poribesh-o-soktisompod-question-answers-class-five

পরিবেশ ও শক্তিসম্পদ প্রশ্নের উত্তর Class 5

পরিবেশ ও শক্তিসম্পদ প্রশ্নের উত্তর Class 5 পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য এখানে প্রদান করা হলো। পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য পরিবেশ পাঠ্য বই থেকে WBNOTES.IN ওয়েবসাইটের পক্ষ থেকে নিয়মিত বিবিধ প্রশ্নের উত্তর প্রদান করা হয়। শিক্ষার্থীরা এই প্রশ্নের উত্তর অনুশীলনের মধ্য দিয়ে তাদের পরীক্ষা প্রস্তুতি গ্রহণ করতে পারবে। 

আমাদের ওয়েবসাইটের Class Note বিভাগে বিবিধ বিষয়ের প্রশ্নের উত্তর, Mock Test বিভাগে একাধিক বিষয়ের অসংখ্য মক টেস্ট, Suggestion বিভাগে অধ্যায়ভিত্তিক সাজেশন প্রদান করা হয়। আমাদের সকল আপডেট লাভ করতে নিয়মিত ভিজিট করো আমাদের ওয়েবসাইটটি। 

পরিবেশ ও শক্তিসম্পদ প্রশ্নের উত্তর Class 5 :

 

অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (১ নম্বর)

১. কয়লার প্রধান উপাদান কী?

উত্তর: কার্বন।

২. জীবজগতে শক্তির মূল উৎস কী?

উত্তর: সূর্য।

৩. পেট্রোলিয়াম শোধন করে কী কী পাওয়া যায়?

উত্তর: পেট্রোল, ডিজেল, কেরোসিন, পিচ এবং রান্নার গ্যাস (LPG)।

৪. আমাদের রাজ্যে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র কোথায় কোথায় রয়েছে?

উত্তর: কোলাঘাট, বক্রেশ্বর, সাঁওতালডিহি ও ব্যান্ডেলে।

৫. পশ্চিমবঙ্গের জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র কোথায় কোথায় অবস্থিত?

উত্তর: দার্জিলিং জেলার জলঢাকা ও সিদ্রাপং-এ।

৬. বায়ুশক্তিকে কাজে লাগিয়ে কী তৈরি করা হয়?

উত্তর: উইন্ডমিল বা বায়ুকল চালিয়ে বিদ্যুৎ তৈরি করা হয় এবং মাটির নিচ থেকে জল তোলা হয়।

@ পরিবেশ ও শক্তিসম্পদ প্রশ্নের উত্তর – WBNOTES.IN

সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (২ নম্বর)

১. প্রচলিত বা অনবীকরণযোগ্য শক্তি কাকে বলে?

উত্তর: যেসব শক্তির উৎস বহুকাল ধরে ব্যবহারের ফলে ধীরে ধীরে নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে এবং সহজে পূরণ করা যায় না, তাদের প্রচলিত বা অনবীকরণযোগ্য শক্তি বলে। যেমন— কয়লা, পেট্রোলিয়াম।

২. অপ্রচলিত বা পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি কাকে বলে?

উত্তর: যেসব শক্তির উৎস ব্যবহার করলেও সহজে ফুরিয়ে যায় না এবং বারবার নতুন করে ব্যবহার করা যায়, তাদের অপ্রচলিত বা পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি বলে। যেমন— সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি, জোয়ার-ভাটার শক্তি।

৩. কয়লা কীভাবে তৈরি হয়েছে?

উত্তর: বহু লক্ষ বছর আগে ভূমিকম্প ও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে গভীর জঙ্গলের গাছপালা মাটির নিচে চাপা পড়ে যায়। সেখানে ভূগর্ভের প্রচণ্ড চাপ ও তাপে সেই উদ্ভিদের দেহাবশেষ পরিবর্তিত হয়ে কয়লায় পরিণত হয়েছে।

৪. জীবাশ্ম জ্বালানি কী? উদাহরণ দাও।

উত্তর: প্রাচীনকালের উদ্ভিদ ও প্রাণীর দেহাবশেষ মাটির নিচে চাপা পড়ে ভূগর্ভস্থ তাপ ও চাপে রূপান্তরিত হয়ে যে জ্বালানি তৈরি হয়েছে, তাকে জীবাশ্ম জ্বালানি বলে। যেমন— কয়লা ও পেট্রোলিয়াম।

৫. জলবিদ্যুৎ কীভাবে তৈরি করা হয়?

