barimondol-question-answers-class-10-geography

বারিমন্ডল প্রশ্নের উত্তর Class 10 Geography

বারিমন্ডল প্রশ্নের উত্তর Class 10 Geography এখানে WBNOTES.IN ওয়েবসাইটের পক্ষ থেকে দশম শ্রেণির মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের জন্য প্রদান করা হলো। মাধ্যমিক পরীক্ষা দিতে চলা দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা এই ভূগোল প্রশ্নের উত্তরগুলি তৈরি করে তাদের মাধ্যমিক ভূগোল পরীক্ষার প্রস্তুতি গ্রহণ করতে পারবে।

আমাদের ওয়েবসাইটের Class Note বিভাগে বিবিধ বিষয়ের প্রশ্নের উত্তর, Mock Test বিভাগে একাধিক বিষয়ের অসংখ্য মক টেস্ট, Suggestion বিভাগে অধ্যায়ভিত্তিক সাজেশন প্রদান করা হয়। আমাদের সকল আপডেট লাভ করতে নিয়মিত ভিজিট করো আমাদের ওয়েবসাইটটি। 

বারিমন্ডল প্রশ্নের উত্তর Class 10 Geography : 

 

১. বহুবিকল্পভিত্তিক প্রশ্ন ও উত্তর (MCQ) 

  1. সমুদ্রপৃষ্ঠে সমুদ্রজলের নিয়মিত ও অনুভূমিক প্রবাহকে বলে—

    (ক) সমুদ্রতরঙ্গ (খ) সমুদ্রস্রোত (গ) জোয়ার-ভাটা (ঘ) সুনামি

    উত্তর: (খ) সমুদ্রস্রোত

  2. সমুদ্রস্রোত সৃষ্টির প্রধান ও মূল চালিকাশক্তি কোনটি?

    (ক) পৃথিবীর আবর্তন গতি (খ) নিয়ত বায়ুপ্রবাহ (গ) সমুদ্রজলের উষ্ণতা (ঘ) বরফ গলন

    উত্তর: (খ) নিয়ত বায়ুপ্রবাহ

  3. সমুদ্রের বহিঃস্রোত কোন জলের ধারা দিয়ে গঠিত হয়?

    (ক) উষ্ণ ও হালকা জল (খ) শীতল ও ভারী জল (গ) অত্যধিক লবণাক্ত জল (ঘ) বরফমিশ্রিত জল

    উত্তর: (ক) উষ্ণ ও হালকা জল

  4. সমুদ্রের অন্তঃস্রোত কোন জলের ধারা দিয়ে গঠিত হয়?

    (ক) উষ্ণ জল (খ) শীতল ও ঘন জল (গ) অগভীর জল (ঘ) হালকা জল

    উত্তর: (খ) শীতল ও ঘন জল

  5. ফেরেলের সূত্রানুসারে সমুদ্রস্রোত উত্তর গোলার্ধে বেঁকে যায়—

    (ক) বামদিকে (খ) ডানদিকে (গ) সোজা পথে (ঘ) কোনোটিই নয়

    উত্তর: (খ) ডানদিকে

  6. উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোতের (Gulf Stream) উৎপত্তিস্থল হলো—

    (ক) মেক্সিকো উপসাগর (খ) গিনি উপসাগর (গ) পারস্য উপসাগর (ঘ) এডেন উপসাগর

    উত্তর: (ক) মেক্সিকো উপসাগর

  7. শীতল ল্যাব্রাডর স্রোত ও উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোতের মিলনস্থল হলো—

    (ক) নিউফাউন্ডল্যান্ড উপকূল (খ) ফকল্যান্ড দ্বীপ (গ) ক্যালিফোর্নিয়া উপকূল (ঘ) মাদাগাস্কার উপকূল

    উত্তর: (ক) নিউফাউন্ডল্যান্ড উপকূল

  8. সারগাসো সাগর বা শৈবাল সাগর (Sargasso Sea) দেখা যায় কোন মহাসাগরে?

    (ক) প্রশান্ত মহাসাগরে (খ) ভারত মহাসাগরে (গ) আটলান্টিক মহাসাগরে (ঘ) সুমেরু মহাসাগরে

    উত্তর: (গ) উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে

  9. কোন জলজ শৈবালের নামানুসারে ‘শৈবাল সাগর’-এর নামকরণ হয়েছে?

    (ক) স্পাইরোগাইরা (খ) সারগাসাম (Sargassum) (গ) নস্টক (ঘ) ডায়াটম

    উত্তর: (খ) সারগাসাম

  10. পৃথিবীর সর্বাপেক্ষা বিখ্যাত মগ্নচড়া কোনটি?

    (ক) ডগার্স ব্যাংক (খ) গ্র্যান্ড ব্যাংক (গ) রকফল ব্যাংক (ঘ) সেবল ব্যাংক

    উত্তর: (খ) গ্র্যান্ড ব্যাংক

  11. পেরু বা হামবোল্ট স্রোত কোন মহাসাগরে প্রবাহিত হয়?

    (ক) দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে (খ) উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরে (গ) ভারত মহাসাগরে (ঘ) আটলান্টিক মহাসাগরে

    উত্তর: (ক) দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে

  12. উষ্ণ কুরোশিও বা জাপান স্রোত প্রবাহিত হয় কোন মহাসাগরে?

    (ক) ভারত মহাসাগর (খ) প্রশান্ত মহাসাগর (গ) আটলান্টিক মহাসাগর (ঘ) সুমেরু মহাসাগর

    উত্তর: (খ) প্রশান্ত মহাসাগর

  13. শীতল ওয়ায়াশিও বা কামচাটকা স্রোত কোন প্রকৃতির স্রোত?

    (ক) উষ্ণ পৃষ্ঠীয় স্রোত (খ) শীতল অন্তঃস্রোত/পৃষ্ঠীয় স্রোত (গ) লবণাক্ত স্রোত (ঘ) বায়ুতাড়িত স্রোত

    উত্তর: (খ) শীতল স্রোত

  14. মৌসুমি বায়ুর দিক পরিবর্তনের সাথে সাথে কোন মহাসাগরের স্রোতের দিক পরিবর্তিত হয়?

    (ক) আটলান্টিক মহাসাগর (খ) ভারত মহাসাগর (গ) প্রশান্ত মহাসাগর (ঘ) কুমেরু মহাসাগর

    উত্তর: (খ) ভারত মহাসাগর

  15. ‘এল নিনো’ (El Niño) শব্দের আক্ষরিক অর্থ কী?

    (ক) ছোট্ট মেয়ে (খ) দুরন্ত বালক (গ) শিশু খ্রিষ্ট বা ছোট্ট বালক (ঘ) শান্ত বালক

    উত্তর: (গ) শিশু খ্রিষ্ট বা ছোট্ট বালক

  16. এল নিনোর বিপরীত শীতল পর্যায়কে কী বলা হয়?

