varat-orthonoitik-poribesh-question-answers

ভারত – অর্থনৈতিক পরিবেশ প্রশ্নের উত্তর Class 10 Geography

ভারত – অর্থনৈতিক পরিবেশ প্রশ্নের উত্তর Class 10 Geography এখানে WBNOTES.IN ওয়েবসাইটের পক্ষ থেকে দশম শ্রেণির মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের জন্য প্রদান করা হলো। মাধ্যমিক পরীক্ষা দিতে চলা দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা এই ভূগোল প্রশ্নের উত্তরগুলি তৈরি করে তাদের মাধ্যমিক ভূগোল পরীক্ষার প্রস্তুতি গ্রহণ করতে পারবে।

আমাদের ওয়েবসাইটের Class Note বিভাগে বিবিধ বিষয়ের প্রশ্নের উত্তর, Mock Test বিভাগে একাধিক বিষয়ের অসংখ্য মক টেস্ট, Suggestion বিভাগে অধ্যায়ভিত্তিক সাজেশন প্রদান করা হয়। আমাদের সকল আপডেট লাভ করতে নিয়মিত ভিজিট করো আমাদের ওয়েবসাইটটি। 

ভারত – অর্থনৈতিক পরিবেশ প্রশ্নের উত্তর Class 10 Geography : 

 

১. বহুবিকল্পভিত্তিক প্রশ্ন ও উত্তর (MCQ) 

  1. ভারতে ধান উৎপাদনে প্রথম স্থানাধিকারী রাজ্য কোনটি?

    (ক) পাঞ্জাব (খ) পশ্চিমবঙ্গ (গ) উত্তরপ্রদেশ (ঘ) অন্ধ্রপ্রদেশ

    উত্তর: (খ) পশ্চিমবঙ্গ

  2. ভারতের গম উৎপাদনে প্রথম স্থানাধিকারী রাজ্য হলো—

    (ক) পাঞ্জাব (খ) উত্তরপ্রদেশ (গ) মধ্যপ্রদেশ (ঘ) হরিয়ানা

    উত্তর: (খ) উত্তরপ্রদেশ (হেক্টর প্রতি উৎপাদনে প্রথম পাঞ্জাব)

  3. ‘সোনালী পানীয়’ (Golden Beverage) কাকে বলা হয়?

    (ক) কফি (খ) চা (গ) কোকো (ঘ) ডাবের জল

    উত্তর: (খ) চা

  4. ভারতের ‘চা-এর শহর’ (Tea City of India) কাকে বলা হয়?

    (ক) দার্জিলিং (খ) ডিব্রুগড় (গ) জোরহাট (ঘ) শিলং

    উত্তর: (খ) ডিব্রুগড় (আসাম)

  5. স্বাদ ও সুবাসের জন্য পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ চা কোনটি?

    (ক) দার্জিলিং চা (খ) আসাম চা (গ) নীলগিরি চা (ঘ) শ্রীলঙ্কার চা

    উত্তর: (ক) দার্জিলিং চা

  6. ভারতের কফি গবেষণাগারটি কোথায় অবস্থিত?

    (ক) চিকমাগালুর (খ) কাসারগড় (গ) কটক (ঘ) ব্যারাকপুর

    উত্তর: (ক) চিকমাগালুর (কর্ণাটক)

  7. ভারতে কফি উৎপাদনে প্রথম স্থানাধিকারী রাজ্য কোনটি?

    (ক) কেরালা (খ) কর্ণাটক (গ) তামিলনাড়ু (ঘ) অন্ধ্রপ্রদেশ

    উত্তর: (খ) কর্ণাটক

  8. ‘সোনালী তন্তু’ (Golden Fibre) বলা হয় কোন অর্থকরী ফসলকে?

    (ক) পাট (খ) কার্পাস বা তুলো (গ) রেশম (ঘ) শন

    উত্তর: (ক) পাট

  9. ভারতে কেন্দ্রীয় ধান গবেষণাগারটি কোথায় অবস্থিত?

    (ক) পুসা (খ) কটক (গ) ব্যারাকপুর (ঘ) কানপুর

    উত্তর: (খ) কটক (ওড়িশা)

  10. ভারতে কেন্দ্রীয় গম গবেষণাগারটি কোথায় অবস্থিত?

    (ক) পুসা (নয়াদিল্লি) (খ) দেরাদুন (গ) নাগপুর (ঘ) রাজমুন্দ্রি

    উত্তর: (ক) পুসা (নয়াদিল্লি)

  11. একটি বিশুদ্ধ কাঁচামালের (উপাদান সূচক বা Material Index = ১) উদাহরণ হলো—

    (ক) লোহা (খ) কয়লা (গ) তুলা বা কার্পাস (ঘ) চুনাপাথর

    উত্তর: (গ) তুলা বা কার্পাস

  12. ভারতের প্রথম সফল সুতিবস্ত্র বয়ন শিল্পটি কোথায় গড়ে উঠেছিল?

    (ক) কলকাতার ঘুসুড়িতে (খ) মুম্বাইয়ে (গ) সুরাটে (ঘ) আমেদাবাদে

    উত্তর: (ক) কলকাতার ঘুসুড়িতে (১৮১৮ খ্রি.)

  13. ‘ভারতের ম্যানচেস্টার’ বলা হয় কোন শহরকে?

    (ক) মুম্বাই (খ) কানপুর (গ) আমেদাবাদ (ঘ) কোয়েম্বাটুর

    উত্তর: (গ) আমেদাবাদ

  14. ‘উত্তর ভারতের ম্যানচেস্টার’ কাকে বলা হয়?

    (ক) লখনউ (খ) কানপুর (গ) বারাণসী (ঘ) আগ্রা

    উত্তর: (খ) কানপুর

  15. ‘দক্ষিণ ভারতের ম্যানচেস্টার’ কোন শহরকে বলে?

    (ক) চেন্নাই (খ) মাদুরাই (গ) কোয়েম্বাটুর (ঘ) সালেম

    উত্তর: (গ) কোয়েম্বাটুর

  16. ভারতের বৃহত্তম সরকারি লৌহ-ইস্পাত কারখানা কোনটি?

    (ক) ভিলাই (খ) দুর্গাপুর (গ) রৌরকেল্লা (ঘ) বোকারো

    উত্তর: (ক) ভিলাই (ছত্তিশগড়)

  17. ভারতের প্রথম আধুনিক সরকারি লৌহ-ইস্পাত কেন্দ্র কোনটি?

    (ক) টিসকো (TISCO) (খ) ভদ্রাবতী (গ) কুলটি (ঘ) দুর্গাপুর

    উত্তর: (খ) ভদ্রাবতী (ভিআইএসএল)

  18. ‘ভারতের রুঢ়’ (Ruhr of India) বলা হয় কোন শিল্পনগরীকে?

    (ক) আসানসোল (খ) দুর্গাপুর (গ) জামশেদপুর (ঘ) রাঁচি

    উত্তর: (খ) দুর্গাপুর

  19. ভারতের বৃহত্তম মোটরগাড়ি নির্মাণ কারখানা ‘মারুতি সুজুকি’ কোথায় অবস্থিত?

