class-eleven-1st-semester-bengali-question-answer

Class Eleven 1st Semester Bengali Question Answer | একাদশ শ্রেণির প্রথম সেমিস্টার বাংলা প্রশ্ন উত্তর

1st Semester Bengali : একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য Class Eleven 1st Semester Bengali Question Answer | একাদশ শ্রেণির প্রথম সেমিস্টার বাংলা প্রশ্ন উত্তর নিয়ে এলো WBNOTES.IN ওয়েবসাইট। প্রথম সেমিস্টার বাংলা বিষয়ের প্রতিটি অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ MCQ প্রশ্নগুলি শিক্ষার্থীদের পড়ার সুবিধার্থে One Liner রূপে এখানে প্রদান করা হলো। একাদশ শ্রেণির প্রথম সেমিস্টার বাংলা এই প্রশ্নের উত্তরগুলি ভালো করে তৈরি করলে শিক্ষার্থীরা তাদের প্রথম সেমিস্টার বাংলা পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জন করতে সমর্থ হবে। শিক্ষার্থীদের জন্য আমাদের ওয়েবসাইটে নিয়মিত প্রশ্নের উত্তর, সাজেশন, মক টেস্ট প্রভৃতি প্রদান করা হয়ে থাকে। আমাদের সকল আপডেট দেখতে বুকমার্ক করে রাখুন আমাদের ওয়েবসাইটটিকে। 

Class Eleven 1st Semester Bengali Question Answer | একাদশ শ্রেণির প্রথম সেমিস্টার বাংলা প্রশ্ন উত্তর : 

 

পুঁইমাচা গল্পের প্রশ্নের উত্তর :

 

১) পুঁইমাচা গল্পের লেখক হলেন- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় 

২) পুঁইমাচা গল্পটি প্রকাশিত হয়েছিল- প্রবাসী পত্রিকায় 

৩) পুঁইমাচা গল্পের প্রধান চরিত্র- ক্ষেন্তি 

৪) ক্ষেন্তির পিতার নাম হলো- সহায়হরি 

৫) ক্ষেন্তির মায়ের নাম হলো- অন্নপূর্ণা 

৬) সহায়হরির মেয়ে ছিল- তিনজন

৭) সহায়হরির তিন মেয়ের নাম হল- ক্ষেন্তি, পুঁটি ও রাধী  

৮) ক্ষেন্তির বিবাহ স্থির হয়েছিল যার সাথে- শ্রীমন্ত মজুমদারের ছেলে 

৯) শ্রীমন্ত মজুমদারের ছেলে ছিল- অসৎ চরিত্রের 

১০) শ্রীমন্ত মজুমদারের ছেলেকে প্রহার করেছিল- কুম্ভকার বধূর আত্মীয়রা 

১১) শ্রীমন্ত মজুমদারের ছেলের সাথে ক্ষেন্তির বিয়ে- সহায়হরি ভেঙে দেন 

১২) সহায়হরি ও ক্ষেন্তি জঙ্গলে গিয়েছিল- মেটে আলু তুলতে 

১৩) ‘তিনকাল গিয়েছে এক কাল আছে’ বলেছিল- অন্নপূর্ণা 

১৪) ‘তিনকাল গিয়েছে এক কাল আছে’ বলা হয়েছিল- সহায়হরিকে 

১৫) সহায়হরি মেটে আলু এনেছিল- বরোজ পোতার বন থেকে 

১৬) সহায়হরি বলেছিল সে মেটে আলু এনেছে- চৌকিদারের বেড়ার গা থেকে 

১৭) অন্নপূর্ণা মেয়েদের জন্য পিঠা বানিয়েছিল- পৌষ সংক্রান্তিতে 

১৮) অন্নপূর্ণা পৌষ সংক্রান্তিতে পিঠা বানিয়েছিল- তিন মেয়ের জন্য 

১৯) অন্নপূর্ণা পৌষ সংক্রান্তিতে যে পিঠা বানিয়েছিল- পাটি সাপটা 

২০) অন্নপূর্ণা পৌষ সংক্রান্তিতে পাটি সাপটা বানিয়েছিল- নারিকেলের পুর দিয়ে 

২১) ক্ষেন্তি পাটি সাপটা খেয়েছিল- বাইশ-চব্বিশটা 

২২) ক্ষেন্তির বিয়ে হয়েছিল- বৈশাখ মাসে

২৩) ক্ষেন্তির জন্য যে পাত্র দেখা হয়েছিল তার বয়স ছিল- চল্লিশের বেশি নয় 

২৪) ক্ষেন্তির জন্য যে পাত্র দেখা হয়েছিল তাদের আর্থিক অবস্থা ছিল- সঙ্গতি সম্পন্ন 

২৫) ক্ষেন্তির জন্য যে পাত্র দেখা হয়েছিল তার বাড়ি ছিল- শহরে 

২৬) ক্ষেন্তির জন্য যে পাত্র দেখা হয়েছিল শোনা গিয়েছিল তার ছিল- ব্যবসা

২৭) ক্ষেন্তি বিদায়কালে তার মাকে যে মাসে নিয়ে আসতে বলেছিল- আষাঢ় 

২৮) ক্ষেন্তি বাড়িতে নিয়ে আসার কথা বলেছিল- দুই মাস বাদে 

২৯) ক্ষেন্তির শশুড় বাড়ির মতে ক্ষেন্তির খাওয়া ছিল- হাভাতের মতো 

৩০) ক্ষেন্তির শশুড় বাড়ির মতে ক্ষেন্তির চাল-চলন ছিল- ছোটলোকের মেয়ের মতো 

৩১) বিয়ের যত মাসের মাথায় ক্ষেন্তি মারা যায়- দশ মাস 

৩২) ক্ষেন্তির বিয়ে হয়েছিল- বৈশাখ মাসে 

৩৩) বিয়ের সময় ক্ষেন্তির বয়স ছিল- পনেরো বছর 

৩৪) ক্ষেন্তির বিবাহ স্থির হওয়া পাত্রের বয়স ছিল- চল্লিশ বছর 

৩৫) পাত্রটি ছিল- দ্বিতীয় পক্ষের 

৩৬) ক্ষেন্তি মারা গিয়েছিল- ফাল্গুন মাসে 

৩৭) ক্ষেন্তির যে রোগ হয়েছিল- বসন্ত 

৩৮) ক্ষেন্তিকে তার শশুর বাড়ির লোকেরা রেখে এসেছিল- কালীঘাটে 

৩৯) ক্ষেন্তিকে তার শশুর বাড়ির লোকেরা কালীঘাটে রেখে এসেছিল- সহায়হরির দূর সম্পর্কের এক বোনের বাড়িতে

৪০) ক্ষেন্তি মারা গিয়েছিল- বিনা চিকিৎসায়

৪১)  ক্ষেন্তি ভালোবাসতো- খেতে 

৪২) ক্ষেন্তিকে গল্পে বিশেষায়িত করা হয়েছে যা বলে- লোভী মেয়েটি 

৪৩) ক্ষেন্তি যে গাছের চারা লাগিয়েছিল- পুঁই 

৪৪) যে গাছ দেখে অন্নপূর্ণা ও তার দুই মেয়ের ক্ষেন্তির কথা মনে পড়েছে- পুঁই 

৪৫) ক্ষেন্তির করুণ পরিণতির জন্য দায়ী- সমাজ ব্যবস্থা 

৪৬) ‘পুঁইমাচা’ গল্পের উৎস- মেঘমল্লার 

৪৭) গাছ কেটেছিল- তারক খুড়ো 

৪৮) অন্নপূর্ণা যে তেল চুলে মাখছিলেন- নারকেল 

৪৯) গায়ে রটে যাওয়া গুজব সম্পর্কে জানা যেত- চৌধুরী বাড়িতে 

৫০) স্ত্রীর মতানুসারে সহায়হরি ঘুরে বেরান- বাগদী দুলে পাড়ায় 

৫১) পিনটির বয়স খুঁজলে যে যুগের বলে জানা যায়- প্রাগৈতিহাসিক 

৫২) ক্ষেন্তি চিংড়ি মাছে এনেছিল যার থেকে- গয়া পিসি 

৫৩) পুঁই শাকগুলি দিয়েছেন- রায় কাকা 

৫৪) গয়া পিসির কাছে সহায়হরির ধার ছিল- দুটি পয়সা 

৫৫) মায়ের মতে ক্ষেন্তির বিয়ে হলে সে যত সন্তানের মা হতো- চার 

৫৬) অন্নপূর্ণা পুঁইশাক ফেলে দিয়ে আসতে বলেছিলেন- রাধীকে 

৫৭) রাধী ছিল- ছোট মেয়ে

৫৮) অন্নপূর্ণা চোখের জল চাপতে যা করেছিলেন- চালের বাতায় গোঁজা ডালা থেকে শুকনো লঙ্কা পাড়ছিলেন 

