দুর্যোগ ও বিপর্যয় প্রশ্নের উত্তর Class 9 Geography
দুর্যোগ ও বিপর্যয় প্রশ্নের উত্তর Class 9 Geography নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ভূগোল বিষয়ে অনলাইন সহায়তা প্রদান করতে WWW.WBNOTES.IN ওয়েবসাইটের পক্ষ থেকে প্রদান করা হলো। নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা এই প্রশ্নের উত্তরগুলি তৈরি করে তাদের পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জন করতে পারবে। এখানে নবম শ্রেণির ভূগোল অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্নের উত্তর প্রদান করা হলো।
আমাদের ওয়েবসাইটের Class Note বিভাগে বিবিধ বিষয়ের প্রশ্নের উত্তর, Mock Test বিভাগে একাধিক বিষয়ের অসংখ্য মক টেস্ট, Suggestion বিভাগে অধ্যায়ভিত্তিক সাজেশন প্রদান করা হয়। আমাদের সকল আপডেট লাভ করতে নিয়মিত ভিজিট করো আমাদের ওয়েবসাইটটি।
দুর্যোগ ও বিপর্যয় প্রশ্নের উত্তর Class 9 Geography :
১) বহুবিকল্পভিত্তিক প্রশ্ন (MCQ)
১. ‘Hazard’ (দুর্যোগ) শব্দটি কোন্ শব্দ থেকে এসেছে?
(ক) গ্রিক (খ) লাতিন (গ) আরবি (ঘ) ফরাসি
উত্তর: (গ) আরবি (আজ-জাহর) বা প্রাচীন ফরাসি (হাসার্দ)।
২. বিপর্যয় (Disaster) হলো দুর্যোগের—
(ক) সূচনা (খ) চরম পরিণতি (গ) পূর্ব রূপ (ঘ) কোনোটিই নয়
উত্তর: (খ) চরম পরিণতি।
৩. নিচের কোনটি ভূতাত্ত্বিক বিপর্যয়?
(ক) ঘূর্ণিঝড় (খ) বন্যা (গ) ভূমিকম্প (ঘ) খরা
উত্তর: (গ) ভূমিকম্প।
৪. জাপানি শব্দ ‘সুনামি’-র ‘সু’ (Tsu) শব্দের অর্থ হলো—
(ক) তরঙ্গ (খ) সমুদ্র (গ) বন্দর বা পোতাশ্রয় (ঘ) ভূমিকম্প
উত্তর: (গ) বন্দর বা পোতাশ্রয়।
৫. মেঘভাঙা বৃষ্টির ফলে পাহাড়ি অঞ্চলে আকস্মিক যে বন্যা হয়, তাকে বলে—
(ক) সুনামি (খ) হড়পা বান (গ) জোয়ারের বান (ঘ) হিমানী সম্প্রপাত
উত্তর: (খ) হড়পা বান।
৬. পশ্চিমবঙ্গের খরাপ্রবণ দুটি জেলা হলো—
(ক) পুরুলিয়া ও বাঁকুড়া (খ) উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা (গ) দার্জিলিং ও কালিম্পং (ঘ) হাওড়া ও হুগলি
উত্তর: (ক) পুরুলিয়া ও বাঁকুড়া।
৭. পশ্চিমবঙ্গের পাহাড়ি অঞ্চলে প্রধান ও মারাত্মক প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলো—
(ক) খরা (খ) নদী ভাঙন (গ) ভূমিধস (ঘ) সুনামি
উত্তর: (গ) ভূমিধস।
৮. ১৯৮৪ সালে ঘটে যাওয়া ‘ভোপাল গ্যাস দুর্ঘটনা’ কোন্ ধরনের বিপর্যয়?
(ক) প্রাকৃতিক (খ) মনুষ্যসৃষ্ট (গ) আধা-প্রাকৃতিক (ঘ) বায়ুমণ্ডলীয়
উত্তর: (খ) মনুষ্যসৃষ্ট।
৯. পশ্চিমবঙ্গের ‘দুঃখের নদী’ বলা হয় কোন্ নদীকে?
(ক) তীস্তা (খ) মহানন্দা (গ) দামোদর (ঘ) রূপনারায়ণ
উত্তর: (গ) দামোদর।
১০. কোনো অঞ্চলে স্বাভাবিকের তুলনায় কত শতাংশ কম বৃষ্টিপাত হলে তাকে খরা বলা হয়?
