সপ্তম শ্রেণির তৃতীয় ইউনিট টেস্ট ইতিহাস সাজেশন
সপ্তম শ্রেণির তৃতীয় ইউনিট টেস্ট ইতিহাস সাজেশন সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য WBNOTES.IN ওয়েবসাইটের পক্ষ থেকে প্রদান করা হলো। শিক্ষার্থীরা এই সপ্তম শ্রেণির ইতিহাস সাজেশন অনুসরণ করে তাদের সপ্তম শ্রেণির ইতিহাস পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করতে পারবে।
আমাদের ওয়েবসাইটের Class Note বিভাগে বিবিধ বিষয়ের প্রশ্নের উত্তর, Mock Test বিভাগে একাধিক বিষয়ের অসংখ্য মক টেস্ট, Suggestion বিভাগে অধ্যায়ভিত্তিক সাজেশন প্রদান করা হয়। আমাদের সকল আপডেট লাভ করতে নিয়মিত ভিজিট করো আমাদের ওয়েবসাইটটি।
সপ্তম শ্রেণির তৃতীয় ইউনিট টেস্ট ইতিহাস সাজেশন :
🏛️ ষষ্ঠ অধ্যায়: নগর, বণিক ও বাণিজ্য
ক. অতিসংক্ষিপ্ত উত্তরভিত্তিক প্রশ্ন ও উত্তর (১ নম্বর):
সুলতানি আমলে দিল্লির প্রধান বাজার নিয়ন্ত্রণ করেছিলেন কোন সুলতান?
— আলাউদ্দিন খলজি।
মধ্যযুগে কাগজের তৈরি বিশেষ বাণিজ্যিক ঋণপত্রকে কী বলা হতো?
— হুন্ডি (Hundi)।
মুঘল যুগে টাকা ভাঙানো ও লেনদেনের সঙ্গে যুক্ত বণিকদের কী বলা হতো?
— সরাফ (Sarraf)।
‘কসবা’ শব্দের অর্থ কী?
— মাঝারি মাপের শহর বা গঞ্জ।
শাহজাহানাবাদ শহরটি কোন মুঘল সম্রাট প্রতিষ্ঠা করেছিলেন?
— সম্রাট শাহজাহান।
মুঘল ভারতের প্রধান পশ্চিম উপকূলীয় বাণিজ্যিক বন্দর কোনটি ছিল?
— সুরাট।
করমণ্ডল উপকূলের একটি বিখ্যাত বাণিজ্য কেন্দ্রের নাম লেখো।
— মসুলিপত্তনম।
বণিকদের রাত্রিবাসের জন্য নির্মিত সরাইখানাকে কী বলা হতো?
— কারভানসরাই।
ভাস্কো দা গামা কত খ্রিস্টাব্দে ভারতে পৌঁছান?
— ১৪৯৮ খ্রিস্টাব্দে।
ভাস্কো দা গামা ভারতের কোন বন্দরে প্রথম পদার্পণ করেন?
— কালিকট বন্দরে।
ইংলিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কত খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
— ১৬০০ খ্রিস্টাব্দে।
মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের দরবারে আসা একজন ব্রিটিশ দূতের নাম লেখো।
— স্যার টমাস রো (বা ক্যাপ্টেন উইলিয়াম হকিন্স)।
দিল্লি শহরের প্রাচীন নাম কী ছিল?
— ইন্দ্রপ্রস্থ (সুলতানি যুগে কিলা রাই পিথৌরা)।
মধ্যযুগে বাংলার একটি বিখ্যাত বাণিজ্যিক বন্দরের নাম লেখো।
— সপ্তগ্রাম (পরবর্তীকালে হুগলি)।
আর্মেনীয় বণিকরা প্রধানত কীসের ব্যবসা করত?
— সিল্ক, মশলা ও মূল্যবান রত্নপাথরের ব্যবসা।
দক্ষিণ ভারতের একটি প্রধান বণিক গোষ্ঠীর নাম কী ছিল?
— চেট্টি বা চেট্টিয়ার।
গুজরাটের ধনী বণিকদের কী বলা হতো?
— বোহরা বা বানিয়া।
ডাচ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কোন দেশের বণিকদের নিয়ে গঠিত হয়েছিল?
— হল্যান্ডের (বা নেদারল্যান্ডস)।
তুঘলকাবাদ শহরটির প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?
