বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রশ্নের উত্তর Class 10 Geography
বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রশ্নের উত্তর Class 10 Geography এখানে WBNOTES.IN ওয়েবসাইটের পক্ষ থেকে দশম শ্রেণির মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের জন্য প্রদান করা হলো। মাধ্যমিক পরীক্ষা দিতে চলা দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা এই ভূগোল প্রশ্নের উত্তরগুলি তৈরি করে তাদের মাধ্যমিক ভূগোল পরীক্ষার প্রস্তুতি গ্রহণ করতে পারবে।
আমাদের ওয়েবসাইটের Class Note বিভাগে বিবিধ বিষয়ের প্রশ্নের উত্তর, Mock Test বিভাগে একাধিক বিষয়ের অসংখ্য মক টেস্ট, Suggestion বিভাগে অধ্যায়ভিত্তিক সাজেশন প্রদান করা হয়। আমাদের সকল আপডেট লাভ করতে নিয়মিত ভিজিট করো আমাদের ওয়েবসাইটটি।
বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রশ্নের উত্তর Class 10 Geography :
১. বহুবিকল্পভিত্তিক প্রশ্ন ও উত্তর (MCQ)
একটি জৈব ভঙ্গুর (Biodegradable) বর্জ্যের উদাহরণ হলো—
(ক) প্লাস্টিক ব্যাগ (খ) শাকসবজির খোসা (গ) কাচের বোতল (ঘ) ডিডিটি
উত্তর: (খ) শাকসবজির খোসা
একটি জৈব অভঙ্গুর (Non-biodegradable) বর্জ্যের উদাহরণ হলো—
(ক) ছেঁড়া কাগজ (খ) পলিমার বা প্লাস্টিক (গ) শুকনো পাতা (ঘ) তুলো
উত্তর: (খ) পলিমার বা প্লাস্টিক
একটি বিষাক্ত বা ক্ষতিকর বর্জ্য হলো—
(ক) কাঠের গুঁড়ো (খ) সিসা ও পারদ (গ) পচা ফল (ঘ) গোবর
উত্তর: (খ) সিসা ও পারদ
ই-বর্জ্য (E-waste) বা বৈদ্যুতিন বর্জ্যের একটি অন্যতম উৎস কোনটি?
(ক) ভাঙা মোবাইল ও মনিটর (খ) ধানের তুষ (গ) মাছের আঁশ (ঘ) ছাই
উত্তর: (ক) ভাঙা মোবাইল ও মনিটর
বর্জ্য কাগজ বা প্লাস্টিক প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে পুনরায় ব্যবহারোপযোগী করে তোলাকে বলে—
(ক) পুনর্ব্যবহার বা রিসাইক্লিং (Recycling) (খ) বর্জন (গ) ভরাটকরণ (ঘ) দহন
উত্তর: (ক) পুনর্ব্যবহার বা রিসাইক্লিং
কেঁচোর সাহায্যে জৈব বর্জ্যকে পচিয়ে উৎকৃষ্ট মানের সার তৈরির পদ্ধতিকে বলে—
(ক) ল্যান্ডফিল (খ) ভার্মিকম্পোস্টিং (গ) স্ক্রাবার (ঘ) ইনসিনারেটর
উত্তর: (খ) ভার্মিকম্পোস্টিং
কলকারখানার ধোঁয়া থেকে ক্ষতিকারক গ্যাসীয় ও কণা বর্জ্য দূর করতে ব্যবহৃত হয়—
(ক) স্ক্রাবার (খ) লিচেট (গ) কম্পোস্ট (ঘ) স্প্রেয়ার
উত্তর: (ক) স্ক্রাবার (Scrubber)
স্ক্রাবার প্রধানত কয় প্রকারের হয়ে থাকে?
(ক) দুই প্রকার (আর্দ্র ও শুষ্ক) (খ) তিন প্রকার (গ) চার প্রকার (ঘ) পাঁচ প্রকার
উত্তর: (ক) দুই প্রকার (আর্দ্র ও শুষ্ক)
ল্যান্ডফিল বা বর্জ্য ভরাটকরণ স্থান থেকে চুঁইয়ে পড়া বিষাক্ত তরলকে বলা হয়—
(ক) সিউয়েজ (খ) লিচেট (Leachate) (গ) কম্পোস্ট (ঘ) স্লাজ
উত্তর: (খ) লিচেট
গৃহস্থালি বা শহরের নর্দমার নোংরা তরল বর্জ্যকে কী বলে?
(ক) সিউয়েজ (Sewage) (খ) স্লাজ (গ) লিচেট (ঘ) ফ্ল্যাশ
উত্তর: (ক) সিউয়েজ
নর্দমার নোংরা জলের তলদেশে থিতিয়ে পড়া কঠিন কাদামাটিকে বলা হয়—
(ক) সিউয়েজ (খ) স্লাজ (Sludge) (গ) লিচেট (ঘ) ছাই
উত্তর: (খ) স্লাজ
উঁচু তাপমাত্রায় বর্জ্য পদার্থ পুড়িয়ে ছাই করে ফেলার বিশেষ চুল্লিকে কী বলে?
(ক) ইনসিনারেশন বা ইনসিনারেটর (খ) স্ক্রাবার (গ) সাইক্লোন সেপারেটর (ঘ) পাইরোলাইসিস
উত্তর: (ক) ইনসিনারেশন বা ইনসিনারেটর
তেজস্ক্রিয় বর্জ্যের প্রধান উৎস কোনটি?
(ক) তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র (খ) পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও গবেষণা কেন্দ্র (গ) বস্ত্রকল (ঘ) কাগজ কল
উত্তর: (খ) পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও গবেষণা কেন্দ্র
সবচেয়ে বিপজ্জনক ও দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতিকর বর্জ্য হলো—
(ক) গৃহস্থালি বর্জ্য (খ) কৃষিজাত বর্জ্য (গ) তেজস্ক্রিয় বর্জ্য (ঘ) বাণিজ্যিক বর্জ্য
উত্তর: (গ) তেজস্ক্রিয় বর্জ্য
শিল্পের বিষাক্ত গ্যাস শোষণ করার জন্য চিমনিতে ব্যবহৃত হয়—
(ক) আর্দ্র স্ক্রাবার (খ) ফিল্টার পেপার (গ) ইনসিনারেটর (ঘ) এয়ার কুলার
উত্তর: (ক) আর্দ্র স্ক্রাবার (Wet Scrubber)
পারদ দূষণের প্রভাবে মানুষের দেহে কোন মারাত্মক রোগ সৃষ্টি হয়?
(ক) ব্ল্যাকফুট (খ) মিনামাটা (গ) ইতাই-ইতাই (ঘ) ডিসলেক্সিয়া
উত্তর: (খ) মিনামাটা (Minamata)
ক্যাডমিয়াম দূষণের ফলে মানবদেহে কোন রোগটি দেখা দেয়?
