তিমির হননের গান কবিতার প্রশ্নের উত্তর । দ্বাদশ শ্রেণির চতুর্থ সেমিস্টার বাংলা
তিমির হননের গান কবিতার প্রশ্নের উত্তর । দ্বাদশ শ্রেণির চতুর্থ সেমিস্টার বাংলা উচ্চমাধ্যমিক বাংলা চতুর্থ সেমিস্টার পরীক্ষার প্রস্তুতির লক্ষ্যে WBNOTES.IN ওয়েবসাইটের পক্ষ থেকে প্রদান করা হলো। যে সকল শিক্ষার্থীরা দ্বাদশ শ্রেণির তৃতীয় সেমিস্টারের পড়া সম্পূর্ণ করে চতুর্থ সেমিস্টারের প্রস্তুতি শুরু করতে চলেছো তাদের জন্য এখানে জীবনানন্দ দাশ রচিত তিমির হননের গান কবিতার গুরুত্বপূর্ণ বড়ো প্রশ্নের উত্তর -গুলি প্রদান করা হলো। পূর্ণাঙ্গ কবিতাটি পাঠ করতে শিক্ষার্থীরা আমাদের ক্লাস নোট বিভাগে দ্বাদশ শ্রেণির চতুর্থ সেমিস্টার বাংলা নোট পেজ ভিজিট করো।
আমাদের ওয়েবসাইটের Class Note বিভাগে বিবিধ বিষয়ের প্রশ্নের উত্তর, Mock Test বিভাগে একাধিক বিষয়ের অসংখ্য মক টেস্ট, Suggestion বিভাগে অধ্যায়ভিত্তিক সাজেশন প্রদান করা হয়। আমাদের সকল আপডেট লাভ করতে নিয়মিত ভিজিট করো আমাদের ওয়েবসাইটটি।
তিমির হননের গান কবিতার প্রশ্নের উত্তর । দ্বাদশ শ্রেণির চতুর্থ সেমিস্টার বাংলা :
তিমির হননের গান কবিতার প্রশ্নোত্তরঃ
১) ‘তিমিরহননের গান’ কবিতায় কবি কেন ‘তিমিরবিলাসী’ নয়, ‘তিমিরবিনাশী’ হতে চেয়েছেন? ৫
উৎসঃ
প্রকৃতিপ্রেমী কবি ‘জীবনানন্দ দাশ’ রচিত ‘সাতটি তারার তিমির’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত ‘তিমির হননের গান’ কবিতাটি আমাদের পাঠ্যরূপে গৃহীত হয়েছে।
কবির ‘তিমিরবিনাশী’ হতে চাওয়ার কারণঃ
সমগ্র কবিতা জুড়ে মনুষ্যত্বের কালো অধ্যায়কে কবি তাঁর নিপুণ তুলির টানে অঙ্কন করেছেন। কবি বলেছেন মানুষ ‘আকাশের মতো’ চোখ নিয়ে একদিন –
‘আমরা হেসেছি,
আমরা খেলেছি;
স্মরণীয় উত্তরাধিকারে কোনো গ্লানি নেই ভেবে
একদিন ভালোবেসে গেছি।’
কিন্তু মানুষ বিংশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে এসে এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের সম্মুখীন হয়েছে। এই মানুষেরাই যে উচ্চ প্রযুক্তি আর বিজ্ঞানে বলীয়ান, শিল্প-সাহিত্য ললিতকলায় সমৃদ্ধ-এ তো অন্ধকার থেকে ধারাবাহিকভাবে আলোয় ফেরার ইতিবৃত্ত। তাই কবির সংশয় –
‘আমরা কি তিমিরবিলাসী?’