৫৯) চন্ডীমন্ডপে সহায়হরিকে ডাকা হয়েছিল- বিকেল বেলা 

৬০) পচা-র জাতি হল- শ্রোত্রিয় 

৬১) আশীর্বাদের যত দিনের মাথায় সহায়হরি পাত্রের চরিত্র সম্পর্কে জানতে পারেন- দিন কতক পরে 

৬২) সকালের রোদখানি ছিল- কচি, রাঙা 

৬৩) বাপ মেয়ের ভাব দেখে মনে হচ্ছিল তারা- সিঁধ দেবার উদ্দেশ্যে যাচ্ছে 

৬৪) অন্নপূর্ণা মুখুয্যে বাড়ি যাওয়ার পথে যা পাখি দেখেন- লেজঝোলা হলদে পাখি লে

৬৫) লেজঝোলা হলদে পাখি যে গাছের ডালে বসেছিল- আমড়া 

৬৬) সহায়হরির আনা মেটে আলুর ওজন- পনেরো-ষোলো সের 

৬৭) সহায়হরি মেটে আলু এনেছিল- বরজপোতার বন থেকে 

৬৮) ক্ষেন্তির স্নান সেরে আসতে সময় লেগেছিল- আধ ঘন্টা 

৬৯) ক্ষেন্তির উত্তর শুনে অন্নপূর্ণা রেগে উঠেছিলেন- তেলে বেগুনে 

৭০) বরজপোতার বিজন বনে দিনে দুপুরে লুকিয়ে থাকে- বাঘ 

বাংলা বিষয়ের MCQ মক টেস্ট লিঙ্ক 

বিড়াল প্রবন্ধের প্রশ্নের উত্তর : 

 

১) সরিষাভোর শব্দটি যে হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে- উপমা

২) বিড়াল রচনার মঙ্গলা কার নাম- গাভীর

৩) পরম ধর্মের ফলভোগী হল- কমলাকান্ত

৪) কমলাকান্তের হাতের যষ্টিটি ছিল- ভগ্ন

৫) অপরিমিত লোভ ভাল নহে-উক্তিটি- মার্জারের

৬) বঙ্গিমচন্দ্রের চট্রোপাধ্যায়ের বিড়াল যে ধরনের রচনা- হাস্যরসাত্মক ও ব্যঙ্গধর্মী

৭) বিড়াল ও কমলাকান্তের মধ্যে যে ধরনের কথা চলছিল- কাল্পনিক

৮) যাকে বোঝানো কখনোই সম্ভব নয়- বিচারককে

৯) বিড়ালের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য হিসেবে যেটি সঠিক- প্রতিবাদী

১০) বিড়াল যখন দুগ্ধ পান করিতেছে, তখন লেখক যাহা করিতেছিলেন- বিড়ালকে তাড়াচ্ছিলেন

১১) ”কেহ মরে বিল ছেচে, কেহ খায় কই”-এখানে যে দুটি চরিত্রকে ঈঙ্গিত করা হয়েছে- লেখক ও প্রসন্ন

১২) লেখক যে কারণে বিড়ালের ওপর রাগ করিতে পারেন না?- উভয়ের অধিকার নেই বলে

১৩) লেখক মার্জারের বক্তব্যসকল যেভাবে বুঝিতে পারিলেন- ঈশ্বরের কৃপায়

১৪) অধর্ম যার- কৃপন ধনীর

১৫) তেলা মাথায় তেল দেওয়া- মনুষ্য জাতির রোগ

১৬) কমলাকান্তের দপ্তর রচনাটি যতটি অংশে বিভক্ত- ৩ 

১৭) বিড়ালের বক্তব্যে কোন ধরনের মতবাদের ইঙ্গিত পাওয়া যায়- সমাজতন্ত্র

১৮) লাঙ্গুল শব্দের অর্থ- লেজ

১৯) বিড়াল রচনাটি কোন গ্রন্থের- কমলাকান্তের দপ্তর 

২০) বিড়াল-প্রবন্ধে পতিত আত্মা হল- মার্জার

২১) বিড়াল গল্পে যে ধরনের বৈষম্য ফুটে উঠেছে- শোষক-শোষিতের

২২) বিজ্ঞ লোকের মতে কখন গম্ভীরভাবে উপদেশ প্রদান করতে হয়?- বিচার পরাস্ত হলে

২৩) লেখক বিড়ালকে যে গ্রন্থ পড়ার পরামর্শ দেননি- সাম্য

২৪) মার্জারী সুন্দরী অর্থ হল- স্ত্রী বিড়াল

২৫) কস্মিনকালে শব্দের অর্থ হল- কোনো সময়ে

২৬) সুবিচারক এবং সুতার্কিক শব্দদ্বয়ে সু উপসর্গটি যে অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে- উত্তম

২৭) যখন বিচারে পরাস্ত হইবে. তখন গম্ভীর ভাবে উপদেশ প্রদান করিবে। বক্তটি- মিশ্র

২৮) আমি যদি খাইতে না পাইলাম, তবে সমাজের উন্নতি লইয়া কী করিব?-বিড়াল প্রবন্ধে এ উক্তিতে প্রকাশ পেয়েছে- যুক্তিনিষ্ঠ মনোভঙ্গি

২৯) বিড়ালের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য হিসেবে যা প্রযোজ্য- প্রতিবাদী

৩০) অতএব পুরুষের ন্যায় আচরণ করাই বিধেয়-বলতে বিড়ালের প্রতি যে ধরনের আচরণের কথা বলা হয়েছে- প্রথাগত

৩১) অতএব পুরুষের ন্যায় আচরণ করাই বিধেয়- কথাটিতে প্রকাশিত হয়েছে- ঔচিত্যবোধ

৩২) ‘এ সংসারে ক্ষীর, সর, দুগ্ধ, দধি, মৎস্য, মাংস সকলই তোমরা খাইবে’-এখানে যাদেরকে তোমরা বলা হয়েছে-মানুষকে 

৩৩) বিড়াল প্রবেন্ধ মার্জারকে পতিত আত্মা বলার কারণ- দুর্দশাগ্রস্ত বোঝাতে

৩৪) প্রবেন্ধ খাইতে দাও-নহিলে চুরি করিব-উক্তিটির মর্মকথা- অধিকার চেতনা

৩৫) বিড়ালের কথোপকথনের মধ্য দিয়ে যে চেতনা ফুটে উঠেছে তা- সমাজতান্ত্রিক

৩৬) ‘আমি চোর বটে, কিন্তু আমি কি সাধ করিয়া চোর হইয়াছি?’- উক্তিটি যে গদ্যের- বিড়াল 

৩৭) প্রসন্ন চরিত্রটি যে রচনায় রয়েছে- বিড়াল

৩৮) আহার প্রস্তুত না হওয়ায় কমলাকান্ত হুঁকা হাতে যা ভাবছিলেন- তিনি যদি নেপোলিয়ান হতেন

৩৯) বিড়াল যে ধরনের রচনা- রসাত্মক ও ব্যঙ্গধর্ম

৪০) সাহিত্যসম্রাট যাকে বলা হয়- বঙ্কিমচন্দ্রকে 

 

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কবিতার প্রশ্নের উত্তর : 

 

১) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কবিতাটি লিখেছেন- মাইকেল মধুসূদন দত্ত

