মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর
মাধ্যমিক পরীক্ষা প্রদান করতে চলা দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য www.wbnotes.in ওয়েবসাইটের পক্ষ থেকে এখানে মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর প্রদান করা হলো। শিক্ষার্থীরা এই গুরুত্বপূর্ণ বাংলা ব্যাকরণের প্রস্নের উত্তরগুলি ভালো করে তৈরি করলে তাদের মাধ্যমিক বাংলা পরীক্ষায় সুফল লাভ করবে। আমাদের ওয়েবসাইটে ইতিপূর্বেই দশম শ্রেণির বাংলা বিষয়ের সমস্ত অধায়ভিত্তিক প্রশ্নের উত্তর প্রদান করা হয়েছে।
মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর :
১) ক্রিয়াপদের সঙ্গে নামপদের সম্পর্ককে বলে – কারক
২) ‘কথাটা শুনে তপনের চোখ মার্বেল হয়ে গেল’ – নিম্নরেখ পদটি – সম্বন্ধপদ
৩) ‘সম্বোধন’ শব্দের অর্থ – আহ্বান
৪) সম্বন্ধ ও সম্বোধন পদ উভয়েই – অকারক
৫) ধাতু বা প্রাতিপদিকে যুক্ত চিহ্ন হল – বিভক্তি
৬) বিভক্তি শব্দের অর্থ – বিভাজন
৭) অনুসর্গের একটি দৃষ্টান্ত হল – জন্য
৮) বাংলায় ‘নিহিত অ’ কারকে – শূন্য বিভক্তি
৯) সব কারকে ব্যবহৃত হয় – তির্যক বিভক্তি
১০) বাংলা ভাষায় তির্যক বিভক্তি – এ, তে, এতে
১১) অনুসর্গ মাত্রই – অব্যয়
১২) টি, টা হল – নির্দেশক
১৩) বিভক্তি সর্বদা – শব্দের পরে যুক্ত হয়
১৪) অন্য কাউকে দিয়ে কাজ করায় – প্রযোজক কর্তা
১৫) অন্যের পরিচালনায় যে কর্তা কাজ করে তাকে বলে – প্রযোজ্য কর্তা
১৬) একাধিক কর্তার পারস্পরিক ক্রিয়া বিনিময় বোঝালে – ব্যতিহার কর্তা
১৭) বাক্যের অসমাপিকা ক্রিয়ার পৃথক কর্তাকে বলে – নিরপেক্ষ কর্তা
১৮) পরস্পরের সহযোগিতায় কাজ সম্পন্ন করে – সহযোগী কর্তা
১৯) ‘রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয়’ – এই বাক্যের কর্তাটি হল – ব্যতিহার কর্তা
২০) কর্তৃবাচ্যের কর্তার অপর নাম – উক্ত কর্তা
২১) ছদ্মকর্তা হল – কর্মকর্তৃবাচ্যের কর্তা
২২) যন্ত্রাত্মক বা উপায়াত্মক কর্তার অন্য নাম – সাধন কর্তা
২৩) ‘ইসাবের মেজাজ চড়ে গেল’ – – নিম্নরেখ পদটি যে কারকের উদাহরণ – কর্মকারক
২৪) ‘আমাদের ইতিহাস নেই’ – নিম্নরেখ পদটি যে কারকের উদাহরণ – কর্মকারক
২৫) ‘সে ধরাকে সরা জ্ঞান করছে’ – চিহ্নিত অংশটি – উদ্দেশ্য কর্ম
২৬) মেসি কী খেলাই না খেলল – চিহ্নিত অংশটি – সমধাতুজ কর্ম
২৭) ‘আমি ভাইকে সাইকেল দিলাম’ – চিহ্নিত অংশ দুটি – যথাক্রমে গৌণ কর্মকারক ও মুখ্য কর্মকারক