    (ক) লা নিনা (La Niña) (খ) মোনসোনেক্স (গ) ওয়াকার সার্কুলেশন (ঘ) এনসো

    উত্তর: (ক) লা নিনা

  17. সমুদ্রে ভাসমান বিশাল বরফের স্তূপকে কী বলা হয়?

    (ক) হিমপ্রাচীর (খ) হিমশৈল (Iceberg) (গ) টিল (ঘ) ড্রামলিন

    উত্তর: (খ) হিমশৈল

  18. হিমশৈলের জলের ওপর কত ভাগ অংশ দৃশ্যমান থাকে?

    (ক) ১/৯ অংশ (খ) ১/৪ অংশ (গ) ১/২ অংশ (ঘ) সম্পূর্ণ অংশ

    উত্তর: (ক) ১/৯ অংশ (৮/৯ অংশ জলের নিচে নিমজ্জিত থাকে)

  19. টাইটানিক জাহাজটি কোন মহাসাগরে হিমশৈলের সাথে ধাক্কা খেয়ে ডুবেছিল?

    (ক) প্রশান্ত মহাসাগরে (খ) উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে (গ) ভারত মহাসাগরে (ঘ) দক্ষিণ মহাসাগরে

    উত্তর: (খ) উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে (১৯১২ খ্রি.)

  20. চাঁদ ও সূর্যের পারস্পরিক মহাকর্ষ বল এবং পৃথিবীর কেন্দ্রাতিগ বলের প্রভাবে সৃষ্ট সামুদ্রিক পর্যায়ক্রমিক জলস্ফীতিকে বলে—

    (ক) সুনামি (খ) জোয়ার-ভাটা (গ) জলতরঙ্গ (ঘ) ঘূর্ণাবর্ত

    উত্তর: (খ) জোয়ার-ভাটা

  21. জোয়ার সৃষ্টির ক্ষেত্রে চাঁদের আকর্ষণ ক্ষমতা সূর্যের তুলনায় প্রায় কত গুণ বেশি?

    (ক) ১.৫ গুণ (খ) ২.১৭ গুণ (গ) ৪ গুণ (ঘ) দ্বিগুণ

    উত্তর: (খ) প্রায় ২.১৭ গুণ (চাঁদ পৃথিবীর অনেক কাছে থাকায়)

  22. পৃথিবীর কেন্দ্রাতিগ বলের প্রভাবে যে জোয়ার সৃষ্টি হয়, তাকে কী বলে?

    (ক) মুখ্য জোয়ার (খ) গৌণ জোয়ার (গ) মরা কোটাল (ঘ) ভরা কোটাল

    উত্তর: (খ) গৌণ জোয়ার

  23. একটি মুখ্য জোয়ার ও একটি গৌণ জোয়ারের মধ্যবর্তী সময়ের ব্যবধান কত?

    (ক) ১২ ঘণ্টা ২৬ মিনিট (খ) ৬ ঘণ্টা ১৩ মিনিট (গ) ২৪ ঘণ্টা ৫২ মিনিট (ঘ) ১২ ঘণ্টা

    উত্তর: (ক) ১২ ঘণ্টা ২৬ মিনিট

  24. একটি নির্দিষ্ট স্থানে দুটি মুখ্য জোয়ারের মধ্যবর্তী সময়ের ব্যবধান কত?

    (ক) ২৪ ঘণ্টা ৫২ মিনিট (খ) ১২ ঘণ্টা ২৬ মিনিট (গ) ৬ ঘণ্টা (ঘ) ২৪ ঘণ্টা

    উত্তর: (ক) ২৪ ঘণ্টা ৫২ মিনিট

  25. ভরা কোটাল বা তেজ কোটাল কোন কোন তিথিতে সংঘটিত হয়?

    (ক) অষ্টমী তিথিতে (খ) অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে (গ) প্রতিপদ তিথিতে (ঘ) একাদশী তিথিতে

    উত্তর: (খ) অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে

  26. মরা কোটাল বা মন্দা জোয়ার কোন তিথিতে সংঘটিত হয়?

    (ক) অমাবস্যা তিথিতে (খ) পূর্ণিমা তিথিতে (গ) শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের সপ্তমী-অষ্টমী তিথিতে (ঘ) চতুর্থী তিথিতে

    উত্তর: (গ) শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের সপ্তমী-অষ্টমী তিথিতে

  27. সূর্য, চাঁদ ও পৃথিবীর একই সরলরেখায় অবস্থানকে জ্যোতির্বিজ্ঞানের ভাষায় কী বলে?

    (ক) সিজিগি (Syzygy) (খ) পেরিজি (গ) অ্যাপোজি (ঘ) সমকোণ

    উত্তর: (ক) সিজিগি

  28. সিজিগি অবস্থানের অমাবস্যা তিথির সংযুক্তিকে কী বলা হয়?

    (ক) সংযোগ (Conjunction) (খ) প্রতিযোগ (Opposition) (গ) সমকোণ (ঘ) বিষুব

    উত্তর: (ক) সংযোগ

  29. চাঁদ যখন কক্ষপথে পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে (প্রায় ৩ লক্ষ ৫৬ হাজার কিমি) অবস্থান করে, তখন তাকে বলে—

    (ক) অ্যাপোজি (খ) পেরিজি (Perigee) (গ) অনুসূর (ঘ) অপসূর

    উত্তর: (খ) পেরিজি

  30. ভারতের কোন নদীতে প্রবল ‘বানডাকা’ (Tidal Bore) পরিলক্ষিত হয়?

    (ক) হুগলি নদীতে (খ) নর্মদা নদীতে (গ) গোদাবরীতে (ঘ) কাবেরী নদীতে

    উত্তর: (ক) হুগলি নদীতে

@ বারিমন্ডল প্রশ্নের উত্তর – WBNOTES.IN

২. একটি বাক্যে উত্তরভিত্তিক প্রশ্ন (SAQ) 

  1. সমুদ্রতরঙ্গ ও সমুদ্রস্রোতের মধ্যে মূল পার্থক্য কী?

    উত্তর: সমুদ্রতরঙ্গে জলকণাগুলি বৃত্তাকারে কেবল ওঠানামা করে কিন্তু স্থান পরিবর্তন করে না; পক্ষান্তরে সমুদ্রস্রোতে সমুদ্রের জলরাশি এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নির্দিষ্ট দিকে অনুভূমিকভাবে প্রবাহিত হয়।

  2. জাপান উপকূলকে বরফমুক্ত ও উষ্ণ রাখতে কোন সমুদ্রস্রোত সাহায্য করে?

    উত্তর: উষ্ণ কুরোশিও বা জাপান স্রোত।

  3. হিমপ্রাচীর (Cold Wall) কী?