পরক্ষণেই কবিমনে আশাবাদের জাগরণ ঘটেছে। তিনি উপলব্ধি করেছেন, মানুষের চলার পথ কোথাও হয়তো ব্যাহত হয়েছে, বিপন্ন হয়েছে তার গতি; কিন্তু সে কখনোই থেমে থাকেনি। এই মানবতার জয়গাথাকে মান্যতা দিয়েই কবি কন্ঠে তাই ধ্বনিত হয়েছে –
‘আমরা তো তিমিরবিনাশী
হ’তে চাই।
আমরা তো তিমিরবিনাশী।’
২) “নক্ষত্রের জ্যোৎস্নায় ঘুমাতে বা মরে যেতে জানে।” – কাদের সম্পর্কে এই উক্তিটি করা হয়েছে? তাদের এরূপ হওয়ার কারণ কী? ২+৩=৫
উৎসঃ
প্রকৃতিপ্রেমী কবি ‘জীবনানন্দ দাশ’ রচিত ‘সাতটি তারার তিমির’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত ‘তিমির হননের গান’ কবিতাটি থেকে প্রশ্নোক্ত অংশটি চয়ন করা হয়েছে।
উদ্দিষ্ট ব্যক্তিগণঃ
আলোচ্য কবিতায় কবি পঞ্চাশের আকালে নিরন্ন মানুষদের উদ্দেশ্য করে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি করেছেন। এই নিরন্ন মানুষেরা দুমুঠো খাদ্যের আশায় শহরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছিল। কিন্তু শহরের নির্মমতায় তারা বাঁচতে পারেনি।
উক্ত আচরণের কারণঃ
দেশীয় অর্থনীতির করুণ দশা, তথাকথিত দেশীয় শাসকদের ব্রিটিশদের পদানত থাকা, এদেশের মানুষের মাথায় অনৈতিক করের বোঝা চাপানো, রেঙ্গুন থেকে চাল আনার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা, বাজারের পণ্যের অধিকাংশি সরকারি সেনার জন্য সংরক্ষণ প্রভৃতি ঘটনায় সাধারণ মানুষের জীবন অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে। এর উপরে কালোবাজারি ও মজুতদারির ফলে নিত্যনৈমিত্তিক দ্রব্যসামগ্রী সাধারণ মানুষের ধরা-ছোঁয়ার বাইরে চলে যায়। গ্রামের প্রান্তিক মানুষের জীবনে যে অস্থির পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, তারা আর সেই ধাক্কা সামলে উঠতে পারে নি। তারা অনেকে গ্রামেই জীবন জলাঞ্জলি দেয়, বাকিরা দলে দলে ভিড় করে শহরের ফুটপাথে হয়তো একটু ফ্যানের আশায়। আর এই নির্মম বাস্তবতাই কবির লেখনীতে আমাদের হৃদয়কে বিদ্ধ করে –
‘নর্দমার থেকে শূন্য ওভারব্রিজে উঠে
নর্দমায় নেমে—
ফুটপাত থেকে দূর নিরুত্তর ফুটপাতে গিয়ে
নক্ষত্রের জ্যোৎস্নায় ঘুমাতে বা ম’রে যেতে জানে।’
LINK TO VIEW PDF FILE (Only for Subscribers)
নিম্নের PDF প্রশ্নের উত্তরগুলি শুধুমাত্র আমাদের Subscribers -দের জন্য। দ্বাদশ শ্রেণির চতুর্থ সেমিস্টার বাংলা বিষয়ের সাবস্ক্রিপশন নিতে যোগাযোগ করুন আমাদের সাথেঃ What’s App: 7001880232
৩) ‘সেই সব রীতি আজ মৃতের চোখের মতো’ – কবির কোন রীতিকে ‘মৃতের চোখের মতো’ বলে মনে হয়েছে? এমন মনে হওয়ার কারণ কী? ২+৩
উত্তর দেখতে এই লিঙ্কে ক্লিক/টাচ করতে হবে
৪) ‘স্বতই বিমর্ষ হয়ে ভদ্র সাধারণ’ – ‘ভদ্র সাধারণ’ কাদের বলা হয়েছে? তারা কী চেয়ে দেখে? ২+৩
উত্তর দেখতে এই লিঙ্কে ক্লিক/টাচ করতে হবে
৫) ‘অন্য এক আকাশের মতো চোখ নিয়ে’ – কবি ‘আকাশের মতো চোখ’ বলতে কী বুঝিয়েছেন? সেই চোখ এখন কেমন? ২+৩
উত্তর দেখতে এই লিঙ্কে ক্লিক/টাচ করতে হবে
৬) ‘সূর্যালোক নেই-তবু- / সূর্যালোক মনোরম মনে হ’লে হাসি’ – ‘সূর্যালোক’ কী? ‘সূর্যালোক’ মনোরম মনে হলে কবি হাসেন কেন? ২+৩
উত্তর দেখতে এই লিঙ্কে ক্লিক/টাচ করতে হবে
৭) ‘আমরা তো তিমিরবিনাশী’ – কবিতায় একই পদ দু-বার ব্যবহারের তাৎপর্য কী? ৫
উত্তর দেখতে এই লিঙ্কে ক্লিক/টাচ করতে হবে
৮) ‘হেমন্তের প্রান্তরের তারার আলোক’ – উক্তিটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো। ৫
উত্তর দেখতে এই লিঙ্কে ক্লিক/টাচ করতে হবে