(ক) ইতাই-ইতাই বা আউচ-আউচ (খ) মিনামাটা (গ) ফ্লুরোসিস (ঘ) অ্যানিমিয়া
উত্তর: (ক) ইতাই-ইতাই
আর্সেনিক মিশ্রিত বর্জ্য বা জলের প্রভাবে ত্বকে সৃষ্ট রোগ হলো—
(ক) ব্ল্যাকফুট ডিজিজ (খ) সিলিকোসিস (গ) অ্যাসবেসটোসিস (ঘ) মিনামাটা
উত্তর: (ক) ব্ল্যাকফুট ডিজিজ
‘ভাগীরথী-হুগলি নদী জল দূষণ নিয়ন্ত্রণ পরিকল্পনা’ বা গঙ্গা অ্যাকশন প্ল্যান (GAP) কত সালে গৃহীত হয়?
(ক) ১৯৮০ (খ) ১৯৮৫ (গ) ১৯৯০ (ঘ) ১৯৯৫
উত্তর: (খ) ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দে
বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ‘4R’ ধারণার প্রধান চারটি উপাদান হলো—
(ক) Reduce, Reuse, Recycle, Refuse (খ) Run, Read, Write, Repeat (গ) Remove, React, Redo, Reject (ঘ) Return, Regret, Repair, Reuse
উত্তর: (ক) Reduce, Reuse, Recycle, Refuse
কৃষিজাত বর্জ্যের একটি অন্যতম উদাহরণ হলো—
(ক) ইউরিয়া সারের বস্তা ও কীটনাশকের অবশিষ্ট (খ) ছেঁড়া ব্যাটারি (গ) সিরিঞ্জ (ঘ) ভাঙা টিউবলাইট
উত্তর: (ক) ইউরিয়া সারের বস্তা ও কীটনাশকের অবশিষ্ট
একটি ক্ষতিকর গ্যাসীয় বর্জ্য হলো—
(ক) অক্সিজেন (খ) সালফার ডাই-অক্সাইড ($SO_2$) (গ) আর্গন (ঘ) হিলিয়াম
উত্তর: (খ) সালফার ডাই-অক্সাইড
হাসপাতাল ও নার্সিংহোম থেকে নির্গত জীবাণুযুক্ত তুলো, ব্যান্ডেজ, রক্ত ও সিরিঞ্জকে বলে—
(ক) সংক্রামক বা জৈব-চিকিৎসা বর্জ্য (Biomedical Waste) (খ) নিষ্ক্রিয় বর্জ্য (গ) ই-বর্জ্য (ঘ) গৃহস্থালি বর্জ্য
উত্তর: (ক) সংক্রামক বা জৈব-চিকিৎসা বর্জ্য
বায়োগ্যাস বা জৈব গ্যাস উৎপাদনের প্রধান উৎস হলো—
(ক) চিকিৎসাজাত বর্জ্য (খ) উদ্ভিজ্জ ও প্রাণিজ বর্জ্য বা গোবর (গ) প্লাস্টিক বর্জ্য (ঘ) কাচ
উত্তর: (খ) উদ্ভিজ্জ ও প্রাণিজ বর্জ্য বা গোবর
ফ্লাই অ্যাশ (Fly Ash) প্রধানত কোন শিল্পক্ষেত্র থেকে বিপুল পরিমাণে নির্গত হয়?
(ক) কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র (খ) পেট্রোরসায়ন শিল্প (গ) পাটকল (ঘ) চা শিল্প
উত্তর: (ক) কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র
ফ্লাই অ্যাশ দিয়ে বর্তমানে কোন পণ্যটি তৈরি করা হচ্ছে?
(ক) ইট ও সিমেন্ট (খ) কাচ (গ) সার (ঘ) প্লাস্টিক
উত্তর: (ক) ইট ও সিমেন্ট
জীবাণু দ্বারা জৈব বর্জ্যের বিয়োজন ঘটিয়ে কম্পোস্ট তৈরির প্রক্রিয়াকে বলে—
(ক) কম্পোস্টিং (খ) ইনসিনারেশন (গ) লিচিং (ঘ) রিসাইক্লিং
উত্তর: (ক) কম্পোস্টিং
বর্জ্য পদার্থকে মাটির নিচে গর্ত করে চাপা দিয়ে সমতল করার পদ্ধতিকে বলে—
(ক) ল্যান্ডফিল বা ল্যান্ডফিলিং (খ) স্ক্রাবিং (গ) ডাম্পিং (ঘ) পিউরিফিকেশন
উত্তর: (ক) ল্যান্ডফিল বা ল্যান্ডফিলিং
যেসব বর্জ্য সহজেই মাটিতে জীবাণু দ্বারা পচে বা বিয়োজিত হয়ে মাটির সঙ্গে মিশে যায়, তাদের বলে—
(ক) জৈব বিশ্লেষ্য বা জৈব ভঙ্গুর বর্জ্য (খ) বিষাক্ত বর্জ্য (গ) অবিশ্লেষ্য বর্জ্য (ঘ) নিষ্ক্রিয় বর্জ্য
উত্তর: (ক) জৈব বিশ্লেষ্য বা জৈব ভঙ্গুর বর্জ্য
কলকাতার বৃহত্তম বর্জ্য ফেলার বা ডাম্পিং ক্ষেত্র কোনটি?
(ক) ধাপার মাঠ (খ) ময়দান (গ) নিউটাউন (ঘ) সল্টলেক
উত্তর: (ক) ধাপার মাঠ
@ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রশ্নের উত্তর – WBNOTES.IN
২. একটি বাক্যে উত্তরভিত্তিক প্রশ্ন (SAQ)
বর্জ্য পদার্থ (Waste Material) বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: মানবীয় বা প্রাকৃতিক কাজকর্মের ফলে সৃষ্ট যে সমস্ত অব্যবহৃত, অপ্রয়োজনীয় এবং পরিত্যক্ত কঠিন, তরল বা গ্যাসীয় পদার্থ পরিবেশে নিক্ষিপ্ত হয়, তাকে বর্জ্য বলে।
ই-বর্জ্য বা ইলেকট্রনিক বর্জ্য কাকে বলে?
উত্তর: বাতিল ও ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে যাওয়া কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, টিভি, ব্যাটারি ও সার্কিট প্রভৃতি বৈদ্যুতিন সামগ্রীকে ই-বর্জ্য বলে।
বায়োমেডিক্যাল বর্জ্য নিষ্কাশনের সবচেয়ে নিরাপদ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি কোনটি?
