Class Ten Geography Question Paper (90 Marks)
Class Ten Geography Question Paper (90 Marks) দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মাধ্যমিক টেস্ট পরীক্ষার প্রস্তুতির লক্ষ্যে আমাদের WBNOTES.IN ওয়েবসাইটের পক্ষ থেকে প্রদান করা হলো। দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা এই দশম শ্রেণির ভূগোল প্রশ্নপত্র বা Class Ten Geography Model Question Paper অনুশীলনের মধ্য দিয়ে তাদের দশম শ্রেণির মাধ্যমিক ভূগোল (Class Ten Madhyamik Geography) পরীক্ষার প্রস্তুতি গ্রহণ করতে পারবে।
আমাদের ওয়েবসাইটের Class Note বিভাগে বিবিধ বিষয়ের প্রশ্নের উত্তর, Mock Test বিভাগে একাধিক বিষয়ের অসংখ্য মক টেস্ট, Suggestion বিভাগে অধ্যায়ভিত্তিক সাজেশন প্রদান করা হয়। আমাদের সকল আপডেট লাভ করতে নিয়মিত ভিজিট করো আমাদের ওয়েবসাইটটি।
Class Ten Geography Question Paper (90 Marks) :
মাধ্যমিক টেস্ট পরীক্ষা
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ
শ্রেণি: দশম, পূর্ণমান: ৯০
সময়: ৩ ঘণ্টা ১৫ মিনিট (প্রথম ১৫ মিনিট প্রশ্ন পড়ার জন্য)
বিভাগ ‘ক’
১. সঠিক উত্তরটি বেছে নিয়ে লেখো: ১ × ১৪ = ১৪
১.১ শুষ্ক অঞ্চলে কোমল শিলাস্তর দ্বারা গঠিত গভীর ও সংকীর্ণ নদী উপত্যকাকে বলে—
(ক) গিরিখাত
(খ) ক্যানিয়ন
(গ) জলপ্রপাত
(ঘ) অন্ধ উপত্যকা
১.২ পাখির পায়ের মতো আকৃতির বদ্বীপ দেখা যায়—
(ক) গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র মোহনায়
(খ) নীল নদের মোহনায়
(গ) মিসিসিপি-মিসৌরি মোহনায়
(ঘ) রাইন নদীর মোহনায়
১.৩ বায়ুমণ্ডলের যে স্তরে ওজন গ্যাসের ঘনত্ব সর্বাধিক—
(ক) ট্রপোস্ফিয়ার
(খ) স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার
(গ) মেসোস্ফিয়ার
(ঘ) থার্মোস্ফিয়ার
১.৪ ক্যারিবিয়ান সাগরে সৃষ্ট শক্তিশালী ক্রান্তীয় ঘূর্ণবাতকে বলা হয়—
(ক) টাইফুন
(খ) সাইক্লোন
(গ) হ্যারিকেন
(ঘ) টর্নেডো
১.৫ উষ্ণ ও শীতল সমুদ্রস্রোতের মিলনস্থলে সৃষ্টি হয়—
(ক) শৈবাল সাগর
(খ) মগ্নচড়া
(গ) সুনামি
(ঘ) বানডাকা
১.৬ একটি কঠিন বিষাক্ত জৈব বর্জ্যের উদাহরণ হল—
(ক) ফ্লাই অ্যাশ
(খ) প্লাস্টিক প্যাকেট
(গ) ভাঙা কাচ
(ঘ) কীটনাশকযুক্ত অবশিষ্টাংশ
১.৭ ভারতের রাজ্য পুনর্গঠনের মূল ভিত্তি ছিল—
(ক) ভূপ্রকৃতি
(খ) ভাষা
(গ) ধর্ম
(ঘ) অর্থনৈতিক সমতা
১.৮ দক্ষিণ ভারতের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ হল—
(ক) আনাইমুদি
(খ) দোদাবেতা
(গ) কলসুবাই
(ঘ) মহেন্দ্রগিরি
১.৯ ভারতে সর্বাধিক জলসেচ করা হয় যে পদ্ধতির মাধ্যমে—
(ক) কূপ ও নলকূপ
(খ) খাল
(গ) জলাশয়
(ঘ) ফোয়ারা পদ্ধতি
১.১০ পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে ভারতের যে অঞ্চলে শীতকালে বৃষ্টিপাত হয়—
(ক) তামিলনাড়ু উপকূল
(খ) উত্তর-পশ্চিম ভারত
(গ) কঙ্কণ উপকূল
(ঘ) মেঘালয় মালভূমি
১.১১ কার্পাস চাষের জন্য সর্বাধিক উপযোগী মৃত্তিকা হল—
(ক) পলি মৃত্তিকা
(খ) ল্যাটেরাইট মৃত্তিকা
(গ) কৃষ্ণ বা রেগুর মৃত্তিকা
(ঘ) মরু মৃত্তিকা
১.১২ ভারতের সিলিকন ভ্যালি বলা হয়—
(ক) হায়দ্রাবাদকে
(খ) বেঙ্গালুরুকে
(গ) পুনেকে
(ঘ) চেন্নাইকে
১.১৩ ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুসারে ভারতের সর্বাধিক জনঘনত্বপূর্ণ রাজ্যটি হল—
(ক) পশ্চিমবঙ্গ
(খ) বিহার
(গ) উত্তরপ্রদেশ
(ঘ) কেরল
১.১৪ ভূ-বৈচিত্র্যসূচক মানচিত্রে সমন্বতি রেখা (Contour line) আঁকা হয় যে রঙের সাহায্যে—
(ক) নীল
(খ) লাল
(গ) বাদামি
(ঘ) হলুদ
@ Class Ten Geography Question – WBNOTES.IN
বিভাগ ‘খ’
২.১ নিম্নলিখিত বাক্যগুলি শুদ্ধ হলে পাশে ‘শু’ এবং অশুদ্ধ হলে পাশে ‘অ’ লেখো (যেকোনো ৬টি): ১ × ৬ = ৬
১. নদীগর্ভে অবঘর্ষ প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট গর্তগুলিকে মন্থকূপ বলে।
২. ট্রপোস্ফিয়ারে উচ্চতা বাড়ার সাথে সাথে উষ্ণতা বৃদ্ধি পায়।
৩. পৃথিবী ও চাঁদের মধ্যে দূরত্ব সর্বাধিক হলে তাকে সিজিগি বলে।
৪. তেজস্ক্রিয় বর্জ্য নিষ্কাশনে স্ক্রাবার ব্যবহার করা হয়।
৫. থর মরুভূমির চলমান বালিয়াড়িকে ধ্রিয়ান বলা হয়।
৬. গম একটি খারিফ শস্যের উদাহরণ।
৭. ভারতের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহের নাম ইনস্যাট-১এ (INSAT-1A)।
@ Class Ten Geography Question – WBNOTES.IN
২.২ উপযুক্ত শব্দ বসিয়ে শূন্যস্থান পূরণ করো (যেকোনো ৬টি): ১ × ৬ = ৬
১. দুটি নদীর মধ্যবর্তী ভূভাগকে ______ বলে।
২. বায়ুর গতিবেগ পরিমাপ করা হয় ______ যন্ত্রের সাহায্যে।
৩. সমুদ্রের তলদেশে অগভীর অগভীর নিমজ্জিত ভূভাগকে ______ বলা হয়।
৪. গ্যাসীয় বর্জ্য নিয়ন্ত্রণের জন্য কারখানায় ব্যবহৃত হয় ______ যন্ত্র।
৫. ভারত ও চিনের সীমারেখাটি ______ নামে পরিচিত।
৬. ধান উৎপাদনে ভারতের মধ্যে প্রথম স্থানাধিকারী রাজ্যটি হল ______।
৭. মহাকাশে প্রেরিত উপগ্রহের মধ্যে তথ্য সংগ্রহের জন্য যুক্ত চোখ বা ক্যামেরাকে ______ বলে।
@ Class Ten Geography Question – WBNOTES.IN
২.৩ একটি বা দুটি শব্দে উত্তর দাও (যেকোনো ৬টি): ১ × ৬ = ৬
১. নদী অববাহিকার জলবিভাজিকা বরাবর তৈরি খাড়া শৈলশিরাকে কী বলে?