— গিয়াসউদ্দিন তুঘলক।
মুঘল আমলে দূরপাল্লার বাণিজ্যে যুক্ত খাদ্যশস্য পরিবহনকারী বণিকদের কী বলা হতো?
— বাঞ্জারা।
খ. সংক্ষিপ্ত উত্তরভিত্তিক প্রশ্ন (২ বা ৩ নম্বর):
সুলতানি ও মুঘল আমলে প্রধান বাণিজ্যপথগুলি কী কী ছিল?
শাহজাহানাবাদ শহরটি গড়ে ওঠার প্রেক্ষাপট ও বৈশিষ্ট্য সংক্ষেপে লেখো।
হুন্ডি (Hundi) কী? মধ্যযুগে ব্যবসায়ীরা কীভাবে এটি ব্যবহার করত?
‘সরাফ’ কাদের বলা হতো? ব্যবসা-বাণিজ্যে তাদের ভূমিকা কী ছিল?
কসবা (Qasba) বলতে কী বোঝো?
ইউরোপীয় বণিক কোম্পানিগুলির ভারতে আগমনের মূল উদ্দেশ্য কী ছিল?
সুরাট শহরটি মুঘল যুগে বিখ্যাত বন্দর-শহর হয়ে ওঠার কারণ কী ছিল?
কারভানসরাই বলতে কী বোঝো? এগুলি কেন নির্মিত হতো?
গ. বিশ্লেষণাত্মক ও বড় প্রশ্ন (৪ বা ৫ নম্বর):
মুঘল যুগে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক বাণিজ্যের তুলনামূলক বিবরণ দাও।
মধ্যযুগের ভারতীয় বাণিজ্য ব্যবস্থার প্রধান বৈশিষ্ট্য এবং বণিকদের শ্রেণিবিভাগ আলোচনা করো।
তৎকালীন বন্দর-শহর হিসেবে সুরাট এবং মসুলিপত্তনমের গুরুত্ব আলোচনা করো।
🕊️ সপ্তম অধ্যায়: ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক আন্দোলন
ক. অতিসংক্ষিপ্ত উত্তরভিত্তিক প্রশ্ন ও উত্তর (১ নম্বর):
‘ভক্তি’ শব্দের মূল উৎস কোন সংস্কৃত ধাতু থেকে এসেছে?
— ‘ভজ্’ ধাতু থেকে (যার অর্থ সেবা বা ভজনা করা)।
‘দোহা’ কী?
— হিন্দি ভাষায় রচিত কবীরের দুই চরণের সংক্ষিপ্ত ধর্মীয় ও নীতিশিক্ষামূলক কবিতা।
কবীর কার শিষ্য ছিলেন?
— রামানন্দের।
শ্রীচৈতন্যদেব কোথায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন?
— নদিয়ার নবদ্বীপে (১৪৮৬ খ্রিস্টাব্দে)।
শ্রীচৈতন্যদেবের প্রচারিত ধর্মমতের নাম কী?
— অচিন্ত্যভেদাভেদবাদ বা গৌড়ীয় বৈষ্ণবধর্ম।
সুফি সাধকদের আশ্রম বা আস্তানাকে কী বলা হতো?
— খানকাহ।
সুফি ধারায় ‘পীর’ এবং ‘মুরিদ’ শব্দের অর্থ কী?
— ‘পীর’ মানে গুরু বা শিক্ষক এবং ‘মুরিদ’ মানে শিষ্য।
ভারতে চিশতি সিলসিলার প্রধান প্রচারক কে ছিলেন?
— খাজা মইনুদ্দিন চিশতি।
খাজা মইনুদ্দিন চিশতির দরগাহ কোথায় অবস্থিত?
— রাজস্থানের আজমিরে।
‘দীন-ই-ইলাহি’ কত খ্রিস্টাব্দে প্রবর্তিত হয়?
— ১৫৮২ খ্রিস্টাব্দে (সম্রাট আকবর কর্তৃক)।
‘সুলহ-ই-কুল’ কথাটির অর্থ কী?
— সকলের প্রতি পরম সহনশীলতা বা সার্বজনীন শান্তি।
শিখ ধর্মের প্রবর্তক কে ছিলেন?
— গুরু নানক।
শিখদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থের নাম কী?