    (ক) গুরগাঁও বা গুরুগ্রাম (খ) পুনে (গ) চেন্নাই (ঘ) জামশেদপুর

    উত্তর: (ক) হরিয়ানার গুরুগ্রামে

  20. ভারতের বৃহত্তম তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা কোনটি?

    (ক) ইনফোসিস (খ) টিসিএস (TCS) (গ) উইপ্রো (ঘ) এইচসিএল

    উত্তর: (খ) টিসিএস (Tata Consultancy Services)

  21. ভারতের ‘সিলিকন ভ্যালি’ (Silicon Valley of India) বলা হয় কোন শহরকে?

    (ক) হায়দরাবাদ (খ) বেঙ্গালুরু (গ) চেন্নাই (ঘ) পুনে

    উত্তর: (খ) বেঙ্গালুরু

  22. ভারতের বৃহত্তম পেট্রোরসায়ন শিল্প কেন্দ্রটি গড়ে উঠেছে কোথায়?

    (ক) হলদিয়া (খ) জামনগর (গ) ট্রম্বে (ঘ) বরৌনি

    উত্তর: (খ) জামনগর (গুজরাট — রিলায়েন্স)

  23. পূর্ব ভারতের প্রধান প্রযুক্তি ও বন্দর কেন্দ্রিক পেট্রোরসায়ন শিল্প গড়ে উঠেছে—

    (ক) রৌরকেল্লায় (খ) হলদিয়ায় (গ) দুর্গাপুরে (ঘ) পারাদ্বীপে

    উত্তর: (খ) হলদিয়ায়

  24. ২০১১ খ্রিস্টাব্দের আদমশুমারি অনুসারে ভারতের জনঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে—

    (ক) ৩২৫ জন (খ) ৩৮২ জন (গ) ৪১৫ জন (ঘ) ৩৫০ জন

    উত্তর: (খ) ৩৮২ জন

  25. ২০১১ সালের জনগণনা অনুযায়ী ভারতের সর্বাধিক জনঘনত্বপূর্ণ রাজ্য কোনটি?

    (ক) পশ্চিমবঙ্গ (খ) বিহার (গ) উত্তরপ্রদেশ (ঘ) কেরালা

    উত্তর: (খ) বিহার (১,১০২ জন/বর্গ কিমি; দ্বিতীয় পশ্চিমবঙ্গ ১০২৮ জন/বর্গ কিমি)

  26. ভারতের সর্বনিম্ন জনঘনত্বপূর্ণ রাজ্য হলো—

    (ক) সিকিম (খ) অরুণাচল প্রদেশ (গ) মিজোরাম (ঘ) নাগাল্যান্ড

    উত্তর: (খ) অরুণাচল প্রদেশ (১৭ জন/বর্গ কিমি)

  27. ভারতের সর্বাধিক স্বাক্ষর রাজ্য কোনটি?

    (ক) ত্রিপুরা (খ) কেরালা (গ) মিজোরাম (ঘ) গোয়া

    উত্তর: (খ) কেরালা (স্বাক্ষরতার হার প্রায় ৯৪%)

  28. ভারতের ‘সোনালী চতুর্ভুজ’ (Golden Quadrilateral) যুক্ত করেছে—

    (ক) ৪টি প্রধান মহানগরকে (দিল্লি, মুম্বাই, চেন্নাই, কলকাতা) (খ) ৪টি সমুদ্রবন্দরকে (গ) ৪টি নদীকে (ঘ) ৪টি শিল্পাঞ্চলকে

    উত্তর: (ক) ৪টি প্রধান মহানগরকে

  29. ভারতের দীর্ঘতম জাতীয় মহাসড়ক (National Highway) কোনটি?

    (ক) NH-7 (খ) NH-44 (গ) NH-2 (ঘ) NH-6

    উত্তর: (খ) NH-44 (শ্রীনগর থেকে কন্যাকুমারিকা; পূর্বে NH-7 ছিল)

  30. ভারতের শুল্কমুক্ত বন্দর (Free Trade Port) কোনটি?

    (ক) মার্মাগাঁও (খ) কান্ডালা (দীনদয়াল বন্দর) (গ) কোচিন (ঘ) পারাদ্বীপ

    উত্তর: (খ) কান্ডালা (গুজরাট)

@ ভারত – অর্থনৈতিক পরিবেশ প্রশ্নের উত্তর – WBNOTES.IN

২. একটি বাক্যে উত্তরভিত্তিক প্রশ্ন (SAQ) 

  1. জায়েদ শস্য (Zaid Crop) কাকে বলে?

    উত্তর: গ্রীষ্মকালে (মার্চ থেকে মে মাসের মধ্যে) অতিরিক্ত সেচের ওপর নির্ভর করে চাষ করা ফসলকে জায়েদ শস্য বলে (যেমন—আউশ ধান, তরমুজ, শসা)।

  2. খরিফ শস্য কোন ঋতুতে বোনা এবং কাটা হয়?

    উত্তর: বর্ষার শুরুতে (জুন-জুলাই) বোনা হয় এবং শরৎ-হেমন্তকালে (অক্টোবর-নভেম্বর) ফসল তোলা হয় (যেমন—আমন ধান)।

  3. রবি শস্য কাকে বলে?

    উত্তর: শীতের শুরুতে (অক্টোবর-নভেম্বর) যে শস্য বোনা হয় এবং বসন্তে (মার্চ-এপ্রিল) কাটা হয়, তাকে রবি শস্য বলে (যেমন—গম, সরিষা)।

  4. মিলেট (Millet) জাতীয় শস্য বলতে কী বোঝায়?

    উত্তর: জোয়ার, বাজরা ও রাগীর মতো শুষ্ক অঞ্চলের নিকৃষ্ট ক্ষুদ্র দানাদার খাদ্যশস্যকে একত্রে মিলেট বলে।

  5. ভারতের কেন্দ্রীয় কার্পাস গবেষণাগারটি কোথায় অবস্থিত?

    উত্তর: মহারাষ্ট্রের নাগপুরে।

  6. ভারতের কেন্দ্রীয় ইক্ষু বা আখ গবেষণাগার কোথায় অবস্থিত?

    উত্তর: উত্তরপ্রদেশের লখনউতে (অন্য একটি প্রজনন কেন্দ্র কোয়েম্বাটুরে অবস্থিত)।

  7. অণুসার শিল্প বা ডাউনস্ট্রিম ইন্ডাস্ট্রি (Downstream Industry) কী?

    উত্তর: কোনো প্রধান মূল শিল্প (যেমন—পেট্রোরসায়ন শিল্প) থেকে উপজাত দ্রব্য সংগ্রহ করে তার ওপর নির্ভর করে যেসব সহায়ক ক্ষুদ্র শিল্প গড়ে ওঠে, তাকে অণুসার শিল্প বলে (যেমন—প্লাস্টিক বালতি বা চিরুনি কারখানা)।

  8. শিকড়-আলগা শিল্প বা ফুটলুজ ইন্ডাস্ট্রি (Footloose Industry) কাকে বলে?