২. বায়ুমণ্ডলের কোন্ স্তরে মেরুজ্যোতি দেখা যায়?
৩. কোন্ তিথিতে মরা কোটাল সৃষ্টি হয়?
৪. কম্পিউটারের ভাঙা যন্ত্রাংশ বা কিবোর্ড কোন ধরনের বর্জ্যের অন্তর্গত?
৫. ভারতের সর্বোচ্চ জলপ্রপাতটির নাম কী?
৬. কোন্ ধরনের উদ্ভিদে শ্বাসমূল ও ঠেসমূল দেখা যায়?
৭. সোনালী চতুর্ভুজ দ্বারা যুক্ত চারটি প্রধান মেট্রো শহরের একটির নাম লেখো।
৮. মিলিমিটার আর. এফ. (R.F.) মানচিত্রে মিলিয়ন শিটের বিস্তার কত?
@ Class Ten Geography Question – WBNOTES.IN
২.৪ বামদিকের সাথে ডানদিক মেলাও: ১ × ৪ = ৪
বামদিক | ডানদিক |
| (১) পেট্রোরসায়ন শিল্প | (ক) পেট্রোলিয়াম খনি |
| (২) বোম্বে হাই | (খ) হলদিয়া |
| (৩) চা গবেষণা কেন্দ্র | (গ) কেরল |
| (৪) ভেম্বানাদ কয়াল | (ঘ) জোরহাট |
@ Class Ten Geography Question – WBNOTES.IN
বিভাগ ‘গ’
৩. সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যামূলক উত্তর দাও (বিকল্প প্রশ্নগুলি লক্ষণীয়): ২ × ৬ = ১২
৩.১ জলপ্রপাতের পশ্চাদপসরণ বলতে কী বোঝায়?
অথবা, লোয়েস সমভূমি কীভাবে গঠিত হয়?
৩.২ আপেক্ষিক আর্দ্রতা কী?
অথবা, অ্যালবেডো কাকে বলে?
৩.৩ বর্জ্যের পুনর্ব্যবহার ও পুনর্নবীকরণ বলতে কী বোঝায়?
অথবা, ই-বর্জ্য বা ইলেকট্রনিক বর্জ্য কী?
৩.৪ মালনাদ ও ময়দান অঞ্চলের প্রধান পার্থক্য লেখো।
অথবা, কয়াল বলতে কী বোঝায়? উদাহরণ দাও।
৩.৫ সবুজ বিপ্লব বলতে কী বোঝায়?
অথবা, সামাজিক বনসৃজনের দুটি প্রধান উদ্দেশ্য লেখো।
৩.৬ উপগ্রহ চিত্র (Satellite Image)-এর দুটি ব্যবহার উল্লেখ করো।
অথবা, জিওস্টেশনারি উপগ্রহ কাকে বলে?
@ Class Ten Geography Question – WBNOTES.IN
বিভাগ ‘ঘ’
৪. সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যামূলক উত্তর দাও (প্রতিটি বিভাগ থেকে ১টি করে মোট ৪টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে): ৩ × ৪ = ১২
৪.১ রূশেমুতানে ও ড্রামলিনের মধ্যে তিনটি পার্থক্য নির্দেশ করো।
অথবা, ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘূর্ণবাতের মধ্যে তিনটি বৈসাদৃশ্য লেখো।
৪.২ পরিবেশ ও মানব স্বাস্থ্যের ওপর বর্জ্য পদার্থের তিনটি ক্ষতিকর প্রভাব আলোচনা করো।
অথবা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় শিক্ষার্থীদের তিনটি ভূমিকা উল্লেখ করো।
৪.৩ ভারতের পূর্ব উপকূল ও পশ্চিম উপকূলের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের মধ্যে তিনটি পার্থক্য লেখো।
অথবা, ভারতীয় কৃষির তিনটি প্রধান সমস্যা আলোচনা করো।
৪.৪ ভূ-বৈচিত্র্যসূচক মানচিত্র ও উপগ্রহ চিত্রের মধ্যে তিনটি পার্থক্য উল্লেখ করো।
অথবা, দূর সংবেদন (Remote Sensing) ব্যবস্থার তিনটি সুবিধা লেখো।
@ Class Ten Geography Question – WBNOTES.IN
বিভাগ ‘ঙ’
৫.১ দৃষ্টিগ্রাহ্য যেকোনো দুটি প্রশ্নের উত্তর দাও: ৫ × ২ = ১০
৫.১.১ নদীর ক্ষয়কার্যের ফলে সৃষ্ট তিনটি প্রধান ভূমিরূপের চিত্রসহ বর্ণনা দাও।
৫.১.২ বায়ুমণ্ডলের উষ্ণতার তারতম্যের প্রধান তিনটি কারণ আলোচনা করো।
৫.১.৩ শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত কীভাবে সংঘটিত হয় তা চিত্রসহ ব্যাখ্যা করো।
৫.১.৪ সমুদ্রস্রোত সৃষ্টির প্রধান কারণগুলি আলোচনা করো।
@ Class Ten Geography Question – WBNOTES.IN
৫.২ যেকোনো দুটি প্রশ্নের উত্তর দাও: ৫ × ২ = ১০
৫.২.১ উত্তর ভারত ও দক্ষিণ ভারতের নদনদীর প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের তুলনামূলক আলোচনা করো।
৫.২.২ ভারতে চা অথবা গম চাষের অনুকূল ভৌগোলিক পরিবেশের (প্রাকৃতিক ও অর্থনৈতিক) বিবরণ দাও।
৫.২.৩ পশ্চিম ভারতে কার্পাস বয়ন শিল্পের কেন্দ্রীভবনের প্রধান কারণগুলি বিশ্লেষণ করো।
৫.২.৪ ভারতের নগরায়নের প্রধান সমস্যাগুলি আলোচনা করো।
@ Class Ten Geography Question – WBNOTES.IN
বিভাগ ‘চ’
৬. প্রদত্ত ভারতবর্ষের রেখা মানচিত্রে নিম্নলিখিত দশটি স্থান উপযুক্ত প্রতীক ও নামসহ চিহ্নিত করো: ১ × ১০ = ১০
৬.১ কে-টু (K2) বা গডউইন অস্টিন
৬.২ নর্মদা নদী
৬.৩ ভারতের সর্বাধিক বৃষ্টিবহুল স্থান—মৌসিনরাম
৬.৪ কৃষ্ণ মৃত্তিকা অঞ্চল
৬.৫ ভারতের একটি চিরহরিৎ অরণ্য অঞ্চল
৬.৬ উত্তর ভারতের একটি গম উৎপাদক অঞ্চল
৬.৭ ভারতের বৃহত্তম মোটরগাড়ি নির্মাণ কেন্দ্র—গুরগাঁও
৬.৮ পূর্ব ভারতের একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর—কলকাতা
৬.৯ মার্মাগাও বন্দর
৬.১০ করমণ্ডল উপকূল বা বছরে দু-বার বৃষ্টিপাতযুক্ত অঞ্চল