    উত্তর: উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে গাঢ় নীল রঙের উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোত এবং হালকা সবুজ রঙের শীতল ল্যাব্রাডর স্রোতের পাশাপাশি প্রবাহের ফলে সৃষ্ট স্পষ্ট সীমারেখাকে হিমপ্রাচীর বলে।

  4. মগ্নচড়ায় প্রচুর মাছ পাওয়ার প্রধান কারণ কী?

    উত্তর: অগভীর জলে সূর্যের আলোর প্রাচুর্য এবং শীতল ও উষ্ণ স্রোতের মিলনে অনুকূল তাপমাত্রায় মাছের প্রধান খাদ্য ‘প্লাঙ্কটন’ প্রচুর পরিমাণে জন্মায়।

  5. ‘সারগাসাম’ কথাটির আক্ষরিক অর্থ কী?

    উত্তর: একপ্রকার ভাসমান পর্তুগিজ সামুদ্রিক আগাছা বা শৈবাল।

  6. উষ্ণ সোমালি স্রোত কোন মহাসাগরের অংশ?

    উত্তর: ভারত মহাসাগরের।

  7. দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের শীতল স্রোতটির নাম কী?

    উত্তর: বেঙ্গুয়েলা স্রোত (বা ফকল্যান্ড স্রোত)।

  8. এল নিনো সাধারণ কত বছর অন্তর ঘটে?

    উত্তর: প্রতি ২ থেকে ৭ বছর অন্তর পেরু-ইকুয়েডর উপকূলে এল নিনো দেখা দেয়।

  9. এল নিনোর প্রভাবে ভারতের জলবায়ুতে কী বিপর্যয় ঘটে?

    উত্তর: মৌসুমি বায়ু দুর্বল হয়ে পড়ে এবং ভারতে অনাবৃষ্টি ও তীব্র খরার সৃষ্টি হয়।

  10. লা নিনার প্রভাবে ভারতীয় উপমহাদেশে কী প্রভাব পড়ে?

    উত্তর: মৌসুমি বায়ু অত্যন্ত শক্তিশালী হয় এবং ভারতে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত ও বন্যার সৃষ্টি হয়।

  11. চাঁদের প্রত্যক্ষ মহাকর্ষীয় আকর্ষণে যে জোয়ার সৃষ্টি হয় তাকে কী বলে?

    উত্তর: মুখ্য জোয়ার (বা প্রত্যক্ষ জোয়ার)।

  12. পৃথিবীর কেন্দ্রাতিগ বল কীভাবে গৌণ জোয়ার সৃষ্টি করে?

    উত্তর: পৃথিবীর নিজস্ব আবর্তনের ফলে সৃষ্ট কেন্দ্রাতিগ বলের কারণে চাঁদের বিপরীত পৃষ্ঠের জলরাশি বাইরের দিকে ছিটকে ফুলে উঠে গৌণ জোয়ার সৃষ্টি করে।

  13. একটি জোয়ার ও পরবর্তী ভাটার মধ্যবর্তী সময়ের ব্যবধান কত?

    উত্তর: ৬ ঘণ্টা ১৩ মিনিট।

  14. সিজিগির ‘প্রতিযোগ’ (Opposition) অবস্থান কোন তিথিতে ঘটে?

    উত্তর: পূর্ণিমা তিথিতে (যখন পৃথিবী সূর্য ও চাঁদের মাঝখানে অবস্থান করে)।

  15. অ্যাপোজি (Apogee) জোয়ারের সময় জোয়ারের বেগ কেমন হয়?

    উত্তর: চাঁদ পৃথিবী থেকে সবচেয়ে দূরে থাকায় মহাকর্ষ বল কমে যায়, ফলে জোয়ারের বেগ স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ২০% কম হয়।

  16. বানডাকা (Tidal Bore) কী?

    উত্তর: বর্ষাকালে ভরা কোটালের সময় সমুদ্রের জোয়ারের জল যখন উত্তাল ঢেউয়ের দেওয়াল তৈরি করে গর্জনের সাথে নদীর মোহনা দিয়ে উল্টো অভিমুখে প্রবেশ করে, তাকে বানডাকা বলে।

  17. পৃথিবীর সর্বাপেক্ষা শক্তিশালী জোয়ার-ভাটা কোথায় দেখা যায়?

    উত্তর: কানাডার ফাণ্ডি উপসাগরে (Fundy Bay—এখানে জোয়ারের জলের উচ্চতা প্রায় ১৫-১৬ মিটার পর্যন্ত ওঠে)।

  18. মহাসাগরীয় চক্র বা গায়র (Gyre) কী?

    উত্তর: মহাসাগরগুলিতে নিয়ত বায়ুপ্রবাহ এবং কোরিওলিচ বলের প্রভাবে সমুদ্রস্রোতগুলি চক্রাকারে আবর্তিত হয়ে যে বিশালাকার জলচক্র তৈরি করে, তাকে গায়র বলে।

  19. কোন তিথিতে পৃথিবী, সূর্য ও চাঁদ পরস্পরের সাথে সমকোণে ($৯০^\circ$) অবস্থান করে?

    উত্তর: শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের সপ্তমী-অষ্টমী তিথিতে।

  20. জোয়ার-ভাটার শক্তিকে কাজে লাগিয়ে ভারতে কোথায় বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে?

    উত্তর: গুজরাটের কচ্ছ ও খাম্বাত উপসাগরে এবং পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবনের দুর্গাদুয়ানি খাঁড়িতে।

@ বারিমন্ডল প্রশ্নের উত্তর – WBNOTES.IN

৩. সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যামূলক প্রশ্নোত্তর (মান: ২) 

১. সমুদ্রস্রোত (Ocean Current) কাকে বলে?

উত্তর: পৃথিবীর আবর্তন গতি, নিয়ত বায়ুপ্রবাহ এবং জলের উষ্ণতা ও ঘনত্বের পার্থক্যের কারণে সমুদ্রের জলরাশি যখন এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নির্দিষ্ট দিকে এবং নির্দিষ্ট পথে নিয়মিতভাবে নদীপ্রবাহের মতো অনুভূমিকভাবে চলাচল করে, তখন তাকে সমুদ্রস্রোত বলে।

২. উষ্ণ স্রোত ও শীতল স্রোতের মধ্যে মূল পার্থক্য কী?

উত্তর:

  • উষ্ণ স্রোত: ক্রান্তীয় ও নিরক্ষীয় অঞ্চলের উষ্ণ মণ্ডলে উৎপন্ন হয়ে যে হালকা ও কম ঘন জলরাশি সমুদ্রের উপরিভাগ দিয়ে (বহিঃস্রোত রূপে) শীতল মেরু অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়।

  • শীতল স্রোত: দুই মেরু অঞ্চলের বরফগলা অতি শীতল ও ঘন ভারী জলরাশি সমুদ্রের তলদেশ দিয়ে (অন্তঃস্রোত রূপে) নিরক্ষীয় উষ্ণ অঞ্চলের দিকে ধাবিত হয়।

৩. কোরিওলিচ বল সমুদ্রস্রোতকে কীভাবে প্রভাবিত করে?