(ক) ৫০% (খ) ৭৫% (গ) ২৫% (ঘ) ১০%
উত্তর: (খ) ৭৫% বা তার কম (বা ২৫% বৃষ্টিপাতের ঘাটতি)।
১১. নিচের কোনটি বায়ুমণ্ডলীয় দুর্যোগের উদাহরণ?
(ক) সাইক্লোন বা ঘূর্ণিঝড় (খ) ভূখণ্ড খসে পড়া (গ) অগ্ন্যুৎপাত (ঘ) পারমাণবিক বিস্ফোরণ
উত্তর: (ক) সাইক্লোন বা ঘূর্ণিঝড়।
১২. ১৯৮৬ সালের ‘চেরনোবিল দুর্ঘটনা’ একটি—
(ক) রাসায়নিক বিপর্যয় (খ) পারমাণবিক বিপর্যয় (গ) জৈব বিপর্যয় (ঘ) সামাজিক বিপর্যয়
উত্তর: (খ) পারমাণবিক বিপর্যয়।
১৩. উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলে বৃহৎ বরফের স্তূপ হঠাৎ নিচে খসে পড়াকে বলে—
(ক) হিমানী সম্প্রপাত (খ) প্রপাত (গ) ধস (ঘ) হড়পা বান
উত্তর: (ক) হিমানী সম্প্রপাত।
১৪. সমুদ্রের তলদেশে ভূমিকম্প হলে কীসের সৃষ্টি হয়?
(ক) টর্নেডো (খ) সুনামি (গ) দাবানল (ঘ) সাইলেন্ট কিলার
উত্তর: (খ) সুনামি।
১৫. পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর ও সুন্দরবন উপকূল অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি দেখা যায়—
(ক) খরা (খ) সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস ও ঘূর্ণিঝড় (গ) ভূমিধস (ঘ) হিমবাহ ধস
উত্তর: (খ) সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস ও ঘূর্ণিঝড়।
১৬. গাছপালা ও বনাঞ্চলে কোনো মনুষ্যসৃষ্ট বা প্রাকৃতিক কারণে আগুন লাগলে তাকে বলে—
(ক) অগ্ন্যুৎপাত (খ) দাবানল (গ) তাপপ্রবাহ (ঘ) সামুদ্রিক ঝড়
উত্তর: (খ) দাবানল।
১৭. যে বিপর্যয় সৃষ্টিতে প্রকৃতি ও মানুষ উভয়ই যৌথভাবে দায়ী, তাকে বলে—
(ক) বায়ুমণ্ডলীয় (খ) আধা-প্রাকৃতিক (গ) মহাজাগতিক (ঘ) বায়োলজিক্যাল
উত্তর: (খ) আধা-প্রাকৃতিক।
১৮. আন্তর্জাতিক বিপর্যয় প্রশমন দিবস পালিত হয়—
(ক) ১৩ই অক্টোবর (খ) ৫ই জুন (গ) ২২শে মার্চ (ঘ) ১৬ই সেপ্টেম্বর
উত্তর: (ক) ১৩ই অক্টোবর।
১৯. ২০০৪ সালের ২৬শে ডিসেম্বর ভারত মহাসাগরে মারাত্মক বিপর্যয় ঘটিয়েছিল—
(ক) আইলা (খ) আমফান (গ) সুনামি (ঘ) হুদহুদ
উত্তর: (গ) সুনামি।
২০. ভূমিকম্পের তীব্রতা ও ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা পরিমাপ করা হয় কোন্ স্কেলে?
(ক) রিখটার ও মার্সালি স্কেল (খ) ব্যালান্স স্কেল (গ) থার্মোমিটার (ঘ) ব্যারোমিটার
উত্তর: (ক) রিখটার ও মার্সালি স্কেল।
@ দুর্যোগ ও বিপর্যয় প্রশ্নের উত্তর – WBNOTES.IN
২) অতিসংক্ষিপ্ত উত্তরভিত্তিক প্রশ্ন (SAQ)
১. দুর্যোগ (Hazard) কাকে বলে?
উত্তর: যে চরম ভৌগোলিক বা পরিবেশগত ঘটনা মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা, অর্থনীতি ও বাস্তুতন্ত্রে ক্ষতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে তাকে দুর্যোগ বলে।
২. বিপর্যয় (Disaster) কাকে বলে?
