বাক্য ও তার শ্রেণিবিভাগ । দশম শ্রেণির বাংলা
দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য WBNOTES.IN ওয়েবসাইটের পক্ষ থেকে বাক্য ও তার শ্রেণিবিভাগ । দশম শ্রেণির বাংলা প্রদান করা হলো। শিক্ষার্থীরা এই বাক্য বিষয়ের আলোচনাগুলি ও প্রশ্নের উত্তরগুলি তৈরির মাধ্যমে তাদের মাধ্যমিক বাংলা পরীক্ষার ব্যাকরণ বিষয়ের প্রস্তুতি গ্রহণ করতে পারবে।
বাক্য ও তার শ্রেণিবিভাগ । দশম শ্রেণির বাংলা :
১) বাক্য কাকে বলে?
উঃ অর্থযুক্ত পদসমুচ্চয় বক্তার মনোভাবকে সুস্পষ্ট ও সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করলে এবং শ্রোতার শ্রবণ ইচ্ছাকে পরিপূর্ণ করলে, তাকে বাক্য বলে।
যেমনঃ
আমি বই পড়তে ভালোবাসি।
২) গঠনগতভাবে বাংলা বাক্যের পরিচয় দাও।
উঃ গঠনগতভাবে বাংলা বাক্য কর্তা-কর্ম-ক্রিয়া (S-O-V)গঠনের হয়ে থাকে।
যেমনঃ
আমি ভাত খাবো।(আমি-কর্তা, ভাত-কর্ম, খাবো-ক্রিয়া)
৩) বাক্য গঠনের শর্তগুলি কী কী?
উঃ বাক্য গঠনের তিনটি শর্ত পরিলক্ষিত হয়।
যথা- আকাঙ্খা, আসক্তি ও যোগ্যতা।
৪) আকাঙ্খা কাকে বলে?
উঃ যে পদের অভাবে অন্য পদের প্রতীতি হয় না, তাকে আকাঙ্খা বলে। বাক্য বক্তার মনোভাব ও আগ্রহ প্রকাশ না করতে পারলে তা ‘আকাঙ্খা’ পূর্ণ হয় নি বলা হয়।
যেমনঃ
আমি বাজারে গিয়ে……
৫) আসক্তি কাকে বলে?
উঃ সঠিক পদগুলির পাশাপাশি বসে অর্থবোধক হয়ে ওঠাকেই বলা হয় আসক্তি।
যেমনঃ
ঘাস ছাগল খায় (বাক্য নয়)
ছাগল ঘাস খায় (বাক্য)
৬) যোগ্যতা কাকে বলে?
উঃ সংগত ও অর্থবহ বাক্যগঠনের উপযোগিতাকেই যোগ্যতা বলা হয়।
যেমনঃ
মাছ আকাশে ওড়ে (বাক্য নয়)
পাখি আকাশে ওড়ে (বাক্য)
৭) যোগ্যতাহীন বাক্যের উদাহরণ দাও।
উঃ মাছ আকাশে ওড়ে
৮) বাক্যের প্রধান অংশ কয়টি ও কী কী?