উত্তর: পৃথিবীর আবর্তন গতির কারণে সৃষ্ট কোরিওলিচ বলের প্রভাবে সমুদ্রের জল সোজাপথে প্রবাহিত হতে পারে না। ফেরেলের সূত্র অনুসারে সমুদ্রস্রোত উত্তর গোলার্ধে নিজের গতিপথের ডানদিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে নিজের গতিপথের বাঁদিকে বেঁকে চক্রাকারে আবর্তিত হয়।

৪. শৈবাল সাগর (Sargasso Sea) কীভাবে সৃষ্টি হয়?

উত্তর: উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোত, ক্যানারি স্রোত এবং উত্তর নিরক্ষীয় স্রোত একটি বিরাট বৃত্তাকার জলাবর্ত বা কুন্ডলী গঠন করে। এই আবর্তের কেন্দ্রস্থলে কোনো স্রোতের প্রবাহ না থাকায় জলস্তর স্থির ও শান্ত থাকে। ফলে সেখানে প্রচুর পরিমাণে আগাছা ও ‘সারগাসাম’ নামক সামুদ্রিক শৈবাল জমা হয়ে যে শান্ত শৈবালময় জলাঞ্চল গড়ে ওঠে, তাকে শৈবাল সাগর বলে।

৫. হিমপ্রাচীর (Cold Wall) বলতে কী বোঝায়?

উত্তর: উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের নিউফাউন্ডল্যান্ড উপকূলের কাছে উত্তর দিক থেকে আসা গাঢ় সবুজ রঙের শীতল ল্যাব্রাডর স্রোত এবং দক্ষিণ দিক থেকে আসা গাঢ় নীল রঙের উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোত পরস্পরের বিপরীত দিক থেকে এসে মিলিত হয়। এই দুই বিপরীতধর্মী স্রোতের তাপমাত্রা ও রঙের পার্থক্যের কারণে এদের মধ্যবর্তী সীমারেখায় একটি স্পষ্ট কাল্পনিক দেওয়াল দৃশ্যমান হয়, একে হিমপ্রাচীর বলে।

৬. মগ্নচড়া (Submerged Bank) কীভাবে সৃষ্টি হয়?

উত্তর: শীতল মেরু স্রোতের সাথে ভেসে আসা বিশালাকার হিমশৈলগুলি যখন উষ্ণ স্রোতের সংস্পর্শে আসে, তখন হিমশৈলগুলি গলে যায়। ফলে হিমশৈলের মধ্যে আটকে থাকা পাথরখণ্ড, বালি, কাঁকর ও পলি সমুদ্রের তলদেশে যুগ যুগ ধরে স্তূপাকারে জমা হয়ে অগভীর সমুদ্রমঞ্চ বা মগ্নচড়া সৃষ্টি করে (যেমন—গ্র্যান্ড ব্যাংক)।

৭. মগ্নচড়া অঞ্চলে কুয়াশা ও ঝড়ঝঞ্ঝা বেশি হয় কেন?

উত্তর: মগ্নচড়া অঞ্চলে উষ্ণ সমুদ্রস্রোত এবং শীতল সমুদ্রস্রোত মুখোমুখি মিলিত হয়। উষ্ণ স্রোতের ওপরের জলীয় বাষ্পপূর্ণ উষ্ণ বাতাস হঠাৎ শীতল স্রোতের সংস্পর্শে এসে দ্রুত ঘনীভূত হয়ে পড়ে। ফলে এই মিলনস্থলে সারা বছর ঘন কুয়াশা এবং প্রচণ্ড ঝড়ঝঞ্ঝা ও আবহাওয়াজনিত বিপর্যয়ের সৃষ্টি হয়।

৮. এল নিনো (El Niño) কী?

উত্তর: সাধারণত প্রতি ২ থেকে ৭ বছর অন্তর ডিসেম্বর মাসে (বড়দিনের সময়) দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে পেরু ও ইকুয়েডর উপকূল বরাবর উত্তর থেকে দক্ষিণমুখী যে অস্থির ও অস্বাভাবিক উষ্ণ সমুদ্রস্রোত প্রবাহিত হয়, তাকে এল নিনো বলে। এর ফলে পেরু উপকূলে অতিবৃষ্টি ও বন্যা হয় এবং ভারত ও অস্ট্রেলিয়ায় মৌসুমি বায়ু দুর্বল হয়ে তীব্র খরা দেখা দেয়।

৯. লা নিনা (La Niña) বলতে কী বোঝায়?

উত্তর: স্প্যানিশ শব্দ ‘লা নিনা’-র অর্থ ‘ছোট্ট বালিকা’। এটি হলো এল নিনোর ঠিক বিপরীত অবস্থা। পেরু উপকূলে যখন স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি শীতল জলরাশির প্রাচুর্য ঘটে এবং বায়ুমণ্ডলে তীব্র উচ্চচাপ তৈরি হয়, তখন তাকে লা নিনা বলে। এর ফলে ভারতে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত ও বন্যা দেখা দেয়।

১০. কেন্দ্রাতিগ বল কীভাবে জোয়ার সৃষ্টি করে?

উত্তর: পৃথিবী নিজের অক্ষের ওপর অবিরাম দ্রুতগতিতে লাটিমের মতো আবর্তিত হচ্ছে। এই ঘূর্ণন গতির ফলে ভূ-পৃষ্ঠের প্রতিটি বস্তুর ওপর বাইরের দিকে ছিটকে যাওয়ার একটি কেন্দ্রাতিগ প্রবণতা বা বল (Centrifugal Force) কাজ করে। চাঁদের আকর্ষণে পৃথিবীর যে পিঠে মুখ্য জোয়ার হয়, তার ঠিক বিপরীত পৃষ্ঠে চাঁদের মহাকর্ষ বল সবচেয়ে কম থাকে এবং পৃথিবীর কেন্দ্রাতিগ বল সক্রিয় হয়ে জলরাশিকে বাইরের দিকে ঠেলে দিয়ে গৌণ জোয়ার সৃষ্টি করে।

১১. ভরা কোটাল বা তেজ কোটাল (Spring Tide) কী?

উত্তর: অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে যখন সূর্য, চাঁদ ও পৃথিবী একই সরলরেখায় (সিজিগি অবস্থানে) অবস্থান করে, তখন চাঁদ ও সূর্যের মিলিত মহাকর্ষীয় টানে সমুদ্রের জলরাশি প্রবলভাবে স্ফীত হয়ে ওঠে। এই সময় স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় ১৫-২০% বেশি উচ্চতাবিশিষ্ট জোয়ার সংঘটিত হয়। একে ভরা কোটাল বা তেজ কোটাল বলে।

১২. মরা কোটাল বা মন্দা জোয়ার (Neap Tide) কেন দুর্বল হয়?