উত্তর: ইনসিনারেটরে উচ্চ তাপমাত্রায় পুড়িয়ে ছাই করে ফেলা।
জৈব ভঙ্গুর ও জৈব অভঙ্গুর বর্জ্যের মধ্যে একটি প্রধান পার্থক্য কী?
উত্তর: জৈব ভঙ্গুর বর্জ্য ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সহজে ভেঙে মাটিতে মিশে যায়, কিন্তু জৈব অভঙ্গুর বর্জ্য প্রাকৃতিকভাবে মাটিতে কখনোই বিনষ্ট বা বিয়োজিত হয় না।
কম্পোস্টিং পদ্ধতিতে উৎপন্ন পদার্থটিকে কী বলা হয়?
উত্তর: হিউমাস সমৃদ্ধ উৎকৃষ্ট জৈব সার বা কম্পোস্ট সার।
একটি তেজস্ক্রিয় মৌলের নাম লেখো যা থেকে মারাত্মক বর্জ্য সৃষ্টি হয়।
উত্তর: ইউরেনিয়াম (বা থোরিয়াম/প্লুটোনিয়াম)।
সিসা (Lead) ঘটিত দূষণের একটি ক্ষতিকর প্রভাব লেখো।
উত্তর: মানুষের মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং রক্তাল্পতা দেখা দেয়।
বর্জ্য পৃথকীকরণ (Waste Segregation) বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: পুনর্ব্যবহার ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার সুবিধার জন্য বর্জ্য ফেলার প্রাথমিক স্তরেই পচনশীল জৈব বর্জ্য এবং অপচনশীল ধাতব বা প্লাস্টিক বর্জ্যকে আলাদা পাত্রে রাখা।
সবুজ রঙের ডাস্টবিনে সাধারণত কোন ধরনের বর্জ্য ফেলা হয়?
উত্তর: পচনশীল জৈব ভঙ্গুর বর্জ্য (যেমন—শাকসবজির খোসা, খাবারের অবশিষ্টাংশ)।
নীল রঙের ডাস্টবিনে কোন ধরনের বর্জ্য ফেলা উচিত?
উত্তর: অপচনশীল ও পুনর্ব্যবহারযোগ্য শুষ্ক বর্জ্য (যেমন—প্লাস্টিক, কাচ, ধাতু)।
ইউট্রোফিকেশন (Eutrophication) কী?
উত্তর: কৃষিজমি থেকে ধুয়ে আসা অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ও ডিটারজেন্ট জলে মেশার ফলে শৈবালের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ঘটে জলে অক্সিজেনের ঘাটতি তৈরি হওয়ার ঘটনাকে ইউট্রোফিকেশন বলে।
গঙ্গা নদীকে বর্জ্যমুক্ত করতে বর্তমান ভারত সরকারের গৃহীত প্রধান প্রকল্পটির নাম কী?
উত্তর: ‘নমামি গঙ্গে’ (Namami Gange) প্রকল্প।
ভাগীরথী-হুগলি নদীর জলদূষণের একটি প্রধান কারণ কী?
উত্তর: নদীর দুই তীরে অবস্থিত পাটকল, চর্মশিল্প কারখানা এবং পৌরসভার অপরিশোধিত বিষাক্ত তরল বর্জ্য ও নর্দমার জল সরাসরি নদীতে ফেলা।
বর্জ্য হ্রাসের (Reduce) একটি সাধারণ বাস্তব উদাহরণ দাও।
উত্তর: একবার ব্যবহারযোগ্য (সিঙ্গেল ইউজ) প্লাস্টিক কাপ ও ক্যারিব্যাগ ব্যবহার বন্ধ করে পরিবেশবান্ধব চটের বা কাপড়ের ব্যাগ ব্যবহার করা।
ভার্মিকম্পোস্টিং তৈরিতে কোন প্রাণীটি মুখ্য ভূমিকা পালন করে?
উত্তর: কেঁচো (Earthworm)।
কোন গ্যাসটি ল্যান্ডফিল সাইট থেকে স্বাভাবিক পচনের ফলে প্রধানত নির্গত হয়?
উত্তর: মিথেন গ্যাস ($CH_4$)।
একটি তেজস্ক্রিয় চিকিৎসা বর্জ্যের উদাহরণ দাও।
উত্তর: ক্যানসার চিকিৎসায় ব্যবহৃত তেজস্ক্রিয় আইসোটোপযুক্ত সুচ, টিউব বা ড্রপ।
শিল্পজাত কঠিন বর্জ্যের একটি অন্যতম উদাহরণ দাও।
উত্তর: ধাতু গলানোর চুল্লির ধাতু-মল (Slag) বা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ফ্লাই অ্যাশ।
বর্জ্য পদার্থের আয়তন কমিয়ে ফেলার একটি আধুনিক প্রযুক্তির নাম লেখো।
উত্তর: কম্প্যাকশন (Compaction) বা পেলেটাইজেশন।
বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় শিক্ষার্থীদের প্রধান সামাজিক ভূমিকা কী হওয়া উচিত?
উত্তর: বিদ্যালয় ও এলাকায় পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, প্লাস্টিক বর্জন করা এবং জনসচেতনতা তৈরি করা।
@ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রশ্নের উত্তর – WBNOTES.IN
৩. সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যামূলক প্রশ্নোত্তর (মান: ২)
১. বর্জ্য ব্যবস্থাপনা (Waste Management) কাকে বলে?
উত্তর: পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধ এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষিত রাখার উদ্দেশ্যে বর্জ্য পদার্থের পরিমাণ হ্রাসকরণ, বর্জ্য সংগ্রহ ও সুশৃঙ্খল পরিবহন, বৈজ্ঞানিক উপায়ে পৃথকীকরণ, পুনর্ব্যবহার এবং চূড়ান্ত নিরাপদ নিষ্কাশনের সামগ্রিক ধারাবাহিক প্রক্রিয়াকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বলে।
২. জৈব ভঙ্গুর ও জৈব অভঙ্গুর বর্জ্য বলতে কী বোঝায়?
উত্তর:
জৈব ভঙ্গুর বর্জ্য: যে সমস্ত বর্জ্য পদার্থ প্রকৃতিতে থাকা ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক প্রভৃতি জীবাণু বা বিয়োজকের দ্বারা অতি দ্রুত ভেঙে গিয়ে সরল উপাদানে পরিণত হয়ে মাটির সঙ্গে মিশে যায় (যেমন—ফলমূল ও তরকারির খোসা, খড়, কাগজ)।
জৈব অভঙ্গুর বর্জ্য: যে সমস্ত বর্জ্য পদার্থ কোনো প্রাকৃতিক জীবাণু বা প্রক্রিয়ায় কখনোই বিনষ্ট হয় না এবং শত শত বছর পরিবেশে অবিকৃত অবস্থায় থেকে দূষণ ঘটায় (যেমন—প্লাস্টিক, কাচ, অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল)।
৩. ই-বর্জ্য বা ইলেকট্রনিক বর্জ্য (E-waste) কী?