@ Class Ten Geography Question – WBNOTES.IN
উত্তরঃ
বিভাগ ‘ক’ (বহুবিকল্পভিত্তিক প্রশ্ন)
১.১ (খ) ক্যানিয়ন
১.২ (গ) মিসিসিপি-মিসৌরি মোহনায়
১.৩ (খ) স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার
১.৪ (গ) হ্যারিকেন
১.৫ (খ) মগ্নচড়া
১.৬ (ঘ) কীটনাশকযুক্ত অবশিষ্টাংশ
১.৭ (খ) ভাষা
১.৮ (ক) আনাইমুদি
১.৯ (ক) কূপ ও নলকূপ
১.১০ (খ) উত্তর-পশ্চিম ভারত
১.১১ (গ) কৃষ্ণ বা রেগুর মৃত্তিকা
১.১২ (খ) বেঙ্গালুরুকে
১.১৩ (খ) বিহার
১.১৪ (গ) বাদামি
@ Class Ten Geography Question – WBNOTES.IN
বিভাগ ‘খ’ (সংক্ষিপ্ত ও বস্তুনিষ্ঠ প্রশ্ন)
২.১ বাক্য শুদ্ধ হলে ‘শু’ এবং অশুদ্ধ হলে ‘অ’ লেখো:
১. শু
২. অ (উচ্চতা বৃদ্ধিতে ট্রপোস্ফিয়ারে উষ্ণতা হ্রাস পায়)
৩. অ (দূরত্ব সর্বাধিক হলে তাকে অপসূর/অ্যাপোজি বলে; সিজিগি হল সূর্য, পৃথিবী ও চাঁদের সরলরৈখিক অবস্থান)
৪. অ (স্ক্রাবার মূলত গ্যাসীয় বর্জ্যের ধূলিকণা অপসারণে ব্যবহৃত হয়)
৫. শু
৬. অ (গম একটি রবি শস্য)
৭. অ (ভারতের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ আর্যভট্ট)
২.২ উপযুক্ত শব্দ বসিয়ে শূন্যস্থান পূরণ করো:
১. দোয়াব
২. অ্যানিমোমিটার
৩. মহীসোপান (বা মগ্নচড়া)
৪. স্ক্রাবার
৫. ম্যাকমোহন লাইন
৬. পশ্চিমবঙ্গ
৭. সেন্সর (Sensor)
২.৩ একটি বা দুটি শব্দে উত্তর দাও:
১. অ্যারেত বা এটি (Arête)
২. থার্মোস্ফিয়ার বা আয়নোস্ফিয়ারে
৩. শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে
৪. ই-বর্জ্য বা ইলেকট্রনিক বর্জ্য
৫. কুঞ্চিকল জলপ্রপাত (কর্ণাটক)
৬. ম্যানগ্রোভ বা লবণাম্বু উদ্ভিদে
৭. দিল্লি (অথবা কলকাতা / মুম্বাই / চেন্নাই)
৮. ৪° × ৪° (অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাগত বিস্তার)
@ Class Ten Geography Question – WBNOTES.IN
২.৪ বামদিকের সাথে ডানদিক মেলাও:
| বামদিক | ডানদিক |
| (১) পেট্রোরসায়ন শিল্প | (খ) হলদিয়া |
| (২) বোম্বে হাই | (ক) পেট্রোলিয়াম খনি |
| (৩) চা গবেষণা কেন্দ্র | (ঘ) জোরহাট |
| (৪) ভেম্বানাদ কয়াল | (গ) কেরল |
@ Class Ten Geography Question – WBNOTES.IN
বিভাগ ‘গ’ (সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যামূলক প্রশ্ন)
৩.১ জলপ্রপাতের পশ্চাদপসরণ:
নদীর ক্ষয়কার্যের ফলে প্রপাতকূপের ভিত্তিপ্রস্তর নরম শিলা দ্রুত ক্ষয় পেলে ওপরের কঠিন শিলা ঝুলন্ত অবস্থায় থাকে এবং একসময় ভেঙে নিচে পড়ে। এর ফলে জলপ্রপাতের খাড়া দেওয়ালটি ক্রমশ উৎসের দিকে পিছিয়ে যায়; একে জলপ্রপাতের পশ্চাদপসরণ বলে (যেমন—নায়াগ্রা জলপ্রপাত)।
অথবা,
লোয়েস সমভূমি গঠন:
মরুভূমি অঞ্চল থেকে হলুদ রঙের সূক্ষ্ম পলিকণা বায়ুর দ্বারা উড়ে গিয়ে বহু দূরবর্তী নিচু অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে সঞ্চিত হয়ে যে বিস্তীর্ণ পলিময় সমভূমি গঠন করে, তাকে লোয়েস সমভূমি বলে। উদাহরণ: গোবি মরুভূমি থেকে বালুকণা উড়ে এসে চিনের হোয়াংহো অববাহিকায় লোয়েস সমভূমি তৈরি করেছে।
৩.২ আপেক্ষিক আর্দ্রতা:
নির্দিষ্ট উষ্ণতায় নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ুতে উপস্থিত প্রকৃত জলীয় বাষ্পের পরিমাণ এবং ওই একই উষ্ণতায় ওই বায়ুকে সম্পৃক্ত করতে প্রয়োজনীয় মোট জলীয় বাষ্পের পরিমাণের অনুপাতকে শতকরা হিসেবে প্রকাশ করলে তাকে আপেক্ষিক আর্দ্রতা বলে। একে হাইগ্রোমিটার দিয়ে মাপা হয়।
অথবা,
অ্যালবেডো:
সূর্য থেকে আগত মোট সৌরবিকিরণের (১০০%) যে অংশ (প্রায় ৩৪%) বায়ুমণ্ডল ও ভূপৃষ্ঠকে কোনোভাবেই উত্তপ্ত না করে মহাশূন্যে সরাসরি প্রতিফলিত হয়ে ফিরে যায়, তাকে পৃথিবীর অ্যালবেডো বলে।
৩.৩ বর্জ্যের পুনর্ব্যবহার ও পুনর্নবীকরণ:
পুনর্ব্যবহার (Reuse): কোনো বর্জ্য পদার্থকে না ফেলে বা রূপ পরিবর্তন না করে সরাসরি একাধিকবার অন্য কাজে ব্যবহার করা (যেমন—পুরোনো প্লাস্টিকের বোতলে জল রাখা বা গাছ লাগানো)।
পুনর্নবীকরণ (Recycling): ব্যবহৃত ও পরিত্যক্ত পদার্থকে রাসায়নিক বা যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় গলিয়ে বা প্রক্রিয়াজাত করে সম্পূর্ণ নতুন ব্যবহারের উপযোগী জিনিস তৈরি করা (যেমন—ভাঙা লোহা গলিয়ে নতুন ইস্পাত তৈরি)।
অথবা,
ই-বর্জ্য বা ইলেকট্রনিক বর্জ্য:
অকেজো, বাতিল ও পরিত্যক্ত বৈদ্যুতিক ও ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতিকে ই-বর্জ্য বলে। যেমন—খারাপ কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, ব্যাটারি, মাদারবোর্ড প্রভৃতি। এগুলি থেকে ক্ষতিকর পারদ, সিসা ও ক্যাডমিয়াম নির্গত হয়ে পরিবেশ দূষণ ঘটায়।
৩.৪ মালনাদ ও ময়দানের প্রধান পার্থক্য:
ভূপ্রকৃতি: কর্ণাটক মালভূমির পশ্চিমের উঁচু-নিচু, ঢেউ খেলানো পাহাড়ময় বনভূমিযুক্ত অঞ্চলকে মালনাদ (‘পাহাড়ি দেশ’) বলে। অপরপক্ষে, মালনাদের পূর্বে অবস্থিত সমপ্রায় ঢেউ খেলানো উন্মুক্ত বিস্তীর্ণ সমভূমিকে ময়দান বলে।
উচ্চতা: মালনাদের গড় উচ্চতা তুলনামূলক বেশি (৬০০-১০০০ মিটার); ময়দানের উচ্চতা তুলনামূলক কম (৩০০-৬০০ মিটার)।
অথবা,
কয়াল:
ভারতের কেরল রাজ্যের মালাবার উপকূলের বালিয়াড়ি দ্বারা আবদ্ধ দীর্ঘাকার ও অগভীর উপহ্রদ বা ব্যাকওয়াটার্সগুলিকে স্থানীয় ভাষায় ‘কয়াল’ বলে। উদাহরণ: ভেম্বানাদ কয়াল (ভারতের বৃহত্তম উপহ্রদ), অষ্টমুদি কয়াল।
৩.৫ সবুজ বিপ্লব:
১৯৬০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে উচ্চফলনশীল বীজ (HYV—যেমন কল্যাণসোনা, সোনালিকা গম বীজ), রাসায়নিক সার, কীটনাশক এবং আধুনিক জলসেচ ব্যবস্থার সমন্বয়ে ভারতের খাদ্যশস্যের (বিশেষ করে গম ও ধান) উৎপাদনে যে অভাবনীয় উল্লম্ফন ঘটেছিল, তাকে সবুজ বিপ্লব বলে।
@ Class Ten Geography Question – WBNOTES.IN
অথবা,
সামাজিক বনসৃজনের দুটি প্রধান উদ্দেশ্য:
পতিত, অনাবাদী ও অব্যবহৃত জমিতে বৃক্ষরোপণ করে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জ্বালানি কাঠ, পশুখাদ্য ও ক্ষুদ্র কুটির শিল্পের কাঁচামালের জোগান নিশ্চিত করা।
ভূমিক্ষয় রোধ করা এবং আঞ্চলিক পরিবেশ ও বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য বজায় রাখা।
৩.৬ উপগ্রহ চিত্রের দুটি ব্যবহার:
প্রাকৃতিক দুর্যোগের (ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, দাবানল) পূর্বাভাস এবং ক্ষয়ক্ষতির দ্রুত মূল্যায়ন করা।
অরণ্যের আয়তন, কৃষিজমির প্রকৃতি, মাটির আর্দ্রতা ও খনিজ সম্পদের বিস্তৃতি সঠিকভাবে মানচিত্রায়ন করা।
অথবা,
জিওস্টেশনারি উপগ্রহ:
যেসব কৃত্রিম উপগ্রহ পৃথিবীর নিরক্ষরেখার ওপর প্রায় ৩৬,০০০ কিমি উচ্চতায় নির্দিষ্ট কক্ষপথে পশ্চিম থেকে পূর্বে পৃথিবীর আবর্তন গতির সমান গতিতে ঘোরে এবং পৃথিবী থেকে সর্বদা এক জায়গায় স্থির বলে মনে হয়, তাদের জিওস্টেশনারি উপগ্রহ বলে। যেমন—ভারতের INSAT শ্রেণি।
@ Class Ten Geography Question – WBNOTES.IN
বিভাগ ‘ঘ’ (সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যামূলক প্রশ্ন)
৪.১ রূশেমুতানে ও ড্রামলিনের পার্থক্য:
উৎপত্তি: রূশেমুতানে হিমবাহের ক্ষয়কার্যের (অবঘর্ষ ও উৎপাটন) ফলে গঠিত হয়; ড্রামলিন হিমবাহ ও জলধারার যৌথ সঞ্চয়কার্যের ফলে গড়ে ওঠে।
গঠনকারী পদার্থ: রূশেমুতানে গঠিত হয় কঠিন একক শিলাখণ্ড দ্বারা; ড্রামলিন নুড়ি, বালি, বোল্ডার ও পলির স্তর (টিলাশয়) সঞ্চিত হয়ে তৈরি হয়।
ঢালের রূপ: রূশেমুতানের হিমবাহ প্রবাহের দিক মসৃণ ও বিপরীত দিকটি খাড়া ফাটাযুক্ত হয়; ড্রামলিনের হিমবাহ প্রবাহের দিক খাড়া ও বিপরীত দিকটি মৃদু ঢালু হয় (উল্টানো নৌকার মতো)।
অথবা,
ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘূর্ণবাতের বৈসাদৃশ্য:
বায়ুর চাপ: ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে থাকে তীব্র নিম্নচাপ ও বাইরে উচ্চচাপ; প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে থাকে উচ্চচাপ ও বাইরে নিম্নচাপ।
বায়ুর গতি ও দিক: ঘূর্ণবাতে বায়ু কেন্দ্রাভিমুখী হয়ে উত্তর গোলার্ধে ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে কাঁটার দিকে ঘোরে; প্রতীপ ঘূর্ণবাতে বায়ু কেন্দ্রবহির্মুখী হয়ে উত্তর গোলার্ধে ঘড়ির কাঁটার দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বিপরীত দিকে প্রবাহিত হয়।
আবহাওয়ার অবস্থা: ঘূর্ণবাতে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং ঝড়বৃষ্টি হয়; প্রতীপ ঘূর্ণবাতে শান্ত, পরিষ্কার ও রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়া বিরাজ করে।
৪.২ বর্জ্য পদার্থের ক্ষতিকর প্রভাব:
জল ও মৃত্তিকা দূষণ: অপরিশোধিত শিল্পবর্জ্য ও গৃহস্থালির বর্জ্য মাটিতে মিশে ভূগর্ভস্থ জল ও মাটির উর্বরতা নষ্ট করে এবং অম্লত্ব বৃদ্ধি করে।
বায়ু দূষণ ও দুর্গন্ধ: বর্জ্য পচে মিথেন, হাইড্রোজেন সালফাইড প্রভৃতি বিষাক্ত গ্যাস নির্গত হয় এবং চারপাশের পরিবেশের বাতাসকে দূষিত করে।
