN ওয়েবসাইটের পক্ষ থেকে প্রদান করা হচ্ছে নরমাল ও প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন। আমাদের সাবস্ক্রীপশন পেজে আপনারা এই সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য পেয়ে যাবেন।