উত্তর: দুর্যোগ যখন তীব্র আকার ধারণ করে বিস্তৃত অঞ্চল জুড়ে ব্যাপক প্রাণহানি, বিপুল সম্পত্তি ধ্বংস ও পরিবেশের ক্ষতি সাধন করে, তাকে বিপর্যয় বলে।
৩. ‘Disaster’ শব্দটির উৎপত্তি কোন্ দুটি শব্দ থেকে হয়েছে?
উত্তর: লাতিন/ফরাসি শব্দ ‘Des’ (খারাপ বা অশুভ) এবং ‘Aster’ (তারা বা নক্ষত্র) থেকে এসেছে, যার অর্থ ‘অশুভ নক্ষত্রের প্রভাব’।
৪. হড়পা বান (Flash Flood) কী?
উত্তর: পার্বত্য অঞ্চলে মেঘভাঙা বৃষ্টির ফলে বা নদীর বাঁধ ভাঙলে স্বল্প সময়ে পাহাড়ি নদীতে জলস্তর হঠাৎ বিপদসীমার ওপরে উঠে যে বিধ্বংসী প্লাবন ঘটায়, তাকে হড়পা বান বলে।
৫. সুনামি (Tsunami) কী?
উত্তর: সমুদ্রের তলদেশে ভূ-পাত বা পাতের বিচ্যুতির কারণে ৭ বা তার বেশি রিখটার মাত্রার ভূমিকম্প ঘটলে যে দানবীয় সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসের সৃষ্টি হয়, তাকে সুনামি বলে।
৬. আধা-প্রাকৃতিক দুর্যোগের একটি উদাহরণ দাও।
উত্তর: পরিবেশ অবিবেচনা করে গাছ কাটার ফলে পর্বতে ধস নামা বা নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ রুদ্ধ করে কৃত্রিম বন্যা।
৭. একটি মনুষ্যসৃষ্ট বিপর্যয়ের উদাহরণ দাও।
উত্তর: ১৯৮৪ সালের ভোপালের ‘মিথাইল আইসো সায়ানেট’ (MIC) গ্যাস দুর্ঘটনা।
৮. পশ্চিমবঙ্গের কোন্ জেলাগুলিতে ভূ-ধসের প্রকোপ সর্বাধিক?
উত্তর: দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলায়।
৯. মেঘভাঙা বৃষ্টি (Cloudburst) কী?
উত্তর: খুব অল্প সময়ে (প্রায় ১ ঘণ্টায়) নির্দিষ্ট কোনো ছোট জায়গায় ১০০ মিমি বা তার বেশি মাত্রায় প্রবল মুষলধারে বৃষ্টিপাত হলে তাকে মেঘভাঙা বৃষ্টি বলে।
১০. খরা (Drought) কাকে বলে?
উত্তর: দীর্ঘকাল যাবৎ বৃষ্টিপাতের অভাব ঘটলে এবং ভূগর্ভস্থ জলস্তর বিপজ্জনকভাবে নিচে নেমে তীব্র জলসংকট তৈরি হলে তাকে খরা বলে।
১১. সাইক্লোন বা ঘূর্ণবাত কী ধরণের বিপর্যয়?
উত্তর: এটি এক প্রকার বায়ুমণ্ডলীয় বা আবহাওয়াগত প্রাকৃতিক বিপর্যয়।
১২. বন্যা (Flood) কাকে বলে?
উত্তর: নদীর জল ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত জল আসার ফলে দু-কূল ছাপিয়ে বিস্তৃত স্থলভাগ সাময়িকভাবে জলমগ্ন হলে তাকে বন্যা বলে।
১৩. পশ্চিমবঙ্গের বন্যাপ্রবণ দুটি জেলার নাম লেখো।
উত্তর: মুর্শিদাবাদ ও পশ্চিম মেদিনীপুর।
১৪. ভূমির ধস (Landslide) কী?
উত্তর: মাধ্যাকর্ষণ শক্তির টানে পার্বত্য খাড়া ঢাল থেকে শিলা, মাটি বা পলিস্তর দ্রুত নিচের দিকে খসে পড়াকে ভূমিধস বলে।
১৫. হিমানী সম্প্রপাত (Avalanche) কোথায় ঘটে?
উত্তর: উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলে যেখানে স্থায়ী বরফ বা তুষার থাকে, সেখানে বরফের চাঁই নিচে খসে পড়লে হিমানী সম্প্রপাত ঘটে।
১৬. বিপর্যয় ব্যবস্থাপনার প্রধান ৩টি পর্যায় কী কী?