মানব স্বাস্থ্যে রোগসংক্রমণ: উন্মুক্ত বর্জ্যের স্তূপে মাছি, মশা ও ইঁদুরের বংশবৃদ্ধি ঘটে, যা কলেরা, টাইফয়েড, ম্যালেরিয়া এবং হেপাটাইটিসের মতো মারাত্মক রোগ ছড়ায়।
অথবা,
বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় শিক্ষার্থীদের ভূমিকা:
বর্জ্য পৃথকীকরণ: বিদ্যালয় ও বাড়িতে কাগজ, প্লাস্টিক ও পচনশীল খাদ্যবর্জ্য আলাদা ডাস্টবিনে (জৈব ও অজৈব) ফেলার অভ্যাস গড়ে তোলা।
প্লাস্টিক বর্জন ও সচেতনতা: একবার ব্যবহারযোগ্য (সিঙ্গেল ইউজ) প্লাস্টিক ব্যবহার বন্ধ করে কাপড়ের থলি ব্যবহার করা ও বন্ধুদের উদ্বুদ্ধ করা।
৪-আর (4R) পদ্ধতির প্রয়োগ: রিডিউস, রিইউজ, রিসাইকেল ও রিফিউজ—এই নীতি মেনে খাতার অব্যবহৃত পৃষ্ঠাকে রাফ কাজের জন্য পুনরায় ব্যবহার করা।
@ Class Ten Geography Question – WBNOTES.IN
৪.৩ পূর্ব উপকূল ও পশ্চিম উপকূলের পার্থক্য:
উপকূলের প্রকৃতি: পূর্ব উপকূল প্রশস্ত, সমতল এবং মূলত নিমজ্জিত ও উত্থাপিত মিশ্র প্রকৃতির; পশ্চিম উপকূল সংকীর্ণ, খাড়া ও প্রধানত নিমজ্জিত উপকূল।
বদ্বীপ উপস্থিতি: পূর্ব উপকূলে মহানদী, গোদাবরী, কৃষ্ণা ও কাবেরীর মোহনায় সুবিশাল বদ্বীপ দেখা যায়; পশ্চিম উপকূলে তীব্র নদীস্রোতের কারণে কোনো বদ্বীপ গঠিত হয়নি, কেবল খাঁড়ি গঠিত হয়েছে।
হ্রদ ও কয়াল: পূর্ব উপকূলে বড় বড় উপহ্রদ বা লেগুন দেখা যায় (যেমন চিল্কা, কোলেরু); পশ্চিম উপকূলে দীর্ঘ ব্যাকওয়াটার্স বা ‘কয়াল’ দেখা যায় (যেমন ভেম্বানাদ)।
অথবা,
ভারতীয় কৃষির প্রধান সমস্যা:
অনিয়মিত মৌসুমি বৃষ্টিপাত: ভারতীয় কৃষি প্রধানত মৌসুমি বায়ুর খামখেয়ালিপনার ওপর নির্ভরশীল; অতিবৃষ্টিতে বন্যা ও অনাবৃষ্টিতে খরা দেখা দেয়।
ক্ষুদ্র ও খণ্ডবিখণ্ড জোতজমি: উত্তরাধিকার আইনের ফলে কৃষিজমি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ায় আধুনিক কৃষিযন্ত্রপাতি ব্যবহার করা কঠিন হয়ে পড়ে।
কৃত্রিম সার ও উন্নত প্রযুক্তির ঘাটতি: বহু অঞ্চলে এখনও সনাতন পদ্ধতিতে চাষ হয় এবং উন্নত কোল্ড স্টোরেজ বা হিমঘরের অভাবে বিপুল পরিমাণ উৎপাদিত ফসল নষ্ট হয়।
@ Class Ten Geography Question – WBNOTES.IN
৪.৪ ভূ-বৈচিত্র্যসূচক মানচিত্র ও উপগ্রহ চিত্রের পার্থক্য:
উৎস: ভূ-বৈচিত্র্যসূচক মানচিত্র প্রথাগত জরিপ (Survey) ও পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তৈরি হয়; উপগ্রহ চিত্র কৃত্রিম উপগ্রহের সেন্সরে রেকর্ড করা ডিজিটাল ডেটার মাধ্যমে তৈরি হয়।
উপস্থাপনা: মানচিত্রে তথ্য বিভিন্ন প্রচলিত সাংকেতিক চিহ্ন ও সমন্বতি রেখার সাহায্যে দেখানো হয়; উপগ্রহ চিত্রে তথ্য পিক্সেল ও কালার ব্যান্ড (যেমন ছদ্ম রং বা FCC)-এর মাধ্যমে সরাসরি দেখানো হয়।
হালনাগাদ (Update): ভূ-বৈচিত্র্যসূচক মানচিত্র সহজে ও দ্রুত পরিবর্তন করা যায় না; উপগ্রহ চিত্র প্রতি কয়েক দিন অন্তর অত্যন্ত দ্রুত হালনাগাদ তথ্য প্রদান করে।
অথবা,
দূর সংবেদন (Remote Sensing) ব্যবস্থার সুবিধা:
দুর্গম অঞ্চলের তথ্য সংগ্রহ: গভীর অরণ্য, তুষারাবৃত শৃঙ্গ বা মরুভূমির মতো মানুষের চলাচলের অনুপযোগী অঞ্চলের তথ্য নির্ভুলভাবে সংগ্রহ করা যায়।
রিয়েল টাইম বা তাৎক্ষণিক নজরদারি: মেঘের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে ঘূর্ণিঝড়, অগ্নুৎপাত বা দাবানলের মতো দুর্যোগের তাৎক্ষণিক বার্তা পাওয়া যায়।
বৃহৎ অঞ্চলের সামগ্রিক চিত্র: মহাকাশ থেকে এক ক্লিকেই বিস্তীর্ণ ভৌগোলিক এলাকার ভূপ্রাকৃতিক ও পরিবেশগত তথ্য একত্রে পর্যবেক্ষণ সম্ভব হয়।
@ Class Ten Geography Question – WBNOTES.IN
বিভাগ ‘ঙ’ (দীর্ঘ উত্তরধর্মী প্রশ্ন)
৫.১ প্রাকৃতিক ভূগোল
৫.১.১ নদীর ক্ষয়কার্যের ফলে সৃষ্ট তিনটি প্রধান ভূমিরূপ:
১. আই (I) ও ভি (V) আকৃতির উপত্যকা (গিরিখাত ও ক্যানিয়ন): নদীর উচ্চগতিতে তীব্র নিম্নক্ষয়ের ফলে নদী উপত্যকা সংকীর্ণ ও গভীর হয়ে ইংরেজি ‘V’ অক্ষরের রূপ নেয়। শুষ্ক মরু অঞ্চলে পার্শ্বক্ষয়হীন গভীর ও সংকীর্ণ উপত্যকাকে ‘ক্যানিয়ন’ (যেমন কলোরাডো নদীর গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন) এবং আর্দ্র পার্বত্য অঞ্চলে গভীর উপত্যকাকে ‘গিরিখাত’ (যেমন পেরুর কলকা নদীর গিরিখাত) বলে।
২. জলপ্রপাত: নদীর প্রবাহপথে কঠিন ও নরম শিলাস্তর আড়াআড়ি বা উল্লম্বভাবে অবস্থান করলে নরম শিলা দ্রুত ক্ষয় পায় এবং কঠিন শিলা উঁচু হয়ে থাকে। ফলে নদীর জল ওপরের কঠিন শিলা থেকে সোজা নিচে খাড়াভাবে আছড়ে পড়ে; একে জলপ্রপাত বলে (যেমন কর্ণাটকের শরাবতী নদীর যোগ জলপ্রপাত)।