২) দয়ার সাগর হলেন- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

৩) বিদ্যার সাগর হলেন- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

৪) বিদ্যার সাগর তুমি বিখ্যাত- ভারতে

৫) করুণার সিন্ধু হলেন- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

৬) সিন্ধু শব্দের অর্থ হল- সমুদ্র

৭) দীন শব্দের অর্থ হল- দরিদ্র

৮) দীনের বন্ধু হলেন- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

৯) হেমাদ্রি শব্দের অর্থ- সুবর্ণকান্তি পর্বত

১০) হেমকান্তি শব্দের অর্থ- স্বর্ণপ্রভা

১১) অম্লান শব্দের অর্থ- অমলিন

১২) কিন্তু _____ পেয়ে সে মহা পর্বতে- ভাগ্যবলে

১৩) যে জন আশ্রয় লয়- সুবর্ণ চরণে

১৪) গিরীশ শব্দের অর্থ- মহাদেব

১৫) সদনে শব্দের অর্থ- নিকটে

১৬) বারি শব্দের অর্থ- জল

১৭) বিমলা বলতে কবিতায় বোঝানো হয়েছে- পরিচ্ছন্ন

১৮) কিঙ্করী শব্দের অর্থ হল- দাসী

১৯) অমৃত ফল দান করে- দীর্ঘ গাছেরা

২০) সুগন্ধে দশদিক ভরিয়ে তোলে- ফুলেরা

২১) শীতল শ্বাসী ছায়া প্রদান করে- গাছেরা

২২) রাত্রিকালে যেমন নিদ্রা দান করে- সুশান্ত

২৩) এই কবিতায় বন্দনা করা হয়েছে- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের

২৪) দীন যে ______ বন্ধু- দীনের

২৫) দীর্ঘ শির তরু দল গ্রহণ করে- দাসের রূপ

২৬) ‘ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর’ কবিতার উৎস হল- চতুর্দশপদী কবিতাবলী 

২৭) ‘ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর’ কবিতাটি মূল গ্রন্থের যত সংখ্যক কবিতা- ৮৬ 

২৮) ‘ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর’ কবিতাটি যে ধরণের কবিতা- সনেট 

২৯) সনেট বলা হয়- সমদৈর্ঘ্যের চোদ্দো পঙ্‌তির কবিতাকে 

৩০) সনেট বিভক্ত থাকে- ৮ ও ৬ লাইনে 

৩১) সনেটের প্রথম ৮ লাইনকে বলে- অষ্টক 

৩২) সনেটের শেষ ৬ লাইনকে বলে- ষটক 

৩৩) সনেটের জনক বলা হয়- পেত্রার্ককে 

৩৪) বাংলা ভাষায় প্রথম সনেট রচনা করেছিলেন- মাইকেল মধুসূদন দত্ত 

৩৫) মধুসূদন দত্তের চতুর্দ্দশপদী কবিতাবলী প্রকাশিত হয়েছিল- ১৮৬৬ খ্রিঃ

৩৬) ‘চতুর্দশপদী কবিতাবলী’ গ্রন্থে মোট কবিতা রয়েছে- ১০২টি 

৩৭) যে ভাষাকে আশ্রয় করে মধুসূদন প্রথম কাব্য রচনা করেছিলেন- ইংরেজি 

৩৮) মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলায় যে ছন্দের প্রবর্তন করেন- অমিত্রাক্ষর 

৩৯) ‘চতুর্দশপদী কবিতাবলী’ কবি যেখানে বসে লিখেছিলেন- ফ্রান্সে 

৪০) ‘ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর’ কবিতাটি যে ছন্দে লিখিত হয়েছে- অমিত্রাক্ষর 

৪১) ‘সেই জানে মনে’- এখানে যার জানার কথা বলা হয়েছে- মধুসূদন দত্তের 

৪২) হেমকান্তি কার?- হেমাদ্রির 

৪৩) কবিতায় ‘হেমাদ্রির হেমকান্তি’র সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে- বিদ্যাসাগরের জ্ঞান ও হৃদয়ের দ্যুতিকে 

৪৪) ‘কিরণ’ শব্দটির অর্থ- আলোকরশ্মি 

৪৫) যাকে কবি ভাগ্যবান বলে মনে করেছেন- যে মহাপর্বতের সুবর্ণ চরণে আশ্রয় পায় 

৪৬) কবি নিজেকে মনে করেছেন- ভাগ্যবান 

৪৭) বিদ্যাসাগরের সুমহান হৃদয়কে যে মহাপর্বতের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে- হিমালয় 

৪৮) যার সুখ সদনে সেবার কথা বলা হয়েছে- গিরীশের 

৪৯) যে বারি দান করে- নদী 

৫০) ‘বিমলা কিঙ্করী’ বলতে বোঝানো হয়েছে- বিদ্যাসাগরের নিঃশব্দ উপকারের মানসিকতা  

প্রথম সেমিস্টার মডেল প্রশ্নপত্র লিঙ্ক 

সাম্যবাদী কবিতার প্রশ্নের উত্তর : 

 

১) এই কন্দরে বসে কোরানের সাম্য-গান গেয়েছেন- আরব-দুলাল

২) যে মুনি রাজ্য ত্যাগ করলেন- শাক্যমুনি

৩) বিভিন্ন যুগে অবতীর্ণ মহাপুরুষকে বলা হয়- যুগাবতার

৪) মহাবীর প্রতিষ্ঠিত জাতি হলো- ফরাসি

৫) সাঁওতাল, ভীল, গারোদের বলা হয়- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী

৬) যুগাবতার বলতে বোঝায়- বিভিন্ন যুগের মনীষীগণ

৭) ত্রিপিটক যাদের ধর্মগ্রন্থ- বৌদ্ধদের

৮) ‘চক্রবাক’ কাব্যটি লিখেছেন- কাজী নজরুল ইসলাম

৯) কবি লেটো গানের দলের জন্য রচনা করেন- পালাগান

১০) এই মাঠে বসে খোদার মিতা হলেন- নবিরা

১১) চার্বাক মুনি ছিলেন- দার্শনিক

১২) বাঁশির কিশোর মহাগীতা গাইলেন- রণভূমে

১৩) মহাগীতা গাইলেন- রাখাল বালক

১৪) সাম্যের গান বলতে বোঝানো হয়েছে- সমতার গান 

১৫) ‘জেন্দা’ একটি- ভাষা

১৬) মৃত পুঁথি-কঙ্কাল কথাটি দ্বারা বোঝানো হয়েছে- পুরনো ধ্যান-ধারণা

১৭) নজরুল সৃষ্টিশীল সত্তার অধিকারী হয়ে ওঠেন- লেটোর দলে যোগ দেয়ার পর

১৮) প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়- ১৯১৪ সালে

১৯) ১৯২০ সালে বাঙালি পল্টন ভেঙে দিলে নজরুল আসেন- কলকাতায়

২০) ‘বিদ্রোহী’ কবিতা যে পত্রিকায় প্রকাশিত হয়- সাপ্তাহিক বিজলী

২১) কাজী নজরুল ইসলাম জন্মগ্রহণ করেন- ১৮৯৯ খ্রিস্টাব্দে

২২) ১৯৬০ সালে নজরুল যে সম্মাননায় ভূষিত হন- পদ্মভূষণ

২৩) নজরুল এক বছর শিক্ষকতা করেন- গ্রামের মক্তবে

২৪) নজরুল কলকাতায় এসে- সাহিত্যচর্চায় মন দেন

২৫) ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি প্রকাশের পর নজরুল পরিচিতি লাভ করেন- বিদ্রোহী কবি নামে 

২৬) বাঙালি পল্টনে নজরুল যোগ দিয়েছিলেন- সৈনিক

২৭) শাক্যমুনি রাজ্য ত্যাগ করলেন- বেদনার ডাক শুনে

২৮) নীলাচলের ক্ষেত্রে যা প্রযোজ্য- জগন্নাথক্ষেত্র

২৯) পারস্যের অগ্নি উপাসকদের ধর্মগ্রন্থের নাম- আবেস্তা

৩০) বাঁশির কিশোর হলেন- শ্রীকৃষ্ণ

৩১) হিন্দু-মুসলিম-খ্রিস্টান এক হয়ে গেছে- সাম্যের স্থানে

৩২) মানবের মহা-বেদনার ডাক শুনে রাজ্য ত্যাগ করেন- শাক্যমুনি

৩৩) যার চেয়ে বড় মন্দির-কাবা নাই- হৃদয়ের

৩৪) ‘সাম্যবাদী’ কবিতা অনুসারে তাজা ফুল ফোটে- পথে

৩৫) নিজ প্রাণ খুলে দেখলে পাওয়া যাবে- সকল শাস্ত্র 

৩৬) ‘হাসিছেন তিনি অমৃত-হিয়ার নিভৃত অন্তরালে!’- মানুষ পুঁথির কঙ্কালে দেবতার সন্ধান করছে বলে

