1. দেশের সর্বস্তরের মানুষকে জাগিয়ে তুলতে হলে তাদের ভাষায় ________ রচনা করতে হবে।
2. স্বামীজি সাহিত্যের ভাষা হিসেবে প্রচলিত কৃত্রিম সাধুভাষার বদলে খাঁটি ________ ভাষার পক্ষপাতী ছিলেন।
3. কেবল পুঁথির নিয়ম মানতে গিয়ে যারা ভাষাকে জটিল করে তোলে, স্বামীজি তাদের পাণ্ডিত্যকে ________ করেছেন।
4. জীবন্ত ভাষায় প্রয়োজনমতো আরবি, ফারসি বা ইংরেজি শব্দ গ্রহণ করাকে স্বামীজি ভাষার ________ লক্ষণ বলেছেন।
5. জনসাধারণের কাছে শিক্ষা ও নতুন চিন্তাধারা পৌঁছে দিতে হলে একমাত্র মাধ্যম হওয়া উচিত ________ ভাষা।
6. ভাষার মধ্যে অতিরিক্ত গোঁড়ামি ও ছুঁৎমার্গ রাখলে ভাষা ধীরে ধীরে ________ হয়ে পড়ে।
7. স্বামী বিবেকানন্দ বাংলা ভাষার কোন রূপটিকে সাহিত্যের ভাষা করার জোরালো সমর্থন জানিয়েছেন?
8. বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত নানা চলতি শব্দকে ব্রাত্য বা অশুদ্ধ মনে করাটা এক ধরনের ________।
9. “যে ভাষায় ঘরে কথা কও, সে ভাষায় কি লিখতে পারা যায় না?”— এই মতের প্রবক্তা কে?
10. স্বামীজির মতে একটি জীবন্ত ভাষা সর্বদাই ________ মতো স্বতঃস্ফূর্ত ও গতিশীল হওয়া উচিত।
11. যে ভাষা দিয়ে যত সহজে ও পরিষ্কারভাবে মনের ভাব প্রকাশ করা যায়, স্বামীজির মতে সেই ভাষাই—
12. স্বামী বিবেকানন্দের মতে ভাষার প্রধান উদ্দেশ্য বা কার্য কী?
13. ‘বাঙ্গালা ভাষা’ প্রবন্ধটি স্বামী বিবেকানন্দের কোন মূল গ্রন্থ/পত্রিকার সাথে যুক্ত?
14. ‘বাঙ্গালা ভাষা’ প্রবন্ধটি মূলত স্বামীজি সম্পাদিত ________ পত্রিকার ভাবধারার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত।
15. ভাবহীন অথচ মস্ত মস্ত সংস্কৃত শব্দে সাজানো ভাষাকে স্বামীজি ________ বলে মনে করতেন।