৩. মন্থকূপ (Pot Holes): নদীগর্ভে অবঘর্ষ প্রক্রিয়ায় ছোট-বড় পাথরের টুকরো জলের ঘূর্ণির সঙ্গে ঘুরতে ঘুরতে নদীখাতে গোল গোল ড্রিলের মতো গর্ত তৈরি করে। এদের মন্থকূপ বলে।
(পরীক্ষার খাতায় পেনসিল দিয়ে প্রতিটি ভূমিরূপের পাশে চিত্র আঁকা আবশ্যক)
৫.১.২ বায়ুমণ্ডলের উষ্ণতার তারতম্যের তিনটি প্রধান কারণ:
১. সূর্যরশ্মির পতনকোণ: নিরক্ষরেখা থেকে মেরুর দিকে সূর্যরশ্মির পতনকোণ ক্রমশ তির্যক হতে থাকে। লম্বালম্বি রশ্মি অল্প বায়ুমণ্ডল ভেদ করে অল্প জায়গায় পড়ে বলে উষ্ণতা বেশি হয় (নিরক্ষীয় অঞ্চল)। কিন্তু মেরু অঞ্চলে রশ্মি তির্যকভাবে বেশি দূরত্ব পেরিয়ে বিস্তীর্ণ স্থানে ছড়িয়ে পড়ে বলে উষ্ণতা অত্যন্ত কম হয়।
২. উচ্চতা বৃদ্ধি: ভূপৃষ্ঠ প্রধানত পরিচলন ও বিকিরণ পদ্ধতিতে নিচ থেকে ওপরের দিকে উত্তপ্ত হয়। ফলে উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে প্রতি ১০০০ মিটার উচ্চতায় বায়ুর উষ্ণতা গড়ে ৬.৪° সেলসিয়াস হারে হ্রাস পায় (নরমাল ল্যাপস রেট)। একারণেই সমতলের চেয়ে পাহাড়ে শীত বেশি।
৩. স্থলভাগ ও জলভাগের বণ্টন: জলভাগের তুলনায় স্থলভাগ দ্রুত উত্তপ্ত হয় এবং দ্রুত শীতল হয়। ফলে সমুদ্র উপকূলবর্তী অঞ্চলে সমভাবাপন্ন আবহাওয়া এবং মহাদেশের অভ্যন্তরীণ অঞ্চলে চরমভাবাপন্ন জলবায়ু পরিলক্ষিত হয়।
@ Class Ten Geography Question – WBNOTES.IN
৫.১.৩ শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত কীভাবে সংঘটিত হয়:
সংজ্ঞা ও প্রক্রিয়া: জলীয় বাষ্পপূর্ণ আর্দ্র বাতাস যখন ভূপৃষ্ঠের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়, তখন তার গতিপথে কোনো পর্বত বা উচ্চভূমি বাধা হয়ে দাঁড়ালে সেই বাতাস পর্বতের ঢাল বেয়ে ওপরে উঠতে বাধ্য হয়। ওপরে ওঠার সময় বায়ুর চাপ কমে এবং শৈত্যের সংস্পর্শে এসে বাতাস দ্রুত শীতল ও ঘনীভূত হয়ে মেঘ সৃষ্টি করে। এরপর পর্বতের যে ঢালে বায়ু ধাক্কা খায় (প্রতিবাত ঢাল বা Windward slope), সেখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায়; একে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত বলে।
বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল: প্রতিবাত ঢালে বৃষ্টি ঝরানোর পর জলীয় বাষ্পহীন শুষ্ক বাতাস যখন পর্বত পেরিয়ে বিপরীত ঢালে (অনুবাত ঢাল বা Leeward slope) পৌঁছায়, তখন তা নিচের দিকে নামতে থাকে। নামার ফলে উষ্ণতা বাড়ে এবং বাতাসের আর্দ্রতা ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। ফলে সেখানে বৃষ্টিপাত প্রায় হয়ই না। একে বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল বলে (যেমন মেঘালয়ের মৌসিনরামের বিপরীত প্রান্তে অবস্থিত শিলং একটি বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল)।
(খাতায় প্রতিবাত ও অনুবাত ঢাল দেখিয়ে একটি সরল স্কেচ আঁকতে হবে)
৫.১.৪ সমুদ্রস্রোত সৃষ্টির প্রধান কারণ:
১. নিয়ত বায়ুপ্রবাহ: সমুদ্রস্রোত সৃষ্টির সর্বপ্রধান কারণ আয়ন, পশ্চিমী ও মেরু বায়ুর মতো নিয়ত বায়ুপ্রবাহ। এই বাতাস যেদিকে প্রবাহিত হয়, সমুদ্রের জলরাশিকে ঠেলে সেই দিকেই প্রধান সমুদ্রস্রোত তৈরি করে (যেমন আয়ন বায়ুর প্রভাবে উত্তর ও দক্ষিণ নিরক্ষীয় স্রোতের সৃষ্টি)।
২. পৃথিবীর আবর্তন গতি ও কোরিওলিস বল: পৃথিবীর ঘূর্ণনের ফলে সৃষ্ট কোরিওলিস বলের প্রভাবে সমুদ্রস্রোত উত্তর গোলার্ধে ডানদিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাঁদিকে বেঁকে প্রবাহিত হয় (ফেরেলের সূত্রানুসারে)।
৩. সমুদ্রজলের ঘনত্ব ও উষ্ণতার পার্থক্য: মেরু অঞ্চলের শীতল ও ভারী জল সমুদ্রের নিচ দিয়ে অন্তঃস্রোত হিসেবে নিরক্ষরেখার দিকে বয় এবং নিরক্ষীয় অঞ্চলের উষ্ণ হালকা জল ওপর দিয়ে বহিঃস্রোত রূপে মেরুর দিকে প্রবাহিত হয়।
৫.২ আঞ্চলিক ভূগোল
৫.২.১ উত্তর ভারত ও দক্ষিণ ভারতের নদনদীর তুলনা:
| তুলনার বিষয় | উত্তর ভারতের নদনদী (যেমন গঙ্গা, সিন্ধু) | দক্ষিণ ভারতের নদনদী (যেমন গোদাবরী, কৃষ্ণা) |
| উৎপত্তি | হিমালয় পর্বতের বরফাবৃত হিমবাহ থেকে। | পশ্চিমঘাট বা মধ্য ভারতের মালভূমি থেকে। |
| জলের স্থায়িত্ব | বরফগলা জল ও বৃষ্টি—উভয় দ্বারাই পুষ্ট, তাই চিরপ্রবাহী বা নিত্যবহ। | কেবল মৌসুমি বৃষ্টির জলে পুষ্ট, তাই অনিত্যবহ (গ্রীষ্মে জল শুকিয়ে যায়)। |