— গুরু গ্রন্থ সাহিব (বা আদি গ্রন্থ)।
মীরাবাঈ কার ভক্ত ছিলেন?
— ভগবান শ্রীকৃষ্ণের (গিরিধর গোপাল)।
‘লঙ্গর’ প্রথা কে চালু করেছিলেন?
— গুরু নানক।
বাংলার একজন বিখ্যাত ভক্তিবাদী বৈষ্ণব পদকর্তার নাম লেখো।
— চণ্ডীদাস (বা বিদ্যাপতি)।
নিজামুদ্দিন আউলিয়া কোন সুফি সিলসিলার সাধক ছিলেন?
— চিশতি সিলসিলা।
আকবরের দরবারে কোন একমাত্র হিন্দু ‘দীন-ই-ইলাহি’ গ্রহণ করেছিলেন?
— বীরবল।
‘চৈতন্যভাগবত’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
— বৃন্দাবন দাস।
মহারাষ্ট্রের ভক্তি আন্দোলনের একজন প্রধান সাধকের নাম লেখো।
— তুকারাম (বা জ্ঞানেশ্বর / নামদেব)।
খ. সংক্ষিপ্ত উত্তরভিত্তিক প্রশ্ন (২ বা ৩ নম্বর):
ভক্তি আন্দোলন বলতে কী বোঝো? এর মূল কথা কী ছিল?
সুফি আন্দোলন কী? সুফি মতবাদের দুটি প্রধান সিলসিলা বা গোষ্ঠীর নাম লেখো।
ভক্তিবাদী সাধক হিসেবে কবীরের ভূমিকা ও তাঁর ‘দোহা’ সম্পর্কে লেখো।
চৈতন্যদেবের প্রচারিত ভক্তিবাদের মূল বৈশিষ্ট্যগুলি কী ছিল?
‘দীন-ই-ইলাহি’ কী? আকবর কেন এই মতাদর্শ প্রবর্তন করেছিলেন?
চিশতি ও সুহরাবর্দি সুফি সিলসিলার মধ্যে মূল পার্থক্যগুলি কী ছিল?
গুরু নানকের ধর্মচিন্তা ও শিক্ষাদর্শ সংক্ষেপে লেখো।
মীরাবাঈ সম্পর্কে সংক্ষেপে লেখো। তাঁর ভক্তিভাবের বৈশিষ্ট্য কী ছিল?
গ. বিশ্লেষণাত্মক ও বড় প্রশ্ন (৪ বা ৫ নম্বর):
মধ্যযুগে ভারতে ভক্তি আন্দোলনের সামাজিক প্রভাব ও তাৎপর্য আলোচনা করো।
ভারতের ধর্মীয় জীবনে সুফি সন্তদের অবদান সংক্ষেপে ব্যাখ্যা করো।
শ্রীচৈতন্যদেবের বৈষ্ণব ভক্তি আন্দোলন বাংলার সমাজে কী পরিবর্তন এনেছিল? বিস্তারিত লেখো।
আকবরের ধর্মসমন্বয় নীতি এবং ‘সুলহ-ই-কুল’ ধারণাটির ব্যাখ্যা করো।
⚔️ অষ্টম অধ্যায়: মুঘল সাম্রাজ্যের সংকট
ক. অতিসংক্ষিপ্ত উত্তরভিত্তিক প্রশ্ন ও উত্তর (১ নম্বর):
শিবাজির বাবার নাম কী ছিল?
— শাহজি ভোঁসলে।
শিবাজির মায়ের নাম কী ছিল?
— জিজাবাঈ।
শিবাজির রাজ্যাভিষেক কত খ্রিস্টাব্দে এবং কোথায় হয়েছিল?
— ১৬৭৪ খ্রিস্টাব্দে, রায়গড় দুর্গে।
রাজ্যাভিষেকের পর শিবাজি কী উপাধি গ্রহণ করেছিলেন?
— ছত্রপতী।
শিবাজির আটজন মন্ত্রীর পরিষদকে কী বলা হতো?
— অষ্টপ্রধান।
পুরন্দরের সন্ধি কত খ্রিস্টাব্দে স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
— ১৬৬৫ খ্রিস্টাব্দে (শিবাজি ও জয়সিংহের মধ্যে)।
মারাঠাদের সংগৃহীত দুটি প্রধান করের নাম কী?
— চৌথ ও সরদেশমুখী।
‘চৌথ’ করের পরিমাণ কত ছিল?