উঃ বাক্যের প্রধান অংশ দুইটি।
যথা- ক)উদ্দেশ্য খ)বিধেয়
৯) উদ্দেশ্য কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
উঃ বাক্যে যার সম্পর্কে কিছু বলা হয় তাকে উদ্দেশ্য বলে।
যেমনঃ
অরিজিত ভালো গান করে।
১০) বিধেয় কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
উঃ বাক্যে উদ্দেশ্য সম্পর্কে যা কিছু বলা হয় তাকে বিধেয় বলে।
যেমনঃ
অরিজিত ভালো গান করে।
১১) উদ্দেশ্য সম্প্রসারক বলতে কী বোঝ? উদাহরণ দাও।
উঃ বাক্যের উদ্দেশ্যের পরিচায়ক পদ বা পদসমূহকেই উদ্দেশ্যের সম্প্রসারক বলে।
যেমনঃ
অরিজিত, যে আমার পাশের বাড়িতে থাকে, ভালো গান করে।
১২) বিধেয় সম্প্রসারক বলতে কী বোঝ? উদাহরণ দাও।
উঃ বিধেয়র অর্থকে পরিস্ফুট করার জন্য যেসকল পদ বিধেয়র সাথে যুক্ত হয়, তাকে বিধেয়র সম্প্রসারক বলে।
যেমনঃ
অরিজিত ভালো গীটার বাজিয়ে গান করে।
১৩) পদবন্ধ বলতে কী বোঝ? উদাহরণ দাও।
উঃ একটি বাক্যের মধ্যে একাধিক পদ ব্যবহৃত হলেও, সব পদের সাথে সব পদের জোট হয় না। বাক্যের অন্তর্গত পদগুলির একে অপরের সাথে জোটবদ্ধ হওয়াকেই পদবন্ধ বলা হয়।
যেমনঃ
ছোট্ট বাচ্চাটি (পদবন্ধ) জোরে কাঁদছে (পদবন্ধ)।
১৪) বিশেষ্যখন্ড কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
উঃ যে বিশেষ্যকে বাক্যের কর্তা বা উদ্দেশ্যরূপে ব্যবহার করা হয় এবং যাকে কেন্দ্র করে বাক্যটি গড়ে ওঠে, সেই বিশেষ্য ও তার জোটকে বিশেষ্যখন্ড বলে।
যেমনঃ
সব বিপদের মুশকিল-আসান তরুণদাই ক্লাবের ভরসা।
১৫) গঠনগত দিক থেকে বাক্যকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায় ও কী কী?
উঃ বাক্যের গঠনে বিশেষ্য, বিশেষণ, ক্রিয়া- যোজক পদ ইত্যাদির সংখ্যা ও অবস্থান দেখে বাক্যের বিচার করাই বাক্যের গঠঙ্গত শ্রেণিবিভাগ। বাংলা বাক্যকে গঠনগত দিক থেকে চারটি বিভাগে বিভাজিত করা হয়।
যথাঃ
১) সরল বাক্য
২) জটিল বাক্য
৩) যৌগিক বাক্য
৪) মিশ্র বাক্য
১৬) অর্থগত দিক থেকে বাক্যকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায় ও কী কী?
উঃ বাক্যের অর্থকে বিশ্লেষণের মাধ্যমে তাকে আটটি ভাগে বিভক্ত করা হয়।
যথাঃ
১) নির্দেশক
২) প্রশ্নবাচক
৩) অনুজ্ঞাবাচক
৪) প্রার্থনাসূচক
৫) সন্দেহবাচক
৬) আবেগসূচক
৭) শর্তসাপেক্ষ
৮) ইচ্ছাবাচক
১৭) সরল বাক্য কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
উঃ কোন বাক্যে একটিমাত্র উদ্দেশ্য, একটি বিধেয় এবং একটি সমাপিকা ক্রিয়া থাকলে তাকে সরল বাক্য বলে।
যেমনঃ বিরাট ভালো ক্রিকেট খেলে।
১৮) জটিল বাক্য কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