উত্তর: খরস্রোতা নদীর জলকে উঁচুতে বাঁধ দিয়ে আটকে রাখা হয়। পরে সেই জল ওপর থেকে প্রচণ্ড গতিতে নিচে ফেলে টারবাইন ঘোরানো হয়। টারবাইনের সাথে যুক্ত জেনারেটর ঘুরে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে।

৬. সৌরশক্তির দুটি ব্যবহার লেখো।

উত্তর:

সোলার প্যানেলের সাহায্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা।

সোলার কুকারে রান্না করা বা সোলার হিটারে জল গরম করা।

৭. শক্তির রূপান্তর কাকে বলে? উদাহরণ দাও।

উত্তর: শক্তিকে ধ্বংস বা সৃষ্টি করা যায় না, কেবল এক রূপ থেকে অন্য রূপে পরিবর্তন করা যায়; একে শক্তির রূপান্তর বলে। যেমন— বৈদ্যুতিক বাল্বে বিদ্যুৎ শক্তি আলো ও তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

৮. কয়লা ও পেট্রোলিয়াম অতিরিক্ত ব্যবহার করলে পরিবেশের কী ক্ষতি হয়?

উত্তর: এগুলি পোড়ালে বাতাসে কার্বন ডাই-অক্সাইড, কার্বন মনোক্সাইড এবং বিষাক্ত ধোঁয়া মেশে, যার ফলে বায়ুদূষণ বাড়ে এবং পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি পায়।

৯. পেট্রোল ও ডিজেলের মতো জ্বালানির ব্যবহার কমাতে কী করা উচিত?

উত্তর: কম দূরত্বের জন্য হাঁটা বা সাইকেল ব্যবহার করা, ব্যক্তিগত গাড়ির বদলে গণপরিবহণ (বাস, ট্রেন) ব্যবহার করা এবং ব্যাটারিচালিত যানবাহনের ব্যবহার বাড়ানো।

@ পরিবেশ ও শক্তিসম্পদ প্রশ্নের উত্তর – WBNOTES.IN

পার্থক্য

বিষয়প্রচলিত শক্তিঅপ্রচলিত শক্তি
ভাণ্ডারভাণ্ডার সীমিত, ব্যবহারের ফলে ফুরিয়ে যায়।ভাণ্ডার অফুরন্ত, ব্যবহারের ফলে ফুরিয়ে যায় না।
পরিবেশের প্রভাবপোড়ালে বিষাক্ত ধোঁয়া তৈরি হয়ে বায়ুদূষণ ঘটায়।সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব এবং দূষণ ঘটে না বললেই চলে।
উদাহরণকয়লা, পেট্রোলিয়াম (পেট্রোল, ডিজেল)।সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি, জলবিদ্যুৎ।

@ পরিবেশ ও শক্তিসম্পদ প্রশ্নের উত্তর – WBNOTES.IN

ব্যাখ্যামূলক প্রশ্ন (৩ নম্বর)

১) প্রশ্ন: ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা ভেবে আমাদের অপ্রচলিত শক্তির ব্যবহার বাড়ানো উচিত কেন?

উত্তর:

অফুরন্ত ভাণ্ডার: কয়লা ও খনিজ তেলের মতো প্রচলিত জ্বালানি দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। অন্যদিকে সূর্যের আলো বা বাতাসের শক্তি কখনোই শেষ হবে না।

দূষণমুক্ত পরিবেশ: জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ালে বাতাসে প্রচুর ক্ষতিকর গ্যাস মেশে যা উষ্ণতা বৃদ্ধি ও বায়ুদূষণ ঘটায়। অপ্রচলিত শক্তিতে পরিবেশের কোনো ক্ষতি হয় না।

ব্যয় সাশ্রয়: পরিকাঠামো তৈরির পর প্রাকৃতিক উৎসগুলি থেকে দীর্ঘকাল প্রায় বিনামূল্যে শক্তি পাওয়া যায়।

@ পরিবেশ ও শক্তিসম্পদ প্রশ্নের উত্তর – WBNOTES.IN

বামস্তম্ভ ও ডানস্তম্ভ মেলাও

স্তম্ভ ‘ক’স্তম্ভ ‘খ’
১. সূর্য(গ) প্রধান প্রাকৃতিক শক্তির উৎস
২. কয়লা(ক) তাপবিদ্যুৎ
৩. জলঢাকা(খ) জলবিদ্যুৎ
৪. বায়ুকল(ঘ) অপ্রচলিত যান্ত্রিক শক্তি