উত্তর: শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের সপ্তমী-অষ্টমী তিথিতে পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য পরস্পরের সাথে সমকোণে ($৯০^\circ$ কোণে) অবস্থান করে। এই সময় একদিকে চাঁদের টান এবং অন্যদিকে সূর্যের টান পরস্পরকে আড়াআড়িভাবে প্রশমিত করে। ফলে সমুদ্রের জল কোনো এক দিকে তীব্রভাবে ফুলতে পারে না এবং অত্যন্ত মৃদু ও দুর্বল প্রকৃতির জোয়ার হয়। একে মরা কোটাল বলে।

১৩. সিজিগি (Syzygy) বলতে কী বোঝায়?

উত্তর: সূর্য, চন্দ্র এবং পৃথিবীর কেন্দ্রবিন্দু যখন একটি নির্দিষ্ট সরলরেখায় অবস্থান করে, তখন মহাজাগতিক সেই সরলরৈখিক অবস্থাকে সিজিগি বলে। এটি দু-রকমের হয়:

  • সংযোগ (Conjunction): অমাবস্যা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে কোনো গ্রহ থাকে না (সূর্য ও চাঁদ পৃথিবীর একপাশে থাকে)।

  • প্রতিযোগ (Opposition): পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের ঠিক মাঝখানে পৃথিবী অবস্থান করে।

১৪. পেরিজি জোয়ার ও অ্যাপোজি জোয়ারের মধ্যে পার্থক্য কী?

উত্তর:

  • পেরিজি জোয়ার: উপবৃত্তাকার কক্ষপথে আবর্তনের সময় চাঁদ যখন পৃথিবীর সবচেয়ে নিকটে (৩,৫৬,০০০ কিমি) আসে, তখন আকর্ষণ ক্ষমতা সর্বাধিক হওয়ায় তীব্র জোয়ার হয়।

  • অ্যাপোজি জোয়ার: চাঁদ যখন পৃথিবী থেকে তার দূরতম বিন্দুতে (৪,০৭,০০০ কিমি) অবস্থান করে, তখন চাঁদের মহাকর্ষ বল হ্রাস পাওয়ায় অত্যন্ত দুর্বল জোয়ার সৃষ্টি হয়।

১৫. নদীতে বানডাকার (Tidal Bore) দুটি অনুকূল শর্ত লেখো।

উত্তর:

  • নদীর মোহনাটি ক্রমশ সরু এবং ফানেল আকৃতির হতে হবে।

  • নদীতে তীব্র জোয়ারের পাশাপাশি বিপরীত দিক থেকে পর্যাপ্ত মিষ্টি জলের স্বাভাবিক বহির্মুখী স্রোত থাকতে হবে এবং নদীর তলদেশ অগভীর ও বালুচড়াময় হতে হবে (যেমন—হুগলি নদী)।

@ বারিমন্ডল প্রশ্নের উত্তর – WBNOTES.IN

৪. সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যামূলক প্রশ্নোত্তর (মান: ৩) 

প্রশ্ন ১: সমুদ্রস্রোত ও সমুদ্রতরঙ্গের মধ্যে তিনটি প্রধান পার্থক্য লেখো।

উত্তর:

তুলনার বিষয়সমুদ্রস্রোত (Ocean Current)সমুদ্রতরঙ্গ (Sea Wave)
১. জলের গতিবিধিসমুদ্রের জলরাশির নির্দিষ্ট দিকে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বাস্তব অনুভূমিক স্থানান্তর ঘটে।জলরাশির কোনো স্থান পরিবর্তন হয় না; জলকণাগুলি বৃত্তাকারে কেবল একই জায়গায় ওঠানামা করে।
২. উৎপত্তির কারণপ্রধানত নিয়ত বায়ুপ্রবাহ, পৃথিবীর আবর্তন গতি এবং সমুদ্রজলের উষ্ণতা ও ঘনত্বের পার্থক্যে ঘটে।প্রধানত সমুদ্রপৃষ্ঠের ওপর দিয়ে সাময়িক বায়ুর ঘর্ষণজনিত ঘাত এবং সমুদ্রতলের ভূমিকম্পের ফলে ঘটে।
৩. প্রভাবের পরিধিসমগ্র মহাসাগর জুড়ে শত শত কিমি বিস্তৃত হয় এবং বিশ্ব জলবায়ু ও বাণিজ্যকে নিয়ন্ত্রণ করে।উপকূলভাগের অগভীর তটভূমিতে আছড়ে পড়ে প্রধানত উপকূলীয় ক্ষয় ও সঞ্চয়কাজ সম্পাদন করে।

প্রশ্ন ২: সমুদ্রস্রোত কীভাবে উপকূলীয় জলবায়ুকে প্রভাবিত করে? উদাহরণসহ লেখো।

উত্তর:

সমুদ্রস্রোত সংলগ্ন উপকূলীয় অঞ্চলের তাপমাত্রা, আর্দ্রতা ও আবহাওয়াকে প্রত্যক্ষভাবে নিয়ন্ত্রণ করে:

  • উষ্ণতার পরিবর্তন: কোনো উপকূলের পাশ দিয়ে উষ্ণ স্রোত বয়ে গেলে সেই অঞ্চলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় এবং শীতকালে বরফ জমতে দেয় না। উদাহরণস্বরূপ, উষ্ণ উত্তর আটলান্টিক স্রোতের প্রভাবে ব্রিটিশ যুক্তরাজ্য ও নরওয়ের উপকূল উচ্চ অক্ষাংশে হওয়া সত্ত্বেও সারা বছর বরফমুক্ত ও বন্দরগুলি সচল থাকে।

  • বৃষ্টিপাত ও আর্দ্রতা: উষ্ণ স্রোতের ওপর দিয়ে প্রবাহিত বায়ু প্রচুর জলীয় বাষ্প শোষণ করে সংলগ্ন স্থলভাগে প্রবেশ করে প্রচুর শৈলোৎক্ষেপ ও ঘূর্ণবাত বৃষ্টিপাত ঘটায়।

  • মরুভূমি সৃষ্টিতে শীতল স্রোতের ভূমিকা: শীতল স্রোতের ওপরের বাতাস ঠান্ডা ও শুষ্ক হওয়ায় তা বাষ্পীভূত হতে পারে না। ফলে উপকূলবর্তী অঞ্চল বৃষ্টিহীন হয়ে পড়ে। যেমন—শীতল বেঙ্গুয়েলা স্রোতের প্রভাবে দক্ষিণ আফ্রিকার নামিব মরুভূমি এবং শীতল পেরু স্রোতের প্রভাবে আটাকামা মরুভূমির সৃষ্টি হয়েছে।

প্রশ্ন ৩: মগ্নচড়া অঞ্চলে বাণিজ্যিক মৎস্যক্ষেত্র গড়ে ওঠার তিনটি প্রধান ভৌগোলিক কারণ লেখো।