উত্তর: তথ্যপ্রযুক্তি ও ইলেকট্রনিক্স সামগ্রীর দ্রুত পরিবর্তনের ফলে বাতিল হয়ে যাওয়া অপ্রয়োজনীয় কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, মাদারবোর্ড, টিভি, সিডি, ব্যাটারি প্রভৃতিকে ই-বর্জ্য বলে। এগুলিতে সিসা, পারদ, ক্যাডমিয়াম ও বেরিলিয়ামের মতো ক্ষতিকর ভারী ধাতু থাকে, যা মাটি ও জলের মারাত্মক দূষণ ঘটায়।
৪. ল্যান্ডফিল (Landfill) বা ভরাটকরণ পদ্ধতি কী?
উত্তর: শহরের লোকালয় থেকে দূরে কোনো নিচু বা অনাবাদি জমি নির্বাচন করে সেখানে স্তরে স্তরে সংগৃহীত কঠিন বর্জ্য পদার্থ ফেলে মাটির প্রলেপ দিয়ে চেপে চেপে ভরাট করে ফেলাকে ল্যান্ডফিল বলে। বর্জ্য সম্পূর্ণ ভরাট হয়ে গেলে ওপরের অংশ সুন্দর মাটি দিয়ে ঢেকে পার্ক বা খেলার মাঠ তৈরি করা হয় (যেমন—কলকাতার ধাপার মাঠ)।
৫. লিচেট (Leachate) কী এবং এটি কীভাবে ক্ষতি করে?
উত্তর: উন্মুক্ত ল্যান্ডফিল অঞ্চলে বৃষ্টির জল যখন আবর্জনার স্তূপের মধ্য দিয়ে নিচে চুঁইয়ে প্রবেশ করে, তখন বর্জ্যের বিষাক্ত রাসায়নিক ও জৈব উপাদান দ্রবীভূত হয়ে যে দুর্গন্ধযুক্ত বিষাক্ত তরল উৎপন্ন হয়, তাকে লিচেট বলে। এই লিচেট মাটির নিচে প্রবেশ করে ভূগর্ভস্থ পানীয় জল ও সংলগ্ন জলাশয়কে চরম মাত্রায় বিষাক্ত করে তোলে।
৬. কম্পোস্টিং (Composting) বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: প্রাকৃতিক আর্দ্র পরিবেশে ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাকের সহায়তায় পচনশীল কঠিন জৈব বর্জ্যকে (যেমন—রান্নাঘরের উচ্ছিষ্ট, গোবর, গাছের শুকনো পাতা) পচিয়ে পুষ্টিকর হিউমাসে সমৃদ্ধ জৈব সারে পরিণত করার বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়াকে কম্পোস্টিং বলে। এই প্রক্রিয়ায় রাসায়নিক সার ছাড়াই জমিতে পরিবেশবান্ধব জৈব সার তৈরি করা সম্ভব হয়।
৭. স্ক্রাবার (Scrubber) কী কাজে ব্যবহার করা হয়?
উত্তর: শিল্প-কারখানা ও বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চিমনি থেকে নির্গত ধোঁয়া পরিষ্কার করার বিশেষ যন্ত্র হলো স্ক্রাবার। এটি দু-রকমের হয়—
আর্দ্র স্ক্রাবার: জলের ফোয়ারা স্প্রে করে ধোঁয়ায় মিশে থাকা ক্ষতিকর দ্রাব্য গ্যাস (যেমন—সালফার ডাই-অক্সাইড) এবং ধূলিকণাকে ধুয়ে নিচে থিতিয়ে ফেলা হয়।
শুষ্ক স্ক্রাবার: শুষ্ক রাসায়নিক গুঁড়ো দিয়ে ক্ষতিকর অম্লীয় গ্যাসকে শোষণ করে নেওয়া হয়।
৮. ইনসিনারেশন (Incineration) বা দহন বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: হাসপাতালের ক্ষতিকারক সংক্রামক বর্জ্য এবং বিপজ্জনক শিল্প বর্জ্যকে বায়ুর উপস্থিতিতে বিশেষ এক চুল্লিতে প্রায় ৮০০° থেকে ১২০০° সেলসিয়াসের মতো চরম উচ্চ তাপমাত্রায় সম্পূর্ণ পুড়িয়ে ছাই ও গ্যাসে পরিণত করার প্রক্রিয়াকে ইনসিনারেশন বলে। এতে বর্জ্যের আয়তন প্রায় ৯০% হ্রাস পায় এবং সমস্ত জীবাণু ধ্বংস হয়ে যায়।
৯. বর্জ্যের ‘পুনর্ব্যবহার’ (Recycling) বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: একবার ব্যবহৃত হয়ে যাওয়া কোনো বর্জ্য সামগ্রীকে সম্পূর্ণ ফেলে না দিয়ে যান্ত্রিক ও রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় প্রক্রিয়াজাত করে পুনরায় কোনো নতুন কার্যকরী পণ্য তৈরি করাকে পুনর্ব্যবহার বা রিসাইক্লিং বলে। যেমন—পুরোনো ছেঁড়া কাগজ গলিয়ে নতুন বোর্ড বা খবরের কাগজ তৈরি করা, অথবা ভাঙা কাচ গলিয়ে নতুন কাচের শিশি তৈরি।
১০. ইউট্রোফিকেশন (Eutrophication) কীভাবে জলজ বাস্তুতন্ত্রের ক্ষতি করে?
উত্তর: কৃষিক্ষেত্রে ব্যবহৃত অতিরিক্ত রাসায়নিক সার (নাইট্রেট ও ফসফেট) বৃষ্টির জলে ধুয়ে জলাশয়ে পড়লে শৈবালের অতিরিক্ত বৃদ্ধি ঘটে (Algal Bloom)। এই শৈবাল পচে যাওয়ার সময় জলের অধিকাংশ দ্রবীভূত অক্সিজেন ($DO$) শোষণ করে নেয়। ফলে জলে অক্সিজেনের চরম ঘাটতি তৈরি হয়ে মাছ ও অন্যান্য জলজ প্রাণীর ব্যাপক মড়ক দেখা দেয়।
১১. তেজস্ক্রিয় বর্জ্য (Radioactive Waste) বিপজ্জনক কেন?