(সঠিক মিল: ১ – গ, ২ – ক, ৩ – খ, ৪ – ঘ)

PDF DOWNLOAD LINK ONLY FOR SUBSCRIBERS

পরিবেশ ও শক্তিসম্পদ প্রশ্নের উত্তর

সকল শ্রেণির বাংলা অধ্যায় ভিত্তিক প্রশ্নের উত্তর দেখতে নিম্নের ছবিতে ক্লিক/টাচ করতে হবে

Class Five English Question Answers

আমাদের কথাঃ পশ্চিমবঙ্গ মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদউচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সকল শিক্ষার্থীদের অনলাইন পড়াশোনায় সহায়তা প্রদান করাই আমাদের লক্ষ্য।

পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বাংলা, ইংরেজি, ইতিহাস, ভূগোল, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, শিক্ষাবিজ্ঞান, দর্শন, সংস্কৃত প্রভৃতি বিষয়ে অনলাইন সহায়তা প্রদান করা হবে।

ভালো করে পড়াশোনা করা কেবল পরীক্ষায় ভালো নম্বর পাওয়ার মাধ্যম নয়, বরং এটি একজন মানুষের সামগ্রিক জীবন গঠনের মূল ভিত্তি। সঠিক শিক্ষা মানুষের চিন্তাভাবনাকে উন্নত করে এবং ব্যক্তিত্বকে বিকশিত করে।

জ্ঞান ও দক্ষতার বিকাশ গভীর মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করলে যেকোনো বিষয়ের মূল ধারণা পরিষ্কার হয়। এটি বাস্তব জীবনে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং জটিল সমস্যার সমাধান করার দক্ষতা তৈরি করে।

উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও আত্মনির্ভরশীলতা বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক যুগে ভালো ক্যারিয়ার গঠনের জন্য উপযুক্ত শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। ভালো পড়াশোনা ভালো কাজের সুযোগ তৈরি করে, যা একজন ব্যক্তিকে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী ও আত্মবিশ্বাসী করে তোলে।

নৈতিকতা ও সামাজিক সচেতনতা প্রকৃত শিক্ষা মানুষের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ, সহমর্মিতা এবং দায়িত্ববোধ জাগ্রত করে। একজন সুশিক্ষিত মানুষ নিজের অধিকারের পাশাপাশি অন্যের প্রতি কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন থাকেন, যা একটি সুস্থ ও সুন্দর সমাজ গঠনে সহায়ক।

পড়াশোনাকে শুধু মুখস্থবিদ্যার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে তা ভালোভাবে উপলব্ধি করে শেখা উচিত। নিয়মিত ও পরিকল্পিত অধ্যবসায় একজন সাধারণ শিক্ষার্থীকেও অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিতে পারে। তাই সফল, সচেতন ও মার্জিত মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার জন্য ভালো করে পড়াশোনা করা অত্যন্ত জরুরি।

আমরা প্রতিনিয়ত আমাদের WBNOTES.IN ওয়েবসাইটে শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন নতুন আলোচনা প্রদান করবার প্রচেষ্টা করে চলেছি। সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের প্রতি অনুরোধ- আপনারা আপনাদের পরিচিতদের সাথে আমাদের WBNOTES.IN ওয়েবসাইটটিকে শেয়ার করবেন।

আমাদের লক্ষ্যঃ পশ্চিমবঙ্গের সকল শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের কাছে সহজবোধ্য ভাষায় বিবিধ বিষয়ের একটি সুসংগঠিত অনলাইন শিক্ষা পরিষেবা পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য। আর্থিকভাবে অনগ্রসর শিক্ষার্থীদের জন্য আমরা যেমন বিনামূল্যে জ্ঞানার্জনের সুবিধা প্রদান করেছি; আবার মাননীয় শিক্ষকদের সুবিধার্থে এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষা প্রস্তুতি প্রদানের লক্ষ্যে আমাদের WBNOTES.IN ওয়েবসাইটের পক্ষ থেকে প্রদান করা হচ্ছে নরমাল ও প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন। আমাদের সাবস্ক্রীপশন পেজে আপনারা এই সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য পেয়ে যাবেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: কপি করার প্রচেষ্টা করবেন না !
Scroll to Top