উত্তর: ১. বিপর্যয়-পূর্ব প্রস্তুতি, ২. বিপর্যয়কালীন ত্রাণ ও উদ্ধার কাজ এবং ৩. বিপর্যয়-পরবর্তী পুনর্বাসন।
১৭. সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ অরণ্য উপকূলকে কোন্ বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করে?
উত্তর: সামুদ্রিক সাইক্লোন বা ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের হাত থেকে।
১৮. কোন্ সংস্থাকে ভারতে ভূ-কম্পন সংক্রান্ত তথ্যের জন্য মূল দায়িত্ব দেওয়া হয়?
উত্তর: ভারতীয় আবহাওয়া বিভাগ (IMD – India Meteorological Department)।
১৯. দাবানল সৃষ্টির প্রাকৃতিক কারণ কী?
উত্তর: শুষ্ক বায়ুমণ্ডলে গাছে গাছে ঘর্ষণ লেগে তৈরি হওয়া আগুন বা বাজ (বজ্রপাত) পড়া।
২০. NDMA-এর পুরো নাম কী?
উত্তর: National Disaster Management Authority (জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তর)।
@ দুর্যোগ ও বিপর্যয় প্রশ্নের উত্তর – WBNOTES.IN
৩) শূন্যস্থান পূরণ করো:
১. দুর্যোগ হলো কোনো বিপর্যয়ের প্রাক-অবস্থা বা প্রাথমিক রূপ।
২. ‘Tsunami’ একটি জাপানি শব্দ।
৩. পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়া ও বাঁকুড়া জেলা খরাপ্রবণ জেলা হিসেবে পরিচিত।
৪. পাহাড়ি নদীতে হঠাৎ আসা বিশাল জলস্ফীতিকে হড়পা বান বলে।
৫. রিখটার স্কেলের সাহায্যে ভূমিকম্পের তীব্রতা বা মাত্রা পরিমাপ করা হয়।
৬. মনুষ্যসৃষ্ট কারণে সৃষ্ট বায়ুমণ্ডলীয় উষ্ণতা বৃদ্ধি এক প্রকার আধা-প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
৭. দার্জিলিং হিমালয় পার্বত্য অঞ্চলে বর্ষাকালে ঘনঘন ভূমিধস ঘটে।
৮. বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে সমুদ্রের জলের উষ্ণতা বৃদ্ধি পেয়ে ঘূর্ণিঝড় বা সাইক্লোন-এর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
৯. ১৯৮৪ সালে ভারতের ভোপাল শহরে বিষাক্ত গ্যাস দুর্ঘটনা ঘটেছিল।
১০. Disaster Management Act বা বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা আইন ভারতে ২০০৫ সালে পাস হয়।
@ দুর্যোগ ও বিপর্যয় প্রশ্নের উত্তর – WBNOTES.IN
৪) ২ নম্বরের সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর:
১. দুর্যোগ ও বিপর্যয়ের মধ্যে দুটি প্রধান পার্থক্য লেখো।
উত্তর: ক. ક્ષયક્ષતિর পরিমাণ: দুর্যোগে জীবন ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি তুলনামূলকভাবে কম বা সীমিত থাকে। অন্যদিকে বিপর্যয়ে বিপুল পরিমাণ প্রাণহানি ও সম্পত্তির বিপুল ক্ষয়ক্ষতি ঘটে। খ. ব্যাপ্তি ও স্থায়িত্ব: দুর্যোগ ছোট পরিসরে ঘটে এবং প্রভাব স্বল্পস্থায়ী হয়। কিন্তু বিপর্যয় ব্যাপক অঞ্চল জুড়ে ছড়ায় এবং এর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব থাকে।
২. নদীভাঙন বলতে কী বোঝো?