উত্তর:

উত্তর আটলান্টিকের ‘গ্র্যান্ড ব্যাংক’ বা ‘ডগার্স ব্যাংক’-এর মতো মগ্নচড়াগুলি বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ বাণিজ্যিক মৎস্যক্ষেত্র হিসেবে গড়ে ওঠার কারণগুলি হলো:

  • প্রচুর প্লাঙ্কটনের জোগান: অগভীর মগ্নচড়ায় সূর্যের আলো সহজেই সমুদ্রের তলদেশ পর্যন্ত প্রবেশ করতে পারে। তাছাড়া উষ্ণ ও শীতল স্রোতের মিলনে জলের অনুকূল তাপমাত্রায় ($১৫^\circ-২০^\circ\text{C}$) মাছের প্রধান খাদ্য এককোষী ‘ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন’ ও ‘জুপ্ল্যাঙ্কটন’ বিপুল পরিমাণে জন্মায়।

  • মাছের ডিম পাড়ার উপযুক্ত ক্ষেত্র: শীতল স্রোতের সাথে ভেসে আসা হিমশৈল গলে গিয়ে প্রচুর পুষ্টিকর খনিজ পদার্থ মগ্নচড়ায় থিতিয়ে পড়ে, যা মাছেদের প্রজনন ও ডিম পাড়ার প্রাকৃতিক স্বর্গরাজ্য তৈরি করে।

  • মৎস্যশিকারের অনুকূল পরিকাঠামো: অগভীর সমুদ্রমঞ্চ হওয়ায় এখানে ট্রলার বা মাছ ধরার জাল ফেলা অত্যন্ত সুবিধাজনক এবং সংলগ্ন ইউরোপ ও আমেরিকার উন্নত দেশগুলিতে মাছের বিপুল বাণিজ্যিক চাহিদা রয়েছে।

প্রশ্ন ৪: প্রতিদিন জোয়ার-ভাটা নির্দিষ্ট সময়ে না হয়ে প্রায় ৫২ মিনিট দেরি করে হয় কেন?

উত্তর:

পৃথিবী তার অক্ষের ওপর পশ্চিম থেকে পূর্বে ২৪ ঘণ্টায় একবার আবর্তন করে ($৩৬০^\circ$), ফলে প্রতি ডিগ্রিতে সময়ের ব্যবধান হয় ৪ মিনিট।

  • পৃথিবী ঘোরার সাথে সাথে চাঁদও কিন্তু স্থির থাকে না; চাঁদও নিজ কক্ষপথে পশ্চিম থেকে পূর্বে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করছে। চাঁদ প্রায় ২৭.৩ দিনে পৃথিবীকে একবার ঘুরে আসে।

  • ফলে ২৪ ঘণ্টায় চাঁদ তার কক্ষপথে প্রায় ($৩৬০^\circ \div ২৮ \approx$) $১২^\circ ২৬’$ পথ এগিয়ে যায়।

  • পৃথিবীর কোনো নির্দিষ্ট দ্রাঘিমাংশকে চাঁদের ঠিক সামনাসামনি পৌঁছাতে এই বাড়তি $১২^\circ ২৬’$ পথ অতিক্রম করতে অতিরিক্ত সময় লাগে:

    $$\text{অতিরিক্ত সময়} = ১২^\circ ২৬’ \times ৪ \text{ মিনিট} \approx ৫০ \text{ মিনিট ৫২ সেকেন্ড} \approx ৫২ \text{ মিনিট}$$

    এই কারণে কোনো স্থানে একটি মুখ্য জোয়ার হওয়ার ঠিক ২৪ ঘণ্টা পর পরবর্তী মুখ্য জোয়ার না হয়ে ২৪ ঘণ্টা ৫২ মিনিট পর হয় (এবং পরবর্তী জোয়ারটি ১২ ঘণ্টা ২৬ মিনিট পর হয়)।

প্রশ্ন ৫: ভরা কোটাল ও মরা কোটালের মধ্যে তিনটি প্রধান পার্থক্য লেখো।

উত্তর:

তুলনার বিষয়ভরা কোটাল (Spring Tide)মরা কোটাল (Neap Tide)
১. সংঘটনের তিথিপ্রতি মাসের অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে সংঘটিত হয়।প্রতি মাসের শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের সপ্তমী ও অষ্টমী তিথিতে ঘটে।
২. মহাজাগতিক অবস্থানসূর্য, পৃথিবী ও চাঁদ একই সরলরেখায় (সিজিগি অবস্থানে) থাকে।সূর্য, পৃথিবী ও চাঁদ পরস্পরের সাথে সমকোণে ($৯০^\circ$ কোণে) অবস্থান করে।
৩. জলস্ফীতির মাত্রাচাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণে জোয়ার অত্যন্ত প্রবল ও শক্তিশালী হয় (স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় ২০% বেশি স্ফীতি ঘটে)।চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিরোধী হওয়ায় জোয়ার অত্যন্ত শান্ত ও দুর্বল প্রকৃতির হয়।

@ বারিমন্ডল প্রশ্নের উত্তর – WBNOTES.IN

৫. রচনাধর্মী প্রশ্নোত্তর (মান: ৫) 

প্রশ্ন ১: সমুদ্রস্রোত সৃষ্টির প্রধান কারণগুলি বিস্তারিত আলোচনা করো। (৫)

উত্তর:

মহাসাগরের জলরাশির এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নির্দিষ্ট দিকে প্রবাহিত হওয়ার পেছনে একাধিক মহাজাগতিক ও প্রাকৃতিক কারণ যৌথভাবে কাজ করে। সমুদ্রস্রোত সৃষ্টির প্রধান কারণগুলি নিচে আলোচিত হলো:

১. নিয়ত বায়ুপ্রবাহ (Prevailing Winds):

সমুদ্রস্রোত সৃষ্টির প্রধানতম চালিকাশক্তি হলো নিয়ত বায়ুপ্রবাহ। সারা বছর ধরে নির্দিষ্ট দিকে প্রবাহিত আয়ন বায়ু, পশ্চিমা বায়ু এবং মেরু বায়ু সমুদ্রপৃষ্ঠের জলের সাথে ঘর্ষণ তৈরি করে জলরাশিকে নিজের প্রবাহের দিকে টেনে নিয়ে যায়।

  • যেমন—আয়ন বায়ুর তাড়নায় নিরক্ষীয় অঞ্চলে উত্তর ও দক্ষিণ নিরক্ষীয় উষ্ণ স্রোত পূর্ব থেকে পশ্চিমে প্রবাহিত হয়।

  • আবার পশ্চিমা বায়ুর প্রভাবে উত্তর আটলান্টিক স্রোত পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়।

২. পৃথিবীর আবর্তন গতি ও কোরিওলিচ বল (Earth’s Rotation & Coriolis Force):

  • পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্বে আবর্তন করার ফলে একটি কেন্দ্রাতিগ ও বিক্ষেপক বলের (কোরিওলিচ বল) সৃষ্টি হয়।

  • বিজ্ঞানী ফেরেলের সূত্র অনুসারে, এই বলের প্রভাবে সমুদ্রের স্রোতগুলি সোজাপথে না গিয়ে উত্তর গোলার্ধে নিজের ডানদিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে নিজের বাঁদিকে বেঁকে প্রবাহিত হয়। এই কারণেই মহাসাগরের মধ্যভাগে জলচক্র বা ‘গায়র’ (Gyre) সৃষ্টি হয়।

৩. সমুদ্রজলের উষ্ণতার পার্থক্য (Temperature Difference):

  • নিরক্ষীয় অঞ্চলে তীব্র সূর্যতাপে জল অতিরিক্ত গরম ও হালকা হয়ে সমুদ্রের উপরিভাগ দিয়ে বহিঃস্রোত রূপে শীতল মেরু অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়।

  • বিপরীতে, মেরু অঞ্চলের বরফগলা শীতল ও ভারী জলরাশি সমুদ্রের তলদেশ দিয়ে অন্তর্মুখী প্রবাহ বা অন্তঃস্রোত রূপে নিরক্ষীয় উষ্ণ অঞ্চলের দিকে ধাবিত হয়ে জলের ভারসাম্য রক্ষা করে।

৪. সমুদ্রজলের লবণতা ও ঘনত্বের তারতম্য (Salinity & Density):

  • যেসব সমুদ্রের জলে লবণের ভাগ বেশি, সেই জল বেশি ঘন ও ভারী হয়। ফলে ভারী জল নিচে নিমজ্জিত হয়ে অন্তঃস্রোত রূপে কম লবণাক্ত জলের দিকে যায়।

  • পক্ষান্তরে, কম লবণাক্ত হালকা জল বহিঃস্রোত রূপে বেশি লবণাক্ত অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়। যেমন—অধিক লবণাক্ত ভূমধ্যসাগর ও কম লবণাক্ত আটলান্টিক মহাসাগরের মধ্যে এই প্রক্রিয়ায় জলবিনিময় ঘটে।

৫. উপকূলভাগের আকার ও বরফের গলন (Shape of Coastline):

সমুদ্রস্রোতের প্রবাহপথে কোনো অন্তরীপ, দ্বীপ বা স্থলভাগ বাধা সৃষ্টি করলে স্রোতটি বিভক্ত হয়ে দিক পরিবর্তন করে। যেমন—দক্ষিণ আমেরিকার সেন্ট রক অন্তরীপে ধাক্কা খেয়ে দক্ষিণ নিরক্ষীয় স্রোত দুটি শাখায় (ব্রাজিল স্রোত ও গায়ানা স্রোত) বিভক্ত হয়ে যায়।

                       [সমুদ্রস্রোত সৃষ্টির চক্রাকার রূপ]
   
             (উষ্ণ হালকা জল: বহিঃস্রোত রূপে উপরিভাগ দিয়ে)
         নিরক্ষীয় অঞ্চল ===============================> মেরু অঞ্চল
              ^                                             |
              |                                             v
         (গরম হয়ে ওপরে ওঠা)                           (শীতল হয়ে নিমজ্জন)
              |                                             |
         নিরক্ষীয় অঞ্চল <------------------------------- মেরু অঞ্চল
             (শীতল ভারী জল: অন্তঃস্রোত রূপে তলদেশ দিয়ে)

@ বারিমন্ডল প্রশ্নের উত্তর – WBNOTES.IN

প্রশ্ন ২: চিত্রসহ পৃথিবীর জোয়ার-ভাটা সৃষ্টির কারণগুলি ব্যাখ্যা করো। (৫)

উত্তর:

চন্দ্র ও সূর্যের পারস্পরিক মহাকর্ষীয় আকর্ষণ এবং পৃথিবীর ঘূর্ণনজনিত কেন্দ্রাতিগ বলের সম্মিলিত প্রভাবে সমুদ্রের জলরাশি নির্দিষ্ট সময় অন্তর নিয়মিতভাবে ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে। জোয়ার-ভাটা সৃষ্টির প্রধান দুটি কারণ হলো:

১. চাঁদ ও সূর্যের মহাকর্ষীয় আকর্ষণ বল (Gravitational Pull):

মহাকর্ষ সূত্র অনুযায়ী মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তু একে অপরকে আকর্ষণ করে। পৃথিবী থেকে সূর্যের দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিমি, কিন্তু চাঁদের দূরত্ব মাত্র প্রায় ৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কিমি। চাঁদ সূর্যের তুলনায় পৃথিবীর প্রায় ৩৮০ গুণ কাছে অবস্থিত হওয়ায় জোয়ার সৃষ্টির ক্ষেত্রে চাঁদের আকর্ষণ ক্ষমতা সূর্যের চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি (প্রায় ২.১৭ গুণ)।

  • মুখ্য জোয়ার (Direct Tide): পৃথিবীর যে অংশটি আবর্তনের সময় চাঁদের ঠিক সম্মুখভাগে বা সবচেয়ে কাছে আসে, সেখানে চাঁদের তীব্র মহাকর্ষ টানে সমুদ্রের জল সবচেয়ে বেশি স্ফীত হয়। একে মুখ্য জোয়ার বা প্রত্যক্ষ জোয়ার বলে।

২. পৃথিবীর কেন্দ্রাতিগ বলের প্রভাব (Centrifugal Force):

  • পৃথিবী ও চাঁদ উভয়েই পরস্পরের সাধারণ ভরকেন্দ্রকে (Barycentre) কেন্দ্র করে অবিরাম আবর্তিত হচ্ছে।

  • পৃথিবীর নিজস্ব দ্রুত আবর্তনের কারণে ভূ-পৃষ্ঠে একটি কেন্দ্রাতিগ বা বহির্মুখী বিক্ষেপক বলের সৃষ্টি হয়।

  • গৌণ জোয়ার (Indirect Tide): মুখ্য জোয়ারের ঠিক বিপরীত দিকে (প্রতিপাদ স্থানে) চাঁদের দূরত্ব সবচেয়ে বেশি থাকায় সেখানে চাঁদের মহাকর্ষ বল সর্বনিম্ন হয়। ফলে চাঁদের আকর্ষণের চেয়ে পৃথিবীর ঘূর্ণনজনিত কেন্দ্রাতিগ বল অনেক বেশি শক্তিশালী হয়ে ওঠে এবং সেই অংশের জলরাশিকে বাইরের দিকে ঠেলে দেয়। এর ফলে প্রতিপাদ স্থানে যে দ্বিতীয় জোয়ারটি ঘটে, তাকে গৌণ জোয়ার বা পরোক্ষ জোয়ার বলে।

৩. ভাটার সৃষ্টি:

মুখ্য জোয়ার ও গৌণ জোয়ারের স্থানে জলরাশি প্রবলভাবে ফুলে ওঠার কারণে সেই জল পূরণের জন্য এই দুই স্থানের মধ্যবর্তী সমকোণে অবস্থিত স্থান দুটি ($৯০^\circ$ কোণে থাকা অঞ্চল) থেকে জল সরে যায়। ফলে ওই দুই বিপরীত স্থানে জলস্তর অনেকটাই নেমে যায়। একে ভাটা বলে।

                                [জোয়ার-ভাটার অবস্থান চিত্র]
  
                                       (ভাটা)
                                         |
                                         v
                                     +-------+
       (গৌণ জোয়ার)   <==== [ জলস্ফীতি ] | পৃথিবী | [ জলস্ফীতি ] ====> (মুখ্য জোয়ার)  ...... [ চাঁদ ]
     (কেন্দ্রাতিগ বল)                 +-------+                                     (মহাকর্ষ টান)
                                         ^
                                         |
                                       (ভাটা)

উপসংহার:

একটি নির্দিষ্ট স্থানে পৃথিবীর একবার পূর্ণ আবর্তনে ($৩৬০^\circ$) দুটি মুখ্য জোয়ার, দুটি গৌণ জোয়ার এবং দুটি ভাটা পর্যায়ক্রমে চক্রাকারে সংঘটিত হয়। এই জোয়ার-ভাটা সমুদ্র উপকূলের আবর্জনা ধুয়ে পরিষ্কার রাখতে, নদীর নাব্যতা রক্ষা করতে এবং বড় বাণিজ্যিক জাহাজগুলিকে নদী বন্দরে প্রবেশ করাতে অপরিসীম ভূমিকা পালন করে।

PDF DOWNLOAD LINK (Preview Copy)

বারিমন্ডল প্রশ্নের উত্তর

বারিমন্ডল প্রশ্নের উত্তর – উপরের ফাইলটিতে অল্প কিছু প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয়েছে। নিম্নের PDF ফাইলটিতে এই অধ্যায়ের সমস্ত MCQ, SAQ , ২ নম্বরের প্রশ্ন, ৩ নম্বরের প্রশ্ন, ৫ নম্বরের প্রশ্ন উত্তরসহ শুধুমাত্র আমাদের Subscribers -দের জন্য প্রদান করা হলো। দশম শ্রেণির বাংলা, ইংরাজি, ইতিহাস, ভূগোল বিষয়ের সাবস্ক্রিপশন নিতে যোগাযোগ করুন আমাদের সাথেঃ What’s App: 7001880232

১) মাধ্যমিক ভূগোল তৃতীয় অধ্যায় – বারিমন্ডল (Only for Subscribers) 

Click here to view pdf file

সকল শ্রেণির বাংলা অধ্যায় ভিত্তিক প্রশ্নের উত্তর দেখতে নিম্নের ছবিতে ক্লিক/টাচ করতে হবে

তালনবমী MCQ

আমাদের কথাঃ পশ্চিমবঙ্গ মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদ ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সকল শিক্ষার্থীদের অনলাইন পড়াশোনায় সহায়তা প্রদান করাই আমাদের লক্ষ্য।

পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বাংলা, ইংরেজি, ইতিহাস, ভূগোল, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, শিক্ষাবিজ্ঞান, দর্শন, সংস্কৃত প্রভৃতি বিষয়ে অনলাইন সহায়তা প্রদান করা হবে। @ বারিমন্ডল প্রশ্নের উত্তর – WBNOTES.IN

ভালো করে পড়াশোনা করা কেবল পরীক্ষায় ভালো নম্বর পাওয়ার মাধ্যম নয়, বরং এটি একজন মানুষের সামগ্রিক জীবন গঠনের মূল ভিত্তি। সঠিক শিক্ষা মানুষের চিন্তাভাবনাকে উন্নত করে এবং ব্যক্তিত্বকে বিকশিত করে।

জ্ঞান ও দক্ষতার বিকাশ গভীর মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করলে যেকোনো বিষয়ের মূল ধারণা পরিষ্কার হয়। এটি বাস্তব জীবনে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং জটিল সমস্যার সমাধান করার দক্ষতা তৈরি করে।

উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও আত্মনির্ভরশীলতা বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক যুগে ভালো ক্যারিয়ার গঠনের জন্য উপযুক্ত শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। ভালো পড়াশোনা ভালো কাজের সুযোগ তৈরি করে, যা একজন ব্যক্তিকে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী ও আত্মবিশ্বাসী করে তোলে। @ বারিমন্ডল প্রশ্নের উত্তর – WBNOTES.IN

নৈতিকতা ও সামাজিক সচেতনতা প্রকৃত শিক্ষা মানুষের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ, সহমর্মিতা এবং দায়িত্ববোধ জাগ্রত করে। একজন সুশিক্ষিত মানুষ নিজের অধিকারের পাশাপাশি অন্যের প্রতি কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন থাকেন, যা একটি সুস্থ ও সুন্দর সমাজ গঠনে সহায়ক।

পড়াশোনাকে শুধু মুখস্থবিদ্যার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে তা ভালোভাবে উপলব্ধি করে শেখা উচিত। নিয়মিত ও পরিকল্পিত অধ্যবসায় একজন সাধারণ শিক্ষার্থীকেও অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিতে পারে। তাই সফল, সচেতন ও মার্জিত মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার জন্য ভালো করে পড়াশোনা করা অত্যন্ত জরুরি।

আমরা প্রতিনিয়ত আমাদের WBNOTES.IN ওয়েবসাইটে শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন নতুন আলোচনা প্রদান করবার প্রচেষ্টা করে চলেছি। সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের প্রতি অনুরোধ- আপনারা আপনাদের পরিচিতদের সাথে আমাদের WBNOTES.IN ওয়েবসাইটটিকে শেয়ার করবেন। @ বারিমন্ডল প্রশ্নের উত্তর – WBNOTES.IN

আমাদের লক্ষ্যঃ পশ্চিমবঙ্গের সকল শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের কাছে সহজবোধ্য ভাষায় বিবিধ বিষয়ের একটি সুসংগঠিত অনলাইন শিক্ষা পরিষেবা পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য। আর্থিকভাবে অনগ্রসর শিক্ষার্থীদের জন্য আমরা যেমন বিনামূল্যে জ্ঞানার্জনের সুবিধা প্রদান করেছি; আবার মাননীয় শিক্ষকদের সুবিধার্থে এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষা প্রস্তুতি প্রদানের লক্ষ্যে আমাদের WBNOTES.IN ওয়েবসাইটের পক্ষ থেকে প্রদান করা হচ্ছে নরমাল ও প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন। আমাদের সাবস্ক্রীপশন পেজে আপনারা এই সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য পেয়ে যাবেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: কপি করার প্রচেষ্টা করবেন না !
Scroll to Top