উঃ কোন বাক্যে একটি প্রধান উপবাক্য এবং এক বা একাধিক অপ্রধান উপবাক্য থাকলে সেই বাক্যকে জটিল বাক্য বলা হয়।
যেমনঃ বিরাট, যে ভারতীয় দলের অধিনায়ক, ভালো ক্রিকেট খেলে।
১৯) যৌগিক বাক্য কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
উঃ একের বেশি প্রধান উপবাক্য যখন কোন অব্য দ্বারা সংযুক্ত হয়, তখন সেই বাক্যকে যৌগিক বাক্য বলে। যেমনঃ বিরাট ভারতীয় দলের অধিনায়ক এবং সে একজন ভালো ক্রিকেটার।
২০) মিশ্র বাক্য কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
উঃ এক বা একাধিক ভিন্ন উপবাক্যের মিলনে যে পূর্ণবাক্য গঠিত হয় তাকে মিশ্র বাক্য বলে।
যেমনঃ বিরাট, যে ভারতীয় দলের অধিনায়ক, ভালো ক্রিকেট খেলে এবং তার খেলা আমি দেখেছি।
২১) নির্দেশক বাক্য কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
উঃ যে বাক্যে কোন কিছুকে স্বীকার বা অস্বীকার করা হয়, তাকে নির্দেশক বাক্য বলে।
যেমনঃ অরিন্দম ভালো গান করে।
রতনের গানের গলা ভালো নয়।
২২) অস্ত্যর্থক বাক্য কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
উঃ যে বাক্য দ্বারা কোন অর্থকে স্বীকার করা হয় তাকে অস্ত্যর্থক বাক্য বলে।
যেমনঃ অরিন্দম ভালো গান করে।
২৩) নস্ত্যর্থক বাক্য কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
উঃ যে বাক্য দ্বারা কোন অর্থকে অস্বীকার করা হয় তাকে নস্ত্যর্থক বাক্য বলে।
যেমনঃ রতনের গানের গলা ভালো নয়।
২৪) প্রশ্নবাচক বাক্য কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
উঃ যে বাক্যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা হয়, তাকে প্রশ্নবাচক বাক্য বলে।
যেমনঃ তোমার নাম কী?
২৫) অনুজ্ঞাবাচক বাক্য কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
উঃ যে বাক্য দ্বারা আদেশ, অনুরোধ, উপদেশ, প্রার্থনা, আশীর্বাদ, আজ্ঞা প্রকাশ করা হয় তাকে অনুজ্ঞাবাচক বাক্য বলে।
যেমনঃ মন দিয়ে পরাশোনা করো।
২৬) বর্তমান অনুজ্ঞাবাচক বাক্য কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
উঃ যে বাক্যে বর্তমান কালের ক্রিয়ার কোনো অনুজ্ঞা প্রকাশ পায়, তাকে বর্তমান অনুজ্ঞাবাচক বাক্য বলে।
যেমনঃ বই পড়ো।
২৭) ভবিষ্যত অনুজ্ঞাবাচক বাক্য কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
উঃ যে বাক্যে ভবিষ্যত কালের ক্রিয়ার কোনো অনুজ্ঞা প্রকাশ পায়, তাকে বর্তমান অনুজ্ঞাবাচক বাক্য বলে।
যেমনঃ আগামীকাল পড়তে আসবে।
২৮) প্রার্থনাসূচক বাক্য কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
উঃ যে বাক্যে বক্তার কোনো প্রার্থনা প্রকাশ পায়, তাকে প্রার্থনাসূচক বাক্য বলে।