উত্তর: বর্ষাকালে নদীতে তীব্র জলস্রোতের ঘর্ষণে নদীর পারের পলি বা শিলাস্তর ভেঙে নদীগর্ভে তলিয়ে যাওয়াকে নদীভাঙন বলে। প্রভাব: পশ্চিমবঙ্গের মালদহ ও মুর্শিদাবাদ জেলায় গঙ্গা নদীর পার ভাঙনের ফলে হাজার হাজার মানুষ গৃহহীন হন এবং কৃষিজমি বিলীন হয়ে যায়।
৩. খরার দুটি প্রধান মানবীয় কারণ লেখো।
উত্তর: ক. অনিয়ন্ত্রিত বৃক্ষচ্ছেদন: বনাঞ্চল ধ্বংসের ফলে বাষ্পীভবনের হার কমে যায়, যা বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমিয়ে দেয়। খ. ভূগর্ভস্থ জলের অতিব্যবহার: নলকূপ ও পাম্পের মাধ্যমে মাত্রাতিরিক্ত জল তোলার ফলে ভূগর্ভস্থ জলস্তর নিচে নেমে চরম জলসংকট ও খরা সৃষ্টি করে।
৪. পশ্চিমবঙ্গের উত্তর পার্বত্য অঞ্চলে ভূমিধসের দুটি কারণ লেখো।
উত্তর: ক. খাড়া ভূমিরূপ ও বৃষ্টিপাত: উত্তর পার্বত্য অঞ্চলের ভূমির ঢাল অত্যন্ত খাড়া এবং বর্ষাকালে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের ফলে মাটি আলগা হয়ে নিচে নেমে আসে। খ. অবৈজ্ঞানিক নির্মাণ কাজ: পাহাড় কেটে রাস্তা তৈরি, বহুতল ভবন নির্মাণ ও গাছ কাটার ফলে পর্বতের ঢাল দুর্বল হয়ে ধস নামায়।
৫. ‘হড়পা বান’ সৃষ্টির কারণ কী?
উত্তর: পাহাড়ি অঞ্চলে মেঘভাঙা বৃষ্টির ফলে খুব কম সময়ে একলভে প্রচুর জলবৃষ্টি হয়। সংকীর্ণ পাহাড়ি নদী খাত এই অতিরিক্ত জল বহনে অক্ষম হওয়ায় পাহাড়ি ঢাল বেয়ে জল অত্যন্ত দ্রুত গতিতে নিচে নেমে এসে আকস্মিক ও বিধ্বংসী ‘হড়পা বান’ তৈরি করে।
৬. প্রাকৃতিক ও মনুষ্যসৃষ্ট বিপর্যয়ের দুটি পার্থক্য লেখো।
উত্তর: ক. উৎপত্তি: প্রাকৃতিক বিপর্যয় প্রাকৃতিক শক্তির প্রভাবে (যেমন: ভূমিকম্প, সুনামি) ঘটে, এতে মানুষের হাত থাকে না। অপরদিকে মনুষ্যসৃষ্ট বিপর্যয় মানুষের ভুল, অসতর্কতা বা অবৈজ্ঞানিক কার্যকলাপের ফল। খ. পূর্বাভাস: বহু প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের (যেমন: ঘূর্ণিঝড়, বন্যা) আগাম পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব হলেও বেশিরভাগ মনুষ্যসৃষ্ট বিপর্যয় হঠাৎই ঘটে যায়।
৭. জৈব বা বায়োলজিক্যাল বিপর্যয় কাকে বলে?
উদাহরণ দাও। উত্তর: কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলে রোগজীবাণু (ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া) বা ক্ষতিকর কীটপতঙ্গের অনিয়ন্ত্রিত বংশবৃদ্ধির ফলে মহামারী ছড়িয়ে পড়ে যখন মানবজাতি ও জীবকুলের ব্যাপক প্রাণহানি ঘটে, তাকে জৈব বিপর্যয় বলে। উদাহরণ: কোভিড-১৯ মহামারী বা ডেঙ্গি আক্রান্ত পরিস্থিতি।
৮. বিপর্যয় ব্যবস্থাপনায় ‘ত্রাণ ও উদ্ধার’ বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: বিপর্যয় ঘটার অব্যবহিত পরেই ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা থেকে বিপন্ন মানুষকে দ্রুত নিরাপদে সরিয়ে আনা, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা বা চিকিৎসা প্রদান করা এবং আক্রান্তদের মধ্যে খাদ্য, পানীয় জল ও বস্ত্র বিতরণ করার জরুরি পদক্ষেপকে উদ্ধার ও ত্রাণ কাজ বলে।
৯. সাইক্লোন বা সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস কাকে বলে?