— মোট উৎপাদনের এক-চতুর্থাংশ (১/৪ অংশ)।
‘সরদেশমুখী’ করের পরিমাণ কত ছিল?
— মূল রাজস্বের অতিরিক্ত এক-দশমাংশ (১/১০ অংশ)।
শিবাজির যুদ্ধরীতির প্রধান কৌশল কী ছিল?
— গেরিলা বা বর্গী যুদ্ধরীতি।
ঔরঙ্গজেবের আমলে সংঘটিত একটি কৃষক বিদ্রোহের নাম লেখো।
— জাঠ বিদ্রোহ (বা সৎনামী বিদ্রোহ)।
জাঠ বিদ্রোহের একজন নেতার নাম লেখো।
— গোকলা (বা রাজারাম / চূড়ামন)।
শিখদের দশম তথা শেষ গুরুর নাম কী?
— গুরু গোবিন্দ সিংহ।
‘খালসা’ কে এবং কবে প্রতিষ্ঠা করেন?
— গুরু গোবিন্দ সিংহ, ১৬৯৯ খ্রিস্টাব্দে।
নাদির শাহ কত খ্রিস্টাব্দে ভারত আক্রমণ করেছিলেন?
— ১৭৩৯ খ্রিস্টাব্দে।
নাদির শাহ ভারত থেকে কী কী মূল্যবান জিনিস লুণ্ঠন করে নিয়ে যান?
— ময়ূর সিংহাসন এবং কোহিনূর হিরে।
পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ কত খ্রিস্টাব্দে অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
— ১৭৬১ খ্রিস্টাব্দে (আহমদ শাহ আবদালি ও মারাঠাদের মধ্যে)।
মারাঠাদের প্রধানমন্ত্রীকে কী বলা হতো?
— পেশোয়া।
‘দাক্ষিণাত্য ক্ষত’ কার শাসনকালের সাথে যুক্ত?
— মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেব।
বাংলায় বর্গী আক্রমণের সময় বাংলার নবাব কে ছিলেন?
— নবাব আলিবর্দী খান।
খ. সংক্ষিপ্ত উত্তরভিত্তিক প্রশ্ন (২ বা ৩ নম্বর):
মনসবদারি ও জায়গিরদারি সংকট বলতে কী বোঝো?
পেয়াদাবাকি কী?
ঔরঙ্গজেবের দাক্ষিণাত্য নীতি (দাক্ষিণাত্য ক্ষত) কী?
শিবাজির ‘অষ্টপ্রধান’ ব্যবস্থা সম্পর্কে সংক্ষেপে লেখো।
চৌথ ও সরদেশমুখী কর কী? কারা কাদের থেকে এই কর আদায় করত?
মুঘল যুগে সংঘটিত জাঠ ও সৎনামী বিদ্রোহের কারণ কী ছিল?
পেশোয়া কাদের বলা হতো? প্রথম বাজিরাওয়ের ভূমিকা কী ছিল?
বর্গী কারা? বাংলায় বর্গী হানার কী প্রভাব পড়েছিল?
গ. বিশ্লেষণাত্মক ও বড় প্রশ্ন (৪ বা ৫ নম্বর):
মুঘল সাম্রাজ্যের পতনের প্রধান কারণগুলি বিস্তারিত আলোচনা করো।
ঔরঙ্গজেবের দাক্ষিণাত্য নীতি কীভাবে মুঘল সাম্রাজ্যের পতনের পথ প্রশস্ত করেছিল?
শিবাজির নেতৃত্বে মারাঠা শক্তির উত্থানের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস লেখো।
কৃষক ও আঞ্চলিক বিদ্রোহগুলি মুঘল সাম্রাজ্যের সংকটকে কতটা ত্বরান্বিত করেছিল?
📜 নবম অধ্যায়: ভারত ও সংবিধান
ক. অতিসংক্ষিপ্ত উত্তরভিত্তিক প্রশ্ন ও উত্তর (১ নম্বর):
ভারতের সংবিধান কবে গণপরিষদে গৃহীত হয়েছিল?
— ১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দের ২৬শে নভেম্বর।
ভারতের সংবিধান কবে থেকে কার্যকর হয়?
— ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দের ২৬শে জানুয়ারি।
প্রতি বছর ২৬শে জানুয়ারি দিনটি ভারতে কী হিসেবে উদযাপিত হয়?