যেমনঃ ভগবান তোমাদের মঙ্গল করুন।
২৯) সন্দেহবাচক বাক্য কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
উঃ যে বাক্য দ্বারা বক্তার মনের সন্দেহ, সংশয় প্রকাশিত হয়, তাকে সন্দেহবাচক বা সংশয়সূচক বাক্য বলে।
যেমনঃ তুমি হয়তো বিষয়টা জানো।
৩০) আবেগসূচক বাক্য কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
উঃ যে বাক্যে বক্তার মনের আবেগ (বিস্ময়, আনন্দ, দুঃখ, শোক, ভয়, লজ্জা, ঘৃণা, ক্রোধ ইত্যাদি)প্রকাশিত হয়, তাকে আবেগসূচক বাক্য বলে।
যেমনঃ বাঃ! কী সুন্দর ফুল।
৩১) শর্তসাপেক্ষ বাক্য কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
উঃ যে বাক্যে কোনো কাজের কারণ বা শর্ত উল্লিখিত থাকে, তাকে শর্তসাপেক্ষ বাক্য বলে।
যেমনঃ যদি মন দিয়ে পড়াশোনা করো তবে ভালো ফল হবে।
৩২) ইচ্ছাসূচক বাক্য কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
উঃ যে বাক্যে বক্তার একান্ত ইচ্ছা প্রকাশিত হয়, তাকে ইচ্ছাসূচক বাক্য বলে।
যেমনঃ মাধ্যমিক পরীক্ষায় আমি ভালো ফলাফল করতে চাই।
নির্দেশানুসারে বাক্য পরিবর্তন করো :
১) কথাটা শুনে তপনের চোখ মার্বেল হয়ে গেলো। (জটিল ও যৌগিক)
জটিল= যখন তপন কথাটা শুনলো তখন তার চোখ মার্বেল হয়ে গেলো।
যৌগিক= তপন কথাটা শুনলো এবং তার চোখ মার্বেল হয়ে গেলো।
২) গল্প জিনিসটা যে কী সেটা জানতে তো বাকি নেই। (সরল)
সরল= গল্প জিনিসটা জানতে বাকি নেই।
৩) তপনের পরিচিত নয়। (অস্তর্থক)
অস্ত্যর্থক= তপনের অপরিচিত।
৪) আমি তাকে ছেড়ে দিলাম। (নস্ত্যর্থক)
নস্ত্যর্থক= আমি তাকে ধরে রাখলাম না।
৫) বৃষ্টিতে ধুয়ে দিল আমার পায়ের দাগ। (জটিল)
জটিল= বৃষ্টিতে যা ধুয়ে দিল তা আমার পায়ের দাগ।
৬) সেই মেয়েটির মৃত্যু হলো না। (অস্ত্যর্থক ও জটিল)
অস্ত্যর্থক= সেই মেয়েটি অমর রইলো।
জটিল= মেয়েটির যা হলো না তা হলো মৃত্যু।
৭) সকলেই জানেন। (প্রশ্নবোধক)
প্রশ্নবোধক= জানেন না এমন কেউ আছেন কি?
৮) ওঁর শান্ত গলা শুনে ওদের চিন্তা হলো। (যৌগিক)
যৌগিক= ওরা ওঁর শান্ত গলা শুনলেন এবং ওদের চিন্তা হলো।
৯) একটা পরিচয় না থাকলে চলবে না। (নির্দেশক)
নির্দেশক= একটা পরিচয় থাকা চাই।
১০) তোরা সব জয়ধ্বনি কর। (জটিল)
জটিল= তোরা যা করবি তা হলো জয়ধ্বনি।
১১) বজ্র শিখার মশাল জ্বেলে আসছে ভয়ংকর। (জটিল)
জটিল= বজ্র শিখার মশাল জ্বেলে যে আসছে সে হলো ভয়ংকর।
১২) ধ্বংস দেখে ভয় কেন তোর? (নস্ত্যর্থক)
নস্ত্যর্থক= ধ্বংস দেখে তুই ভয় করিস না।
১৩) ক্ষুরের দাপট তারায় লেগে উল্কা ছুটায় নীল খিলানে। (যৌগিক)