| নাব্যতার মান | সমতল প্রবাহে সারা বছর জল থাকায় অত্যন্ত নাব্য ও নৌপরিবহনযোগ্য। | পাথুরে ও অসমান ভূমিরূপের জন্য অনাব্য; তবে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনে বেশি উপযোগী। |
| বদ্বীপ গঠন | দীর্ঘ গতিপথ ও বিপুল পলি বহন করায় মোহনায় সুবৃহৎ বদ্বীপ গঠিত হয়েছে। | পশ্চিমবাহিনী নদীতে বদ্বীপ নেই, পূর্ববাহিনী নদীতে ক্ষুদ্র বদ্বীপ আছে। |
@ Class Ten Geography Question – WBNOTES.IN
৫.২.২ ভারতে চা চাষের অনুকূল ভৌগোলিক পরিবেশ:
প্রাকৃতিক পরিবেশ:
১. উষ্ণতা ও বৃষ্টিপাত: ২০° থেকে ৩০° সে. উষ্ণতা চা গাছের বৃদ্ধির জন্য আদর্শ। ১৫০ থেকে ২৫০ সেমি পরিমিত ও নিয়মিত বৃষ্টিপাত প্রয়োজন।
২. ঢালু পাহাড়ি জমি: চা গাছের গোড়ায় জল জমলে গাছ পচে যায়। তাই দ্রুত জল নিষ্কাশনযুক্ত পাহাড়ি ঢালু জমি অত্যন্ত আবশ্যক।
৩. মৃত্তিকা: হিউমাস ও লোহাযুক্ত উর্বর দোআঁশ মাটি এবং অ্যাসিডিক মৃত্তিকা চা চাষের শ্রেষ্ঠ উপযোগী।
অর্থনৈতিক পরিবেশ:
১. সুলভ শ্রমিক: দুটি পাতা ও একটি কুঁড়ি তোলার জন্য প্রচুর দক্ষ ও সস্তা মহিলা শ্রমিকের প্রয়োজন হয়।
২. কারখানা ও পরিবহন: পাতা তোলার পরপরই তা প্রক্রিয়াকরণের জন্য বাগিচার কাছেই আধুনিক কারখানা এবং বন্দরমুখী দ্রুত পরিবহন ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন।
৫.২.৩ পশ্চিম ভারতে কার্পাস বয়ন শিল্পের কেন্দ্রীভবনের কারণ:
মহারাষ্ট্র ও গুজরাটের মুম্বাই, সুরাট, আমেদাবাদে এই শিল্পের সর্বাধিক বিকাশ ঘটার প্রধান কারণগুলি হল:
১. কাঁচামালের সহজলভ্যতা: নিকটবর্তী দাক্ষিণাত্যের ব্যাসল্ট শিলাজাত রেগুর বা কালো মাটি অঞ্চল ভারতের সেরা তুলো উৎপাদন ক্ষেত্র, যা কাঁচামালের নিয়মিত জোগান দেয়।
২. আর্দ্র সামুদ্রিক জলবায়ু: আরব সাগরের নিকটবর্তী হওয়ায় বাতাস আর্দ্র থাকে। আর্দ্র আবহাওয়ায় সুতো কাটার সময় সুতো ছিঁড়ে যায় না।
৩. বন্দর ও রফতানি সুবিধা: মুম্বাই ও কান্ডালা বন্দরের মাধ্যমে সহজেই বিদেশি আধুনিক যন্ত্রপাতি ও উচ্চমানের সুতো আমদানি এবং সুতিবস্ত্র বিদেশে রফতানি করা সম্ভব হয়।
৪. বিদ্যুৎ ও জল: পশ্চিমঘাট পর্বতের জলবিদ্যুৎ এবং টাটা হাইড্রো-ইলেকট্রিক প্রজেক্ট থেকে প্রচুর সস্তা বিদ্যুৎ ও উৎপাদনের প্রয়োজনীয় মিষ্টি জল সহজেই মেলে।
৫.২.৪ ভারতের নগরায়নের প্রধান সমস্যাগুলি:
১. অপরিকল্পিত বৃদ্ধি ও বস্তি সমস্যা: দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে শহরগুলিতে তীব্র বাসস্থানের সংকট তৈরি হয় এবং মুম্বাইয়ের ধারাবীর মতো অস্বাস্থ্যকর, ঘিঞ্জি বস্তি (Slum) গড়ে ওঠে।
২. যানজট ও পরিবহনের ঘাটতি: ব্যক্তিগত গাড়ির সংখ্যা বিপুল বাড়ায় রাস্তাঘাটে চরম যানজট তৈরি হয় এবং সময় ও জ্বালানির ব্যাপক অপচয় ঘটে।
৩. জলকষ্ট ও বর্জ্য নিষ্পত্তির সংকট: পর্যাপ্ত পানীয় জলের অভাব এবং প্রতিদিনের বিপুল পরিমাণ কঠিন ও তরল বর্জ্যের উপযুক্ত পুনর্ব্যবহার বা নিকাশি ব্যবস্থার অভাবে নাগরিক জীবন বিপর্যস্ত হয়।
@ Class Ten Geography Question – WBNOTES.IN
বিভাগ ‘চ’ (ভারত মানচিত্র চিহ্নিতকরণ নির্দেশিকা)
পরীক্ষার্থীদের জন্য মূল মানচিত্রে সঠিক স্থানে পয়েন্টিং করার নিয়মাবলী:
৬.১ কে-টু (K2): জম্মু ও কাশ্মীরের কারাকোরাম পর্বতশ্রেণীতে ভারত-অধিকৃত প্রান্তরেখার কাছে একটি ভরাট ত্রিভুজ ($\blacktriangle$) চিহ্ন দিয়ে চিহ্নিত করতে হবে।
৬.২ নর্মদা নদী: মহাকাল পর্বতের অমরকণ্টক থেকে উৎপন্ন হয়ে বিন্ধ্য ও সাতপুরা পর্বতের মধ্যবর্তী গ্রস্ত উপত্যকা দিয়ে সোজা পশ্চিমে গিয়ে খাম্বাত উপসাগরে মেশা রেখাটিকে নীল রঙে চিহ্নিত করতে হবে।
৬.৩ মৌসিনরাম: মেঘালয় রাজ্যের খাসি পাহাড়ের দক্ষিণ প্রান্তে একটি বিন্দু দিয়ে নির্দেশ করতে হবে।
৬.৪ কৃষ্ণ মৃত্তিকা অঞ্চল: মহারাষ্ট্রের সিংহভাগ এলাকা এবং গুজরাটের দক্ষিণাংশকে ছায়াবৃত (Shading) করে চিহ্নিত করতে হবে।
৬.৫ ভারতের চিরহরিৎ অরণ্য অঞ্চল: পশ্চিমঘাট পর্বতের পশ্চিম ঢাল অথবা অসম ও অরুণাচল প্রদেশের পাদদেশ অঞ্চলকে গাছের প্রতীক বা রেখাঙ্কন দিয়ে দেখাতে হবে।
৬.৬ উত্তর ভারতের গম উৎপাদক অঞ্চল: পঞ্জাব ও হরিয়ানা রাজ্য সংলগ্ন সমভূমি অঞ্চলকে চিহ্নিত করতে হবে।
৬.৭ ভারতের বৃহত্তম মোটরগাড়ি নির্মাণ কেন্দ্র (গুরগাঁও): হরিয়ানা রাজ্যের দক্ষিণ অংশে, দিল্লির সংলগ্ন স্থানে বিন্দু দিয়ে চিহ্নিত করতে হবে।