— প্রজাতন্ত্র দিবস (Republic Day)।
ভারতের গণপরিষদের স্থায়ী সভাপতি কে ছিলেন?
— ড. রাজেন্দ্র প্রসাদ।
সংবিধানের খসড়া কমিটির (Drafting Committee) চেয়ারম্যান কে ছিলেন?
— ড. বি. আর. আম্বেদকর (ভীমরাও রামজি আম্বেদকর)।
কাকে ‘ভারতীয় সংবিধানের জনক’ বলা হয়?
— ড. বি. আর. আম্বেদকরকে।
ভারতের শাসনব্যবস্থা মূলত কী প্রকৃতির?
— যুক্তরাষ্ট্রীয় ও সংসদীয় গণতান্ত্রিক।
ভারতীয় সংবিধানে বর্তমানে ক’টি মৌলিক অধিকার স্বীকৃত আছে?
— ৬টি মৌলিক অধিকার।
সংবিধানে নাগরিকদের মৌলিক কর্তব্যের সংখ্যা ক’টি?
— ১১টি।
ভারতে কত বছর বয়সে একজন নাগরিক ভোটাধিকার লাভ করেন?
— ১৮ বছর পূর্ণ হলে।
‘সার্বভৌম’ কথাটির অর্থ কী?
— অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক ক্ষেত্রে দেশ সম্পূর্ণ স্বাধীন ও চূড়ান্ত ক্ষমতার অধিকারী।
‘ধর্মনিরপেক্ষ’ রাষ্ট্র বলতে কী বোঝায়?
— রাষ্ট্রের নিজস্ব কোনো সরকারি ধর্ম থাকবে না এবং রাষ্ট্র সব ধর্মকে সমান চোখে দেখবে।
ভারতের সর্বোচ্চ আদালত কোনটি?
— সুপ্রিম কোর্ট (নয়াদিল্লি)।
ভারতের শাসনবিভাগের সাংবিধানিক প্রধান কে?
— রাষ্ট্রপতি।
ভারতের সরকার পরিচালনার প্রকৃত প্রধান কে?
— প্রধানমন্ত্রী।
গ্রামাঞ্চলের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন সংস্থাকে কী বলা হয়?
— পঞ্চায়েত ব্যবস্থা।
শহরাঞ্চলের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন সংস্থাকে কী বলা হয়?
— পৌরসভা বা পুরসভা (Municipality / Municipal Corporation)।
পশ্চিমবঙ্গে ত্রিস্তর পঞ্চায়েত ব্যবস্থার সর্বোচ্চ স্তরের নাম কী?
— জেলা পরিষদ।
পশ্চিমবঙ্গে পঞ্চায়েত ব্যবস্থার সর্বনিম্ন বা গ্রামীণ স্তরের নাম কী?
— গ্রাম পঞ্চায়েত।
পৌরসভার নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কী বলা হয়?
— কাউন্সিলর (Councillor)।
খ. সংক্ষিপ্ত উত্তরভিত্তিক প্রশ্ন (২ বা ৩ নম্বর):
সংবিধান কাকে বলে? ভারতের সংবিধানের রচয়িতা কে ছিলেন?
ভারত কবে স্বাধীন হয় এবং ভারতীয় সংবিধান কবে কার্যকর হয়?
ভারতকে একটি ‘সার্বভৌম, সমাজতান্ত্রিক, ধর্মনিরপেক্ষ, গণতান্ত্রিক, সাধারণতন্ত্র’ কেন বলা হয়?
গণতন্ত্র বলতে কী বোঝো?
যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসনব্যবস্থা কাকে বলে?
ভারতীয় সংবিধানের ৩টি মৌলিক অধিকার উল্লেখ করো।
ভারতীয় নাগরিকদের যে-কোনো ৩টি মৌলিক কর্তব্য লেখো।
স্বায়ত্তশাসন বলতে কী বোঝো? পৌরসভা ও পঞ্চায়েতের মধ্যে পার্থক্য কী?