উত্তর: ক্রান্তীয় মহাসাগরে উৎপন্ন অতি নিম্নচাপ কেন্দ্রকে ঘিরে ঘণ্টায় বহু কিলোমিটার বেগে ঘুরতে থাকা বিধ্বংসী ঝড়কে সাইক্লোন বলে। এর প্রভাবে সমুদ্রের জল বিশাল তরঙ্গ আকারে উপকূলে আছড়ে পড়লে তাকে সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস বলে।
১০. আধা-প্রাকৃতিক দুর্যোগ কাকে বলে?
উত্তর: যে সমস্ত দুর্যোগের পেছনে প্রাকৃতিক কারণের পাশাপাশি মানুষের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ অনিয়ন্ত্রিত ক্রিয়াকলাপ যুক্ত থাকে, সেগুলিকে আধা-প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলে। যেমন—অতিরিক্ত বৃক্ষচ্ছেদের ফলে পার্বত্য অঞ্চলে ভূমিধস বা নদী ভরাট হওয়ার কারণে সৃষ্টি হওয়া বন্যা।
@ দুর্যোগ ও বিপর্যয় প্রশ্নের উত্তর – WBNOTES.IN
৫) ৩ নম্বরের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যামূলক প্রশ্ন ও উত্তর:
১. দুর্যোগ কীভাবে বিপর্যয়ে পরিণত হয়? উপযুক্ত উদাহরণসহ বুঝিয়ে লেখো।
উত্তর: সব দুর্যোগই বিপর্যয় নয়, কিন্তু দুর্যোগ যখন মাত্রা ছাড়িয়ে মানবসমাজ ও সম্পদের বিপুল ক্ষতি সাধন করে, তখন তা বিপর্যয়ে রূপান্তরিত হয়।
ক. অবস্থান ও জনবসতি:
নির্জন দ্বীপে বা জনমানবহীন মরুভূমিতে প্রবল ভূমিকম্প বা ঝড় হলে তা কেবল একটি ‘দুর্যোগ’ হিসেবে গণ্য হয়, কারণ সেখানে মানব জীবনের ক্ষতি হয় না।
খ. ব্যাপকতা ও তীব্রতা:
সেই একই ভূমিকম্প বা ঝড় যদি কোনো ঘনবসতিপূর্ণ শহরে (যেমন: কলকাতা বা ঢাকা) আঘাত হানে, তবে বহু ঘরবাড়ি ভেঙে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু ঘটে ও যোগাযোগ ব্যবস্থা ধ্বংস হয়।
গ. সহনশীলতার অভাব:
স্থানীয় মানুষ যদি নিজস্ব শক্তিতে সেই পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়, তখন দুর্যোগটি ‘বিপর্যায়’-এর রূপ ধারণ করে।
২. নদী অববাহিকায় বন্যা নিয়ন্ত্রণে ও মোকাবিলায় কী কী পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে?
উত্তর: নদী অববাহিকায় প্লাবন বা বন্যা নিয়ন্ত্রণে নিম্নলিখিত কার্যকরী পদক্ষেপগুলি গ্রহণ করা প্রয়োজন:
ক. নদীর নাব্যতা বৃদ্ধি:
নিয়মিত ড্রেজিং বা নদীখাত খনন করে নদীর জমে থাকা পলি দূর করতে হবে, যাতে নদীর জলধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
খ. জলাধার ও বাঁধ নির্মাণ:
নদীর উজানে উপযুক্ত বাঁধ ও জলাধার নির্মাণ করে অতিরিক্ত জল আটকে রাখতে হবে এবং শুষ্ক মরসুমে তা নিয়ন্ত্রিত উপায়ে ছাড়তে হবে।
গ. বৃক্ষরোপণ ও অববাহিকা ব্যবস্থাপনা:
নদীর উৎস ও প্লাবন ভূমিতে নিবিড় বনসৃজন করতে হবে, যা মৃত্তিকা ক্ষয় রোধ করে নদীর তলদেশ ভরাট হওয়া আটকাবে।
৩. সুনামি সৃষ্টির মূল কারণগুলি আলোচনা করো।
উত্তর: সমুদ্রের তলদেশে সৃষ্ট বিশাল ও বিধ্বংসী ঢেউ হলো সুনামি। এর প্রধান কারণগুলি হলো:
ক. সমুদ্রবক্ষে ভূমিকম্প:
পাতসংস্থান তত্ত্ব অনুযায়ী সমুদ্রতলে দুটি পাতের সংঘর্ষের ফলে রিখটার স্কেলে ৭-এর বেশি মাত্রার ভূকম্পন হলে ওপরের বিপুল জলরাশি আলোড়িত হয়ে সামুদ্রিক তরঙ্গের সৃষ্টি করে।
খ. সামুদ্রিক অগ্ন্যুৎপাত:
সমুদ্রগর্ভে অবস্থিত অগ্নেয়গিরির প্রবল বিস্ফোরণ হলে সমুদ্রের জল আচমকা উথলে উঠে ঢেউয়ের আকার নেয়।
গ. সমুদ্রের তলদেশে ধস:
সমুদ্রতলে খাড়া ঢাল বরাবর বিশাল শিলাখণ্ড বা পলির ধস নামলে সুনামি তরঙ্গের সৃষ্টি হতে পারে।