    উত্তর: যেসব শিল্প কাঁচামালের ওজন না কমার কারণে (বিশুদ্ধ কাঁচামাল) বাজার বা কাঁচামাল—যেকোনো স্থানেই গড়ে তোলা যায়, তাকে শিকড়-আলগা শিল্প বলে (যেমন—কার্পাস বয়ন শিল্প)।

  9. সবুজ বিপ্লব (Green Revolution) শব্দটির প্রবক্তা কে?

    উত্তর: উইলিয়াম গড (ভারতে সবুজ বিপ্লবের জনক হলেন ড. এম. এস. স্বামীনাথন)।

  10. ভারতের প্রথম পেট্রোরসায়ন শিল্প কেন্দ্র কোনটি?

    উত্তর: মহারাষ্ট্রের ট্রম্বেতে অবস্থিত ‘ইউনিয়ন কার্বাইড ইন্ডিয়া লিমিটেড’ (১৯৬৬ খ্রি.)।

  11. পেট্রোরসায়ন শিল্পকে ‘সব শিল্পের আধুনিক চাবিকাঠি’ বা ‘সূর্যোদয় শিল্প’ বলা হয় কেন?

    উত্তর: বর্তমান আধুনিক সভ্যতায় প্লাস্টিক, কৃত্রিম সুতো, রবার ও ওষুধের মতো হাজারো নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস তৈরিতে এই শিল্পের দ্রুত বিকাশ ঘটছে বলে একে ‘সূর্যোদয় শিল্প’ (Sunrise Industry) বলে।

  12. ভারতের প্রধান জাহাজ নির্মাণ কেন্দ্র কোনটি?

    উত্তর: অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমে অবস্থিত ‘হিন্দুস্তান শিপইয়ার্ড’।

  13. জনঘনত্ব (Population Density) পরিমাপের গাণিতিক সূত্রটি লেখো।

    উত্তর: জনঘনত্ব = $\frac{\text{কোনো দেশের মোট জনসংখ্যা}}{\text{সেই দেশের মোট ভূমির ক্ষেত্রফল (বর্গ কিমি)}}$

  14. ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী ভারতের সামগ্রিক গড় স্বাক্ষরতার হার কত?

    উত্তর: ৭৪.০৪ শতাংশ (পুরুষ ৮২.১৪% এবং মহিলা ৬৫.৪৬%)।

  15. কাম্য জনসংখ্যা (Optimum Population) কাকে বলে?

    উত্তর: কোনো দেশের প্রাপ্ত প্রাকৃতিক সম্পদের সাথে সামঞ্জস্য রেখে যে পরিমাণ জনসংখ্যা থাকলে মানুষের মাথাপিছু আয় ও জীবনযাত্রার মান সর্বোচ্চ হয়, তাকে কাম্য জনসংখ্যা বলে।

  16. ভারতের প্রবেশদ্বার (Gateway of India) বলা হয় কোন শহর ও বন্দরকে?

    উত্তর: মুম্বাইকে।

  17. ভারতের নবীনতম ও সর্বাধুনিক হাইটেক বন্দর কোনটি?

    উত্তর: মহারাষ্ট্রের জওহরলাল নেহরু বন্দর বা নভসেবা (Nhava Sheva)।

  18. সোনালী চতুর্ভুজ প্রকল্পের মোট দৈর্ঘ্য কত?

    উত্তর: প্রায় ৫,৮৪৬ কিলোমিটার।

  19. উত্তর-দক্ষিণ করিডোর কোন দুটি প্রান্তিক শহরকে যুক্ত করেছে?

    উত্তর: জম্মু ও কাশ্মীরের শ্রীনগর থেকে তামিলনাড়ুর কন্যাকুমারিকাকে।

  20. ভারতের কেন্দ্রীয় সড়ক গবেষণাগার (CRRI) কোথায় অবস্থিত?

    উত্তর: নতুন দিল্লিতে।

@ ভারত – অর্থনৈতিক পরিবেশ প্রশ্নের উত্তর – WBNOTES.IN

 

৩. সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যামূলক প্রশ্নোত্তর (মান: ২) 

১. ‘শস্যাবর্তন’ (Crop Rotation) কাকে বলে?

উত্তর: একই কৃষিজমিতে সারা বছর ধরে একটানা একই শস্য চাষ না করে মাটির উর্বরতা অক্ষুণ্ণ রাখার উদ্দেশ্যে পর্যায়ক্রমিক পদ্ধতিতে খাদ্যশস্য, অর্থকরী শস্য এবং ডাল বা তৈলবীজের আবর্তন ঘটিয়ে বৈজ্ঞানিক উপায়ে চাষ করাকে শস্যাবর্তন বলে। এতে মাটিতে নাইট্রোজেনের স্বাভাবিক ভারসাম্য বজায় থাকে।

২. ধাপ চাষ ও ফালি চাষের মধ্যে পার্থক্য কী?

উত্তর:

  • ধাপ চাষ (Terrace Farming): খাড়া পাহাড়ি ঢালে মাটির ক্ষয় রোধ করতে সিঁড়ির মতো চওড়া ধাপ কেটে সমতল জমি তৈরি করে চাষাবাদ করা হয়।

  • ফালি চাষ (Strip Cropping): বিস্তৃত পাহাড়ি ঢাল বরাবর সমোন্নতি রেখা মেনে সরু সরু ফালি বা ফিতের মতো জমিতে বিভিন্ন ফসল আড়াআড়িভাবে রোপণ করে বৃষ্টির জলের স্রোতের ক্ষয় কমানো হয়।

৩. ‘সবুজ বিপ্লব’ (Green Revolution) বলতে কী বোঝায়?

উত্তর: বিশ শতকের ষাটের দশকে (১৯৬৬-৬৭) ভারত সরকারের উদ্যোগে উচ্চফলনশীল বীজ (HYV), রাসায়নিক সার, কীটনাশক ও আধুনিক কৃত্রিম জলসেচের সমন্বয়ে বিশেষ করে পাঞ্জাব ও হরিয়ানায় গম ও ধানের উৎপাদনে যে অভাবনীয় যুগান্তকারী বৃদ্ধি ঘটেছিল, তাকে ভারতে সবুজ বিপ্লব বলে।

৪. বিশুদ্ধ কাঁচামাল ও অবিশুদ্ধ কাঁচামালের মধ্যে পার্থক্য কী?

উত্তর:

  • বিশুদ্ধ কাঁচামাল: যেসব কাঁচামাল শিল্পে ব্যবহারের পর ওজনে হ্রাস পায় না (উপাদান সূচক বা Material Index = ১)। যেমন—তুলা বা কার্পাস।

  • অবিশুদ্ধ কাঁচামাল: যেসব কাঁচামাল শিল্পে ব্যবহারের ফলে বর্জ্য বের হয় এবং উৎপাদিত পণ্যের ওজন কাঁচামালের চেয়ে অনেক কমে যায় (Material Index $> ১$)। যেমন—লৌহ আকরিক, কয়লা, আখ।

৫. আমেদাবাদকে ‘ভারতের ম্যানচেস্টার’ বলা হয় কেন?