সকল শ্রেণির বাংলা অধ্যায় ভিত্তিক প্রশ্নের উত্তর দেখতে নিম্নের ছবিতে ক্লিক/টাচ করতে হবে
আমাদের কথাঃ পশ্চিমবঙ্গ মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদ ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সকল শিক্ষার্থীদের অনলাইন পড়াশোনায় সহায়তা প্রদান করাই আমাদের লক্ষ্য।
পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বাংলা, ইংরেজি, ইতিহাস, ভূগোল, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, শিক্ষাবিজ্ঞান, দর্শন, সংস্কৃত প্রভৃতি বিষয়ে অনলাইন সহায়তা প্রদান করা হবে।
ভালো করে পড়াশোনা করা কেবল পরীক্ষায় ভালো নম্বর পাওয়ার মাধ্যম নয়, বরং এটি একজন মানুষের সামগ্রিক জীবন গঠনের মূল ভিত্তি। সঠিক শিক্ষা মানুষের চিন্তাভাবনাকে উন্নত করে এবং ব্যক্তিত্বকে বিকশিত করে।
জ্ঞান ও দক্ষতার বিকাশ গভীর মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করলে যেকোনো বিষয়ের মূল ধারণা পরিষ্কার হয়। এটি বাস্তব জীবনে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং জটিল সমস্যার সমাধান করার দক্ষতা তৈরি করে।
উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও আত্মনির্ভরশীলতা বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক যুগে ভালো ক্যারিয়ার গঠনের জন্য উপযুক্ত শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। ভালো পড়াশোনা ভালো কাজের সুযোগ তৈরি করে, যা একজন ব্যক্তিকে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী ও আত্মবিশ্বাসী করে তোলে।
নৈতিকতা ও সামাজিক সচেতনতা প্রকৃত শিক্ষা মানুষের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ, সহমর্মিতা এবং দায়িত্ববোধ জাগ্রত করে। একজন সুশিক্ষিত মানুষ নিজের অধিকারের পাশাপাশি অন্যের প্রতি কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন থাকেন, যা একটি সুস্থ ও সুন্দর সমাজ গঠনে সহায়ক।
পড়াশোনাকে শুধু মুখস্থবিদ্যার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে তা ভালোভাবে উপলব্ধি করে শেখা উচিত। নিয়মিত ও পরিকল্পিত অধ্যবসায় একজন সাধারণ শিক্ষার্থীকেও অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিতে পারে। তাই সফল, সচেতন ও মার্জিত মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার জন্য ভালো করে পড়াশোনা করা অত্যন্ত জরুরি।
আমরা প্রতিনিয়ত আমাদের WBNOTES.IN ওয়েবসাইটে শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন নতুন আলোচনা প্রদান করবার প্রচেষ্টা করে চলেছি। সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের প্রতি অনুরোধ- আপনারা আপনাদের পরিচিতদের সাথে আমাদের WBNOTES.IN ওয়েবসাইটটিকে শেয়ার করবেন।
আমাদের লক্ষ্যঃ পশ্চিমবঙ্গের সকল শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের কাছে সহজবোধ্য ভাষায় বিবিধ বিষয়ের একটি সুসংগঠিত অনলাইন শিক্ষা পরিষেবা পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য। আর্থিকভাবে অনগ্রসর শিক্ষার্থীদের জন্য আমরা যেমন বিনামূল্যে জ্ঞানার্জনের সুবিধা প্রদান করেছি; আবার মাননীয় শিক্ষকদের সুবিধার্থে এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষা প্রস্তুতি প্রদানের লক্ষ্যে আমাদের WBNOTES.IN ওয়েবসাইটের পক্ষ থেকে প্রদান করা হচ্ছে নরমাল ও প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন। আমাদের সাবস্ক্রীপশন পেজে আপনারা এই সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য পেয়ে যাবেন।






