৩৭) অমৃত-হিয়ার নিভৃত অন্তরালে হাসেন- দেবতা-ঠাকুর

৩৮) ঈসা, মুসা যেখানে বসে সত্যের পরিচয় পেলেন- হৃদয়ে

৩৯) যেখানে এসে সকল রাজমুকুট লুটিয়ে পড়ে- হৃদয়ে

৪০) সাম্যবাদী কবিতাটি যে ছন্দে লেখা- মাত্রাবৃত্ত 

৪১) জরথুস্ট্রপন্থী যে জাতির কথা কবিতায় জানা যায়- পার্সি 

৪২) চিনের যে ধর্মগুরুর কথা কবিতায় জানা যায়- কনফুসিয়াস

৪৩) জরথুস্ট্র প্রণিত পারসিকদের ধর্মগ্রন্থ হল- জেন্দাবেস্তা 

৪৪) শিখদের ধর্মগ্রন্থের নাম- গ্রন্থসাহেব 

৪৫) সব শাস্ত্রের জ্ঞানের কথার খোঁজ পাওয়া যাবে- নিজের প্রাণে 

৪৬) মানুষ দেবতা-ঠাকুরকে খোঁজে- মৃত-পুঁথি কঙ্কালে 

৪৭) ‘মৃত-পুঁথি-কঙ্কাল’ বলতে বোঝানো হয়েছে- পুরোনো ধ্যানধারণা 

৪৮) কবিতা অনুসারে মহা-গীতা গাইছেন- বাঁশির কিশোর 

৪৯) মাঠে বসে খোদার মিতা হল- নবিরা 

৫০) সবচেয়ে বড় মন্দির-কাবা হল- মানব হৃদয় 

 

বিশাল ডানাওয়ালা এক থুরথুরে বুড়ো গল্পের প্রশ্নের উত্তর : 

 

১) দেবদূতের ডানায় মস্ত পালক গজিয়েছিল – ডিসেম্বরের গোড়ায়

২) দেবদূত যখন উড়ে যাচ্ছিল তখন তাকে দেখাচ্ছিল – জরাগ্রস্থ শকুনের মতো

৩) বৃষ্টির রাতে তাদের শোবার ঘরে হাঁটছিল – কাঁকড়া

৪) সবজি বাগানের মধ্যে দেবদূতের নখের আঁচড়ে পড়েছিল – গভীর খাঁজ

৫) জলবসন্ত একই সঙ্গে পেড়ে ফেলল – দুজনকে

৬) এক কুষ্ঠরোগী যার ঘা গুলো থেকে গজিয়েছিল – সূর্যমুখী ফুল

৭) বাড়ির মালিকদের অবশ্য ______করার কোনোই কারণ ছিল না – বিলাপ

৮) ‘আঁতকে জেগে উঠেছিল সে তখন’- তাঁর আঁতকে জেগে ওঠার কারণ – লোকেরা তার পাশটা পুড়িয়ে দিয়েছিল তপ্ত লোহায়

৯) ভ্রাম্যমাণ প্রদর্শনীর মেয়েটি মাকড়সা হয়েছিল – বাবা মার কথার অবাধ্য হয়ে

১০) ডানাওয়ালা বুড়ো লোকটা খায় – ন্যাপথলিন

১১) থুরথুরে বুড়ো একমাত্র অতিপ্রাকৃত শক্তি হল – তার ধৈর্য্য 

১২) দেবদূতের উড়ে যাওয়ার দৃশ্য দেখে এলিসেন্দা – স্বস্তি বোধ করে 

১৩) পেলাইওর নবজাত শিশুটি কষ্ট পেয়েছে প্রবল – জ্বরে

১৪) সহজ সরল গোছের মানুষেরা এই অচেনা মানুষটিকে চেয়েছিলেন – পুরপিতা করতে 

১৫) সেই দুঃস্বপ্ন দেখে যা হয় – আঁতকে ওঠে 

১৬) পাদ্রে গোনসাগা যাজক হওয়ার আগে ছিলেন – কাঠুরে 

১৭) থুরথুরে বুড়োর ডানা যাতে জট পাকিয়ে গেছে চিরকালের মতো – কাদায়

১৮) দেবদূতকে দেখার জন্য এলিসেন্দা দর্শনী হিসেবে অর্থ ধার্য করেছিল – পাঁচ সেন্ট

১৯) দুর্বোধ্য ভাষায় জবাব দিয়েছিল – রিনরিনে গলায় 

২০) পরশীনির মতে ওরা করেছিল – মস্ত ভুল

২১) ডানার যে দমকা ঝাপটা তুলেছিল তা ছিল – আতঙ্কের

২২) দেবদূত যে রোগে আক্রান্ত হয়েছিল তার নাম – জল বসন্ত

২৩) মাকড়সায় পরিণত হওয়া মেয়েটির মাথাটা ছিল – কুমারী মেয়ের মতো

২৪) ‘এ যে এক দেবদূত’ উক্তিটির বক্তা – পড়োশীনি

২৫) মুখ গুঁজে উপুড় হয়ে পড়ে ছিল – কাদার মধ্যে

২৬) স্থানীয় পাদ্রি সাহেবের নাম – গোনসাগা

২৭) ‘বিশাল ডানাওয়ালা এক থুরথুরে বুড়ো’ গল্পটির রচয়িতা – গাবরিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ 

২৮) ‘বিশাল ডানাওয়ালা এক থুরথুরে বুড়ো’ গল্পটির অনুবাদক – মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় 

২৯) পেলাইওরা প্রচুর কাঁকড়া মেরেছিল বর্ষার – তৃতীয় দিনে

৩০) যে দিন থেকে সারা জগৎ বিষণ্ণ হয়ে আছে – মঙ্গলবার 

৩১) দেবদূতকে প্রথম দেখেছিল – পেলাইও 

৩২) পেলাইওর স্ত্রীর নাম – এলিসেন্দা 

৩৩) বুড়োর পড়নে ছিল – ন্যাকড়াকুড়ুনির পোশাক 

৩৪) বৃদ্ধ লোকটির অবস্থা ছিল – ঝোড়ো কাকের প্র-প্রপিতামহের করুণ দশার মতো 

৩৫) পেলাইও আর এলিসেন্দা বুড়োটির সম্বন্ধে ভেবেছিল – ভিনদেশি জাহাজের নিঃসঙ্গ ভরাডুবি নাবিক 

৩৬) থুরথুরে বুড়োকে কোনো ভিনদেশি জাহাজের নিঃসঙ্গ ভরাডুবি নাবিক বলে মনে করেছিল, কারণ – বুড়ো খালাশিদের মতো গলা ফাটিয়ে দুর্বোধ্য ভাষায় কথা বলেছিল 

৩৭) ‘এ যে দেবদূত’- কথাটি বলেছিল – প্রতিবেশী এক মহিলা 

৩৮) প্রতিবেশিনীর মতে থুরথুরে বুড়োটি এসেছিল – বাচ্চা চুরি করতে 

৩৯) বৃদ্ধ ডানাওয়ালা মানুষটিকে পেলাইও বন্দি করে রাখল – মুরগির খাঁচায় 

৪০) তারা বৃদ্ধকে বারদরিয়ায় ছেড়ে দিতে চেয়েছিল, কারণ – তাদের সন্তানের জ্বর সেরে যাওয়ায় তারা খুশি হয়েছিল 

৪১) স্থানীয় পাদরি সাহেব হলেন – গোনসাগা 

৪২) পাদ্রে গোনসাগা উপস্থিত হয়েছিলেন – সকাল সাতটায় 

৪৩) যারা সহজসরল গোছের মানুষ তারা এই অচেনা মানুষটিকে বানাতে চেয়েছিল – পুরপিতা 

৪৪) রুষ্ট প্রকৃতির মানুষেরা বৃদ্ধকে নিয়োগ করতে চেয়েছিল – সেনাপতি পদে 

৪৫) যাজক হবার আগে গোনসাগা ছিলেন – কাঠুরে 

৪৬) বুড়োকে খেতে দেওয়া হয়েছিল – ফলের খোসা ও ছোট হাজরির উচ্ছিষ্ট 

৪৭) পাদ্রে গোনসাগা বৃদ্ধের সাথে কথা বলেছিলেন যে ভাষায় – ল্যাটিন 

৪৮) পাদ্রে গোনসাগা বুড়োকে সন্দেহ করতে শুরু করলেন, যখন তিনি বুঝলেন – বুড়ো ঈশ্বরের ভাষাই বোঝে না 