উত্তর: ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টার শহর যেমন সুতিবস্ত্র শিল্পে বিশ্ববিখ্যাত, তেমনি গুজরাটের আমেদাবাদ শহরে সংলগ্ন রেগুর মাটির তুলার প্রাচুর্য, আর্দ্র আবহাওয়া, শবরমতী নদীর মিষ্টি জল এবং আধুনিক পরিকাঠামোর সুবিধার কারণে ভারতের সর্বাধিক সংখ্যক সুতাকল গড়ে উঠেছে। বস্ত্র উৎপাদনে ভারতের মধ্যে শীর্ষস্থান অধিকার করায় একে ‘ভারতের ম্যানচেস্টার’ বলা হয়।

৬. দুর্গাপুরকে ‘ভারতের রুঢ়’ বলা হয় কেন?

উত্তর: জার্মানির রুঢ় নদীর অববাহিকায় কয়লা ও খনিজের প্রাচুর্যে যেমন সুবিশাল ভারী লৌহ-ইস্পাত ও প্রকৌশল শিল্পবলয় গড়ে উঠেছে, ঠিক তেমনি পশ্চিমবঙ্গের দামোদর উপত্যকার কয়লা, রানিগঞ্জের বিদ্যুৎ এবং উন্নত যোগাযোগকে কেন্দ্র করে দুর্গাপুরে সরকারি ও বেসরকারি বহু ভারী লৌহ-ইস্পাত ও সংকর ইস্পাত কারখানা গড়ে উঠেছে। তাই দুর্গাপুরকে ‘ভারতের রুঢ়’ বলা হয়।

৭. তথ্যপ্রযুক্তি শিল্প (Information Technology Industry) বলতে কী বোঝায়?

উত্তর: কম্পিউটার হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, ইন্টারনেট ও দূরযোগাযোগ ব্যবস্থার সমন্বয়ে তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ ও বিশ্বব্যাপী আদান-প্রদান সম্পর্কিত আধুনিক জ্ঞানভিত্তিক পরিষেবা শিল্পকে তথ্যপ্রযুক্তি শিল্প বলে। ভারতের বেঙ্গালুরু, পুনে ও হায়দরাবাদ এই শিল্পের প্রধান কেন্দ্র।

৮. বেঙ্গালুরুকে ‘ভারতের সিলিকন ভ্যালি’ বলা হয় কেন?

উত্তর: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সিলিকন ভ্যালি যেমন ইলেকট্রনিক্স ও আইটি শিল্পের বিশ্বসেরা কেন্দ্র, ঠিক তেমনি ভারতের কর্ণাটকের বেঙ্গালুরু শহরে অত্যন্ত মনোরম আবহাওয়া, সুলভ দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার, অনুকূল সরকারি নীতি এবং ইসরো (ISRO), ইনফোসিস ও উইপ্রোর প্রধান কার্যালয় থাকার কারণে ভারতের বৃহত্তম তথ্যপ্রযুক্তি ক্লাস্টার গড়ে উঠেছে। তাই একে ভারতের সিলিকন ভ্যালি বলে।

৯. আউটসোর্সিং বা চুক্তিভিত্তিক বহিঃউৎসায়ন (Outsourcing) কী?

উত্তর: কোনো কোম্পানি বা শিল্পসংস্থা তাদের কাজের ব্যয় কমাতে ও গুণমান বাড়াতে নিজেদের কিছু নির্দিষ্ট পরিষেবা (যেমন—সফটওয়্যার তৈরি, ডেটা এন্ট্রি, কাস্টমার কেয়ার সাপোর্ট বা BPO) বাইরের কোনো দক্ষ তৃতীয় পক্ষ সংস্থাকে দিয়ে করিয়ে নেওয়াকে আউটসোর্সিং বলে। ভারত আউটসোর্সিং পরিষেবায় বিশ্বে শীর্ষে।

১০. কাম্য জনসংখ্যা ও জনাধিক্যের মধ্যে পার্থক্য কী?

উত্তর:

  • কাম্য জনসংখ্যা: যখন কোনো দেশের প্রাপ্ত প্রাকৃতিক সম্পদের সাথে জনসংখ্যার এমন ভারসাম্য থাকে যেখানে মাথাপিছু আয় সর্বোচ্চ হয়।

  • জনাধিক্য (Overpopulation): যখন কোনো দেশের সম্পদের তুলনায় জনসংখ্যা মাত্রাতিরিক্ত বৃদ্ধি পায় এবং তার ফলে খাদ্যসংকট, দারিদ্র্য ও বেকারত্ব প্রকট হয়ে ওঠে (যেমন—ভারত)।

১১. সোনালী চতুর্ভুজ (Golden Quadrilateral) প্রকল্প কী?

উত্তর: ভারতের চারটি প্রধান মেগাসিটি—দিল্লি, মুম্বাই, চেন্নাই এবং কলকাতাকে ৫,৮৪৬ কিমি দীর্ঘ চার থেকে ছয় লেনের দ্রুতগামী জাতীয় মহাসড়ক দ্বারা যুক্ত করার যে কেন্দ্রীয় এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে, তাকে সোনালী চতুর্ভুজ বলে। এটি পরিবহন ক্ষেত্রে সময় ও জ্বালানি সাশ্রয় ঘটিয়েছে।

১২. রত্নগর্ভ জলপথ বা ‘হীরক চতুর্ভুজ’ (Diamond Quadrilateral) কী?

উত্তর: সোনালী চতুর্ভুজের অনুকরণে ভারতের প্রধান চারটি মহানগরকে (দিল্লি, মুম্বাই, চেন্নাই, কলকাতা) যুক্ত করার জন্য পরিকল্পিত উচ্চগতিসম্পন্ন বুলেট ট্রেন বা হাই-স্পিড রেল নেটওয়ার্কের মহাপরিকল্পনাকে হীরক চতুর্ভুজ বলা হয়।

১৩. রোপওয়ে ও পাইপলাইনের উপযোগিতা কী?

উত্তর:

  • রোপওয়ে: দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে যেখানে সড়ক বা রেলপথ নির্মাণ অসম্ভব, সেখানে খনিজ পদার্থ পরিবহন ও যাত্রী যাতায়াতের এক পরিবেশবান্ধব মাধ্যম।

  • পাইপলাইন (নলপথ): খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস ও তরলীকৃত লৌহ আকরিক মাটির নিচ দিয়ে একটানা, কম খরচে ও অপচয়হীনভাবে দূরবর্তী শোধনাগারে পাঠানোর সর্বশ্রেষ্ঠ আধুনিক মাধ্যম।

১৪. অনুসারী বন্দর বা সহায়ক বন্দর (Satellite Port) কী?