উত্তর: পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও গবেষণা কেন্দ্র থেকে নির্গত ইউরেনিয়াম, প্লুটোনিয়াম প্রভৃতি বর্জ্য পদার্থ থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে আলফা, বিটা ও গামা রশ্মির মতো মারাত্মক শক্তিশালী তেজস্ক্রিয় রশ্মি দীর্ঘকাল ধরে নির্গত হতে থাকে। এই রশ্মি মানবদেহে প্রবেশ করলে জিনগত পরিব্যক্তি (Mutation), ক্যানসার, শারীরিক বিকলাঙ্গতা এবং লিউকেমিয়ার মতো প্রাণঘাতী রোগের সৃষ্টি করে।
১২. স্লাজ (Sludge) কী এবং এর ব্যবহার লেখো।
উত্তর: শহর বা কারখানার নর্দমার নোংরা তরল বর্জ্যকে যখন শোধন কেন্দ্রে (Sewage Treatment Plant) ফিল্টার করা হয়, তখন তলায় যে ভারী কাদা ও জৈব তলানি থিতিয়ে পড়ে, তাকে স্লাজ বলে। এই স্লাজকে শুকিয়ে জীবাণুমুক্ত করে চাষের জমিতে সার হিসেবে এবং জৈব মিথেন গ্যাস তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।
১৩. বর্জ্য হ্রাসের ক্ষেত্রে ‘পুনর্ব্যবহার’ (Reuse) ও ‘রিসাইক্লিং’ (Recycle)-এর মধ্যে পার্থক্য কী?
উত্তর:
রি-ইউজ (Reuse): কোনো বর্জ্য বা জিনিসকে কোনো প্রক্রিয়াকরণ ছাড়াই সরাসরি পুনরায় অন্য কোনো কাজে ব্যবহার করা (যেমন—একটি প্লাস্টিকের মিষ্টির খালি কৌটোয় নুন রাখা)।
রিসাইক্লিং (Recycle): বর্জ্য পদার্থটির মূল রূপ কারখানায় গলিয়ে বা পরিবর্তন করে একটি নতুন পণ্য তৈরি করা (যেমন—পুরোনো প্লাস্টিক গলিয়ে নতুন বালতি তৈরি)।
১৪. ফ্লাই অ্যাশ (Fly Ash) কীভাবে পরিবেশ দূষণ ঘটায়?
উত্তর: তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে কয়লা পোড়ানোর পর নির্গত অতি সূক্ষ্ম পাউডারের মতো ছাইকে ফ্লাই অ্যাশ বলে। এটি বাতাসে ভেসে শ্বাসকষ্ট ও ফুসফুসে সিলিকোসিস রোগ তৈরি করে, গাছের পাতার ওপর জমে সালোকসংশ্লেষ বন্ধ করে দেয় এবং জলাশয়ে থিতিয়ে জলকে ক্ষারীয় করে তোলে।
১৫. কৃষিজাত বর্জ্যের দুটি ক্ষতিকর প্রভাব লেখো।
উত্তর:
জমিতে ব্যবহৃত অতিরিক্ত নাইট্রোজেন ও ফসফেট সার জল নিষ্কাশন নালার মাধ্যমে সংলগ্ন নদী ও পুকুরে মিশে মারাত্মক ইউট্রোফিকেশন সৃষ্টি করে।
ধান বা গমের শুকনো গোড়া বা নাড়া (Stubble burning) মাঠে প্রকাশ্যে পোড়ানোর ফলে নির্গত ধোঁয়া ও কার্বন মনোক্সাইডে শীতকালে দিল্লি ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে তীব্র বিষাক্ত ধোঁয়াশা (Smog) তৈরি হয়।
@ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রশ্নের উত্তর – WBNOTES.IN
৪. সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যামূলক প্রশ্নোত্তর (মান: ৩)
প্রশ্ন ১: বর্জ্যের 3R বা 4R পদ্ধতি সংক্ষেপে আলোচনা করো।
উত্তর:
পরিবেশ দূষণ রোধে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় যে চারটি বৈজ্ঞানিক ও টেকসই নীতি অনুসরণ করা হয়, তাকে ‘4R’ সূত্র বলে:
১. বর্জ্য হ্রাস (Reduce): বর্জ্য ব্যবস্থাপনার প্রথম শর্ত হলো উৎসমুখেই বর্জ্যের উৎপাদন কমানো। প্রয়োজন ছাড়া জিনিস না কেনা এবং একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক দ্রব্য পরিহার করার মাধ্যমে বর্জ্যের সামগ্রিক পরিমাণ কমিয়ে আনা।
২. পুনর্ব্যবহার (Reuse): কোনো জিনিসকে একবার ব্যবহার করেই আবর্জনা হিসেবে ফেলে না দিয়ে তাকে একাধিকবার ব্যবহার করা। যেমন—কাচের বোতল, খালি ড্রাম বা টিন ধুয়ে পুনরায় ব্যবহার করা।
৩. প্রক্রিয়াকরণ বা পুনঃচক্রায়ন (Recycle): বাতিল লোহা, অ্যালুমিনিয়াম, প্লাস্টিক বা কাগজ কারখানায় গলিয়ে পুনরায় নতুন ব্যবহারযোগ্য সামগ্রী তৈরি করা, যার ফলে কাঁচামাল ও শক্তির সাশ্রয় হয়।
৪. বর্জন বা প্রত্যাখ্যান (Refuse): পরিবেশের পক্ষে ক্ষতিকর কোনো পণ্য (যেমন—থার্মোকল, পলিব্যাগ বা ক্ষতিকারক রাসায়নিকযুক্ত সামগ্রী) গ্রহণ করতে সচেতনভাবে অস্বীকার বা প্রত্যাখ্যান করা।
প্রশ্ন ২: জৈব ভঙ্গুর ও জৈব অভঙ্গুর বর্জ্যের মধ্যে তিনটি প্রধান পার্থক্য লেখো।
উত্তর:
| তুলনার বিষয় | জৈব ভঙ্গুর বর্জ্য (Biodegradable) | জৈব অভঙ্গুর বর্জ্য (Non-biodegradable) |
| ১. বিয়োজন বা পচন | ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক দ্বারা সহজেই বিয়োজিত হয়ে মাটির সঙ্গে মিশে যায়। | কোনো প্রাকৃতিক অনুজীব দ্বারা কখনোই বিয়োজিত হয় না; শত শত বছর অবিকৃত থাকে। |
| ২. উৎস | মূলত কৃষিজাত, গৃহস্থালির রান্নাঘরের উচ্ছিষ্ট, উদ্ভিজ্জ ও প্রাণিজ অংশ। | মূলত রাসায়নিক কারখানা, কৃত্রিম পলিমার শিল্প, কাচ ও মেটালিক সামগ্রী। |
| ৩. পরিবেশের ওপর প্রভাব | সাময়িক দুর্গন্ধ ছাড়া মাটির কোনো দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি করে না; বরং মাটিতে হিউমাস বাড়ায়। | মাটির জলধারণ ক্ষমতা নষ্ট করে, নর্দমা অবরুদ্ধ করে এবং বিষাক্ত কণা ছড়িয়ে চরম ক্ষতি করে। |
প্রশ্ন ৩: পরিবেশের ওপর বিভিন্ন ধরনের বর্জ্যের ক্ষতিকর প্রভাব সংক্ষেপে আলোচনা করো।