৪৯) বৃদ্ধকে দেবদূত ভাবার কারণ ছিল – তার বড়ো দুটি ডানা 

৫০) পাদ্রে গোনসাগা চিঠি লিখেছিলেন – বিশপকে  

৫১) ভিড়কে সরিয়ে দেওয়ার জন্য ডাকা হয়েছিল – সঙিনসমেত সেনাবাহিনীকে 

৫২) দেবদূতকে দেখার জন্য দর্শনি বাবদ ধার্য করা হয়েছিল – পাঁচ সেন্ট 

৫৩) সার্কাস দলের দড়বাজিকরের ডানাগুলোকে দেখাচ্ছিল – নক্ষত্র বাদুরের মতো 

৫৪) বৃদ্ধকে দেখতে আসা পোর্তুগিজ লোকটির না ঘুমানোর কারণ – তারাদের কোলাহল 

৫৫) ঘুমে হাঁটা লোকটির প্রধান সমস্যা ছিল – জেগে থাকা অবস্থায় যাবতীয় করা কাজ রাত্তিরে ঘুমের ঘোরে হেঁটে গুবলেট করে দিত 

৫৬) পেলাইও ও এলিসেন্দা খুশি ছিল, কারণ – তারা অনেক প্রণামী পেয়েছিল 

৫৭) পড়োশিনির মতে দেবদূতের প্রধান খাদ্য – ন্যাপথলিন 

৫৮) ডানাওয়ালা বৃদ্ধ খেত শুধুমাত্র – বেগুনভর্ত্তা 

৫৯) থুরথুরে বুড়োর একমাত্র অতিপ্রাকৃত শক্তি ছিল – ধৈর্য্য 

৬০) পঙ্গুরা ছিঁড়ে নিত – পালক  

প্রথম সেমিস্টার সাজেশন লিঙ্ক

চারণ কবি কবিতার MCQ প্রশ্নের উত্তর : 

 

১) কবি ভারভারা রাও জন্মগ্রহণ করেছিলেন – ১৯৪০ সালে

২) কবির সম্পূর্ণ নাম – পেন্ডিয়ালা ভারভারা রাও 

৩) কবি গ্রেপ্তার হয়েছিলেন – ২০১৮ সালে 

৪)  কবিকে যে অপরাধের আওতায় গ্রেপ্তার করা হয়েছিল – ভীমা কোরেগাঁও সহিংসতা 

৫) কবি মুক্তি পান – ২০২২ সালের আগষ্ট মাসে 

৬) কবি যে সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সম্পন্ন করেছেন – তেলেগু 

৭) কবি যে সাহিত্য পত্রিকার সাথে যুক্ত ছিলেন – সৃজানা 

৮) সৃজানা পত্রিকা পরবর্তীতে রূপান্তরিত হয় – অরুণতারা পত্রিকায় 

৯) কবি ভারভারা রাও -এর প্রথম কবিতা সংকলন – চালি নেগাল্লু (ক্যাম্প ফায়ার) 

১০) কবির নির্বাচিত কবিতা সংকলনের নাম – ভারাভারা রাও কবিতাম 

১১) কবিকে যে কারণে মুক্তি দেওয়া হয় – শারীরিক অসুস্থতা 

১২) নিয়মকানুন হয়েছে – লোপাট 

১৩) ‘সময়ের ঢেউ তোলা _____ দল’ – কালো মেঘের

১৪) যা চুঁইয়ে পড়ছে না – রক্ত 

১৫) ঘূর্ণিপাকে বিদ্যুৎ যা হয়ে উঠেছে – বাজ 

১৬) বৃষ্টি ছিল – ঝিরঝিরে

১৭) ঝিরঝিরে বৃষ্টি পরিণত হয়েছে – প্রলয়ঝড়ে 

১৮) মায়ের বুকে রয়েছে – বেদনাশ্রু 

১৯) জেলের গরাদ থেকে যা বেরিয়ে এসেছে – কবির কোনো লিপিকার স্বর 

২০) জিভে যা লাগার কথা বলা হয়েছে – কাঁপন 

২১) বাতাসকে যে মুক্ত করে দেয় – সুর

২২) গান যা হয়ে উঠেছে – যুদ্ধেরই শস্ত্র

২৩) শস্ত্র শব্দের অর্থ – যে প্রহরণ হাতে ধরে (অস্ত্র) 

২৪) কবিকে যা করা হয় – কয়েদ

২৫) কবিকে তারা কি পায় – ভয় 

২৬) গরদানে শক্ত করে যা জড়িয়ে দেওয়া হয় – ফাঁস 

২৭) কবি তাঁর সুর নিয়ে শ্বাস ফেলেছেন – জনতার মাঝখানে 

২৮) ফাঁসির মঞ্চ ভারসাম্য রাখবার জন্য যা হচ্ছে – মাটিতে মিলিয়ে যাচ্ছে 

২৯) ফাঁসুড়েকে যে বিশেষণ প্রদান করা হয়েছে – তুচ্ছ 

৩০) তুচ্ছ ফাঁসুড়েকে যা করা হচ্ছে – ঝুলিয়ে দেওয়া হচ্ছে

৩১) ‘চারণকবি’ কবিতাটির মুল কবিতাটি হল – কবি 

৩২) ‘চারণকবি’ যে কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত – ভবিষ্যথু চিত্রপটম 

৩৩) শঙ্খ ঘোষ অনুদিত ‘চারণকবি’ যে পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল – সেতুবন্ধন 

৩৪) ভারভারা রাও-এর প্রথম কবিতাসংকলনটি হল – চালি নেগাল্লু 

৩৫) ভারাভারা রাও-এর কারাবাসের ডায়রির নাম – ক্যাপতিভ ইমাজিনেশন 

৩৬) ‘চারণকবি’ কবিতাটির স্তবক সংখ্যা – ৩টি 

৩৭) ‘চারণকবি’ কবিতাটির পঙক্তি সংখ্যা – ১৪টি 

৩৮) ‘যখন সব লোপাট’- যা লোপাট হয়েছে – নিয়মকানুন 

৩৯) মেঘের দল যা করছে – ফাঁস লাগাচ্ছে গলায় 

৪০) চুঁইয়ে পড়ছে কোনো – রক্ত 

৪১) যেভাবে বিদ্যুৎ বাজ হয়ে উঠেছে – ঘূর্ণিপাকে 

৪২) ঝিরঝিরে বৃষ্টি পরিণত হয়েছে – প্রলয়ঝড়ে 

৪৩) কবির কোনো লিপিকার স্বর বেরিয়ে আসছে যা বুকে নিয়ে – মায়ের বেদনাশ্রু 

৪৪) জেলের গরাদ থেকে বেরিয়ে আসছে – কবির কোনো লিপিকার স্বর 

৪৫) ‘কবির কোনো লিপিকার স্বর’ কথার অর্থ – প্রতিবাদী স্বর ও সত্তা  

 

বিশ্বের ভাষা ও ভাষা পরিবার প্রশ্নের উত্তর : 

 

১) সারা পৃথিবীতে ভাষার সংখ্যা প্রায় – তিন হাজার

২) ভাষাবিদ শুলৎস হলেন – জার্মানির অধিবাসী

৩) ভাষাবিদ ক্যারদ্যুও ছিলেন – ফরাসি ভাষাবিদ

৪) উইলিয়াম জোন্স্‌ কলকাতার রয়্যাল সোসাইটির অধিবেশনে ভাষা বিষয়ে বক্তব্য রেখেছিলেন – ১৭৮৬ খ্রিঃ