উত্তর: কোনো একটি প্রধান প্রাচীন সমুদ্রবন্দরের ওপর অত্যধিক পণ্য খালাস ও জাহাজের ভিড়ের চাপ কমাতে তার অদূরে আধুনিক সুবিধাযুক্ত যে নতুন সহায়ক বন্দর গড়ে তোলা হয়, তাকে অনুসারী বন্দর বলে। যেমন—কলকাতা বন্দরের চাপ কমাতে গড়ে উঠেছে হলদিয়া বন্দর, এবং মুম্বাই বন্দরের চাপ কমাতে গড়ে উঠেছে নভসেবা বন্দর।

১৫. ভারতের নগরায়নের দুটি প্রধান সমস্যা উল্লেখ করো।

উত্তর:

  • বস্তির বিস্তার ও বাসস্থানের অভাব: গ্রাম থেকে জীবিকার সন্ধানে শহরে বিপুল মানুষের ভিড় জমার ফলে মুম্বাইয়ের ‘ধারাভী’-র মতো অস্বাস্থ্যকর, বিদ্যুৎহীন ও ঘিঞ্জি বস্তি গড়ে উঠছে।

  • যানজট ও নিকাশি সংকট: অপরিকল্পিত নগরায়নের ফলে রাস্তায় তীব্র ট্রাফিক জ্যাম, দূষণ এবং বর্ষাকালে পয়ঃপ্রণালী অবরুদ্ধ হয়ে কৃত্রিম জলমগ্নতার সৃষ্টি হচ্ছে।

@ ভারত – অর্থনৈতিক পরিবেশ প্রশ্নের উত্তর – WBNOTES.IN

 

৪. সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যামূলক প্রশ্নোত্তর (মান: ৩) 

প্রশ্ন ১: ভারতে কৃষির প্রধান তিনটি বৈশিষ্ট্য আলোচনা করো।

উত্তর:

ভারতের কৃষিব্যবস্থার অনন্য তিনটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য নিচে উল্লেখ করা হলো:

  • ১. জীবিকাসত্তাভিত্তিক কৃষি: ভারতের অধিকাংশ কৃষক বাণিজ্যিক মুনাফার চেয়ে নিজেদের পরিবারের খাদ্য সংস্থানের জন্য কৃষিকাজ করেন। জনসংখ্যার অত্যধিক চাপের কারণে মাথাপিছু জমির আয়তন ছোট হওয়ায় এখানে নিবিড় কৃষিপদ্ধতিতে পারিবারিক শ্রমে জমি চাষ করা হয়।

  • ২. মৌসুমি বায়ুর ওপর চরম নির্ভরশীলতা: ভারতীয় কৃষির সাফল্য সম্পূর্ণভাবে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর সময়মতো আগমন ও পর্যাপ্ত বৃষ্টির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। অনাবৃষ্টি হলে খরা এবং অতিবৃষ্টি হলে বিধ্বংসী বন্যায় ফসল নষ্ট হয়; এজন্য ভারতীয় কৃষিকে ‘মৌসুমি বায়ুর জুয়াখেলা’ বলা হয়।

  • ৩. খাদ্যশস্যের প্রাধান্য ও পশুশক্তির ব্যবহার: ভারতের মোট কর্ষিত জমির প্রায় ৬৫-৭০% অংশে ধান, গম, ডাল ও জোয়ারের মতো প্রত্যক্ষ খাদ্যশস্য চাষ করা হয়। আধুনিকীকরণ সত্ত্বেও এখনো ভারতের বহু গ্রামীণ প্রান্তে ট্রাক্টরের বদলে বলদ ও কাঠের লাঙল দিয়ে সনাতনী পদ্ধতিতে চাষাবাদ চলে।

প্রশ্ন ২: ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের দ্রুত উন্নতির তিনটি কারণ লেখো।

উত্তর:

বিগত তিন দশকে ভারতে জ্ঞানভিত্তিক তথ্যপ্রযুক্তি (IT) শিল্পের অভাবনীয় বিকাশের কারণগুলি হলো:

  • প্রচুর দক্ষ ও ইংরেজিভাষী জনশক্তি: ভারতে প্রতি বছর আইআইটি (IIT) ও বিভিন্ন ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে লক্ষ লক্ষ প্রযুক্তিবিদ ও সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার পাস করে বের হন, যাঁরা অত্যন্ত দক্ষ এবং আন্তর্জাতিক স্তরে ইংরেজি ভাষায় সাবলীল যোগাযোগে পারদর্শী।

  • তুলনামূলক কম শ্রমব্যয় (Cost Advantage): আমেরিকা বা ইউরোপের তুলনায় ভারতে অনেক কম বেতনে বিশ্বমানের সফটওয়্যার প্রোগ্রামার ও বিপিও কর্মী পাওয়া যায়। ফলে বহুজাতিক কোম্পানিগুলি ভারতে তাদের শাখা খুলতে বেশি আগ্রহী।

  • অনুকূল সরকারি নীতি ও পরিকাঠামো: ভারত সরকারের সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক (STPI) স্থাপন, কর ছাড়ের সুবিধা, উচ্চগতির অপটিক্যাল ফাইবার ইন্টারনেট এবং বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (SEZ) গড়ে তোলার ফলে এই শিল্পের বিকাশ ঘটেছে।

প্রশ্ন ৩: পশ্চিম ভারতে পেট্রোরসায়ন শিল্পের কেন্দ্রীভবনের তিনটি প্রধান কারণ লেখো।

উত্তর:

ভারতের গুজরাট ও মহারাষ্ট্র রাজ্যে পেট্রোরসায়ন শিল্পের অভূতপূর্ব কেন্দ্রীভবনের কারণগুলি হলো:

  • কাঁচামালের সহজলভ্যতা: পেট্রোরসায়ন শিল্পের প্রধান কাঁচামাল হলো ‘ন্যাফথা’ (Naphtha), যা খনিজ তেল শোধনাগার থেকে পাওয়া যায়। বোম্বে হাই, আঙ্কেলেশ্বর ও কাম্বে তৈলক্ষেত্রের নৈকট্য এবং জামনগর, ট্রম্বে ও কোয়ালি তেল শোধনাগার থেকে নিয়মিত প্রচুর ন্যাফথা সরবরাহ পাওয়া যায়।

  • উন্নত বন্দর ও আমদানি সুবিধা: পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত মুম্বাই, কান্ডালা, জওহরলাল নেহরু প্রভৃতি আধুনিক গভীর পোতাশ্রয়যুক্ত বন্দরের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় দেশগুলি থেকে সহজেই অপরিশোধিত খনিজ তেল আমদানি করা যায়।

  • বিশাল অভ্যন্তরীণ বাজার ও মূলধন: পশ্চিম ভারত দেশের সবচেয়ে অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল অঞ্চল। রিলায়েন্স, টাটা প্রভৃতি বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠীর বিপুল বিনিয়োগ এবং সংলগ্ন প্লাস্টিক, কৃত্রিম সুতো ও রং কারখানার বিশাল অভ্যন্তরীণ চাহিদা থাকায় এই শিল্পের দ্রুত বিস্তার ঘটেছে।