উত্তর:
অপরিকল্পিতভাবে স্তূপীকৃত বর্জ্য পরিবেশের ওপর বহুমুখী বিপর্যয় ডেকে আনে:
জল ও মৃত্তিকা দূষণ: শিল্প ও ল্যান্ডফিলের লিচেট ভূগর্ভস্থ জলে প্রবেশ করে জলকে বিষাক্ত করে এবং মাটিতে থাকা উপকারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে মাটির উর্বরতা শক্তি চিরতরে বিনষ্ট করে।
বায়ু দূষণ ও রোগবিস্তার: খোলা জায়গায় আবর্জনার স্তূপে পচন ঘটলে হাইড্রোজেন সালফাইড, মিথেন ও অ্যামোনিয়ার মতো তীব্র দুর্গন্ধযুক্ত বিষাক্ত গ্যাস বাতাসে ছড়ায়। এছাড়া মাছি, মশা ও ইঁদুরের বংশবৃদ্ধি ঘটিয়ে কলেরা, ডেঙ্গু, টাইফয়েডের মতো মহামারীর জন্ম দেয়।
নিকাশি ব্যবস্থা অবরুদ্ধ হওয়া: অপচনশীল প্লাস্টিক, পলিথিন ও থার্মোকল শহরের নর্দমায় আটকে স্বাভাবিক জলনিকাশি রুদ্ধ করে দেয়, যার ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই মুম্বই ও কলকাতার মতো মেট্রো শহরগুলিতে তীব্র কৃত্রিম জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।
প্রশ্ন ৪: বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় শিক্ষার্থীদের তিনটি প্রধান ভূমিকা লেখো।
উত্তর:
ভবিষ্যতের নাগরিক হিসেবে বর্জ্য নিয়ন্ত্রণে শিক্ষার্থীরা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে:
শ্রেণিকক্ষ ও বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ পরিষ্কার রাখা: বিদ্যালয় চত্বরে পেন্সিলের কুচো, কাগজের টুকরো বা টিফিনের উচ্ছিষ্ট যেখানে-সেখানে না ফেলে যথাস্থানে ফেলা এবং পচনশীল ও অপচনশীল বর্জ্যের জন্য দুটি আলাদা ডাস্টবিন ব্যবহারে অভ্যস্ত হওয়া।
প্লাস্টিক ব্যবহারে রাশ টানা: বিদ্যালয়ে থার্মোকল বা প্লাস্টিকের তৈরি পেন, ওয়ান-টাইম জলের বোতল ও প্লাস্টিক টিফিনবক্স ব্যবহার বন্ধ করে ধাতব বা কাচের পাত্র ও কাপড়ের ব্যাগ ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়া।
পারিবারিক ও সামাজিক সচেতনতা প্রচার: বাড়িতে বাবা-মা ও প্রতিবেশীদের বর্জ্য পৃথকীকরণ শেখানো, রান্নাঘরের উচ্ছিষ্ট দিয়ে বাড়ির বাগানে ছোট কম্পোস্ট গর্ত তৈরি করতে উৎসাহিত করা এবং এলাকায় বৃক্ষরোপণ অভিযান চালানো।
প্রশ্ন ৫: ভাগীরথী-হুগলি নদীর ওপর বর্জ্যের প্রভাব সংক্ষেপে আলোচনা করো।
উত্তর:
পশ্চিমবঙ্গের জীবনরেখা ভাগীরথী-হুগলি নদী তীব্র বর্জ্য দূষণের কবলে পড়েছে:
শিল্পবর্জ্যের বিষক্রিয়া: হুগলি নদীর উভয় তীরের শিল্পাঞ্চলের (চর্ম কারখানা, কাগজ কল, রাসায়নিক কারখানা ও বস্ত্রশিল্প) অপরিশোধিত বিষাক্ত রাসায়নিক, ক্ষার ও ভারী ধাতু সরাসরি নদীতে পড়ায় জলের অম্লতা পরিবর্তিত হচ্ছে।
নাব্যতা হ্রাস ও বন্যা: দুই তীরের বহু পৌরসভা ও কলকাতার লক্ষ লক্ষ মেট্রিক টন কঠিন আবর্জনা ও পলি নিয়মিত নদীতে নিক্ষিপ্ত হয়ে নদীগর্ভ ভরাট করে দিচ্ছে। ফলে নদীর গভীরতা ও নাব্যতা কমে গিয়ে জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে এবং বর্ষাকালে নিয়মিত বন্যার প্রবণতা বাড়ছে।
জলজ বাস্তুতন্ত্রের অবলুপ্তি: দূষিত জলের কারণে নদীতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের মাত্রা আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়ায় বিখ্যাত ইলিশ মাছের স্বাভাবিক পরিযাণ ব্যাহত হচ্ছে এবং গঙ্গার শুশুক (Dolphin) সহ অসংখ্য জলজ প্রাণীর অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে।
@ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রশ্নের উত্তর – WBNOTES.IN
৫. বিশ্লেষণধর্মী/রচনাধর্মী প্রশ্নোত্তর (মান: ৫)
প্রশ্ন ১: বর্জ্য ব্যবস্থাপনার প্রধান পদ্ধতিগুলি (কঠিন, তরল ও গ্যাসীয়) বিস্তারিত আলোচনা করো। (৫)
উত্তর:
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণের স্বার্থে কঠিন, তরল ও গ্যাসীয় বর্জ্যকে পৃথক পৃথক বৈজ্ঞানিক উপায়ে প্রক্রিয়াকরণ করা আবশ্যক। প্রধান পদ্ধতিগুলি নিচে আলোচনা করা হলো:
১. কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পদ্ধতিসমূহ:
ভরাটকরণ বা ল্যান্ডফিল (Landfill): শহরের দূরবর্তী কোনো নিচু পতিত জমিতে স্তরে স্তরে সংগৃহীত কঠিন আবর্জনা ফেলে ভারী রোলার দিয়ে চেপে মাটির আস্তরণ দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়। এই প্রক্রিয়ায় মিথেন গ্যাস সংগৃহীত হতে পারে এবং ল্যান্ডফিলটি পূর্ণ হলে ওপরে উদ্যান বা খেলার মাঠ তৈরি করা যায়।
কম্পোস্টিং (Composting): শাকসবজির খোসা, ফলমূল ও উদ্ভিজ্জ জৈব বর্জ্যকে গর্তে স্তূপ করে আর্দ্র পরিবেশে ব্যাকটেরিয়ার সাহায্যে পচিয়ে উৎকৃষ্ট হিউমাস সমৃদ্ধ ‘কম্পোস্ট জৈব সার’ তৈরি করা হয়। কেঁচোর সাহায্যে এই কাজ করলে তাকে ‘ভার্মিকম্পোস্টিং’ বলে।
পুনর্ব্যবহার বা রিসাইক্লিং (Recycling): অপ্রয়োজনীয় কাগজ, লোহা, কাচ ও প্লাস্টিক বর্জ্য কারখানায় নিয়ে গিয়ে উপযুক্ত প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে নতুন জিনিসপত্র তৈরি করা হয়।