৪. “পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবন অঞ্চল বিপর্যয়প্রবণ”— ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুন্দরবন এলাকা ভৌগোলিক কারণে অত্যন্ত দুর্যোগ ও বিপর্যয়প্রবণ। এর মূল কারণগুলি হলো:
ক. ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস:
বঙ্গোপসাগরের নিকটে অবস্থিত হওয়ায় ট্রপিক্যাল সাইক্লোন (যেমন—আমফান, আইলা, ইয়াস) এবং তার থেকে সৃষ্ট বিশাল সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস সুন্দরবন এলাকায় প্রায়শই আঘাত হানে।
খ. কাঁচা বাঁধ ভাঙন:
সুন্দরবনের বহু নদীবাঁধ মাটি ও কাঁচা সামগ্রী দিয়ে তৈরি। জলোচ্ছ্বাসে নদী ও সমুদ্রের লোনা জল কাঁচা বাঁধ ভেঙে গ্রামে ঢুকে পড়ে, যার ফলে কৃষিজমি ও পানীয় জল দীর্ঘদিন ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ে।
গ. ভৌগোলিক ভঙ্গুরতা:
সুন্দরবন অঞ্চলটি বহু নদী ও খাঁড়ি দ্বারা গঠিত বদ্বীপ এলাকা হওয়ায় নদী ভাঙন, ভূমি রূপান্তর ও জলস্তরের বৃদ্ধি এখানে মারাত্মক বিপর্যয় ডেকে আনে।
৫. বিপর্যয় ব্যবস্থাপনায় শিক্ষার্থীদের ভূমিকা সংক্ষেপে লেখো।
উত্তর: একটি দেশের ভবিষ্যৎ নাগরিক হিসেবে যেকোনো বিপর্যয় মোকাবিলায় শিক্ষার্থীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে:
ক. সচেতনতা বৃদ্ধি:
শিক্ষার্থীরা সাইক্লোন, ভূমিকম্প বা বন্যার মতো দুর্যোগের সময় কী করা উচিত আর কী করা উচিত নয়—সে বিষয়ে পরিবার ও স্থানীয় প্রতিবেশীদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে পারে।
খ. স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে সহায়তা:
বিপর্যয়-পরবর্তী সময়ে নিরাপদ স্থানে থেকে দুর্গতদের উদ্ধার, প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান এবং ত্রাণসামগ্রী (খাদ্য, পানীয় জল, ওষুধ) বিতরণে রেড ক্রস বা অন্যান্য সংস্থার সাথে হাত মেলাতে পারে।
গ. প্রস্তুতিমূলক মহড়ায় অংশ গ্রহণ:
বিদ্যালয়ে আয়োজিত মহড়া (Mock Drill) থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে নিজেদের প্রস্তুত রাখা এবং বিপর্যয়ের সময় গুজবে কান না দিয়ে সঠিক তথ্য প্রচারে সাহায্য করা।
এই অধ্যায় থেকে কোনো ৫ নম্বরের প্রশ্ন আসবে না।
PDF DOWNLOAD LINK (Preview Copy)
দুর্যোগ ও বিপর্যয় প্রশ্নের উত্তর – উপরের ফাইলটিতে অল্প কিছু প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয়েছে। নিম্নের PDF ফাইলটিতে এই অধ্যায়ের সমস্ত MCQ, SAQ , ২ নম্বরের প্রশ্ন, ৩ নম্বরের প্রশ্ন, ৫ নম্বরের প্রশ্ন উত্তরসহ শুধুমাত্র আমাদের Subscribers -দের জন্য প্রদান করা হলো। নবম শ্রেণির বাংলা, ইংরাজি, ইতিহাস, ভূগোল বিষয়ের সাবস্ক্রিপশন নিতে যোগাযোগ করুন আমাদের সাথেঃ What’s App: 7001880232
১) নবম শ্রেণির ভূগোল ষষ্ঠ অধ্যায় – দুর্যোগ ও বিপর্যয় (Only for Subscribers)
পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির সকল বিষয়ের MCQ প্রশ্নের মক টেস্ট প্রদান করতে নিম্নের লিঙ্কটি অনুসরণ করতে হবে
সকল শ্রেণির বাংলা অধ্যায় ভিত্তিক প্রশ্নের উত্তর দেখতে নিম্নের ছবিতে ক্লিক/টাচ করতে হবে
আমাদের কথাঃ পশ্চিমবঙ্গ মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদ ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সকল শিক্ষার্থীদের অনলাইন পড়াশোনায় সহায়তা প্রদান করাই আমাদের লক্ষ্য।
পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বাংলা, ইংরেজি, ইতিহাস, ভূগোল, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, শিক্ষাবিজ্ঞান, দর্শন, সংস্কৃত প্রভৃতি বিষয়ে অনলাইন সহায়তা প্রদান করা হবে।
ভালো করে পড়াশোনা করা কেবল পরীক্ষায় ভালো নম্বর পাওয়ার মাধ্যম নয়, বরং এটি একজন মানুষের সামগ্রিক জীবন গঠনের মূল ভিত্তি। সঠিক শিক্ষা মানুষের চিন্তাভাবনাকে উন্নত করে এবং ব্যক্তিত্বকে বিকশিত করে।
জ্ঞান ও দক্ষতার বিকাশ গভীর মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করলে যেকোনো বিষয়ের মূল ধারণা পরিষ্কার হয়। এটি বাস্তব জীবনে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং জটিল সমস্যার সমাধান করার দক্ষতা তৈরি করে।
উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও আত্মনির্ভরশীলতা বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক যুগে ভালো ক্যারিয়ার গঠনের জন্য উপযুক্ত শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। ভালো পড়াশোনা ভালো কাজের সুযোগ তৈরি করে, যা একজন ব্যক্তিকে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী ও আত্মবিশ্বাসী করে তোলে।
নৈতিকতা ও সামাজিক সচেতনতা প্রকৃত শিক্ষা মানুষের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ, সহমর্মিতা এবং দায়িত্ববোধ জাগ্রত করে। একজন সুশিক্ষিত মানুষ নিজের অধিকারের পাশাপাশি অন্যের প্রতি কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন থাকেন, যা একটি সুস্থ ও সুন্দর সমাজ গঠনে সহায়ক।
পড়াশোনাকে শুধু মুখস্থবিদ্যার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে তা ভালোভাবে উপলব্ধি করে শেখা উচিত। নিয়মিত ও পরিকল্পিত অধ্যবসায় একজন সাধারণ শিক্ষার্থীকেও অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিতে পারে। তাই সফল, সচেতন ও মার্জিত মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার জন্য ভালো করে পড়াশোনা করা অত্যন্ত জরুরি।
আমরা প্রতিনিয়ত আমাদের WBNOTES.IN ওয়েবসাইটে শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন নতুন আলোচনা প্রদান করবার প্রচেষ্টা করে চলেছি। সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের প্রতি অনুরোধ- আপনারা আপনাদের পরিচিতদের সাথে আমাদের WBNOTES.IN ওয়েবসাইটটিকে শেয়ার করবেন।
আমাদের লক্ষ্যঃ পশ্চিমবঙ্গের সকল শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের কাছে সহজবোধ্য ভাষায় বিবিধ বিষয়ের একটি সুসংগঠিত অনলাইন শিক্ষা পরিষেবা পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য। আর্থিকভাবে অনগ্রসর শিক্ষার্থীদের জন্য আমরা যেমন বিনামূল্যে জ্ঞানার্জনের সুবিধা প্রদান করেছি; আবার মাননীয় শিক্ষকদের সুবিধার্থে এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষা প্রস্তুতি প্রদানের লক্ষ্যে আমাদের WBNOTES.IN ওয়েবসাইটের পক্ষ থেকে প্রদান করা হচ্ছে নরমাল ও প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন। আমাদের সাবস্ক্রীপশন পেজে আপনারা এই সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য পেয়ে যাবেন।