প্রশ্ন ৪: ভারতে জনসংখ্যার দ্রুত বৃদ্ধির তিনটি প্রধান কারণ সংক্ষেপে আলোচনা করো।

উত্তর:

ভারতে জনসংখ্যা বিস্ফোরণ বা দ্রুত বৃদ্ধির প্রধান নিয়ামকগুলি হলো:

  • উচ্চ জন্মহার ও মৃত্যুহারের দ্রুত হ্রাস: আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান, টিকাকরণ ও জনস্বাস্থ্যের উন্নতির ফলে প্লেগ, কলেরা ও গুটিবসন্তের মতো মহামারী নিয়ন্ত্রণে এসেছে এবং মানুষের গড় আয়ু বেড়েছে। ফলে মৃত্যুহার নাটকীয়ভাবে কমলেও তুলনায় জন্মহার খুব ধীরে কমেছে, যা প্রাকৃতিক জনসংখ্যা বৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করেছে।

  • বাল্যবিবাহ ও দারিদ্র্য: ভারতের গ্রামীণ অঞ্চলে এখনও অজ্ঞতা, কুসংস্কার ও বাল্যবিবাহের প্রচলন রয়েছে। এছাড়া চরম দারিদ্র্যের কারণে পরিবারে অধিক সন্তানকে ‘উপার্জনের বাড়তি হাত’ বা সম্পদ মনে করার মানসিকতা জন্মহার বাড়ায়।

  • উদ্বাস্তু ও অনুপ্রবেশ: ১৯৪৭ সালের দেশভাগ, ১৯৭১ সালের বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ এবং সীমান্ত পেরিয়ে ক্রমাগত বেআইনি অনুপ্রবেশের ফলেও ভারতের জনসংখ্যা বিপুল পরিমাণে স্ফীত হয়েছে।

প্রশ্ন ৫: জলপথকে ‘সর্বাপেক্ষা সস্তা পরিবহন মাধ্যম’ বলা হয় কেন?

উত্তর:

সড়ক ও রেলপথের তুলনায় জলপথ অর্থনৈতিকভাবে সবচেয়ে সাশ্রয়ী কারণ:

  • কোনো স্থায়ী পথ নির্মাণ ব্যয় নেই: নদী বা সমুদ্র হলো প্রকৃতির দেওয়া উন্মুক্ত রাজপথ। সড়ক বা রেলের মতো জলপথে কোটি কোটি টাকা খরচ করে লাইন পাতার বা পিচের রাস্তা বানানোর প্রয়োজন হয় না; কেবল বন্দর রক্ষণাবেক্ষণের খরচ লাগে।

  • ঘর্ষণ বল কম ও জ্বালানি সাশ্রয়: জলের প্লবতা শক্তি ও কম ঘর্ষণজনিত বাধার কারণে একটি জাহাজ এক লিটার জ্বালানিতে যে পরিমাণ মালপত্র যত দূর নিয়ে যেতে পারে, সড়কপথে তার চেয়ে অনেক বেশি জ্বালানি খরচ হয়।

  • ভারী ও স্থূল পণ্য পরিবহনের আদর্শ মাধ্যম: কয়লা, লৌহ আকরিক, সিমেন্ট বা পেট্রোলিয়ামের মতো হাজার হাজার টন ওজনের বিপুল পণ্য একসাথে খুব কম ভাড়ায় এক দেশ থেকে অন্য দেশে পাঠানোর ক্ষেত্রে জলপথের কোনো বিকল্প নেই।

@ ভারত – অর্থনৈতিক পরিবেশ প্রশ্নের উত্তর – WBNOTES.IN

 

৫. রচনাধর্মী প্রশ্নোত্তর (মান: ৫) 

প্রশ্ন ১: পূর্ব ও মধ্য ভারতে লৌহ-ইস্পাত শিল্পের কেন্দ্রীভবনের কারণগুলি বিশ্লেষণ করো। (৫)

উত্তর:

ভারতের প্রায় সমস্ত বৃহৎ লৌহ-ইস্পাত কারখানাগুলি—যেমন জামশেদপুরের টিসকো (TISCO), দুর্গাপুর, আসানসোলের বার্নপুর-কুলটি (IISCO), বোকারো, রৌরকেল্লা এবং ভিলাই—একচেটিয়াভাবে পূর্ব ও মধ্য ভারতে (ঝাড়খণ্ড, পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা ও ছত্তিশগড় রাজ্যে) কেন্দ্রীভূত হয়েছে। ওয়েবারের শিল্পস্থানিকতা তত্ত্ব অনুসারে লৌহ-ইস্পাত শিল্প একটি ভারী ও অশুদ্ধ কাঁচামালভিত্তিক শিল্প (Material Index $> ১$), যার প্রধান কেন্দ্রীভবনের কারণগুলি নিচে আলোচিত হলো:

                  [পূর্ব ও মধ্য ভারতে লৌহ-ইস্পাত শিল্পের কেন্দ্রীভবন]
  
      আকরিক লোহা                    কয়লার জোগান                  অন্যান্য সুবিধা
  -----------------------        ---------------------        -----------------------
  - সিংভূম (নোয়ামুন্ডি, গুয়া)     - ঝরিয়া ও রানিগঞ্জ         - উন্নত রেলপথ (পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব)
  - ময়ূরভঞ্জ (গুরুমহিষানি)      - বোকারো ও গিরিডি            - কলকাতা ও হলদিয়া বন্দরের নৈকট্য
  - সুন্দরগড়, বাইলাডিলা         - করণপুরা                    - জল: দামোদর, সুবর্ণরেখা, ব্রাহ্মণী

১. উন্নত লৌহ আকরিকের সহজলভ্যতা:

  • লৌহ-ইস্পাত শিল্পের মূল কাঁচামাল হলো আকরিক লোহা। ওড়িশার ময়ূরভঞ্জ (গুরুমহিষানি, বাদামপাহাড়), কেওঁঝর, সুন্দরগড় এবং ঝাড়খণ্ডের পশ্চিম সিংভূম (নোয়ামুন্ডি, গুয়া, চিরিয়া) এবং ছত্তিশগড়ের বাইলাডিলা খনি থেকে উৎকৃষ্ট মানের হেমাটাইট আকরিক লোহা খুব কম পরিবহন খরচে কারখানায় পৌঁছায়।

২. কয়লার নৈকট্য ও অফুরন্ত জোগান:

  • এক টন ইস্পাত তৈরি করতে প্রায় ১.৫ থেকে ২ টন কোকিং কয়লা প্রয়োজন হয়।

  • দামোদর উপত্যকার ঝরিয়া, রানিগঞ্জ, বোকারো এবং গিরিডি খনি থেকে ভারতের শ্রেষ্ঠ মানের কোকিং ও বিটুমিনাস কয়লা পাওয়া যায়, যা এই অঞ্চলের লৌহ কারখানাগুলির শক্তির মূল ভিত্তি।

৩. অন্যান্য সহায়ক খনিজ সম্পদের নৈকট্য:

  • লোহা গলানোর জন্য প্রয়োজনীয় ফ্লাক্স বা বিগলক উপাদান চুনাপাথর ও ডলোমাইট ওড়িশার বীরমিত্রপুর ও সুন্দরগড় থেকে এবং ম্যাঙ্গানিজ পাওয়া যায় ওড়িশার কেওঁঝর ও গাংপুর থেকে।

৪. পর্যাপ্ত জলের জোগান:

  • লোহা ঠান্ডা করার জন্য বিপুল মিষ্টি জলের প্রয়োজন হয়। দামোদর, সুবর্ণরেখা, খরকাই, শঙ্খ এবং ব্রাহ্মণী নদীর জলাধার থেকে কারখানাগুলিতে নিরবচ্ছিন্ন জলের জোগান নিশ্চিত করা হয়েছে।

৫. পরিবহন ব্যবস্থা ও কলকাতা বন্দরের সুবিধা:

  • পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব রেলপথ এবং NH-19 (পুরোনো জিটি রোড) সমগ্র অঞ্চলটিকে যুক্ত করেছে। এছাড়া নিকটে কলকাতা ও হলদিয়া বন্দর থাকার কারণে বিদেশে তৈরি ইস্পাত রপ্তানি এবং বিদেশ থেকে আধুনিক ভারী যন্ত্রপাতি আমদানি করা অত্যন্ত সহজসাধ্য হয়েছে।

৬. সুলভ শ্রমিক ও বাজার:

  • সংলগ্ন ঘনবসতিপূর্ণ বিহার, ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড ও পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রচুর সস্তা অদক্ষ ও আধা-দক্ষ শ্রমিক পাওয়া যায়। পাশাপাশি দুর্গাপুর, চিত্তরঞ্জন, কলকাতা ও আসানসোলের রেল ও ভারী ইঞ্জিনিয়ারিং কারখানাগুলিতে উৎপাদিত ইস্পাতের এক বিশাল তৈরি অভ্যন্তরীণ বাজার রয়েছে।

@ ভারত – অর্থনৈতিক পরিবেশ প্রশ্নের উত্তর – WBNOTES.IN

প্রশ্ন ২: অনুকূল ভৌগোলিক পরিবেশ: (ক) ধান চাষ অথবা (খ) চা চাষের জন্য কী কী প্রাকৃতিক ও অর্থনৈতিক অবস্থা প্রয়োজন? (৫)

(মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রচলিত প্যাটার্ন মেনে ধান ও চা—উভয়েরই সম্পূর্ণ বিবরণ পয়েন্ট আকারে নিচে দেওয়া হলো, যাতে যেকোনো একটি এলেও পূর্ণমান পাওয়া যায়)

(ক) ধান চাষের অনুকূল ভৌগোলিক পরিবেশ:

ধান হলো ভারতের প্রধান খাদ্যশস্য। এটি একটি উপক্রান্তীয় ও ক্রান্তীয় মৌসুমী অঞ্চলের ফসল। এর অনুকূল পরিবেশগুলি হলো:

১. প্রাকৃতিক পরিবেশ:

  • উষ্ণতা: ধান চাষের জন্য গড়ে ২০° থেকে ৩০° সেলসিয়াস তাপমাত্রার প্রয়োজন হয়। চারা গজানোর সময় কিছুটা কম তাপমাত্রা এবং ধান পাকার সময় মেঘমুক্ত উজ্জ্বল রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়া আবশ্যক।

  • বৃষ্টিপাত: প্রচুর জল প্রয়োজন হয়; বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ১০০ থেকে ২০০ সেমি ধান চাষের পক্ষে আদর্শ। চারা বৃদ্ধির প্রাথমিক পর্যায়ে অন্তত এক মাস জমিতে ৫–১০ সেমি জল জমে থাকা অত্যন্ত দরকার। কম বৃষ্টিযুক্ত অঞ্চলে সেচের সাহায্য নিতে হয়।

  • মৃত্তিকা: নদীর উর্বর পলিমাটি এবং দোআঁশ বা এঁটেল মাটি ধান চাষের জন্য শ্রেষ্ঠ, কারণ এঁটেল মাটির জলধারণ ক্ষমতা বেশি থাকে।

  • ভূমির প্রকৃতি: জল জমে থাকার সুবিধার্থে একদম সমতল নিচু জমি ধান চাষের পক্ষে সবচেয়ে বেশি উপযোগী। পাহাড়ি অঞ্চলে ধাপ কেটেও চাষ করা হয়।

২. অর্থনৈতিক পরিবেশ:

  • সুলভ শ্রমিক: জমি তৈরি, চারা রোপণ, আগাছা নিড়ানো ও ফসল কাটার জন্য প্রচুর সংখ্যায় সস্তা ও দক্ষ দিনমজুরের প্রয়োজন হয়।

  • সার ও কীটনাশক: মাটির উর্বরতা বাড়াতে পর্যাপ্ত রাসায়নিক সার (নাইট্রোজেন, ফসফেট) ও কীটনাশক প্রয়োগ দরকার।

  • বাজার ও মূলধন: ভারত ধান উৎপাদনকারী দেশগুলির মধ্যে দ্বিতীয় হলেও অভ্যন্তরীণ বিশাল জনসংখ্যার নিজস্ব চাহিদা মেটাতে এর এক সুবিশাল ও স্থায়ী বাজার বিদ্যমান।

(খ) চা চাষের অনুকূল ভৌগোলিক পরিবেশ:

চা হলো ভারতের প্রধান অর্থকরী পানীয় ফসল। এর বাণিজ্যিক চাষের জন্য নিম্নলিখিত পরিবেশ অপরিহার্য:

১. প্রাকৃতিক পরিবেশ:

  • উষ্ণতা: চা চাষের জন্য সারা বছর গড়ে ২০° থেকে ৩০° সেলসিয়াস তাপমাত্রা থাকা প্রয়োজন। অতিরিক্ত ঠান্ডা বা শীতের তুষারপাত চা গাছের চরম ক্ষতি করে।

  • বৃষ্টিপাত: চা গাছের প্রচুর জলের প্রয়োজন হয়; বার্ষিক ১৫০ থেকে ২৫০ সেমি নিয়মিত বৃষ্টিপাত আবশ্যক। তবে আর্দ্র কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়া চা পাতার দ্রুত বৃদ্ধির পক্ষে সহায়ক।

  • ঢালু জমি (নিষ্কাশিত ভূমি): চা গাছের গোড়ায় কোনোভাবেই জল জমে থাকা চলবে না; জল জমলে গাছের শিকড় পচে গাছ মারা যায়। তাই পাহাড়ি ঢালু জমি চা চাষের প্রধান পূর্বশর্ত।

  • মৃত্তিকা: পাহাড়ি অঞ্চলের হিউমাস সমৃদ্ধ ও লোহার ভাগযুক্ত গভীর উর্বর দোআঁশ বা বনভূমির অম্লধর্মী মাটি ($pH = ৪.৫-৫.৫$) চা চাষের পক্ষে সর্বশ্রেষ্ঠ।