২৮) কলমে কায়স্থ চিনি – চিহ্নিত অনশটি – করণ কারক
২৯) ‘তিরিশ বছর ভিজায়ে রেখেছি দুই নয়নের জলে‘ – নিম্নরেখ পদটি যে কারকের উদাহরণ – করণ কারক
৩০) বনের রাজা ডাকে চেনা যায় – চিহ্নিত করণটি – লক্ষণাত্মক
৩১) তিলে তেল হয় – নিম্নরেখ পদটি যে কারকের উদাহরণ – অপাদান কারক
৩২) ক্রিয়ার আধারকে বলে – অধিকরণ
৩৩) ‘মন্দিরে বাজছিল পূজার ঘন্টা’ – নিম্নরেখ পদটি যে কারকের উদাহরণ – অধিকরণ কারক
৩৪) অনিল অঙ্কে পাকা – নিম্নরেখ পদটি যে কারকের উদাহরণ – বিষয়াধিকরণ
৩৫) ‘আর কাউকে পায়ের ধুলো নিতে দেননি সন্ন্যাসী’ – নিম্নরেখ পদটি যে কারকের উদাহরণ – সম্বন্ধপদ
৩৬) একবচনে শূন্য বিভক্তি ব্যবহৃত হয় না – করণ কারকে
৩৭) অনুসর্গপ্রধান কারক হল – করণ কারক
৩৮) দুঃখেতে ভয় কী? – নিম্নরেখ পদটি যে কারকের উদাহরণ – অপাদান কারক
৩৯) সমাসের মূল অর্থ – একাধিক পদের একটি পদে পরিণতি লাভ
৪০) যে যে পদ মিলিত হয়ে সমাস গঠন করে তাদের বলে – সমস্যমান পদ
৪১) সমস্যমান পদের সমন্বয়ে গঠিত হয় – সমস্ত পদ
৪২) সমাসগঠনে ব্যাস শব্দের প্রতিশব্দ – বিগ্রহ
৪৩) পূর্বপদের অর্থ প্রধান হয় – দ্বিগু ও অব্যয়ীভাব সমাসে
৪৪) যে সমাসে সমস্যমান পদ দুটির উভয় পদই বিশেষ্য ও পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায়, তাকে বলে – তৎপুরুষ সমাস
৪৫) পরপদটি প্রধান হয় যে সমাসে – তৎপুরুষ
৪৬) কর্মধারয় সমাসে প্রাধান্য থাকে – পরপদের অর্থের
৪৭) অন্য পদের অর্থপ্রধান সমাসটি হল – বহুব্রীহি
৪৮) দ্বন্দ্ব সমাসে অর্থ প্রাধান্য থাকে – উভয় পদের
৪৯) একশেষ দ্বন্দ্বের সমস্তপদটি হয় – সর্বনামের বহুবচন
৫০) ‘বুড়ো মানুষের কথাটা শুনো’ – নিম্নরেখ পদটি যে সমাসের উদাহরণ সেটি হল – কর্মধারয় সমাস
৫১) যাকে তুলনা করা হয় তাকে বলে – উপমিত
৫২) যার সঙ্গে তুলনা করা হয়, তাকে বলে – উপমান
৫৩) উপমান ও উপমেয়ের মিলই হল – সাধারণ ধর্ম
৫৪) রূপক কর্মধারয়ের একটি উদাহরণ – ক্রোধানল
৫৫) উপমান ও উপমেয় পদের অভেদ কল্পনা করা হয় যে সমাসে তার নাম – রূপক কর্মধারয়
৫৬) ‘ফেলাইলা কনক বলয় দূরে’ – নিম্নরেখ পদটি যে সমাসের উদাহরণ সেটি হল – মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
৫৭) ব্যাসবাক্যে সাধারণ ধর্ম থাকে না – উপমিততে
৫৮) ব্যাসবাক্যে সাধারণ ধর্ম থাকে – উপমানে
৫৯) ব্যাসবাক্যে তুলনাবাচক শব্দ শেষে থাকে – উপমিততে