যৌগিক= ক্ষুরের দাপট তারায় লাগে এবং তা নীল খিলানে উল্কা ছুটায়।
১৪) নিমাইবাবু চুপ করিয়া রহিলেন। (নস্ত্যর্থক)
নস্ত্যর্থক= নিমাইবাবু কথা কহিলেন না।
১৫) তারপর সকালে গেলাম পুলিশে খবর দিতে। (জটিল ও যৌগিক)
জটিল= যখন সকাল হলো তখন পুলিশে খবর দিতে গেলাম।
যৌগিক= সকাল হলো এবং পুলিশে খবর দিতে গেলাম।
১৬) বয়স ত্রিশ-বত্রিশের অধিক নয়,কিন্তু ভারী রোগা দেখাইলো। (সরল)
সরল: বয়স ত্রিশ-বত্রিশের অধিক না হলেও ভারী রোগা দেখাইলো।
১৭) অপূর্ব তাঁহার মুখের প্রতি চাহিয়া অর্থ বুঝিল। (যৌগিক)
যৌগিকঃ অপূর্ব তাঁহার মুখের প্রতি চাহিল এবং তাঁহার অর্থ বুঝিল।
১৮) কৃপা কর নিরঞ্জন। (নির্দেশক)
নির্দেশকঃ নিরঞ্জনের কৃপা প্রার্থনা করি।
১৯) সিন্ধুতীরে দেখি দিব্যস্থান। (জটিল)
জটিলঃ সিন্ধুতীরে যে স্থান দেখি তা দিব্যস্থান।
২০) লড়ে যা তোরা, বেশ মজা হবে। (সরল)
সরলঃ তোরা লড়ে গেলে বেশ মজা হবে।
২১) শোনামাত্র অমৃত ফতোয়া জারি করে দিল। (যৌগিক)
যৌগিকঃ অমৃত শুনলো এবং সেইমাত্র সে ফতোয়া জারি করে দিল।
২২) কালিয়া তো ওকে ছাড়লই না। (অস্ত্যর্থক)
অস্ত্যর্থকঃ কালিকা তো ওকে আটকে রাখলো।
২৩) তার মানেও স্পষ্ট হবে। (জটিল)
জটিলঃ তার যা মানে তা স্পষ্ট হবে।
২৪) অস্ত্র ফ্যালো, অস্ত্র রাখো পায়ে। (যৌগিক)
যৌগিকঃ অস্ত্র ফ্যালো এবং তা পায়ে রাখো।
২৫) গান তো জানি একটা দুটো। (জটিল)
জটিলঃ গান যা জানি তা একটা দুটো।
২৬) হোমটাক্স হয়ে ওঠে নি। (অস্তর্থ্যক)
অস্তর্থ্যকঃ হোমটাক্স বাকি আছে।
২৭) তপন বইটা ফেলে রেখে চলে যায়। (যৌগিক)
যৌগিকঃ তপন বইটা ফেলে রাখে এবং চলে যায়।
২৮) কিন্তু আমি ছাড়া কারো হাতে কলম নেই। (অস্তর্থ্যক)
অস্তর্থ্যকঃ কিন্তু আমারই হাতে কলম আছে।
২৯) বাইরে ফেললে গোরু খেয়ে নিলে অমঙ্গল। (জটিল)
জটিলঃ বাইরে ফেললে যদি গোরু খেয়ে নেয় তবে অমঙ্গল।
৩০) আমাদের ছিল সহজ কালি তৈরির পদ্ধতি। (জটিল এবং যৌগিক)
জটিলঃ আমাদের যে কালি তৈরির পদ্ধতি ছিল তা ছিল সহজ।
যৌগিকঃ আমাদের কালি তৈরি হতো এবং সেই পদ্ধতি ছিল সহজ।
৩১) সকলেই জানেন। (প্রশ্নবোধক)
প্রশ্নবোধকঃ কে না জানেন?
৩২) গল্প শুনে গম্ভীর হয়ে গেলেন হরিদা। (যৌগিক)
যৌগিকঃ হরিদা গল্প শুনলেন এবং খুব গম্ভীর হয়ে গেলেন।
৩৩) কিন্তু সে কি করে সম্ভব? (নস্তর্থ্যক)
নস্তর্থ্যকঃ কিন্তু তা সম্ভব নয়।
৩৪) খুব চমৎকার পাগল সাজতে পেরেছে তো লোকটা। (বিস্ময়সূচক)
বিস্ময়সূচকঃ বাঃ ! কি চমৎকার পাগল সাজতে পেরেছে লোকটা।
৩৫) কলকাতা জয়ের ইতিহাস তুমি জান। (নস্তর্থ্যক এবং জটিল)
নস্তর্থ্যকঃ কলকাতা জয়ের ইতিহাস তোমার অজানা নয়।
জটিলঃ কলকাতা জয়ের যে ইতিহাস তা তুমি জান।