গ. বিশ্লেষণাত্মক ও বড় প্রশ্ন (৪ বা ৫ নম্বর):
ভারতীয় সংবিধানের প্রস্তাবনার মূল আদর্শগুলি সংক্ষেপে ব্যাখ্যা করো।
ভারতে সংসদীয় বা সংসদীয় গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার মূল বৈশিষ্ট্যগুলি আলোচনা করো।
ভারতীয় নাগরিকদের মৌলিক অধিকার ও মৌলিক কর্তব্যের গুরুত্ব আলোচনা করো।
স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থায় গ্রাম পঞ্চায়েত ও পুরসভার ভূমিকা ও কার্যাবলি লেখো।
LINK TO VIEW PDF FILE (Only for Subscribers)
সপ্তম শ্রেণির বাংলা অধ্যায়ভিত্তিক নোট দেখতে নিম্নের ছবিতে ক্লিক/টাচ করতে হবে
আমাদের কথাঃ পশ্চিমবঙ্গ মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদ ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সকল শিক্ষার্থীদের অনলাইন পড়াশোনায় সহায়তা প্রদান করাই আমাদের লক্ষ্য।
পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বাংলা, ইংরেজি, ইতিহাস, ভূগোল, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, শিক্ষাবিজ্ঞান, দর্শন, সংস্কৃত প্রভৃতি বিষয়ে অনলাইন সহায়তা প্রদান করা হবে।
ভালো করে পড়াশোনা করা কেবল পরীক্ষায় ভালো নম্বর পাওয়ার মাধ্যম নয়, বরং এটি একজন মানুষের সামগ্রিক জীবন গঠনের মূল ভিত্তি। সঠিক শিক্ষা মানুষের চিন্তাভাবনাকে উন্নত করে এবং ব্যক্তিত্বকে বিকশিত করে।
জ্ঞান ও দক্ষতার বিকাশ গভীর মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করলে যেকোনো বিষয়ের মূল ধারণা পরিষ্কার হয়। এটি বাস্তব জীবনে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং জটিল সমস্যার সমাধান করার দক্ষতা তৈরি করে।
উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও আত্মনির্ভরশীলতা বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক যুগে ভালো ক্যারিয়ার গঠনের জন্য উপযুক্ত শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। ভালো পড়াশোনা ভালো কাজের সুযোগ তৈরি করে, যা একজন ব্যক্তিকে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী ও আত্মবিশ্বাসী করে তোলে।
নৈতিকতা ও সামাজিক সচেতনতা প্রকৃত শিক্ষা মানুষের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ, সহমর্মিতা এবং দায়িত্ববোধ জাগ্রত করে। একজন সুশিক্ষিত মানুষ নিজের অধিকারের পাশাপাশি অন্যের প্রতি কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন থাকেন, যা একটি সুস্থ ও সুন্দর সমাজ গঠনে সহায়ক।
পড়াশোনাকে শুধু মুখস্থবিদ্যার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে তা ভালোভাবে উপলব্ধি করে শেখা উচিত। নিয়মিত ও পরিকল্পিত অধ্যবসায় একজন সাধারণ শিক্ষার্থীকেও অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিতে পারে। তাই সফল, সচেতন ও মার্জিত মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার জন্য ভালো করে পড়াশোনা করা অত্যন্ত জরুরি।
আমরা প্রতিনিয়ত আমাদের WBNOTES.IN ওয়েবসাইটে শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন নতুন আলোচনা প্রদান করবার প্রচেষ্টা করে চলেছি। সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের প্রতি অনুরোধ- আপনারা আপনাদের পরিচিতদের সাথে আমাদের WBNOTES.IN ওয়েবসাইটটিকে শেয়ার করবেন।
আমাদের লক্ষ্যঃ পশ্চিমবঙ্গের সকল শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের কাছে সহজবোধ্য ভাষায় বিবিধ বিষয়ের একটি সুসংগঠিত অনলাইন শিক্ষা পরিষেবা পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য। আর্থিকভাবে অনগ্রসর শিক্ষার্থীদের জন্য আমরা যেমন বিনামূল্যে জ্ঞানার্জনের সুবিধা প্রদান করেছি; আবার মাননীয় শিক্ষকদের সুবিধার্থে এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষা প্রস্তুতি প্রদানের লক্ষ্যে আমাদের WBNOTES.IN ওয়েবসাইটের পক্ষ থেকে প্রদান করা হচ্ছে নরমাল ও প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন। আমাদের সাবস্ক্রীপশন পেজে আপনারা এই সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য পেয়ে যাবেন।



