৫) পৃথিবীর ভাষাকে বর্গীকরণ করা হয় – ছয়রকম পদ্ধতিতে

৬) একই বংশজাত ভাষাগুলিকে বলা হয় – সমগোত্রজ ভাষা

৭) পৃথিবীর বেশিরভাগ ভাষাই যে-কটি ভাষা পরিবারের বর্গীভূত হয়েছে – ২৫-২৬টি

৮) যে ভাষাকে শ্রেণিভুক্ত করা সম্ভব হয় নি, তাকে বলে – অগোষ্ঠীভূত ভাষা

৯) পৃথিবীর বিভিন্ন ভাষাবংশগুলির মধ্যে অন্যতম হল – ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাবংশ

১০) ইন্দো-ইউরোপীয় শাখাটি – দুটি শাখায় বিভক্ত

১১) ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাভাষী মূল আর্যজাতি মূলত ছড়িয়ে পড়েছিল – ভারতবর্ষে

১২) ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষার একটি প্রাচীন শাখা হল – ইন্দো-ইরানীয়

১৩) ইন্দো-ইউরোপীয় বংশের যে শাখাটি ভারতে প্রবেশ করে – ভারতীয় আর্য

১৪) ক্রিট দ্বীপে প্রাপ্ত গ্রিক ভাষার নিদর্শনটি – ১৪৫০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের

১৫) ‘ইলিয়াড’ ও ‘ওডিসি’ রচিত – গ্রিক ভাষায়

১৬) ইতালীয় শাখার প্রধান ভাষা – ল্যাটিন

১৭) কেলতিক ভাষাগুলির মধ্যে বর্তমানে সবচেয়ে সম্মৃদ্ধ ভাষা – আইরিশ

১৮) ইরানীয় শাখার প্রাচীনতম নিদর্শন – জেন্দ আবেস্তা

১৯) বাইবেলের ওল্ড টেস্টামেন্ট রচিত – হিব্রু ভাষায়

২০) সাইবেরিয়ার মেরু অঞ্চলের ভাষা – সাময়েদ

২১) মায়া ও আজতেক সভ্যতা ছিল – উত্তর আমেরিকার

২২) ‘পিজিন ইংলিশের’ উদ্ভব ঘটেছে – ব্যবসায়ীক কারণে

২৩) ‘পিজিন’ দীর্ঘস্থায়ী হলে জন্ম নেয় – ক্রেওল

২৪) পিজিন ইংলিশের ‘পিজিন’ শব্দটি এসেছে ইংরেজি ‘বিজনেস’ শব্দের – চিনীয় উচ্চারণ থেকে

২৫) ‘ভোলাপুক’ নামক কৃত্রিম ভাষাটি তৈরি করেন – যোহান মার্টিন শ্লেইয়ার

২৬) প্রতিষ্ঠিত বিশ্বভাষা বা কৃত্রিম আন্তর্জাতিক ভাষা হল – এস্‌পেরেন্তো

২৭) কৃত্রিম আন্তর্জাতিক ভাষার কথা প্রথম চিন্তা করেছিলেন – দেকার্ত

২৮) আন্তর্জাতিক ভাব্বিনিময়ের জন্য ব্যবহৃত হয় – এস্‌পেরেন্তো ভাষা

২৯) এস্‌পেরেন্তো ভাষার ব্যাকরণের মোট নিয়ম – ১৬ টি

৩০) এস্‌পেরেন্তো ভাষার শব্দ সংখ্যা – ৬০০০ এর বেশি

৩১) এস্‌পেরেন্তো ভাষা মাতৃভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয় – এক হাজার মানুষের

৩২) এস্‌পেরেন্তো ভাষায় বর্তমানে কথা বলেন – কুড়ি লক্ষ মানুষ

৩৩) অঙ্গসঞ্চালনের মাধ্যমে ব্যবহৃত ভাষার নাম – প্যারা ল্যাঙ্গুয়েজ

৩৪) সাংকেতিক ভাষা বা Sign Language এর উদ্ভব ঘটে – ১৭৭৫ খ্রিঃ

৩৫) পৃথিবীর প্রধান ভাষাবংশের সংখ্যা – ১২টি  

 

বাংলা ভাষার উদ্ভব ও ক্রমবিকাশ MCQ প্রশ্নের উত্তর : 

 

১) বাংলা ভাষার জন্ম হয় – আনুমানিক ৯০০খ্রিঃ

২) প্রাচীন বাংলার সময়সীমা হল – ৯০০ থেকে ১৩৫০ খ্রিঃ

৩) আদি-মধ্য বাংলার সময়সীমা হল – ১৩৫০ খ্রিঃ থেকে ১৫০০ খ্রিঃ

৪) মধ্য বাংলার সময়সীমা হল – ১৩৫০ খ্রিঃ থেকে ১৭৬০ খ্রিঃ

৫) প্রাচীন বাংলার নিদর্শন হল – চর্যাপদ

৬) আদি-মধ্য বাংলার নিদর্শন হল – শ্রীকৃষ্ণকীর্তণ

৭) অন্ত-মধ্য বাংলার নিদর্শন হল – মঙ্গলকাব্য

৮) সংস্কৃত বাংলা ভাষার ‘অতি অতি অতি অতি অতিবৃদ্ধ পিতামহী’ কথাটি বলেছেন – হরপ্রসাদ শাস্ত্রী

৯) ‘লুঙ্গি’ শব্দটি বাংলা ভাষায় এসেছে যে ভাষা থেকে – বর্মি 

১০) ‘চা’ শব্দটি বাংলা ভাষায় এসেছে যে ভাষা থেকে – চিনা 

১১) ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাগোষ্ঠীর যে শাখাটি ভারতে প্রবেশ করে – ভারতীয় আর্য 

১২) ভারতীয় আর্যরা ভারতবর্ষে প্রবেশ করে – প্রায় ১৫০০ খ্রিঃপূঃ 

১৩) বিবর্তনের ধারা অনুসারে ভারতীয় আর্যভাষাকে বিভক্ত করা যায় – তিনটি যুগে 

১৪) প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষার আনুমানিক সময়কাল – ১৫০০-৬০০ খ্রিঃপূঃ 

১৫) প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষার নিদর্শন হল – ঋকবেদ 

১৬) প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষার অপর নাম – বৈদিক ভাষা 

১৭) ‘অষ্টাধ্যায়ী’ ব্যাকরণ গ্রন্থটি লিখেছিলেন – পাণিনি 

১৮) শিক্ষিত লোকের সাহিত্যের ভাষা ছিল – সংস্কৃত 

১৯) কথ্য সংস্কৃতের ক্রমবিবর্তনের ফলে উদ্ভব ঘটে – প্রাকৃত ভাষার 

২০) প্রাকৃত ভাষার মূল উপাদান আছে – বৈদিক সংস্কৃত ভাষাতে 

২১) প্রাকৃত ভাষার সময়সীয়া – ৬০০ খ্রিঃপূঃ থেকে ৯০০ খ্রিঃ

২২) মধ্য ভারতীয় আর্যভাষার প্রাচিনতম নিদর্শন – অশোকের শিলালিপি 

২৩) মধ্য ভারতীয় আর্যভাষার প্রথম স্তরের একটি ভাষারূপ হল – পালি 

২৪) বুদ্ধদেবের বাণী প্রচারিত হয়েছিল যে ভাষায় – পালি 

২৫) গৌতম বুদ্ধ যেখানকার লোক ছিলেন – মগধের 

২৬) সংস্কৃত ও প্রাকৃতের মাঝামাঝি স্তর হল – পালি ভাষা 

২৭) ‘জাতকের গল্প’ রচিত হয়েছে – পালি ভাষায় 

২৮) মধ্য ভারতীয় আর্য ভাষার ব্যাপ্তি – ১৫০০ বছর 

২৯) মধ্য ভারতীয় আর্য ভাষার আনুমানিক সময়কাল – ৬০০ খ্রিঃ পূঃ থেকে ৯৫০ খ্রিঃ 

৩০) আদর্শ প্রাকৃত হিসেবে নাটকে বা কাব্যকবিতায় ব্যবহৃত হত – মহারাষ্ট্রীয় প্রাকৃত 

 

ভারতে প্রচলিত ভাষা পরিবার প্রশ্নের উত্তর : 

 