দহন বা ইনসিনারেশন (Incineration): বিপজ্জনক সংক্রামক হাসপাতাল বর্জ্যকে ইনসিনারেটর চুল্লিতে ৮০০°–১২০০°C উচ্চ তাপমাত্রায় সম্পূর্ণ ভস্মীভূত করা হয়।
২. তরল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পদ্ধতি:
সিউয়েজ শোধন বা পরিশোধন কেন্দ্র (STP): শিল্প ও নগরের নর্দমার দূষিত জলকে সরাসরি নদীতে না ফেলে শোধন কেন্দ্রে পাঠানো হয়। সেখানে প্রথম স্তরে ছাঁকনির মাধ্যমে ভাসমান ময়লা আটকানো হয়, দ্বিতীয় স্তরে রাসায়নিক দিয়ে ক্ষতিকর উপাদান থিতিয়ে স্লাজ আলাদা করা হয় এবং তৃতীয় স্তরে ক্লোরিনেশনের মাধ্যমে জীবাণুমুক্ত করে জলকে পুনরায় সেচের কাজে বা নদীতে নির্গমন করা হয়।
৩. গ্যাসীয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পদ্ধতি:
স্ক্রাবার (Scrubber) যন্ত্রের ব্যবহার: কারখানার চিমনিতে আর্দ্র বা শুষ্ক স্ক্রাবার বসিয়ে নির্গত বিষাক্ত সালফার ডাই-অক্সাইড, নাইট্রোজেন অক্সাইড গ্যাস ও ধূলিকণা জল স্প্রে করে বা শোষক দিয়ে ধুয়ে আলাদা করা হয়।
ইলেকট্রোস্ট্যাটিক প্রিসিপিটেটর (ESP): তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বৈদ্যুতিক আধানের সাহায্যে নির্গত ধোঁয়া থেকে প্রায় ৯৯% ফ্লাই অ্যাশ ও ধূলিকণা টেনে ধরে বাতাসে পরিষ্কার গ্যাস ছাড়া হয়।
[বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ত্রিস্তরীয় রূপ]
|
+--------------------------------------+--------------------------------------+
| | |
[কঠিন বর্জ্য] [তরল বর্জ্য] [গ্যাসীয় বর্জ্য]
| | |
- ল্যান্ডফিলিং - নর্দমার ফিল্টারিং - আর্দ্র/শুষ্ক স্ক্রাবার
- কম্পোস্টিং (সার তৈরি) - প্রাথমিক ও গৌণ শোধন - ইলেক্ট্রোস্ট্যাটিক
- ইনসিনারেশন (দহন) - ক্লোরিনেশন দ্বারা বিশুদ্ধিকরণ প্রিসিপিটেটর (ESP)
- 4R প্রক্রিয়াকরণ
প্রশ্ন ২: গঙ্গা বা ভাগীরথী-হুগলি নদীর জলদূষণের কারণসমূহ এবং দূষণ রোধে গৃহীত প্রধান পদক্ষেপগুলি আলোচনা করো। (৩ + ২)
উত্তর:
ক. ভাগীরথী-হুগলি নদীর দূষণের প্রধান কারণসমূহ (মান: ৩):
উত্তরাখণ্ডের গঙ্গোত্রী থেকে শুরু হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতনের পথ পর্যন্ত গঙ্গা নদী বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের ভাগীরথী-হুগলি মোহনা অঞ্চলে তীব্র দূষণের শিকার হয়েছে:
১. অপরিশোধিত শিল্পবর্জ্য: নদীর দুই তীরের শিল্প বলয়ে অবস্থিত চামড়া শিল্প (ট্যানারি), কাগজ ও মণ্ড কারখানা, পাটকল, টেক্সটাইল এবং রাসায়নিক কারখানাগুলি থেকে প্রতিদিন কোটি কোটি গ্যালন পারদ, সায়ানাইড, ক্রোমিয়াম ও অ্যাসিডযুক্ত বিষাক্ত তরল বর্জ্য সরাসরি নদীতে ফেলা হয়।
২. পৌরসভার বর্জ্য ও নর্দমার জল: কলকাতা, হাওড়া, চন্দননগর, ভাটপাড়া প্রভৃতি ঘনবসতিপূর্ণ পৌরসভার লক্ষ লক্ষ মানুষের গৃহস্থালির উচ্ছিষ্ট, মলমূত্র, সাবান ও ফিনাইল মিশ্রিত নর্দমার নোংরা জল কোনো প্রাথমিক পরিশোধন ছাড়াই দিনরাত গঙ্গার জলে নিক্ষিপ্ত হচ্ছে।
৩. ধর্মীয় ও সামাজিক কুসংস্কার: মৃতদেহের ছাই বা আধপোড়া শবদেহ ভাসিয়ে দেওয়া, গবাদিপশু স্নান করানো এবং হাজার হাজার দেবদেবীর প্রতিমা ও রাসায়নিক রং-মাখানো কাঠামো বিসর্জনের ফলে জলের ভারী ধাতুর পরিমাণ বিপদসীমা ছাড়িয়ে গেছে।
৪. কৃষি রাসায়নিকের প্রবাহ: সংলগ্ন অববাহিকার কৃষিজমিতে ব্যবহৃত ডিডিটি, কীটনাশক ও রাসায়নিক সার বৃষ্টির জলে ধুয়ে নদীতে মিশে জলকে দূষিত করছে।
খ. দূষণ রোধে গৃহীত প্রধান পদক্ষেপসমূহ (মান: ২):
গঙ্গার ঐতিহ্য ও পবিত্রতা ফিরিয়ে আনতে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকার বিভিন্ন কার্যকর পরিকল্পনা রূপায়ণ করেছে:
১. নমামি গঙ্গে (Namami Gange) প্রকল্প: ২০১৪ সালে কেন্দ্রীয় সরকার প্রায় ২০,০০০ কোটি টাকা ব্যয়ে এই সুসংহত প্রকল্প চালু করে। এর অধীনে গঙ্গার তীরবর্তী শহরগুলিতে ১০০টিরও বেশি আধুনিক সিউয়েজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (STP) গড়ে তোলা হচ্ছে যাতে বর্জ্য জল নদীতে পড়ার আগেই পুরোপুরি পরিশোধিত হয়।
২. কঠিন বর্জ্য প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা ও নজরদারি: গঙ্গার ঘাটে বর্জ্য ফেলা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নদীর ভাসমান আবর্জনা পরিষ্কারের জন্য ট্র্যাশ স্কিমার বোট (Trash Skimmer) নামানো হয়েছে এবং প্রতিমা বিসর্জনের ক্ষেত্রে কৃত্রিম জলাশয়ের বিধান চালু করা হয়েছে।
৩. তীরবর্তী বনসৃজন ও জৈব শৌচালয় নির্মাণ: নদীর দুই পাড়ের ভাঙন রুখতে এবং ভূগর্ভস্থ দূষিত জল পরিস্রুত করতে ব্যপক বনসৃজন করা হয়েছে। পাশাপাশি গঙ্গার তীরবর্তী শত শত গ্রামকে ‘উন্মুক্ত শৌচমুক্ত’ (ODF) ঘোষণা করে প্রতিটি পরিবারে জৈব শৌচাগার নির্মাণ নিশ্চিত করা হয়েছে।
উপসংহার:
কেবল সরকারি পদক্ষেপ বা আইন প্রয়োগ করে ভাগীরথী-হুগলি নদীকে দূষণমুক্ত রাখা সম্ভব নয়; নদীর তীরবর্তী সাধারণ নাগরিক, কলকারখানার মালিক এবং পুণ্যার্থীদের মধ্যে স্বতঃস্ফূর্ত পরিবেশ সচেতনতা ও দায়িত্ববোধ গড়ে তোলাই নদীটির পুনরুজ্জীবনের আসল চাবিকাঠি।
PDF DOWNLOAD LINK (Preview Copy)
বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রশ্নের উত্তর – উপরের ফাইলটিতে অল্প কিছু প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয়েছে। নিম্নের PDF ফাইলটিতে এই অধ্যায়ের সমস্ত MCQ, SAQ , ২ নম্বরের প্রশ্ন, ৩ নম্বরের প্রশ্ন, ৫ নম্বরের প্রশ্ন উত্তরসহ শুধুমাত্র আমাদের Subscribers -দের জন্য প্রদান করা হলো। দশম শ্রেণির বাংলা, ইংরাজি, ইতিহাস, ভূগোল বিষয়ের সাবস্ক্রিপশন নিতে যোগাযোগ করুন আমাদের সাথেঃ What’s App: 7001880232
১) মাধ্যমিক ভূগোল চতুর্থ অধ্যায় – বর্জ্য ব্যবস্থাপনা (Only for Subscribers)
Click here to view pdf file
সকল শ্রেণির বাংলা অধ্যায় ভিত্তিক প্রশ্নের উত্তর দেখতে নিম্নের ছবিতে ক্লিক/টাচ করতে হবে
আমাদের কথাঃ পশ্চিমবঙ্গ মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদ ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সকল শিক্ষার্থীদের অনলাইন পড়াশোনায় সহায়তা প্রদান করাই আমাদের লক্ষ্য।
পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বাংলা, ইংরেজি, ইতিহাস, ভূগোল, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, শিক্ষাবিজ্ঞান, দর্শন, সংস্কৃত প্রভৃতি বিষয়ে অনলাইন সহায়তা প্রদান করা হবে। @ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রশ্নের উত্তর – WBNOTES.IN
ভালো করে পড়াশোনা করা কেবল পরীক্ষায় ভালো নম্বর পাওয়ার মাধ্যম নয়, বরং এটি একজন মানুষের সামগ্রিক জীবন গঠনের মূল ভিত্তি। সঠিক শিক্ষা মানুষের চিন্তাভাবনাকে উন্নত করে এবং ব্যক্তিত্বকে বিকশিত করে।
জ্ঞান ও দক্ষতার বিকাশ গভীর মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করলে যেকোনো বিষয়ের মূল ধারণা পরিষ্কার হয়। এটি বাস্তব জীবনে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং জটিল সমস্যার সমাধান করার দক্ষতা তৈরি করে।
উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও আত্মনির্ভরশীলতা বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক যুগে ভালো ক্যারিয়ার গঠনের জন্য উপযুক্ত শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। ভালো পড়াশোনা ভালো কাজের সুযোগ তৈরি করে, যা একজন ব্যক্তিকে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী ও আত্মবিশ্বাসী করে তোলে। @ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রশ্নের উত্তর – WBNOTES.IN
নৈতিকতা ও সামাজিক সচেতনতা প্রকৃত শিক্ষা মানুষের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ, সহমর্মিতা এবং দায়িত্ববোধ জাগ্রত করে। একজন সুশিক্ষিত মানুষ নিজের অধিকারের পাশাপাশি অন্যের প্রতি কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন থাকেন, যা একটি সুস্থ ও সুন্দর সমাজ গঠনে সহায়ক।
পড়াশোনাকে শুধু মুখস্থবিদ্যার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে তা ভালোভাবে উপলব্ধি করে শেখা উচিত। নিয়মিত ও পরিকল্পিত অধ্যবসায় একজন সাধারণ শিক্ষার্থীকেও অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিতে পারে। তাই সফল, সচেতন ও মার্জিত মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার জন্য ভালো করে পড়াশোনা করা অত্যন্ত জরুরি।
আমরা প্রতিনিয়ত আমাদের WBNOTES.IN ওয়েবসাইটে শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন নতুন আলোচনা প্রদান করবার প্রচেষ্টা করে চলেছি। সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের প্রতি অনুরোধ- আপনারা আপনাদের পরিচিতদের সাথে আমাদের WBNOTES.IN ওয়েবসাইটটিকে শেয়ার করবেন। @ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রশ্নের উত্তর – WBNOTES.IN
আমাদের লক্ষ্যঃ পশ্চিমবঙ্গের সকল শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের কাছে সহজবোধ্য ভাষায় বিবিধ বিষয়ের একটি সুসংগঠিত অনলাইন শিক্ষা পরিষেবা পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য। আর্থিকভাবে অনগ্রসর শিক্ষার্থীদের জন্য আমরা যেমন বিনামূল্যে জ্ঞানার্জনের সুবিধা প্রদান করেছি; আবার মাননীয় শিক্ষকদের সুবিধার্থে এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষা প্রস্তুতি প্রদানের লক্ষ্যে আমাদের WBNOTES.IN ওয়েবসাইটের পক্ষ থেকে প্রদান করা হচ্ছে নরমাল ও প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন। আমাদের সাবস্ক্রীপশন পেজে আপনারা এই সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য পেয়ে যাবেন।





