৬০) পূর্বপদের বিভক্তি লুপ্ত হয়ে পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায় যে সমাসে সেটি হল – তৎপুরুষ সমাস
৬১) ‘চিরসুখী’ পদটি হল – ব্যাপ্তি তৎপুরুষ
৬২) ‘রামদাস আর কোনো প্রশ্ন করিল না’ – নিম্নরেখ পদটি যে সমাসের উদাহরণ সেটি হল – তৎপুরুষ
৬৩) একদেশী তৎপুরুষের একটি উদাহরণ হল – মাঝদরিয়া
৬৪) কৃৎ প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দকে বলে – কৃদন্ত শব্দ
৬৫) উপপদের সঙ্গে ______ পদের সমাসকে বলে উপপদ তৎপুরুষ। – কৃদন্ত
৬৬) ‘ব্রীহি’ শব্দের অর্থ – ধান
৬৭) ‘দশানন‘ এর সমাস হল – বহুব্রীহি
৬৮) কৃত্তিবাস রামায়ণ রচনা করেন। – বহুব্রীহি সমাস
৬৯) ব্যাধিকরণ বহুব্রীহির একটি উদাহরণ – বীণাপাণি
৭০) ‘দ্বিগু’ পদটি সমাস করলে যে সমাস হবে – দ্বিগু সমাস
৭১) ‘দুই কড়ির বিনিময়ে ক্রীত’ ব্যাসবাক্যটি পাওয়া যাবে – তদ্ধিতার্থক দ্বিগু সমাসে
৭২) ‘ইসাবের সঙ্গে কুস্তি লড়তে তো একেবারেই গররাজি। – নিম্নরেখ পদটি যে সমাসের উদাহরণ সেটি হল – অব্যয়ীভাব
৭৩) ব্যাপ্তি অর্থে অব্যয়ীভাব – আগাগোড়া
৭৪) ‘উপনগরী’ সমাসটি গড়ে উঠেছে – সামীপ্য অর্থে
৭৫) প্রথাগত ব্যাসবাক্য হয় না যে সমাসে – নিত্য
৭৬) অলুক দ্বন্দ্বর উদাহরণ – হাটেবাজারে
৭৭) অলুক করণ তৎপুরুষের উদাহরণ – তেলেভাজা
৭৮) অলুক বহুব্রীহির উদাহরণ – মুখেমধু
৭৯) ‘রক্তদান শিবিরের উদ্যাপন’ উদাহরণ যে সমাসের তা – বাক্যাশ্রয়ী
৮০) গঠনগতভাবে বাংলা বাক্য – SOV
৮১) বাংলা বাক্যনির্মাণের শর্তসংখ্যা – তিনটি
৮২) যে পদের অভাবে অন্য পদের প্রতীতি হয় না, তাকে বলে – আকাঙ্খা
৮৩) বক্তার আগ্রহ ও শ্রোতার আগ্রহ পূর্ণ করে – পূর্ণাকাঙ্খা পদ
৮৪) পদসমূহের সান্নিধ্যজ্ঞান অর্থাৎ – আসক্তি
৮৫) বাক্যমধ্যস্থ পদের অর্থ ও ভাবের সংগতি রক্ষা করে – যোগ্যতা
৮৬) বাক্যে যার সম্পর্কে কিছু বলা হয় তা – উদ্দেশ্য
৮৭) উদ্দেশ্য সম্পর্কে যা বলা হয় – বিধেয়
৮৮) সে সারাদিন খুব পরিশ্রম করে গভীর রাতে ফিরল – এই বাক্যের নিম্নরেখ অংশটি হল – বিধেয়র সম্প্রসারক
৮৯) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘গীতাঞ্জলি’ লিখে নোবেল পুরষ্কার পান – এই বাক্যের নিম্নরেখ অংশটি হল – বিধেয়র সম্প্রসারক
৯০) পদবন্ধকে ইংরেজিতে বলে – Phrase
৯১) বিশেষ্যখন্ডে বিশেষ্যর বদলে থাকতে পারে – সর্বনাম
৯২) ‘জোরে চলো’ উদাহরণটি যে ক্রিয়াবিশেষণের তা – একপদী ক্রিয়াবিশেষণ
৯৩) সরল বাক্যে একটিমাত্র থাকে – সমাপিকা ক্রিয়া
৯৪) ‘আজকের সকালটা বেশ কাটল’ গঠনগত দিক দিয়ে বাক্যটি হল – সরল বাক্য