  • ছায়াপ্রদানকারী বৃক্ষ: সূর্যের তীব্র প্রখর কিরণ যাতে কচি চা পাতাকে শুকিয়ে নষ্ট না করতে পারে, সেজন্য চা বাগিচায় মাঝে মাঝে বড় বড় ছায়াতরু (যেমন—সিরিশ, রবার গাছ) রোপণ করা হয়।

২. অর্থনৈতিক পরিবেশ:

  • দক্ষ ও নিপুণ শ্রমিক: কেবল দুটি পাতা ও একটি কুঁড়ি অত্যন্ত সতর্কতার সাথে তোলার জন্য প্রচুর সংখ্যায় নিপুণ নারী ও শিশু শ্রমিকের প্রয়োজন হয়।

  • চা প্রক্রিয়াকরণ কারখানা: কচি পাতা তোলার পর তার প্রাকৃতিক সুবাস অক্ষুণ্ণ রাখতে বাগানের কাছেই আধুনিক প্রসেসিং কারখানার প্রয়োজন হয়, যেখানে শুকানো, রোলিং ও ফারমেন্টেশন করা যায়।

  • আন্তর্জাতিক বাজার ও মূলধন: চা একটি সম্পূর্ণ বাণিজ্যিক বাগিচা ফসল। পাতা প্যাকিং ও বিদেশে রপ্তানির জন্য উন্নত পরিবহন ও কলকাতা বন্দরের নৈকট্য বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

  • দশম শ্রেণির ভূগোল অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্নের উত্তর 
  • ভূগোল MCQ MOCK TEST 

PDF DOWNLOAD LINK (Preview Copy)

ভারত - অর্থনৈতিক পরিবেশ

ভারত – অর্থনৈতিক পরিবেশ প্রশ্নের উত্তর – উপরের ফাইলটিতে অল্প কিছু প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয়েছে। নিম্নের PDF ফাইলটিতে এই অধ্যায়ের সমস্ত MCQ, SAQ , ২ নম্বরের প্রশ্ন, ৩ নম্বরের প্রশ্ন, ৫ নম্বরের প্রশ্ন উত্তরসহ শুধুমাত্র আমাদের Subscribers -দের জন্য প্রদান করা হলো। দশম শ্রেণির বাংলা, ইংরাজি, ইতিহাস, ভূগোল বিষয়ের সাবস্ক্রিপশন নিতে যোগাযোগ করুন আমাদের সাথেঃ What’s App: 7001880232

১) মাধ্যমিক ভূগোল ষষ্ঠ অধ্যায় – ভারত – অর্থনৈতিক পরিবেশ (Only for Subscribers) 

Click here to view pdf file

সকল শ্রেণির বাংলা অধ্যায় ভিত্তিক প্রশ্নের উত্তর দেখতে নিম্নের ছবিতে ক্লিক/টাচ করতে হবে

তালনবমী MCQ

আমাদের কথাঃ পশ্চিমবঙ্গ মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদ ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সকল শিক্ষার্থীদের অনলাইন পড়াশোনায় সহায়তা প্রদান করাই আমাদের লক্ষ্য।

পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বাংলা, ইংরেজি, ইতিহাস, ভূগোল, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, শিক্ষাবিজ্ঞান, দর্শন, সংস্কৃত প্রভৃতি বিষয়ে অনলাইন সহায়তা প্রদান করা হবে। @ ভারত – অর্থনৈতিক পরিবেশ প্রশ্নের উত্তর – WBNOTES.IN

ভালো করে পড়াশোনা করা কেবল পরীক্ষায় ভালো নম্বর পাওয়ার মাধ্যম নয়, বরং এটি একজন মানুষের সামগ্রিক জীবন গঠনের মূল ভিত্তি। সঠিক শিক্ষা মানুষের চিন্তাভাবনাকে উন্নত করে এবং ব্যক্তিত্বকে বিকশিত করে।

জ্ঞান ও দক্ষতার বিকাশ গভীর মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করলে যেকোনো বিষয়ের মূল ধারণা পরিষ্কার হয়। এটি বাস্তব জীবনে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং জটিল সমস্যার সমাধান করার দক্ষতা তৈরি করে।

উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও আত্মনির্ভরশীলতা বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক যুগে ভালো ক্যারিয়ার গঠনের জন্য উপযুক্ত শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। ভালো পড়াশোনা ভালো কাজের সুযোগ তৈরি করে, যা একজন ব্যক্তিকে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী ও আত্মবিশ্বাসী করে তোলে। @ ভারত – অর্থনৈতিক পরিবেশ প্রশ্নের উত্তর – WBNOTES.IN

নৈতিকতা ও সামাজিক সচেতনতা প্রকৃত শিক্ষা মানুষের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ, সহমর্মিতা এবং দায়িত্ববোধ জাগ্রত করে। একজন সুশিক্ষিত মানুষ নিজের অধিকারের পাশাপাশি অন্যের প্রতি কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন থাকেন, যা একটি সুস্থ ও সুন্দর সমাজ গঠনে সহায়ক।

পড়াশোনাকে শুধু মুখস্থবিদ্যার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে তা ভালোভাবে উপলব্ধি করে শেখা উচিত। নিয়মিত ও পরিকল্পিত অধ্যবসায় একজন সাধারণ শিক্ষার্থীকেও অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিতে পারে। তাই সফল, সচেতন ও মার্জিত মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার জন্য ভালো করে পড়াশোনা করা অত্যন্ত জরুরি।

আমরা প্রতিনিয়ত আমাদের WBNOTES.IN ওয়েবসাইটে শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন নতুন আলোচনা প্রদান করবার প্রচেষ্টা করে চলেছি। সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের প্রতি অনুরোধ- আপনারা আপনাদের পরিচিতদের সাথে আমাদের WBNOTES.IN ওয়েবসাইটটিকে শেয়ার করবেন। @ ভারত – অর্থনৈতিক পরিবেশ প্রশ্নের উত্তর – WBNOTES.IN

আমাদের লক্ষ্যঃ পশ্চিমবঙ্গের সকল শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের কাছে সহজবোধ্য ভাষায় বিবিধ বিষয়ের একটি সুসংগঠিত অনলাইন শিক্ষা পরিষেবা পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য। আর্থিকভাবে অনগ্রসর শিক্ষার্থীদের জন্য আমরা যেমন বিনামূল্যে জ্ঞানার্জনের সুবিধা প্রদান করেছি; আবার মাননীয় শিক্ষকদের সুবিধার্থে এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষা প্রস্তুতি প্রদানের লক্ষ্যে আমাদের WBNOTES.IN ওয়েবসাইটের পক্ষ থেকে প্রদান করা হচ্ছে নরমাল ও প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন। আমাদের সাবস্ক্রীপশন পেজে আপনারা এই সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য পেয়ে যাবেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: কপি করার প্রচেষ্টা করবেন না !
Scroll to Top