১) ভারতের ভাষাগুলিকে ভাগ করা হয়- চারটি ভাষাবংশে

২) ‘Linguistic Survey of India 1903-1928’ এর মূল সম্পাদক ছিলেন- জর্জ গ্রিয়ার্সন

৩) ‘ভাষা সমীক্ষা’ অনুসারে ভারতে প্রচলিত ভাষার সংখ্যা- ১৭৯টি

৪) ভারতে উপভাষা প্রচলিত রয়েছে- ৫৪৪টি

৫) ১৯৬১ খ্রিঃ সমীক্ষা অনুসারে ভারতে মাতৃভাষা রয়েছে- ১৬৫২টি

৬) ভারতে অবর্গীভূত ভাষার সংখ্যা- ৫৩০টি

৭) ভারতীয় জনসমূহের প্রাচীনতম স্তর হল- নেগ্রিটো

৮) ভারতে অস্ট্রিক ভাষাবংশের ভাষা রয়েছে- ৬৫টি

৯) ভারতের প্রাচীনতম ভাষাগোষ্ঠী হল- অস্ট্রিক

১০) প্রত্ন-অস্ট্রালদের ভাষা ছিল- অস্ট্রিক

১১) অস্ট্রিক ভাষাবংশ বিভক্ত- দুটি ভাষা বংশে

১২) মেলানেশীয় ভাষাগোষ্ঠী দেখা যায়- ফিজিদ্বীপে

১৩) অস্ট্রো-এশিয়াটিকের অন্তর্ভুক্ত সাঁওতালি ভাষা যে ধারার অন্তর্গত- পশ্চিমা

১৪) অস্ট্রো-এশিয়াটিকের পশ্চিমা ধারাটিতে ভাষা আছে- প্রায় ৫৮টি

১৫) সাঁওতালি ভাষার লিপির নাম- অলচিকি

১৬) অলচিকি লিপির উদ্ভাবক হলেন- রঘুনাথ মুর্মু

১৭) মুন্ডারি এন্সাইক্লোপিডিয়া বিভক্ত- ১৩টি খন্ডে

১৮) মন্‌-খমের মধ্যে ভাষা রয়েছে- ৭টি

১৯) দ্রাবিড় ভাষাবংশ ভাষাভাষীর দিক দিয়ে- দ্বিতীয় বৃহত্তম

২০) হরপ্পা ও মহেন-জো-দারো অবস্থিত ভারতের- উত্তর-পশ্চিম সীমান্তে

২১) দ্রাবিড় ভাষাবংশের প্রধান ভাষা- তামিল

২২) দ্রাবিড় ভাষাবংশের অপর একটি ভাষা- তেলেগু

২৩) সিন্ধু সভ্যতা আসলে- দ্রাবিড় সভ্যতার দান

২৪) ওরাঁও ভাষা ব্যবহার করা হয়- বিহার, ওড়িশা ও মধ্যপ্রদেশের সীমান্তে

২৫) মধ্যদেশীয় শাখার অন্তর্ভুক্ত ভাষার সংখ্যা- প্রায় ৭টি  

২৬) গোন্দ জনজাতীর ভাষা হল- গোন্ডী

২৭) তামিল ভাষায় ব্যবহৃত ব্যঞ্জনবর্ণ ও স্বরবর্ণের সংখ্যা- ১৮টি ও ১২টি

২৮) দ্রাবিড় ভাষার লিপির উদ্ভব ঘটেছে- ব্রাহ্মী লিপি থেকে

২৯) কর্ণাটক রাজ্যের প্রধান ভাষা- কন্নড়

৩০) প্রাচীনতম দ্রাবিড়ীয় শিলালিপি লেখা হয়েছিল- কন্নড় লিপিতে

 

বাংলা ভাষার বৈচিত্র প্রশ্নের উত্তর : 

 

১) ভাষার আঞ্চলিক রূপকে বলা হয় – উপভাষা

২) বাংলা ভাষায় উপভাষার সংখ্যা – পাঁচটি

৩) কলকাতা, ভাগীরথী-হুগলী নদীর আশেপাশের অঞ্চলে যে আঞ্চলিক উপভাষা প্রচলিত তাঁর নাম – রাঢ়ী

৪) অভিশ্রুতি যে উপভাষার বৈশিষ্ট্য – রাঢ়ী

৫) বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের প্রধান উপভাষা – রাঢ়ী

৬) রাঢ়ী উপভাষার সঙ্গে সাদৃশ্য দেখা যায় – বরেন্দ্রী উপভাষার

৭) বরেন্দ্রী উপভাষা প্রচলিত আছে – দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদহ, রাজশাহিতে

৮) অপিনিহিতির ব্যবহার বেশি দেখা যায় – বঙ্গালী উপভাষায়

৯) যে যে বাংলা উপভাষাগুলির মধ্যে বিস্তার খুব বেশি সেগুলি হল – রাঢ়ী ও বঙ্গালী

১০) বাংলাদেশের ঢাকা অঞ্চলে যে উপভাষা প্রচলিত তা হল – বঙ্গালী

১১) ভাষার পরিবর্তনকে বহমান নদীর সঙ্গে তুলনা করেছেন – শিশির কুমার দাস 

১২) সুকুমার সেন বাংলা ভাষার আঞ্চলিক বিভাজন করেছেন – ৫টি 

১৩) ‘অ’ এর ‘ও’-কার প্রবণতা লক্ষ করা যায় – রাঢ়ী উপভাষায় 

১৪) রাঢ়ী উপভাষায় কর্তৃকারক ছাড়া অন্য কারকের বহুবচনে যে বিভক্তি যুক্ত হয় – ‘দের’ 

১৫) অপিনিহিতির পরবর্তী ধাপ হল – অভিশ্রুতি 

১৬) করিয়া>কইর‍্যা>করে – যে উপভাষার ধ্বনিতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য – রাঢ়ী

১৭) দেশি>দিশি হল – স্বরসঙ্গতি 

১৮) রাঢ়ী উপভাষায় শব্দের আদিতে শ্বাসাঘাত থাকলে শব্দের অন্তে অবস্থিত মহাপ্রাণ ধ্বনি উচ্চারিত হয় – স্বল্পপ্রাণ রূপে 

১৯) ধুধ>দুদ যে উপভাষায় দেখা যায় – রাঢ়ী

২০) অঘোষ ধ্বনি সঘোষ ধ্বনিতে পরিণত হয় যে উপভাষায় – রাঢ়ী

২১) রাঢ়ী উপভাষায় যে কর্মে কোনো বিভক্তি যুক্ত হয় না – মুখ্য কর্মে 

২২) রাঢ়ী উপভাষায় অধিকরণ কারকে ব্যবহৃত হয় যে বিভক্তিগুলি – ‘এ’ ও ‘তে’ 

২৩) ‘আমি বললুম’ যে উপভাষায় ব্যবহৃত হয় – রাঢ়ী

২৪) মূল ধাতুর সঙ্গে ‘আছ’ ধাতু এবং কাল ও পুরুষের বিভক্তি যোগ করে, রাঢ়ী উপভাষায় যে যে ক্রিয়ার কালের রূপ গঠিত হয় – ঘটমান বর্তমান ও ঘটমান অতীত 

২৫) রাঢ়ী উপভাষায় পুরাঘটিত বর্তমান ও পুরাঘটিত অতীত কাল বোঝাতে অসমাপিকা ক্রিয়ার রূপের সঙ্গে যুক্ত হয় যে ধাতু – ‘আছ’  

২৬) মূলত উত্তরবঙ্গের ভাষা হল – বরেন্দ্রী 

২৭) গৌণকর্মে ‘ক’ বিভক্তি হয় যে উপভাষায় – বরেন্দ্রী 

২৮) ‘জ’ ধ্বনি ‘z’ এর মতো উচ্চারিত হয় যে উপভাষায় – বরেন্দ্রী 

২৯) বরেন্দ্রী উপভাষায় শ্বাসাঘতের কোনো সুনির্দিষ্ট স্থান – নেই 

৩০) রস>অস যে উপভাষার বৈশিষ্ট্য – বরেন্দ্রী 

 

প্রাচীন বাংলার সমাজ ও সাহিত্য প্রশ্নের উত্তর : 

 

১) বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন হল – চর্যাপদ

২) চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয়েছিল – ১৯০৭ খ্রিঃ

৩) চর্যাপদের পুঁথি আবিষ্কার করেন – মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী

৪) চর্যাপদের পুঁথি আবিষ্কৃত হয়েছিল – নেপালের রাজদরবারে

৫) চর্যাপদের প্রকৃত নাম – চর্যাগীতিকোষ

৬) চর্যাপদ প্রকাশিত হয়েছিল – বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ

৭) চর্যাপদের পুঁথিটি প্রকাশিত হয় – ১৯১৬ খ্রিঃ

৮) চর্যাপদ প্রকাশিত হয়েছিল – হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা নামে

৯) চর্যাপদের তিব্বতি অনুবাদ আবিষ্কার করেন – প্রবোধচন্দ্র বাগচী

১০) চর্যার পদগুলি রচিত হয়েছে – অষ্টাদশ থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যে

১১) চর্যাপদের পদকর্তার সংখ্যা – ২৪ জন

১২) চর্যাপদে সর্বাধিক পদ রয়েছে – কাহ্নপাদ

১৩) চর্যাপদের টীকা সংস্কৃত ভাষায় রচনা করেন – মুনিদত্ত

১৪) চর্যাপদের গানগুলি রচিত – মাত্রাবৃত্ত ছন্দে

১৫) চর্যাপদের কবিতাগুলি রচিত – পাদাকুলক ছন্দে

১৬) বাংলা ভাষার উৎপত্তি ঘটেছে – মাগধী অপভ্রংশ থেকে

১৭) চর্যাপদের তিব্বতি ভাষার পুঁথিতে পদের সংখ্যা – ৫১টি

১৮) চর্যাপদের পুঁথিটি প্রাপ্তির সময় তার নাম ছিল – চর্যাচর্যবিনিশ্চয়

১৯) ‘পবনদূত’ কাব্যের রচয়িতা – ধোয়ী 

২০) ‘গীতগোবিন্দম’ কাব্যের রচয়িতা – জয়দেব 

২১) ‘গাথা সপ্তশতীর’ রচয়িতা – হাল 

২২) ‘সদুক্তিকর্ণামৃত’ কাব্যের রচয়িতা – শ্রীধর দাস 

২৩) প্রাচীন বাংলার ইতিহাসে ‘যুগসন্ধির কাল’ রূপে যে সময়কে চিহ্নিত করা হয় – দশম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি 

২৪) চর্যাপদের পুঁথিতে সম্পূর্ণ গান রয়েছে – ৪৬টি

২৫) চর্যাপদের পুঁথিটি লেখা হয়েছিল – তালপাতায় 

২৬) চর্যাপদের পুঁথিটির সঙ্গে যার দোহা সংযুক্ত হয়েছিল – কৃষ্ণাচার্য 

২৭) ‘চর্যাপদ’-এর টীকার তিব্বতি অনুবাদক হলেন – কীর্তিচন্দ্র 

২৮) চর্যাপদের তিব্বতি অনুবাদ আবিষ্কার করেন – প্রবোধচন্দ্র বাগচী 

২৯) ভাষাচার্য সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, চর্যার পদগুলি রচিত হয়েছে – দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যে 

৩০) চর্যার পদকারেরা যে নামে অভিহিত – সিদ্ধাচার্য  

 

মধ্যযুগের বাংলা সমাজ ও সাহিত্যের প্রধান ধারা প্রশ্নের উত্তর : 

 

১) সাহিত্যের ইতিহাসে ‘অন্ধকারময় যুগ’ হল – ত্রয়োদশ-চতুর্দশ শতাব্দী

২) ‘মধ্যযুগ’ বলতে বোঝায় – পঞ্চদশ থেকে অষ্টাদশ শতাব্দী

৩) ‘চৈতন্য পর্ব’ নামে অভিহিত – ষোড়শ শতাব্দী

৪) কবি ভারতচন্দ্রের মৃত্যু হয় – ১৭৬০খ্রিঃ

৫) বাংলা সাহিত্যের ‘যুগসন্ধিক্ষণ’ হল – ১৭৬০-১৮০০খ্রিঃ

৬) হিন্দু কবিদের ভাষায় হুসেন শাহ ছিলেন – নৃপতিতিলক

৭) ‘আর্যাসপ্তশতী’ নামক সংস্কৃত কাব্যটির রচয়িতা – গোবর্ধন আচার্য

৮) ইফ্‌তিকারুদ্দিন বিন বখ্‌তিয়ার খিলজির বাংলাদেশ আক্রমণকালে রাজা ছিলেন – লক্ষ্ণণ সেন

৯) বাংলাদেশে তুর্কি আক্রমণ হয় – ১২০৩ খ্রিঃ

১০) বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে ত্রয়োদশ-চতুর্দশ শতাব্দীকে বলা হয় – অন্ধকারময় যুগ

১১) আলাউদ্দিন হুসেন শাহ বাংলার সিঙ্ঘাসনে বসেন – ১৪৯৩ খ্রিঃ

১২) আদি-মধ্যযুগের প্রাথমিক নিদর্শন হল – শ্রীকৃষ্ণকীর্তন

১৩) শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের পুঁথিটি আবিষ্কার করেন – বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ

১৪) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের পুঁথিটি আবিষ্কৃত হয়েছিল – ১৯০৯ খ্রিঃ

১৫) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের পুঁথিটি আবিষ্কৃত হয় – বাঁকুড়া জেলার কাঁকিল্যা গ্রামে

১৬) শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের পুঁথিটি প্রকাশিত হয় – বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে

১৭) শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের পুঁথিটি প্রকাশিত হয় – ১৯১৬ খ্রিঃ

১৮) শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের পুঁথিটি প্রকাশিত হয় – বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভের সম্পাদনায়

১৯) শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের পুঁথিটিতে প্রাপ্ত চিরকূটে নাম পাওয়া যায় – শ্রীকৃষ্ণসন্দর্ভ

২০) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য রচিত হয় – ১৪৭৩-১৪৮০ খ্রিঃ মধ্যে

২১) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটির রচয়িতা – বড়ু চন্ডীদাস

২২) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি যে কটি খন্ডে বিভক্ত – ১৩টি

২৩) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের শেষ খন্ডের নাম – রাধাবিরহ

২৪) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের প্রধান চরিত্র – কৃষ্ণ

২৫) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে যে কাব্যের প্রভাব পরিলক্ষিত হয় – জয়দেবের গীতগোবিন্দ

একাদশ শ্রেণির প্রথম ও দ্বিতীয় সেমিস্টার বাংলা বিষয়ের সমস্ত নোট দেখতে নিম্নের ছবিতে ক্লিক/টাচ করতে হবে 

Class Eleven 1st Semester Bengali Question Answer

আমাদের কথাঃ পশ্চিমবঙ্গ মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদউচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সকল শিক্ষার্থীদের অনলাইন পড়াশোনায় সহায়তা প্রদান করাই আমাদের লক্ষ্য।

পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বাংলা, ইংরেজি, ইতিহাস, ভূগোল, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, শিক্ষাবিজ্ঞান, দর্শন, সংস্কৃত প্রভৃতি বিষয়ে অনলাইন সহায়তা প্রদান করা হবে।

আমরা প্রতিনিয়ত আমাদের WBNOTES.IN ওয়েবসাইটে শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন নতুন আলোচনা প্রদান করবার প্রচেষ্টা করে চলেছি। সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের প্রতি অনুরোধ- আপনারা আপনাদের পরিচিতদের সাথে আমাদের WBNOTES.IN ওয়েবসাইটটিকে শেয়ার করবেন।

আমাদের লক্ষ্যঃ পশ্চিমবঙ্গের সকল শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের কাছে সহজবোধ্য ভাষায় বিবিধ বিষয়ের একটি সুসংগঠিত অনলাইন শিক্ষা পরিষেবা পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য। আর্থিকভাবে অনগ্রসর শিক্ষার্থীদের জন্য আমরা যেমন বিনামূল্যে জ্ঞানার্জনের সুবিধা প্রদান করেছি; আবার মাননীয় শিক্ষকদের সুবিধার্থে এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষা প্রস্তুতি প্রদানের লক্ষ্যে আমাদের WBNOTES.IN ওয়েবসাইটের পক্ষ থেকে প্রদান করা হচ্ছে নরমাল ও প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন। আমাদের সাবস্ক্রীপশন পেজে আপনারা এই সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য পেয়ে যাবেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: কপি করার প্রচেষ্টা করবেন না !
Scroll to Top