৬.৮ পূর্ব ভারতের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (কলকাতা): পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ভাগে দমদম/কলকাতা অবস্থানটি একটি ছোট বিমানের প্রতীকে আঁকতে হবে।
৬.৯ মার্মাগাও বন্দর: গোয়া রাজ্যের উপকূলীয় খাঁড়ির মুখে একটি নোঙরের প্রতীক দিয়ে নির্দেশ করতে হবে।
৬.১০ করমণ্ডল উপকূল: ভারতের পূর্ব উপকূলে তামিলনাড়ু রাজ্যের উপকূল রেখাটিকে বন্ধনী বা রঙের মাধ্যমে চিহ্নিত করতে হবে (যেখানে বছরে দু-বার বৃষ্টিপাত হয়)।
LINK TO VIEW PDF FILE (ONLY FOR SUBSCRIBERS)
দশম শ্রেণির বাংলা সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দেখতে নিম্নের ছবিতে ক্লিক/টাচ করতে হবে
সকল শ্রেণির বাংলা অধ্যায় ভিত্তিক প্রশ্নের উত্তর দেখতে নিম্নের ছবিতে ক্লিক/টাচ করতে হবে
আমাদের কথাঃ পশ্চিমবঙ্গ মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদ ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সকল শিক্ষার্থীদের অনলাইন পড়াশোনায় সহায়তা প্রদান করাই আমাদের লক্ষ্য।
পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বাংলা, ইংরেজি, ইতিহাস, ভূগোল, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, শিক্ষাবিজ্ঞান, দর্শন, সংস্কৃত প্রভৃতি বিষয়ে অনলাইন সহায়তা প্রদান করা হবে। @ Class Ten Geography Question – WBNOTES.IN
ভালো করে পড়াশোনা করা কেবল পরীক্ষায় ভালো নম্বর পাওয়ার মাধ্যম নয়, বরং এটি একজন মানুষের সামগ্রিক জীবন গঠনের মূল ভিত্তি। সঠিক শিক্ষা মানুষের চিন্তাভাবনাকে উন্নত করে এবং ব্যক্তিত্বকে বিকশিত করে।
জ্ঞান ও দক্ষতার বিকাশ গভীর মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করলে যেকোনো বিষয়ের মূল ধারণা পরিষ্কার হয়। এটি বাস্তব জীবনে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং জটিল সমস্যার সমাধান করার দক্ষতা তৈরি করে।
উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও আত্মনির্ভরশীলতা বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক যুগে ভালো ক্যারিয়ার গঠনের জন্য উপযুক্ত শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। ভালো পড়াশোনা ভালো কাজের সুযোগ তৈরি করে, যা একজন ব্যক্তিকে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী ও আত্মবিশ্বাসী করে তোলে। @ Class Ten Geography Question – WBNOTES.IN
নৈতিকতা ও সামাজিক সচেতনতা প্রকৃত শিক্ষা মানুষের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ, সহমর্মিতা এবং দায়িত্ববোধ জাগ্রত করে। একজন সুশিক্ষিত মানুষ নিজের অধিকারের পাশাপাশি অন্যের প্রতি কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন থাকেন, যা একটি সুস্থ ও সুন্দর সমাজ গঠনে সহায়ক।
পড়াশোনাকে শুধু মুখস্থবিদ্যার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে তা ভালোভাবে উপলব্ধি করে শেখা উচিত। নিয়মিত ও পরিকল্পিত অধ্যবসায় একজন সাধারণ শিক্ষার্থীকেও অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিতে পারে। তাই সফল, সচেতন ও মার্জিত মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার জন্য ভালো করে পড়াশোনা করা অত্যন্ত জরুরি।
আমরা প্রতিনিয়ত আমাদের WBNOTES.IN ওয়েবসাইটে শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন নতুন আলোচনা প্রদান করবার প্রচেষ্টা করে চলেছি। সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের প্রতি অনুরোধ- আপনারা আপনাদের পরিচিতদের সাথে আমাদের WBNOTES.IN ওয়েবসাইটটিকে শেয়ার করবেন। @ Class Ten Geography Question – WBNOTES.IN
আমাদের লক্ষ্যঃ পশ্চিমবঙ্গের সকল শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের কাছে সহজবোধ্য ভাষায় বিবিধ বিষয়ের একটি সুসংগঠিত অনলাইন শিক্ষা পরিষেবা পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য। আর্থিকভাবে অনগ্রসর শিক্ষার্থীদের জন্য আমরা যেমন বিনামূল্যে জ্ঞানার্জনের সুবিধা প্রদান করেছি; আবার মাননীয় শিক্ষকদের সুবিধার্থে এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষা প্রস্তুতি প্রদানের লক্ষ্যে আমাদের WBNOTES.IN ওয়েবসাইটের পক্ষ থেকে প্রদান করা হচ্ছে নরমাল ও প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন। আমাদের সাবস্ক্রীপশন পেজে আপনারা এই সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য পেয়ে যাবেন।






