৯৫) ‘এইটুকু কাশির পরিশ্রমেই সে হাঁপাইতে লাগিল’ বাক্যটি যে শ্রেণির – সরল বাক্য
৯৬) ‘আমাদের মধ্যে যারা ওস্তাদ তারা ওই কালো জলে হরতকী ঘষত’ বাক্যটি যে শ্রেণির – জটিল বাক্য
৯৭) যে বাক্যে সাধারণভাবে কোনো কিছুর বর্ণনা বা বিবৃতি থাকে, তাকে বলা হয় – নির্দেশক বাক্য
৯৮) যে বাক্যে কোনো কিছু অস্বীকার করা হয় – না-বাচক বাক্য
৯৯) বেড়ালের গলায় ঘন্টা বাঁধবে কে? – অর্থগত দিক থেকে এটি – প্রশ্নবাচক বাক্য
১০০) ‘বাংলার এই দুর্দিনে আমাকে ত্যাগ করবেন না’ এটি যে ধরণের বাক্য – অনুজ্ঞাসূচক বাক্য
১০১) ‘তোরা সব জয়ধ্বনি কর’ – এটি যে ধরণের বাক্য – অনুজ্ঞাসূচক
১০২) সন্দেহবাচক বাক্যের অন্য নাম – সংশয়সূচক বাক্য
১০৩) হায়, তোমার এমন দশা কে করলে – এটি যে ধরণের বাক্য – বিস্ময়সূচক বাক্য
১০৪) বাক্য পরিবর্তনে বদলায় না – অর্থ
১০৫) বয়স ত্রিশ-বত্রিশের অধিক নয়, কিন্তু ভারি রোগা দেখাইল। – এটি যে শ্রেণির বাক্য – যৌগিক বাক্য
১০৬) ‘আমি মহারাজ নই, আমি এই সৃষ্টির মধ্যে এককণা ধূলি’ – এটি যে শ্রেণির বাক্য – যৌগিক বাক্য
১০৭) প্রচলিত অর্থে বলা যায় ক্রিয়ার প্রকাশভঙ্গিই হল – বাচ্য
১০৮) বিভিন্ন বাচ্যে আলাদা হয় – ক্রিয়ার প্রকাশভঙ্গি
১০৯) কর্তৃবাচ্যে কর্তার সঙ্গে সংগতি রক্ষা করে – ক্রিয়া
১১০) কর্মবাচ্যে কর্তার ভূমিকা গ্রহণ করে – বিধেয় কর্ম
১১১) কর্মবাচ্যের কর্তাকে বলে – অনুক্ত কর্তা
১১২) আজ কি তোমার বাজার যাওয়া হয়নি>আজ কি তুমি বাজার যাওনি? – এই বাচ্যটির পরিবর্তনটি হল – ভাববাচ্য থেকে কর্তৃবাচ্যে পরিবর্তনের উদাহরণ
১১৩) ক্রিয়ার অর্থ প্রাধান্য পায় – ভাববাচ্যে
১১৪) কর্মকর্তৃবাচ্যে অনুপস্থিত থাকে – কর্তা
১১৫) বাঁশি বাজে। – এটি একটি – অসম্পাদক কর্তৃবাচ্য
১১৬) যে কর্তা সরাসরি কাজ করে সে – সক্রিয় কর্তা
১১৭) জগদীশবাবু সিঁড়ি ধরে নেমে যান – বাক্যটির ভাববাচ্যে রূপ হল – জগদীশবাবুর সিঁড়ি ধরে নামা হয়
১১৮) তাকে টিকিট কিনতে হয়নি – বাক্যটির কর্তৃবাচ্যের রূপ হল – তিনি টিকিট কেনেননি
১১৯) ‘নদীর বিদ্রোহের কারণ সে বুঝিতে পারিয়াছে’ – এটি কোন বাচ্যের উদাহরণ – কর্তৃবাচ্য
১২০) ‘তোরা সব জয়ধ্বনি কর’ – এটি যে বাচ্যের উদাহরণ – কর্তৃবাচ্য
১২১) ‘পাঁচদিন নদীকে দেখা হয় নাই’ – এটি যে বাচ্যের উদাহরণ – ভাববাচ্য
১২২) মহাশয়ের কী করা হয় – এটি যে বাচ্যের দৃষ্টান্ত – ভাববাচ্য























